নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মোত্তাকীদের ইমামের নেতৃত্বে অভিন্ন ফিকাহের ব্যাপক প্রসার ঘটালে আল্লাহ মুসলিম জাতির সাহায্য করতে পারেন

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৩২



সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* নিজেদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার সামরিক শক্তি অর্জন না করায় শত্রুর হামলার মোকাবেলায় বিভিন্ন স্থানে মুসলিম জাতির অসহায়ত্ব বিদ্যমাণ। গজায় আমরা বিষয়টা দেখেছি।আল্লাহ ফেরেশতা দিয়ে সাহায্য করলে তাদের এতটা দূরবস্থা হতো না। কিন্তু আল্লাহর মুসলিম জাতিকে সাহায্য না করার কারণ কি?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

* আল্লাহর ঐক্যের আদেশ অমান্য করে মতভেদে লিপ্ত হয়ে, বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়ে, পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হলে, ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) না করলে, কিভাবে মুসলিম জাতি আল্লাহর অনুগ্রহ প্রাপ্ত হবে? তাদের মতভেদের কারণ কি?

সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আর রাহমান (পরম মেহেরবান)।
২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।
৩। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন।
৪। তিনিই তাকে শিখিয়েছেন বাইয়ান (ভাব প্রকাশ করতে)।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানতো না।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

* কোরআনের বাইয়ানে লেখা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের ব্যাপক শিক্ষার ব্যবস্থা আল্লাহর ইচ্ছা। আল্লাহর এ ইচ্ছার বাস্তবায়ন না করায় আল্লাহ মুসলিম জাতিকে মতভেদে ডুবিয়ে দিয়েছেন।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* রেসালাতের দায়িত্ব রাসূলের (সা.) জন্য কঠিন থাকায় তিনি গাদির খুমে মাওলা আলীকে (রা.) কোরআনের বাইয়ানে লেখা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের ব্যাপক শিক্ষার ব্যবস্থার দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি সে দায়িত্ব শুরু না করায় রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময়ই রাসূলের (সা.) সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মতভেদে লিপ্ত হন। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের চব্বিশ বছর পরেও কোরআনের বাইয়ানে লেখা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের ব্যাপক শিক্ষার ব্যবস্থা হয়নি। তাতে একদল লোক খলিফা হযরত ওসমানকে (রা.) হত্যা করে বসে। উক্ত ঘটনার পর মাওলা আলীর (রা.) সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হন রাসূলের (সা.) স্ত্রী হযরত আয়েশা (রা.) ও রাসূলের (সা.) শালা হযরত মুয়াবিয়া (রা.)। সাহাবার (রা.) সাথে করা যুদ্ধে আল্লাহর ক্ষমার কারণে সাহাবা (রা.) মুমিন থাকলেও সকল অসাহাবা কাফের হয়ে গেছে। কারণ তারা আল্লাহর ক্ষমাপ্রাপ্তগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। কাফেরের এ সংখ্যা এমন বেড়েছে যে কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

* অবশেষে ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতৃত্বে আখারিনের শুরা কোরআনের বাইয়ানে লেখা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের শিক্ষার ব্যবস্থা করে এবং ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় মুসলিম বিশ্ব ইমাম আমির হারুনুর রশিদের শুরা এটি পরিশোধন করার পর আমির তা’ অনুমোদন করলে দুইতৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ২৫ ফুরকান, ৭৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৪। আর যারা প্রার্থনা করে, হে আমাদের প্রতি পালক! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান কর যারা হবে আমাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য ইমাম কর।

* কোরআনের বাইয়ানে লেখা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হলেও অজ্ঞ লোকেরা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে কোরআনের বাইয়ানে লেখা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়।গাজা ও ইরানের লোকেরা এসব মতভেদকারীর অনুসারী।তাদেরকে যে ফেরেশতা সাহায্য করছে না এ বিষয় স্পষ্ট। অন্য মুসলিমরা মোত্তাকীদের ইমামকে ইমাম মানে না। সুতরাং এখন কাজ মোত্তাকীদের ইমামের নেতৃত্বে অভিন্ন ফিকাহের ব্যাপক প্রসার ঘটানো। তাহলে আশা করা যায় আল্লাহ মুসলিম জাতির সাহায্য করতে পারেন।

সূরাঃ ১০১ কারিয়া, ৬ নং ও ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। তখন যার পাল্লা ভারী হবে
৭। সেতো লাভ করবে সন্তোষ জনক জীবন।

* প্রত্যেক দেশের ইমামের তালিকা করুন। ইমামের সংখ্যা অনুপাতে প্রত্যেক দেশকে চল্লিশ ভাগে ভাগ করুন। প্রত্যেক ভাগ থেকে ইমামের পাল্লা ভারী জামায়াতের ভোটে একজন করে শুরা সদস্য নির্বাচিত করুন। শুরা সদস্যের পাল্লাভারি জামায়াতের ভোটে একজন জাতীয় ইমাম নির্বাচিত করুন। প্রত্যেক দেশের জাতীয় ইমামগণের পাল্লা ভারী জামায়াতের ভোটে একজন বিশ্ব ইমাম নির্বাচিত করুন। সেই ইমামের নেতৃত্বে সারা বিশ্বে কোরআনের বাইয়ানে লেখা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের ব্যাপক শিক্ষার ব্যবস্থা করলে আশা করা যায় মুসলিম জাতি আল্লাহর সাহায্য পাবে। তখন মুসলিম জাতির পক্ষে আল্লাহ ফেরেশতা পাঠালে তারা আত্মরক্ষায় সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়। ফেরেশতার সহায়তায় মুসলিম জাতি প্রতিপক্ষের অস্ত্রের দখল নিয়ে তাদের অস্ত্রে তাদের বিনাশ ঘটাতে পারে। আমার এ নসিহত কোরআনে বাইয়ানে লেখা। মুসলিম জাতি এটি বিশ্বাস না করলে তারা যে ভাবে পারে শত্রুর মোকাবেলা করুক। তবে বিদ্যমাণ অবস্থায় শত্রুর মোকাবেলায় তাদের নিজ যোগ্যতায় টিকে থাকার কথা নয়। আর তারা আল্লাহর সাহায্য পেতে চাইলে তাদেরকে অবশ্যই আল্লাহর পছন্দের কাজ করতে হবে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.