নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

এলেমের মধ্যে হিকমাতের এলেম না থাকলে কেউ আলেম হয় না

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬




সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ৫ মায়িদাহ, ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত, রক্ত, শূকরমাংস, আল্লাহ ব্যতীত অপরের নামে যবেহকৃত পশু, আর শ্বাসরোধে মৃত জন্তু, প্রহারে মৃত জন্তু, শৃংগাঘাতে মৃত জন্তু এবং হিংস্র পশুতে খাওয়া জন্তু, তবে যা তোমরা যবেহ করতে পেরেছ তা’ ব্যতীত, আর যা মূর্তি পুজার বেদির উপর বলি দেওয়া হয় তা এবং জুয়ার তীরদ্বারা ভাগ্য নির্ণয় করা, এ সব পাপ কাজ। আজ কাফেরগণ তোমাদের দীনের বিরুদ্ধাচরণে হতাশ হয়েছে; সুতরাং তাদেরকে ভয় করবে না, শুধু আমাকে ভয় কর। আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন মনোনীত করলাম। তবে কেহ পাপের দিকে না ঝুঁকে ক্ষুধার তাড়নায় বাধ্য হলে তখন আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

* পূর্ণাঙ্গ দ্বীনি এলেম হলো কিতাব ও হিকমাতের এলেম।

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩১ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমকে যাবতীয় নাম শিক্ষা দিলেন, তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন করে বললেন, ‘এগুলোর নাম আমাকে বলে দাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৬। অতঃপর শয়তান সেখান থেকে তাদের পদস্খলন ঘটালো এবং তারা যেখানে ছিল সেখান থেকে তাদেরকে বের করল। আর আমরা বললাম, ‘তোমরা একে অন্যের শক্র রূপে নেমে যাও; এবং কিছু দিনের জন্য তোমাদের বসবাস ও জীবিকা রইল যমীনে।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

*আলেম আল্লাহকে ভয় করে। হিকমাত শিক্ষার পূর্বে হযরত আদম (আ.) এলেম শিখে আল্লাহকে ভয় না করে শয়তানের কথা শুনে জান্নাত থেকে বের হয়ে আসতে বাধ্য হলেন। তারপর হযরত আদম (আ.)কৃষি হিকমাত ও হযরত হাওয়া (আ.) বস্ত্র বুনন হিকমাত লাভের পর এলেম শিখে আলেম হলেন। তারপর তাঁরা শয়তান থেকে আত্মরক্ষা করতে সক্ষম হলেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

*হিকমাতের এলেম ছাড়া কিতাবি এলেমে ফায়দা না থাকায় রাসূল (সা.) উম্মীগণকে কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দিয়েছেন। এখন যারা নিজেদেরকে আলেম দাবী করে তাদের কিতাবের এলেম থাকে তো হিকমাতের এলেম থাকে না, আবার হিকমাতের এলেম থাকে তো কিতাবের এলেম থাকে না।আলেম দাবীতে এরা সবাই মিথ্যাবাদী। এদের মধ্যে ফায়দা নাই। এবারের নির্বাচনে এরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি। তাহলে সাহাবায়ে কেরাম (রা.)ঐক্যবদ্ধ হতে পারেননি কেন?

সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ১ নং ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আর রাহমান (পরম মেহেরবান)।
২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।

সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* রাহমান যখন মোয়াল্লিম তখন তাঁর কিতাব শিক্ষার ছাত্রদের বয়স ছিল চল্লিশ বছর।রাসূলকে (সা.) যখন তিনি পড়তে বললেন তখন তাঁর বয়স ছিল চল্লিশ। রাসূলের (সা.) যেসব ছাত্রের নেতৃত্বে অনৈক্য হলো তাঁদের কেউ তাঁর চল্লিশ বছরের ছাত্র ছিলেন না। রাসূলের (সা.)যারা চল্লিশ বছরের ছাত্র ছিলেন যারা তাঁর চল্লিশ বছরের ছাত্র ছিলেন না তাঁরা যদি রাসূলের (সা.)চল্লিশ বছরের ছাত্রগণকে শিক্ষক হিসাবে গ্রহণ করতেন তাহলে হয়ত তাঁরা কিতাব শিক্ষা থেকে ফায়দা লাভ করে ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারতেন। তাহলে আলেম হওয়ার পদ্ধতি দাঁড়াল চল্লিশ বছর পর্যন্ত হিকমাত শিখবেন।চল্লিশের পরে দশ বছর কিতাব শিখবেন। তারপর পঞ্চাশ বছরে কেউ আলেম হবেন। হযরত ওমর (রা.) এমন আলেম ছিলেন। তিনি হযরত আলীকে (রা.) চেপে ধরে ঐক্যবদ্ধ রাখলেন। রাসূলের (সা.) চল্লিশ বছরের তিন শিক্ষার্থী প্রথম তিন খলিফা ঐক্য ধরে রাখতে পারলেও চল্লিশ বছরের কম বয়সি শিক্ষার্থী চতুর্থ খলিফা ঐক্য ধরে রাখতে পারলেন না। তাঁর সময়ে খেলাফত বিভক্ত হয় এবং তাঁর পরে খেলাফত বিলুপ্ত হয়। সঠিক আলেমের অভাবে খেলাফত আর ফিরেনি। এখন খেলাফত ফিরাতে কেউ সঠিক আলেম তৈরী করতে চাইলে আমি তাদেরকে হেল্প করতে রাজি আছি। তাঁরা দল প্রধান আছেন তাতে সমস্যা নাই আমি তাঁদেরকে আলেম হিসাবে প্রস্তুত করে তাঁদেরকে জোটগতভাবে ঐক্যবদ্ধ করে দেব- ইনশাআল্লাহ।আর যারা ঐক্যবদ্ধ হতে আসবে না তাদের হিসাব আল্লাহ পরে করবেন।তাদের বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত থাকার হেতু কি? আল্লাহ কি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পদ্ধতি বলে দেননি? তারা আমার নিকট আসলে আমি আগে তাঁদেরকে প্রয়োজনীয় হিকমাত শিক্ষা দেব। তারপর তাদের কিতাব শিক্ষায় ঘাটতি থাকলে সেটা দূর করব। আশাকরি তারপর তারা ঐক্যবদ্ধ হতে সক্ষম হবে -ইনশাআল্লাহ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.