| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ২০ তা-হা, ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। দয়াময় আরশের উপরে সমাসীন আছেন।
সূরাঃ ৩৯ যুমার, ৭৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। আর তুমি ফিরিশতাদেরকে দেখবে আরশের চার দিকে ঘিরে তাদের প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাসবিহ পাঠ করছে। আর তাদের বিচার করা হবে ন্যায়ের সাথে। বলা হবে সকল প্রশংসা জগৎসমূহের রব আল্লাহর।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৫৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৪। নিশ্চয়ই তোমাদের মহান প্রতিপালক হচ্ছেন সেই আল্লাহ! যিনি আশমান ও জমিনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন।এরপর তিনি স্বীয় আরশের উপর সমাসীন হন। তিনি দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন- যাতে ওরা একে অন্যকে অনুসরন করে চলে ত্বরিত গতিতে; সূর্য চন্দ্র ও নক্ষত্ররাজী সবই তাঁর হুকুমের অনুগত। জেনে রেখ সৃষ্টির একমাত্র কর্তা তিনিই, মালিক তিনিই। সারা বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহ হলেন বরকতময়।
সূরাঃ ৫০ কাফ, ১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৬। আমিই মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় আমি তা’ জানি। আমি তার ঘাড়ের শিরার থেকেও নিকটতর।
সূরাঃ ৫৮ মুজাদালা, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তুমি কি লক্ষ্য কর না, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহ তা’ জানেন? তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও হয় না যাতে ষষ্ঠ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেন না। তারা এরচেয়ে কম হউক বা বেশী হোক তিনিতো তাদের সঙ্গেই আছেন উহারা যেখানেই থাকুক না কেন। অতঃপর তারা যা করে; তিনি কিয়ামতের দিন তা’ জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বিষয় জানেন।
সূরাঃ ২৪ নূর, ৩৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৫। আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর নূর। তাঁর নূরের দৃষ্টন্ত যেন একটি দীপদানি, যার মধ্যে আছে একটি প্রদীপ।প্রদীপটি একটি কাঁচের আবরণের মধ্যে স্থাপিত। কাঁচের আবরণ উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত। এটা প্রজ্জ্বলিত হয পবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল দ্বারা।যা প্রাচ্যের নয় প্রতিচ্যেরও নয়। আগুন স্পর্শ না করলেও যেন এর তৈল আলো দেয়। নূরের উপর নূর।আল্লাহর যাকে ইচ্ছা তাঁর নূরের দিকে হেদায়াত প্রদান করেন। আল্লাহ মানুষের (বুঝার) জন্য দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ সব কিছু জানেন।
সূরাঃ ৩৯ যুমার, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। তারা আল্লাহর যথাযথ সম্মান করে না। কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোয় এবং আকাশ মন্ডলী থাকবে ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁর ডান হাতে। পবিত্র ও মহান তিনি, তারা যাকে শরীক করে তিনি তার উর্ধ্বে।
সূরাঃ ২ বাকারা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই এবং যে দিকেই তোমরা মুখ ফিরাও না কেন সেদিকেই আল্লাহর মুখ। নিশ্চয়ই আল্লাহ ওয়াসি (সর্বব্যাপী), সর্বজ্ঞ।
সূরাঃ ৬৮ কালাম, ৪২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪২। যে দিন পায়ের গোছা উম্মুক্ত করা হবে, সেদিন তাদেরকে আহবান করা হবে সিজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।তিনি চিরঞ্জীব চির বিদ্যমাণ।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না।আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর।কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাঁর সামনে পিছনে যা কিছু আছে তা’ তিনি জানেন।তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না।তাঁর ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত।এ দু’টির হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না।আর তিনি পরম উচ্চ-মহিয়ান।
সূরাঃ ৩১ লোকমান, ২৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৭। পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমূদ্র হয় কালি এবং এর সাথে আরো সাত সমূদ্র যুক্ত হয় তবু আল্লাহর কথা শেষ হবে না। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
* দয়াময় আরশের উপরে আছেন। তিনি মানুষের ঘাড়ের নিকটতর। মানুষ আরশের উপরে থাকে না। সেজন্য দয়াময় আরশ ছাড়া অন্যত্রও সবার সাথে থাকেন। তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর নূর। কিয়ামতে সর্বত্র তাঁর হাতের মুঠায় থাকবে। সেজন্য তিনি সর্বত্র থেকেও বড়। যে দিকে মুখ ফিরাই না কেন সেদিকে আল্লাহর মুখ খাকায় তিনি সর্বত্র বিরাজমান থেকে এর বাইরেও থাকেন। তিনি সবচেয়ে বড় বিধায় তিনি তাঁর সৃষ্টি থেকে বড়।তিনি নিরাকার বিধায় কোন অপবিত্র তাঁকে স্পর্শ করে না। তবে তিনি আকার ধারণ করেন বিধায় সেদিন তাঁর পায়ের গোছা উম্মুক্ত করা হবে। আকার ধারণ করলেও আকার থেকে নূরের মাধ্যমে তিনি সর্বত্র এমনকি সর্বত্রের বাইরেও বিদ্যমাণ থাকেন।তিনি সময়ের সবটা জুড়ে থাকেন বিধায় তিনি চিরস্থায়ী। সকল স্থান কালে এবং এর বাইরেও থাকায় আল্লাহকে শুধুমাত্র আরশে সীমাবদ্ধ করা কুফুরী।এতে তাঁকে ছোট করা হয় এবং তাঁর বড়ত্বের কুফুরী করা হয়। আল্লাহ নিরাকার বিধায় সবার সাথে থাকার পরেও কেউ তাঁকে দেখে না। তবে জান্নাতিদের সাথে দেখা দিতে তিনি আবার ধারণ করবেন। তখনও তিনি আকারে সীমাবদ্ধ হবেন না, বরং আকার থেকে নূরের মাধ্যমে তিনি সর্বত্র এমনকি সর্বত্রের বাইরেও বিদ্যমাণ থাকবেন।পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমূদ্র হয় কালি এবং এর সাথে আরো সাত সমূদ্র যুক্ত হয় তবু আল্লাহর কথা শেষ হবে না।
২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:২০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমার মিশন হলো যতটা সম্ভব আল্লাহর কথা প্রচার করা। যেন পরকালে এর বিনিময়ে ভালো কিছু পাওয়া যায়। আর ইহকালে আমি যা পেয়েছি তার জন্য আলহামদুলিল্লাহ।
২|
২২ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:০২
রাজীব নুর বলেছেন: কুফুরীর কার্যকারিতা কতটুকু?
২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:১৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কারো কুফুরী আল্লাহ অনুমোদন করলে সে আর জান্নাতে যাবে না।
৩|
২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:১৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
রেসালাতের সহচর প্রতিপক্ষে মিশে হযরত আলী (রা.) রেসালাতের আহলে বাইত থেকে খারিজ হয়েছেন
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৬১ সাফফ, ১০ নং ও ১১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। হে মুমিনগণ! আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দেব যা তোমাদেরকে ভয়ংকর শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?
১১।তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং তোমাদের মাল ও জান দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করবে।ওটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা জান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
* রেসালাতের সবচেয়ে বড় মালের জিহাদী সহচর হযরত ওসমান (রা.)আল্লাহর পূর্ব বিধানে ক্ষমাপ্রাপ্ত ছিলেন। তাঁর হত্যাকারীরা কাফের ছিল। কারণ তারা আল্লাহর ক্ষমার কুফুরী করেছে।সেই কাফের দেরকে দলে আশ্রয় দিয়ে হযরত আলী (রা.) রেসালাতের আহলে বাইত থেকে খারিজ হয়েছেন।তারপর তাঁর পক্ষের হাদিস সমূহ বাতিল সাব্যস্ত হবে। হযরত নূহের (আ.) স্ত্রী ও পুত্র নবুয়তের সহচর থেকে আলাদা হয়ে কাফের পক্ষে মিশার কারণে নবুয়তের আহলে বাইত থেকে খারিজ হয়েছেন এবং তারা কাফেরও হয়েছেন। হযরত লুতের স্ত্রী নবুয়তের সহচর থেকে আলাদা হয়ে কাফের পক্ষে মিশার কারণে নবুয়তের আহলে বাইত থেকে খারিজ হয়েছেন এবং তিনি কাফেরও হয়েছেন।আল্লাহর পূর্ব বিধানে ক্ষমাপ্রাপ্ত ছিলেন বিধায় কাফের পক্ষে মিশেও হযরত আলী (রা.) মুমিন ছিলেন। তবে রেসালাতের আহলে বাইত থেকে ছুটে যাওয়ার কারণে তিনি তাঁর আহলে বাইত থেকে রেসালাতের আহলে বাইতের রহমত ও বরকত ছুটে যায়। তখন মুসলিমগণ দলে দলে তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাঁকে এসব যুদ্ধ-বিগ্রহ থেকে রক্ষা করতে পারতেন। কিন্তু আল্লাহ তাঁর উপর থেকে আহলে বাইতের নিরাপত্তা তুলে নেওয়ায় তিনি তাঁকে মানুষ হতে রক্ষা করেননি। তাঁর শিয়া বহু শিয়ায় বিভক্ত। আল্লাহ তাদের হত্যাকান্ডের ব্যবস্থা করেছেন।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখিরাতকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসুলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে (উসউয়ায়ে হাসানা) উত্তম আদর্শ।
সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আমিতো তোমাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমত রূপেই প্রেরণ করেছি।
* রেসালাতের উত্তম আদর্শ হলো হেদায়াতের দোয়ার আদর্শ। লানত প্রদানের বিষয়টি এর মধ্যে নাই। কিন্তু হযরত আলীর মধ্যে লানত প্রদানের বিষয়টি ছিল। এটি তিনি ও তাঁর আহলে বাইতে ফিরেছে। তিনি ও তাঁর আহলে বাইতে হত্যাকান্ডের বিষয়টি অব্যাহত আছে। ইদানিং তাঁর আহলে বাইত আলী খামেনী নিহত হয়েছেন।
সূরাঃ ১৯ মারিয়াম, ১২ নং ও ১৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২। হে ইয়াহইয়া! এ কিতাব দৃঢ়তার সাথে গ্রহণ কর। আমি তাকে শৈশবেই দান করেছিলাম জ্ঞান।
১৩। আর আমার নিকট হতে হৃদয়ের কোমলতা ও পবিত্রতা; সে ছিল মুত্তাকী।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
* রেসালাতের আহলে বাইতের শতভাগ সুবিধা পেয়েছেন রাসূলের (সা.) চাচা হযরত আব্বাস। আল্লাহ তাঁকে মানুষের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। উম্মতের অভিযোগ থেকে তিনি শতভাগ পবিত্র ছিলেন। তাঁর আহলে বাইত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হযরত ইয়াহইয়ার (আ.) মত শৈশবে জ্ঞান প্রাপ্ত ছিলেন। রেসালাতের সহচরগণের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বড় মুফাসসির। তাঁর আহলে বাইত আবুল আব্বাস নিজ যোগ্যতায় উমাইয়াদের থেকে মুসলিম বিশ্বের শাসন দায়িত্ব কেড়ে নিয়েছেন। আল্লাহ তাঁদের আহলে বাইত আব্বাসীয় খলিফাগণ ও তাঁদের তুর্কী হানাফী অনুসারী বিরানব্বইজনকে মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমা দান করেছেন। অথচ হযরত আলী ছাড়া তাঁর আহলে বাইতে মুসলিম বিশ্বের শাসক আর কেউ ছিলেন না। হযরত আলীকেও (রা.) এর একাংশ হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) ছেড়ে দিতে হয়েছে। তাঁর লানত প্রাপ্ত হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) আল্লাহ বিশ বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন দায়িত্ব প্রদান করে বুঝালেন হযরত আলীর (রা.) লানত মূলত তাঁর নিজের দিকেই ফিরেছে। কিন্তু আব্বাসীয় ও তাদের হানাফী অনুসারীদেরকে আল্লাহ রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দিলেন। তারা প্রায় বারশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন পরিচালনা করে। এত বিশাল ও বেশী সময়ের রাজত্ব পৃথিবীতে আল্লাহ আর কোন পক্ষকে দান করেননি। এ হানাফী পাকিস্তানের নিকট আছে শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পরমাণু অস্ত্র। বাংলাদেশী হানাফী হলো বিশ্বসেরা গেরিলা যোদ্ধা। আফগান হলো অজেয় যোদ্ধা। তুর্কীরা হলো বীর যোদ্ধা। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা হওয়ার দৌড়ে হানাফী সবচেয়ে এগিয়ে।
সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে জিজ্ঞাসা কর।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
* ওহীবাহক চল্লিশ বছরি পুরুষ হয়। চল্লিশের কম বয়সি হযরত ঈসাকে (আ.) তুলে নিয়েছেন। সুতরাং চল্লিশ বছর বয়সি পুরুষ ওহীবাহক হওয়া আল্লাহর সুন্নাত। সেই সুন্নাতে রাসূলের (সা.) ওহী বাহক আহলে বাইত ছিলেন হযরত আব্বাস (রা.)। কারণ রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় হযরত আলীর বয়স ছিল তেত্রিশ বছর। হযরত আলীর (রা.) বয়স কম এবং হযরত আব্বাসের (রা.) অভিজ্ঞতা কম থাকায় আল্লাহ হযরত ইব্রাহীমের (আ.) কুরাইশ আহলে বাইত হযরত আবু বকরকে (রা.) প্রথম খলিফা বানালেন। তাঁর হাতে বাইয়াত গ্রহণে হযরত আলীর (রা.) প্রতি আল্লাহ খুশী ছিলেন না বিধায় আল্লাহর রহমত তিনি ও তাঁর শিয়া আহলে বাইত থেকে দূরে চলে যায়। অবশ্য তাঁর হানাফী আহলে বাইতের সাথে রহমতের যোগ আছে। আমার স্বপ্ন অনুযায়ী তাদের থেকে পাকিস্তানের লাদাখ থেকে ইমাম মাহদীর (আ.) আগমন ঘটবে।
২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:২২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ওহী বাহক ও ওহী বাহক নয় হিসাবে আহলে বাইত দু’প্রকার।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমূদ্র হয় কালি এবং
এর সাথে আরো সাত সমূদ্র যুক্ত হয় তবু আল্লাহর কথা শেষ হবে না।
.............................................................................................
তাহলে আপনার মিশন কি ?
কোথা থেকে শুরু করে
কোথায় শেষ করবেন ???