| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
সূরাঃ ১৮ কাহফ, ৮২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮২। আর ঐ দেয়ালটি ছিল নগরবাসী দুই পিতৃহীন বালকের।যার নীচে রয়েছে তাদের গুপ্তধন।আর তাদের পিতাছিল সালেহ বা সৎকর্মপরায়ন।সুতরাং আপনার প্রতিপালক দয়া পরবশ হয়ে ইচ্ছা করলেন যে তারা বয়ঃপ্রাপ্ত হয়ে তাদের ধনভান্ডার উদ্ধার করুক।আমি নিজ হতে কিছু করিনি। আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য ধরতে অপারগ হয়েছিলেন এটা তার ব্যাখ্যা।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে ওলামা (আলেমরা) তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?
* নবির (সা.) ফতোয়া ওহী অনুযায়ী। ওলীর ফতোয়া আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী। ওলামার ফতোয়া হয় শুরা ভিত্তিক। আখারিন এভাবে ফতোয়া দিতেন। ব্যক্তিগত ফতোয়া শয়তানের কুমন্ত্রণা।অচল কথা চালানোর জন্য সে কসম করে কথা বলে।ওলামার শুরার ফতোয়ায় কসমের দরকার হয় না। আল্লাহ কসমের অধিকারী। নবির কসম নবুয়তের অধিকারে। শয়তানের কসম অনধিকার চর্চা।সুতরাং আলেম পরিচয়ে কেউ ফতোয়া দিলে যাচাই না করে মানা যাবে না।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: নির্বাচনে কিছু অর্বাচিনের ফতোয়া চালাচালি বিষয়ে পোষ্টটি লেখা হয়েছে।এসব ফতোয়া অহেতুক যা জনগণ কর্তৃক গৃহিত হয় না।
২|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ফতোয়া নিয়ে আলোচনা কালে পবিত্র কোরানের অনেক প্রবসঙ্গিক আয়াত সরল অর্থ সহ তুলে ধরেছেন ।
বিষয়টিকে ভাল করে বুঝতে আমাকে বেশ কিছু পড়াশুনা করতে হয়েছে কোনরূপ মন্তব্য লিখার পুর্বে ।
ফতোয়া কি , কেন , কোন পর্যায়ে দিতে হয় , ফতোয়া প্রদানের পদ্ধতিই বা কি , কে ফতোয়া দিতে
উপযুক্ত আলেম কিংবা ওলামা সে বিষয়ে ভাল ধারনা না থাকলে কেমন পাঠক প্রতিক্রিয়া হতে পারে
তা উপরে থাকা সামু ব্লগের একজন বিজ্ঞ ও গুণী ব্লগারের মন্তব্য হতেই প্রতিয়মান হয় ।
তাই এ বিষয়ে এই মন্তব্যের ঘরে আমার প্রাসঙ্গিক লিটারেচার পর্যালোচনা কৃত বিষয়াবলি একটু তুলে
ধরলাম নীচে ।
ঠিকই বলেছেন ইসলামী শরিয়াহ একটি নৈতিক ও আইনগত জীবনব্যবস্থা, যার মূল উৎস কোরআন ও সুন্নাহ।
অনেকের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, যেহেতু কোরআনে হালাল হারাম ও ন্যায় অন্যায়ের বিধান
স্পষ্টভাবে বর্ণিত, তাই ইসলামে ফতোয়ার প্রয়োজন নেই। বরং ফতোয়া দেওয়া হয় কোনো অনিয়মকে বিশেষ
ব্যাখ্যা বা কৌশলগত যুক্তির মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার জন্য। তাই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন।
মুলত ফতোয়া হলো কোনো নির্দিষ্ট প্রশ্ন বা বাস্তব পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে শরিয়াহর আলোকে একজন যোগ্য ইসলামী আইনবিশারদের (মুফতি) প্রদত্ত আইনগত মতামত। এটি কোনো বাধ্যতামূলক আইন নয় এবং বিচারিক রায়
হিসেবেও গণ্য হয় না। বরং ফতোয়া একটি ব্যাখ্যামূলক মতামত, যার উদ্দেশ্য হলো প্রশ্নকারীকে শরিয়াহসম্মত
সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফতোয়া সর্বজনীন বিধান নয়; এটি সময়, স্থান, পরিস্থিতি ও প্রশ্নকারীর বাস্তবতার
সাথে সম্পর্কিত।
কোরআন ইসলামের প্রধান উৎস এবং এতে নৈতিকতা, আইন ও জীবনব্যবস্থার মৌলিক নীতিসমূহ সুস্পষ্টভাবে
বর্ণিত। যেমন সুদ, জুলুম, ব্যভিচার ও অন্যায় স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ। তবে কোরআন একটি আইনসংহিতার মতো
প্রতিটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির বিস্তারিত বিধান উপস্থাপন করেনি। বরং এটি নীতিনির্ভর কাঠামো প্রদান করেছে।
আধুনিক সমাজে উদ্ভূত বহু বিষয় যেমন কোরআনে স্পষ্ট করে বলা আছে সুদ হারাম,জুলুম হারাম, ব্যভিচার
হারাম কিন্তু কোরআনে নেই ক্রেডিট কার্ডের সুদ,ডিজিটাল ব্যাংকিং,ইনস্যুরেন্স,অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট,টেস্টটিউব
বেবি,অনলাইন ব্যবসা,আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা, নতুন সামাজিক ও প্রযুক্তিগত বাস্তবতাএখানেই ফতোয়ার প্রয়োজন
হয় এই নতুন বাস্তবতাগুলোকে কোরআন সুন্নাহর মূলনীতির আলোকে বোঝার জন্য।
একটি গ্রহণযোগ্য ফতোয়া প্রদানের জন্য সুসংগঠিত পদ্ধতি অনুসরণ করা অপরিহার্য। সাধারণত এই প্রক্রিয়ায়
নিম্নলিখিত ধাপসমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকে:
১. প্রশ্ন ও বাস্তবতার সঠিক অনুধাবন
২. কোরআনের প্রাসঙ্গিক আয়াত পর্যালোচনা
৩. সুন্নাহ ও সহিহ হাদিসের আলোকে বিশ্লেষণ
৪. পূর্ববর্তী আলেমদের ইজমা (ঐকমত্য) বিবেচনা
৫. কিয়াস বা যুক্তিনির্ভর তুলনা প্রয়োগ
৬. মাকাসিদুশ শরিয়াহ (শরিয়াহর উদ্দেশ্য) সংরক্ষণের বিষয়টি মূল্যায়ন
এই কাঠামো নির্দেশ করে যে, ফতোয়া কোনো ব্যক্তিগত মত বা স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি একটি
শাস্ত্রীয় ও যুক্তিনির্ভর প্রয়াস।
তাত্ত্বিকভাবে ফতোয়ার উদ্দেশ্য অনিয়মকে বৈধ করা নয়। তবে বাস্তবতায় ফতোয়ার অপব্যবহার অস্বীকার
করার সুযোগ নেই। ক্ষমতা, রাজনীতি, অর্থনৈতিক স্বার্থ বা গোষ্ঠীগত সুবিধার জন্য কখনো কখনো ফতোয়াকে
ব্যবহার করা হয় অন্যায়কে ন্যায্য প্রমাণের হাতিয়ার হিসেবে।
এই অপব্যবহার কয়েকটি রূপে প্রকাশ পায় যথা সুবিধাজনক আলেম নির্বাচন, প্রশ্নে আংশিক বা বিকৃত তথ্য
উপস্থাপন,প্রভাবশালী মহলের চাপ,ফতোয়াকে বাধ্যতামূলক আইন হিসেবে উপস্থাপন এক্ষেত্রে সমস্যা ইসলামের
ফতোয়া ব্যবস্থার নয়; বরং মানুষের নৈতিক বিচ্যুতি ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগের।
নৈতিকতা ও অপরাধবিরোধী বক্তব্য যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, তখন তা
সামাজিক মনস্তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচন করে। সাধারণ নীতিগত বক্তব্য যদি কাউকে ব্যক্তিগত
আক্রমণ বলে মনে হয়, তবে তা আত্মসংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দেয়। এই প্রেক্ষাপটে ফতোয়ার আড়ালে আত্মরক্ষার
প্রবণতা সমাজে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতাকে দুর্বল করে।
মুলকথা হল ফতোয়া ইসলামী আইনব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যামূলক উপাদান, যা সময় ও বাস্তবতার
পরিবর্তনের সাথে শরিয়াহর নীতিকে প্রয়োগযোগ্য করে তোলে। এটি কোরআনের বিকল্প নয়, বরং কোরআনের
নীতির প্রয়োগমাত্র। তবে ফতোয়া দিতে হবে যথাযোগ্য ইসলামী আইন বিষারদ বা মুফতির মাধ্যমে সত্যনিষ্ট
ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে । কোন অযোগ্য আলেম নামদারী ফতোয়া দিলে মেটি তো এমনিতেই গ্রহনযোগ্য
হবেনা । অপর দিকে কোন বিজ্ঞ ওলামা কতৃক প্রদত্ত ফতোয়ার অপব্যবহারও একটি বাস্তব সমস্যা, যা
ইসলামের নয় বরং মানুষের নৈতিক ব্যর্থতার প্রতিফলন। সুতরাং দেখতে হবে ফতোয়াকে যেন কোন অনিয়ম
বৈধ করার কৌশল হিসেবে নয়, বরং ন্যায় ও নৈতিকতার অনুসন্ধান হিসেবে মূল্যায়ন করা হয় ।
ধন্যবাদ ফতোয়া বিষয়ে একটি মুল্যবান পোস্ট দিয়ে সেখানে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরী করে
দেয়ার জন্য ।
শুভেচ্ছা রইল
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি পোষ্ট বুঝার যথেষ্ট সহায়ক। যথাযথ মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
৩|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তাত্ত্বিকভাবে ফতোয়ার উদ্দেশ্য অনিয়মকে বৈধ করা নয়।
......................................................................................
বাস্তবতা হলো ,
ফতোয়ার উদেশ্যই থাকে নিজ অনুকূলে রায় নেবার প্রচেষ্টা ।
যেখানে দরিদ্র শ্রেণী অজ্ঞ ও ভীতু সেখানে এর প্রয়োগ অত্যন্ত
অমানবিক আচরন করে ।
মাত্র সেদিন চোখের সামনে এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটল ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আলেম নয় ফতোয়া দিবেন ওলামা, আলেমের ফতোয়ায় শয়তানী
সন্দেহের অবকাশ থাকায় যাচাই করে মানতে হয়
..........................................................................................
দেশে যখন আর্ন্তজাতিক আইন প্রতিষ্ঠিত সেখানে ফতোয়ার
প্রয়োজন থাকবে কেন ???