নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামপন্থীদের আল্লাহর প্রতি জুলুম তাদের ফিতনায় পড়ার প্রধান কারণ

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫১



সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৫ মায়িদাহ, ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত, রক্ত, শূকরমাংস, আল্লাহ ব্যতীত অপরের নামে যবেহকৃত পশু, আর শ্বাসরোধে মৃত জন্তু, প্রহারে মৃত জন্তু, শৃংগাঘাতে মৃত জন্তু এবং হিংস্র পশুতে খাওয়া জন্তু, তবে যা তোমরা যবেহ করতে পেরেছ তা’ ব্যতীত, আর যা মূর্তি পুজার বেদির উপর বলি দেওয়া হয় তা এবং জুয়ার তীরদ্বারা ভাগ্য নির্ণয় করা, এ সব পাপ কাজ। আজ কাফেরগণ তোমাদের দ্বীনের বিরুদ্ধাচরণে হতাশ হয়েছে; সুতরাং তাদেরকে ভয় করবে না, শুধু আমাকে ভয় কর। আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম। তবে কেহ পাপের দিকে না ঝুঁকে ক্ষুধার তাড়নায় বাধ্য হলে তখন আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াত ও সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতে আল্লাহ অভিন্ন ফিকাহের কথা বললেন ইসলামপন্থীগণ তখনও অভিন্ন ফিকাহ সংকলন প্রস্তত করা শুরু করেনি।ইন্তেকালের সময় রাসূল (সা.)কিছু কথা লিখিয়ে দিতে চাইলেন হযরত ওমর (রা.) বললেন লাগবে না আমাদের জন্য কোরআন যথেষ্ট ইসলামপন্থীগণ তখন হাউ কাউ করলেন। সূরাঃ ৫ মায়িদাহ, ৩ নং আয়াত অনুযায়ী আল্লাহ পূর্ণাঙ্গ দ্বীন হিসাবে কোরআন নাযিলের পর কোরআন আমাদের জন্য যথেষ্ট না হওয়ার কারণ কি? তাহলে হযরত ওমরের (রা.) সাথে ইসলামপন্থীদের মতভেদের কারণ কি? সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াত অনুযায়ী মেরাজের ঘটনায় সত্যবাদী হযরত আবু বকর (রা.)। রাসূলের (সা.) পর কোরআন অনুযায়ী হযরত ওমর (রা.) হযরত আবু বকরের (রা.) নাম খলিফা হিসাবে প্রস্তাব করে দোষটা করলেন কি? তথাপি গাদির খুমের হাদিস দিয়ে তাঁর বিরোধীতা কেন করা হলো? হাদিস কি কোরআন থেকে বড় নাকি? তাহলে রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পরেই মুসলমান ফিতনায় পড়ে যুদ্ধে জড়ালে আল্লাহ কি করবেন? সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াত অনুওযায়ী কোরআনের তিন খলিফার পর হাদিসের খলিফা হযরত আলী (রা.) খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সাথেই মুসলমানগণ পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হলেন।তাতে বহুলোক কাফের হয়ে গেল। তারপর খেলাফত বিভক্ত হলো। তারপর সাহাবার (রা.) উপরে স্থান দেওয়া হলো তাবেঈ ইয়াজিদকে। তাতে কাফের সংখ্যা আরো অনেক বেড়ে গেলো। তারা কারবালায় জান্নাতের যুবনেতা হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। এমন হত্যাকান্ডের বিচার করেনি ইয়াজিদ তথাপি ইসলামপন্থীরা তাকে সম্মান করলে বিষয়টা কি হলো? ইমাম হোসেন তো সাহাবা (রা.) ছিলেন। আল্লাহতো তাঁকে ভালোবাসতেন। তথাপি তাঁর হত্যাকান্ডের যে বিচার করেনি ইসলামপন্থীরা তাকে লাথিমেরে খেলাফত থেকে বিদায় করেনি। তখন থেকে এখন পর্যন্ত ইসলামপন্থীরা অসহায় অবস্থায় বিদ্যমাণ।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

* অবশেষে আল্লাহ ব্যবসায় হিকমাতে যুক্ত ইমাম আবু হানিফার (র.) শুরায় ফিকাহ সংকলন করালেন।সামরিক হিকমাতে যুক্ত ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির হারুনুর রশিদের শুরায় এটি পরিশোধন করিয়ে আমির কর্তৃক অনুমোদন করালেন। তখন দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হলো। এখনো দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী আছে। এটি ছাড়া আর কোন ফিকাহকে অভিন্ন ফিকাহ প্রমাণ করা যায় না। তাহলে ইসলামপন্থীরা কিসের ভিত্তিতে বলে যে কোন একটি ফিকাহ বা সহিহ হাদিস মানলেই চলবে? আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আল্লাহ তো হাদিস বাতিল করে দিলেন তাহলে আহলে হাদিসের এ দাজ্জালগুলা কোথাথেকে এলো? আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আল্লাহ তো কোরআন মানসুখ করলেন তাহলে আহলে কোরআনের এ দাজ্জালগুলাইবা কোথা থেকে এলো? আহলে সুন্নাত হলো আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী তারা এখন কোথায়? তারা ছাড়া অন্যযারা নিজেদেরকে ইসলামপন্থী দাবী করছে তারা মিথ্যাবাদী আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমতা দিচ্ছেন না। যারা যে কোন একটি ফিকাহ বা সহিহ হাদিস মানলে চলবে বলছে তারা মিথ্যাকথা বলছে।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

* অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী একতৃতীয়াংশ ভোটোরের একটি দল পেলে তাদেরকে আল্লাহর ক্ষমতা প্রদানের সম্ভাবনা আছে। তারজন্য আল্লাহর ঘরসমূহে অভিন্ন ফিকাহের তালিমের ব্যবস্থা করতে হবে এবং মহিলারা তাদের ঘরে অভিন্ন ফিকাহের তালিমের ব্যবস্থা করবেন। যে দল এ কাজ করবে তাদের দলে অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী একতৃতীয়াংশ ভোটার জড় হলে আশা করা যায় তারা ক্ষমতা পাবে। তথাপি কোন দল ক্ষমতা না পেলে তারা আমার নিকট আসলে আমি কোরআন দিয়ে সেক করে দেখব তারা কেন ক্ষমতা পাচ্ছে না। কোরআন বুঝতে হিকমাত লাগে। আমার মধ্যে আছে আইসিটি হিকমাত। আমার মনে উদয় হওয়া প্রশ্ন সমূহের উত্তর আমি কোরআন থেকে জেনে থাকি।জমিয়ত, জামায়াত, সুন্নীজোট, মজলিশ ও চরমোনাই কেউ ক্ষমতা পাচ্ছে না। জাতীয় সংসদে জমিয়ত আসন শূন্য, সুন্নীজোট আসন শূন্য, চরমোনাই আসন এক, জামায়াত আসন আটষট্টি।আমি যারা দুইশ প্লাস আসন পেয়েছে আমি তাদের দলে ছিলাম। কারণ ইসলাম পন্থীরা আসলে তাদের থেকে উত্তম নয়। ইসলাম পন্থীদের সকল দলের দ্বিতীয় পছন্দ সেই দল। আর তারা একদল অন্য দলকে প্রচন্ড ঘৃণা করে। এ অবস্থার অবসান না হলে আমি ইসলাম পন্থীদের সকল দলের দ্বিতীয় পছন্দেই থেকে যাব। এবার সেইটা যেই দল হয় হোক। এ অবস্থার উত্তরণে আমি একটা ইসলামী গবেষণা সংস্থা স্থাপন করতে চাই। যাতে ইসলামী সকল দল তাদের প্রতিনিধি পাঠাবে। সেই ইসলামী গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে ইসলামপন্থীদের মতভেদ দূর করা গেলে এবং তাদেরকে এক জোটে জোটবদ্ধ করা গেলে তখন আমি তাদের জোটের পক্ষে থাকব।নতুবা মতভেদে আক্রান্ত ইসলাম পন্থীদের সাথে থাকায় আমার কোন গরজ পড়েনি।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: পন্থী মানে কি?
সবাইকে হতে হবে আল্লাহরপন্থী।
হাদিস পন্থী, ইসলাম পন্থী, শিয়া পন্থী হওয়া যাবে না।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সবাইকে হতে হবে আল্লাহরপন্থী- এটাই সঠিক।

২| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমি ভাই শুধু আল্লাহপন্থী।
তাই আমি সমস্ত রকম ঝামেলা থেকে মুক্ত।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আমরা ভাবছি না।

৩| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আসমান ও জমিনের মালিক জানেন , জামায়াত দেশ পরিচালনা করতে পারবে না । জামায়াত কে সে কারণে তিনি হারিয়ে দিয়েছেন । পাশাপাশি সুযোগ দিয়ে দেখেছেন যে তারা কেমন আচরণ করে ৭৭ আসনে ।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তারা ভালো বিরোধী দল হলে ভালো হবে।

৪| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

কাঁউটাল বলেছেন: ইসলামপন্থীদের আল্লাহর প্রতি জুলুম তাদের ফিতনায় পড়ার প্রধান কারণ

কারণ জোমাতি মৌদুদিবাদিরা শয়তানপন্থি, উহারা মানুষকে ধোকা দেয়।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: মৌদুদীবাদে অনেক সমস্যা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.