নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬


যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি খেতাম আর বোঝার চেষ্টা করতাম এরা আসলে কারা, কোথা থেকে এলো? এরা বর্তমানে আলোচিত নিরপেক্ষ হিসেবে দাবি করা শিক্ষার্থীদের মতো নিরপেক্ষ ছিলো কিনা ?

আমার বড় মামির কাছে শুনেছিলাম তিনি খুশিতে মিষ্টি বিতরণ করেছিলেন। আবার মামি এটাও বলেছিলেন, মুজিবুর রহমানকে যখন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ধরে নিয়ে ঝুলিয়ে দেয়ার প্ল্যান করছিল, তিনি পরিবারের সাথে বসে শেখ সাহেবের জন্য কুরআন খতম দিয়েছিলেন। মামি পরবর্তীতে জামায়াতের মহিলা রুকন হয়েছিলেন।

এদিকে আওয়ামী লীগের অনেকে অভিযোগ করে যে হাসানুল হক ইনু গং রাস্তায় লিফলেট বিতরণ করেছিলেন শেখ মুজিবের হত্যার পর। সেই ইনু আওয়ামী লীগের এমপি হয়ে বিন্দাস লাইফ কাটিয়ে এখন শ্রীঘরে।

একজন আত্মস্বীকৃত রাজাকার ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, ফেনী সোনাগাজীর, তার মুখে শুনেছিলাম শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গর্ত থেকে বের হয়ে এলাকায় ফিরে আসেন। এরপর বিদেশ চলে যান, দেশে ফিরে এরশাদ পিরিয়ডে চেয়ারম্যান হন। ভদ্রলোক বিন্দাস লাইফ কাটিয়েছেন। তিনি শেখ মুজিবকে স্বৈরাশাসক বলতেন।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: দেশের মানুষ তো এখন পেট ভরে মিষ্টি খাচ্ছে যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ২০২৪ এর ৫ ই আগস্ট পর্যন্ত খেতে পারতো না।

খা বাঙ্গু খা বাঙ্গু খা.....।

২| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

রানার ব্লগ বলেছেন: বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় সব থেকে বড় জামাত শিবিরের (তখন অন্যনামে ছিলো) বড় মিছিল ঢাকার রাজপথে হয়েছিলো । তো এখন বুঝে নিন মিষ্টি খাওয়ার লোকজন কারা ছিলো ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.