নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৩)

০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



সূরাঃ ১৩ রাদ, ১১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১। মানুষের জন্য তার সম্মুখে ও পশ্চাতে একের পর এক প্রহরী থাকে। উহারা আল্লাহর আদেশে তার রক্ষণাবেক্ষণ করে। আর আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তন করেন না যতক্ষণ না ইহারা নিজ অবস্থা নিজে পরিবর্তন করে।কোন সম্প্রদায়ের সম্পর্কে যতি আল্লাহ অশুভ কিছু ইচ্ছা করেন তবে তা’ রদ হবার নয়।আর তিনি ব্যতীত তাদের কোন অভিভাবক নেই।

* অদৃশ্য প্রহরীরা আল্লাহর আদেশে মানুষের রক্ষণাবেক্ষণ করে।হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের বেলায় সেটি ঘটেনি। তাঁদের ক্ষেত্রে হত্যাকান্ড একটি চলমান ঘটনা। ইদানিং তাঁদের আলী খামেনীকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তাঁদের শিয়া তাঁদের জন্য লক্ষাধীক সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) অসম্মান করে। আর তাঁরা তাঁদের শিয়াকে উক্ত জঘণ্য কাজ থেকে বিরত রাখতে পারেন না। পক্ষান্তরে রাসূলের (সা.) চাচা আব্বাস (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের ক্ষেত্রে আয়াতে উল্লেখিত ঘটনা ঘটেছে। হযরত আব্বাস (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত কর্তৃক সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অসম্মানের ঘটনা ঘটেনি। তাঁরা হযরত মুয়াবিয়াকেও (রা.) অসম্মান করেননি। তাঁদের সৃষ্ট হানাফী কোন সাহাবার (সা.) অসম্মান সহ্য করে না। তারা হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) অসম্মানও সহ্য করে না। হযরত আব্বাসকে (সা.) আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করেছেন। উম্মতের অভিযোগ থেকে আল্লাহ তাঁকে সম্পূর্ণ পবিত্র রেখেছেন। তাঁরা ও তাঁদের অনুসারী হানাফীকে আল্লাহ একাধারে প্রায় বারশ বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রদান করেছেন। এখনো মুসলিম বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চল, জনসংখ্যা ও দেশ হানাফীদের। তাদের নেতাদের ক্ষেত্রে হত্যাকান্ডের ঘটনা শিয়াদের মত নয়। সুতরাং আহলে বাইত হিসাবে হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত নয়, বরং হযরত আব্বাস (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত মুসলিম জাতির অনুসরনিয়। আর তাঁদের অনুসারী হানাফী মুসলিম জাতির নিরাপদ ঠিকানা। হানাফীতে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম সব সময় ঐক্যবদ্ধ আছে।

সূরাঃ ১৩ রাদ, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আলিফ-লাম- মীম- রা, এ গুলি কোরআনের আয়াত, যা তোমার সত্য রব হতে তোমার প্রতি নাযিল হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ ঈমান আনে না।

* কিন্তু অধিকাংশ মানুষ ঈমান আনে না, এ জাতীয় কথায় বিভ্রান্ত লোকেরা বলে কম সংখ্যক মুসলিম সঠিক। কিন্তু আয়াতে কম সংখ্যক মুসলিম নয় বরং কম সংখ্যক মানুষের সঠিকতার কথা বলা হয়েছে। আর গণনায় মানুষের মধ্যে হানাফী কম সংখ্যকের মাঝেই আছে।আর মুসলিমের মধ্যে কম সংখ্যক হিসাব করলে একজনে এসে থামতে হয়। তবে কি শুধু একজন মুসলিম? এটি একটি ভুয়া কথা। কম সংখ্যক মুসলিমের সঠিকতার কথা কোরআনের কোথাও নেই।

সূরাঃ ১৩ রাদ, ১৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩। বজ্রধ্বনি তাঁর হামদ এর তাসবিহ পাঠ করে। ফিরিশতাগণও করে তাঁর ভয়ে।তিনি বজ্রপাত করেন এবং যাকে ইচ্ছা উহা দ্বারা আঘাত করেন।আর তারা আল্লাহ সম্বন্ধে বিতন্ডা করে, অথচ তিনি মহাশক্তিশালী।

* মহাশক্তিশালী আল্লাহ রাসূলের (সা.) আহলে বাইতের মধ্যে আব্বাসীয়গণকে শক্তিশালী করেছেন। হযরত আলী (রা.) থেকে শুরু করে হযরত আলীর (রা.) আহলে বাইত উমাইয়া ও আব্বাসীয়দের সাথে কখনো যুদ্ধে জয়ী হয়নি। কিন্তু রাসূলের (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত উমাইয়াদেরকে যুদ্ধে পরাজিত করে মুসলিম বিশ্ব শাসন করেছে প্রায় আটশত বছর। তাঁদের অনুসারী তুর্কী হানাফী মুসলিম বিশ্ব শাসন করেছে আরো চারশত বছর। তুর্কী হানাফী বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেছেন মাত্র সতের জন সৈন্য নিয়ে। হানাফীরা হিন্দুস্থান শাসন করেছে প্রায় আটশত বছর। এখনো হিন্দুস্থানে হানাফীদের পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নামে দু’টি রাষ্ট্র আছে। হানাফী পাকিস্তানের আছে পরমাণু অস্ত্র। সুতরাং মহাশক্তিশালীর শক্তিশালী বান্দা হানাফীরাই। সালাফীরা ইহুদীর তাবেদারী করতে গিয়ে মুখে ফেনা বের করছে।

সূরাঃ ১৩ রাদ, ১৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫। আল্লাহর প্রতি সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আকাশ মন্ডলি ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়, আর তাদের ছায়াগুলিও সকাল এবং সন্ধায়।

* আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে তাঁকে সবচেয়ে বেশী সিজদা করে হানাফী।কারণ তারা অন্যদের চেয়ে সংখ্যায় অনেক বেশী। সুতরাং এটা সত্য যে আল্লাহ তাদের প্রতি খুশী থেকে তাদেরকেই হেদায়াতে পথে রাখবেন।

সূরাঃ ১৩ রাদ, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর যিকিরে যাদের কলব প্রশান্ত হয়। সাবধান! আল্লাহর যিকিরেই কলব প্রশান্ত হয়।

* যিকিরের প্রতিযোগিতায় আল্লাহর বান্দাদের মধ্য হতে হানাফীদের সাথে অন্য কোন দল জয়ী হতে সক্ষম হতে পারবে না। সুতরাং আল্লাহ তাদের প্রতি খুশী হয়ে তাদেরকেই হেদায়াতের নেয়ামতে রাখবেন।

সূরাঃ ১৩ রাদ, ৩১ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। যদি কোন কোরআন এমন হত যা দ্বারা পর্বতকে গতিশীল করা যেত অথবা পৃথিবীকে বিদীর্ণ করা যেত অথবা মৃতের সাথে কথা বলা যেত তবু তারা তাতে বিশ্বাস করত না।কিন্তু সমস্ত বিষয় আল্লাহর ইখতিয়ারভূক্ত। তবে কি যারা ঈমান এনেছে তাদের প্রত্যয় হয়নি যে, আল্লাহ ইচ্ছা করলে নিশ্চয় সকলকে সৎপথে পরিচালিত করতে পারতেন।যারা কুফুরী করেছে তাদের কর্মফলের জন্য তাদের বিপর্যয় ঘটতেই থাকবে অথবা বিপর্যয় তাদের আশেপাশে আপতিত হতেই থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহর প্রতিশ্রুতি এসে পড়বে। নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না।

* আল্লাহ সকলকে সৎপথে পরিচালিত করেন না বিধায় হানাফী বিরোধী বিভ্রান্ত বাহাত্তর দল হানাফীদের সাথে মিলে সৎপথে চলে না।

সূরাঃ ১৩ রাদ, ৩৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৭। এভাবে আমি উহা (কোরআন) নাযিল করেছি হুকুমরূপে আরবী ভাষায়।জ্ঞান প্রাপ্তির পর তুমি যদি তাদের খেয়াল খুশির অনুসরন কর তবে আল্লাহর বিরুদ্ধে তোমার কোন অভিবাবক ও রক্ষক থাকবে না।

* কোরআন আরবী ভাষায় হওয়ায় রাসূল (সা.) এটা বুঝতে পেরেছেন। হানাফীরা সকল ভাষায় কোরআন মানুষকে বুঝিয়ে দিচ্ছে। এ মিশন নিয়ে তাদের তাবলিগ জামায়াত সারা বিশ্বে ঘুরে বেড়ায়। তাদের অভিভাবক হিসাবে আল্লাহ তাদেরকে ভালোই রক্ষা করছেন। হানাফীরা খেয়াল খুশির অনুসরন করে না বিধায় সারা বিশ্বে তারা সম্মানিত। নতুবা বিশ্ব জুড়ে মানুষের মার খাওয়া থেকে কেউ তাদেরকে রক্ষা করতে পারতো না।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সুতরাং মহাশক্তিশালীর শক্তিশালী বান্দা হানাফীরাই।
.................................................................................
কিন্ত আল্লাহ সকল সুযোগ সুবিধা রেখেছেন আরবীয়দের জন্য
তিনি সকল বান্দার প্রতি সম-আচরন করেন,
বিশ্বাসীদের প্রতি রহমত বর্ষন করেন ।
তাহলে জালেমরা কিকরে এত শক্তিশালী হয়ে ,
মুসলিম নিধন করতে পারে ???

০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ১১:১৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জালিম মুসলিমকে নিধন করতে জালিম শক্তিশালী না হলে কিভাবে হবে? যেখানে যা করা দরকার আল্লাহ সেটাই করেন।

২| ০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৯:৪৬

আহমেদ রুহুল আমিন বলেছেন: মাজহাফ হিসাবে ঈমাম হযরত আবু হানিফা(রঃ) এর অনুসারীদের ‘হানাফি’ বলে গণ্য করা হয় যা বিশ্বের ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সিংহভাগ । পবিত্র কোরআনের আলোকে হানাফিদের অবস্থান সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন । এধরনের আরো লেখা আশা করি সামু’তে দিবেন । আপনার জন্য অকে শুভকামনা রইল ।

০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ১১:১৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সাথে থাকবেন ভালো থাকবেন, এ কামনা থাকলো।

৩| ০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:০৩

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

পৃথিবীতে মানুষ আছে সর্বসাকুল্যে ৬০০ কোটি, মুসলিম আছে ১০০ কোটির কাছে। মাজহাব, শিয়া-সুন্নি, ভালো-মন্দ মুসলমান বিবেচনায় কি পরিমান মানুষ বেহেশতে যেতে পারবে বলে আপনার ধারনা?

০৫ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:৪৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সনাসরি জান্নাতে না গেলেও পাপে সাজা ভোগের পর সব মুসলিম জান্নাতে যাবে। সরাসরি জান্নাতে যাবে ১%। ছয়শত কোটি মানুষ হিসাবে ছয়কোটি সরাসরি জান্নাতে যাবে।

৪| ০৫ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:৪৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৪)

সূরাঃ ১৪ ইব্রাহীম, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। যখন তোমার রব ঘোষণা করলেন: তোমরা শোকর করলে তোমাদেরকে অবশ্যই বাড়িয়ে দেব। আর কুফুরী করলে অবশ্যই আমার শাস্তি হবে কঠোর।

* নামাজে আলহামদুলিল্লাহ বলে আল্লাহর সবচেয়ে বেশী শোকর করে হানাফী। আল্লাহ তাদের জনসংখ্যা, রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছেন।তারা একাধারে প্রায় বারশত বছর মুসলিম বিশ্ব শাসন করেছে।মুসলিমদের দুইতৃতীয়াংশ হানাফী। মুসলিমদের মধ্যে হানাফীদের অঞ্চল ও রাষ্ট্র বেশী।তাদের পাকিস্তান পরমাণূ অস্ত্রের মালিক।ইদানিং তারা ভারতের সাথে যুদ্ধে জয়ী হয়েছে। তাদের আফগানিস্তান আটশত বছর হিন্দুস্থান শাসন করেছে। তার থেকে হিন্দুস্থানে হানাফীরা পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নামক দু’টি রাষ্ট্র পেয়েছে। আফগানিস্তান- রাশিয়া, আমেরিকা, বৃটিশ ও নেটোকে পরাজিত করেছে।তাদের তুরস্কও একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র।অহানাফী আরব ইহুদীর তাবেদার। শিয়া ইরান ইহুদীর তাবেদার না হলেও তারা মুসলিম বিশ্বের শাসক হতে পারেনি। সংগত কারণে সূরাঃ ১৪ ইব্রাহীম, ৭ নং আয়াত হানাফী ছাড়া মুসলিমদের অন্য কোন দলকে সঠিক প্রমাণ করে না।

৩৫। যখন ইব্রহীম বলেছিল, হে আমার প্রতিপালক! এ নগরীকে নিরাপদ রাখবেন এবং আমি ও আমার পুত্রগণকে প্রতিমা পুজা হতে দূরে রাখবেন।

* ইব্রাহীমের (আ.) আব্বাসীয় পুত্রগণ ও তাদের হানাফী অনুসারী আয়াতে উল্লেখিত নগরীকে প্রায় বারশত বছর নিরাপদ রেখেছে। এখনও উল্লেখিত নগরীতে তারাই বেশী সংখ্যায় হজ্জ্ব করে। সারাবিশ্বে তারাই সবচেয়ে বেশী প্রতিমা পুজার বিরোধীতা করছে। হিন্দুস্থানে তারা প্রতিমা পুজারীদের সাথে মুখামুখি অবস্থানে আছে। গজওয়ায়ে হিন্দে তারা জয়ী হয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে ইহুদী থেকে উদ্ধার করবে।

সূরাঃ ১৪ ইব্রাহীম, ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪। আমরা প্রত্যেক রাসুলকে তাঁর স্বজাতির ভাষাভাষী করে পাঠিয়েছি।তাদের নিকট পরিস্কার ভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন। আর যাকে ইচ্ছা হেদায়েত প্রদান করেন।তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।

* রাসূলের (সা.) কথাকে প্রত্যেক জাতির স্বজাতির ভাষায় ব্যখ্যা করছে হানাফী তাবলীগ জামায়াত। তারা সারা বিশ্বে তাদের হেদায়াতে কাজ করছে। সারা বিশ্ব জুড়ে এমন কার্যক্রম মুসলিমদের আর কোন দলের নাই বিধায় হানাফী ছাড়া অন্য কোন দলকে সঠিক বলার সুযোগ নাই।

সূরাঃ ১৪ ইব্রাহীম, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আলিফ-লাম-রা, তোমার প্রতি আমরা কিতাব নাযিল করেছি যাতে তুমি মানবজাতিকে তাদের প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে জুলমাত হতে নূরে প্ররাক্রমশালী প্রশংসিতের পথে বের করে নিয়ে আসতে পার।

* মানবজাতিকে তাদের প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে জুলমাত হতে নূরে আনার কার্যক্রম পরিচালনা করছে হানাফী তাবলীগ জামায়াত। বিশ্বের সকল জাতির মধ্যে তাদের দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মুসলিমদের অন্য কোন দল মানব জাতির সকল জাতির মধ্যে দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচলনা করছে না। সংগত কারণে হানাফীদেরকে বাদ দিয়ে তাদের কোন দলকে সঠিক বলার কোন সুযোগ নাই।

০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৫)

সূরাঃ ১৫ হিজর, ৯১ থেকে ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯১। যারা কোরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করেছে
৯২। অত:পর তোমার রবের শপথ! আমি তাদের সকলকে প্রশ্ন করবই।
৯৩। সেই বিষয়ে যা তারা করে।

সূরাঃ ১৫ হিজর, ২৮ থেকে ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। যখন আপনার প্রতিপালক ফিরিশতাগণকে বললেন, আমি গন্ধযুক্ত কাদার ঠনঠনে শুকনো মাটি হতে মানুষ সৃষ্টি করছি।
২৯।যখন আমি উহাকে সুঠাম করব এবং উহাতে আমার পক্ষ হতে রূহ সঞ্চার করব তখন তোমরা তার প্রতি সিজদাবনত হবে।
৩০। তখন ফিরিশতাগণ সকলেই একত্রে সিজদা করল।
৩১। ইবলিশ ব্যতীত, সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে অস্বীকার করলো।
৩২। আল্লাহ বললেন, হে ইবলিশ! তোমার কি হলো যে, তুমি সিজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হলে না?
৩৩। সে বলল, আপনি গন্ধযুক্ত কাদার ঠনঠনে শুকনো মাটি হতে যে মানুষ সৃষ্টি করেছেন আমি তাকে সিজদা করবার নই।
৩৪। তিনি বললেন, তবে তুমি এখান হতে বের হয়ে যাও, কারণ তুমি অভিশপ্ত।

* কোরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করা বড় রকমের অপরাধ। কারণ কোরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করে মুসলমান তিহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে। বিভক্তের অভিশপ্ত কাজটি প্রথম করেছে ইবলিশ। সে যুক্তি উপস্থাপন করে আল্লাহর আদেশ অমান্য করেছে।কিন্তু আল্লাহর আদেশের বিষয় হলো তাতে যুক্তির পিছনে না ছুটে সরাসরি আল্লাহর আদেশ পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সঠিক কাজটি করেছে ফেরেশতাগণ। তারা যুক্তির পিছনে না ছুটে সরাসরি আল্লাহর আদেশ পালন করে হেদায়াত প্রাপ্ত হয়েছে। আল্লাহ বিভক্তি বাদ দিয়ে ঐক্যের কথা বলেছেন। এরজন্য তিনি রাসূলকে (সা.) অভিন্ন ফিকাহ দান করেছেন। মোনাফেক রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করে সেটি নষ্ট করেছে। রাসূলের (সা.)অভিন্ন ফিকাহ অলিখিত ছিল। এটা লিখিত করার দায়িত্ব ছিল মাওলা, খলিফা ও ইমামগণের। প্রথম খলিফা যুদ্ধে ব্যস্ত থাকায় এ কাজ না করায় তাঁর যথেষ্ট ওজর ছিল। কিন্তু এ কাজ না করায় মাওলা, অন্য খলিফা ও ইমামগণের দায়িত্বে অবহেলা ছিল। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মধ্য হতে তাঁদের কোন জনকে আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করেননি। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) রক্ষা পেয়েছেন খলিফা না হয়ে বাদশা হওয়ার জন্য।অভিন্ন ফিকাহ সংকলন না করায় মুসলমান মতভেদে লিপ্ত হয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছে। মুসলমানদের মাঝে তখন কাফের সংখ্যা বেড়ে গেছে। সেজন্য কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তাঁর হত্যাকান্ডের প্রধান সেনাপতি ছিল রাসূলের (সা.) মামাত ভাই ওমর বিন সাদ। অবশেষে আখারিনের শুরায় ইমাম আবু হানিফা (র.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করলে আমির হরুনুর রশিদ এটি পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। তখন যুক্তির ডালি নিয়ে এর বিরোধীতা করে এক তৃতীয়াংশ মুসলিমের বাহাত্তর দল। যাদের বিরোধীতা কোন আমির অনুমোদীত নয়। অথচ আল্লাহ রাসূলের (সা.) পর আমিরের অনুসরনের আদেশ করেছেন। সুতরাং আমিরের অনুসরনে সকল মুসলিম হানাফী হলে তারা একদলে ঐক্যবদ্ধ হতে সক্ষম হতো। কিন্তু ইবলিশের মত তাদের যুক্তির ডালির কারণে তারা হানাফীতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারছে না। এসব দল তাদের পক্ষে যে সব প্রমাণ উপস্থাপন করছে সেসব টেকসই কোন প্রমাণ নয় বলেই দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এসব অভিশপ্ত দলে সামিল না হয়ে আল্লাহর রহমতে মোড়ানো হানাফীদের সাথে আছে। গঠিত হওয়ার পর থেকে আল্লাহ হানাফীদেরকে প্রায় এগারশ বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেছেন। এখনো মুসলিমদের অধিকাংশ অঞ্চল, জনসংখ্যা ও দেশ হানাফীদের। হানাফী পাকিস্তানের নিকট আছে পরমাণু অস্ত্র। বিশ্ব জনসংখ্যার একতৃতীয়াংশ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছে হানাফী। তারপর হানাফী বিরোধীরা আল্লাহর প্রশ্নের অপেক্ষায় থাকুক। আল্লাহর প্রশ্নের জবাব দিতে না পারলেই মুসলিমদের মাঝে বিভক্তির দায়ে আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন।

সূরাঃ ১৫ হিজর, ১৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩। তারা তাতে (কোরআন) বিশ্বাস করবে না।অতীতে পূর্ববর্তীদের সুন্নাতও এমন ছিল।

সূরাঃ ১৫ হিজর, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আলিফ-লাম-রা, এগুলি কিতাবের আয়াত এবং সুস্পষ্ট কোরআনের।

* কোরআনের আমিরের অনুসরনের আদেশ সুস্পষ্ট। যাদের মত আমির অনুমোদীত নয় তারা সেই মত পরিত্যাগ করে আমির অনুমোদীত হানাফী মাযহাব মানছে না কেন? আল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তাদের উত্তর কি হবে? আমির অনুমোদীত হানাফী মাযহাব। হানাফী মাযহাবের কোন বিরোধীতা কোন আমির অনুমোদীত নয়। তাহলে হানাফী বিরোধীতা কিভাবে মানা যাবে? আমির না হয়ে যে হানাফী বিরোধীতা করছে সে কে? সে তো নেক ছুরতে ইবলিশ। সে হযরত ইব্রাহীম (রা.) ও রাসূলের (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় মুসলিম বিশ্ব আমির গণের সাথে মতভেদে লিপ্ত। যেমন ইবলিশ ফেরেশতাগণের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়েছে। প্রায় পঞ্চাশজন আব্বাসীয় মুসলিম বিশ্ব আমির হানাফী। যে এর বিরোধতিা করছে সে কে? তার কি পরিচয়? ইবলিশ ছাড়া তার অন্য কোন পরিচয় হওয়া সম্ভব নয়। মুসলিমদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টির দায়ে তার ও তার অনুসারীদের গন্তব্য শুধুই জাহান্নাম।

৫| ০৫ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.