নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

অভিন্ন ফিকাহ খেকে আলাদা হলে কোরআন-হাদিসের পথ বিভিন্ন দিকে বেঁকে যায়

১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



সূরাঃ ১৮ কাহফ, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই যিনি তাঁর বান্দার প্রতি এ কিতাব নাযিল করেছেন। আর উহাতে তিনি বক্রতা রখেননি।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।


সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* আল্লাহর কোরআন ও এর বিবরণ হাদিসের বক্রতা নিয়ন্ত্রক আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ। যার পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। যারা অভিন্ন ফিকাহ বাদদিয়ে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিসের অনুসরন করে তাদের পথ আর সোজা পথ না থেকে বিভিন্ন দিকে বেঁকে যায়।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ১০১ কারিয়া, ৬ নং ও ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। তখন যার পাল্লা ভারী হবে
৭। সেতো লাভ করবে সন্তোষ জনক জীবন।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

* আল্লাহর সাক্ষ্যে ওলামার পাল্লাভারী জামায়াত হেদায়াত প্রাপ্ত এবং তাঁর সাক্ষে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ওলামা। সুতরাং তাঁদের পাল্লাভারী জামায়াতের অভিমত অভিন্ন ফিকাহ সাব্যস্ত হবে। আর এ অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হবে। শিয়া, ইবাদী ও সালাফী সাহাবার (রা.) অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিসের আমল করায় তাদের পথ আল্লাহর সোজা পথ থেকে বেঁকে গেছে।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* রাসূলের (সা.) ঐচ্ছিক কাজে ত্রুটি থাকার কথা আল্লাহ বলেছেন। এ ক্ষেত্রে আল্লাহর পূর্ব বিধান রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ক্ষমা প্রাপ্ত। বদরের বন্দী মুক্তির মত রাসূলের (সা.) ঐচ্ছিক কাজে আরেকটি ত্রুটি হলো হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা। কারণ রাসূলকে (সা.) আল্লাহ মাওলার দায়িত্ব দিয়েছেন চল্লিশ বছর বয়সে। আর তিনি তেত্রিশ বছরের হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলেছেন, ত্রুটি ঠিক এখানে। এ ক্ষেত্রে সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সঠিকতার কারণ রাসূল (সা.) ঘোষিত মাওলাকে আল্লাহ মানুষের হাত থেকে রক্ষা করেননি।এ ক্ষেত্রে তিনি সাধারণের মতই খারেজীর হাতে নিহত হয়েছেন। আল্লাহর ক্ষমা প্রাপ্ত হযরত ওসমানকে (রা.) যারা হত্যা করেছে তারা আল্লাহর ক্ষমার কুফুরী করে কাফের হয়েছে। হযরত আলী (রা.) ছিলেন সেইসব কাফেরের মাওলা। তাদের দুই দলপতিকেও আল্লাহ মানুষের হাতে নিপাত করেছেন। সংগত কারণে সাহাবায়ে কেরামের (রা.) পাল্লাভারী জামায়াতের অভিমত অভিন্ন ফিকাহ সাব্যস্ত হয়ে এ অলংঘনীয় বিধান সাব্যস্ত হবে। হযরত ইমাম হোসেন (রা.) ইয়াজিদকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সাহাবায়ে কেরামের (রা.) পাল্লাভারী জামায়াতের অভিমত অভিন্ন ফিকাহ অনুসরন করেননি। আল্লাহ তাঁকে ইয়াজিদের অনুগতদের থেকে রক্ষা করেননি। তারপর থেকে তাঁর আহলে বাইত নিয়মিত হত্যাকান্ডের শিকার হচ্ছে। হযরত ইমাম হোসেন (রা.) সাহাবী হিসাবে ক্ষমাপ্রাপ্ত বিধায় অভিন্ন ফিকাহ না মানলেও তিনি ক্ষমাপ্রাপত এবং মাসুম। তবে তাঁর আহলে বাইত ও শিয়া ক্ষমাপ্রাপ্ত নয় বিধায় তাদের পথ বেঁকে গিয়ে তারা বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে। তাদের বিষয়ে আল্লাহর ব্যবস্থা হলো ইহকালে হত্যাকান্ড ও পরকালে জাহান্নাম। আল্লাহর ফেরেশতা এদের পক্ষে যুদ্ধ করে না। কারবালায় হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পক্ষে যুদ্ধ করেছে হোসেনী ব্রাহ্মন। অভীন্ন ফিকাহের এমন হাজার হাজার দৃষ্টান্ত আছে যার বিপরীতে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস মেনে মানুষ বাঁকা পথে জাহান্নামে চলে যায়।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।

* শিয়ারা মনে করে হযরত আলীকে (রা.) মাওলা না মেনে অল্প কয়েকজন ছাড়া সকল সাহাবা (রা.)বিভ্রান্ত হয়েছে। কিন্তু রাসূলকে (সা.) সাহায্য করে তাঁরা ছিলেন ক্ষমাপ্রাপ্ত ও হেদায়াত প্রাপ্ত।তাঁদের বিভ্রান্ত হওয়া অসম্ভব বিষয়। উল্টা তাঁদেরকে বিভ্রান্ত মনে করে শিয়ারা নিজেরা বিভ্রান্ত হয়েছে। সকল শিয়ার পথ আল্লাহর পথ খেকে বেঁকে অন্য দিকে চলে গেছে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.