নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২১)

২৪ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:৩৭




সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে জিজ্ঞাসা কর।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আমিতো তোমাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমত রূপেই প্রেরণ করেছি।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। যিকিরের পর আমি কিতাব লিখে দিয়েছি, যেন আমার সালেহ বান্দাগণ পৃথিবীর অধিকারী হয়।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৯৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৪। সুতরাং যদি কেহ মুমিন হয়ে সৎকর্ম করে তার কর্ম প্রচেষ্টা অগ্রাহ্য হবে না এবং আমিতো উহা লিখে রাখি।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৩। কিন্তু তারা নিজেদের কার্যকলাপে পরস্পরের মধ্যে ভেদ সৃষ্টি করেছে। প্রত্যেকেই আমার নিকট ফিরে আসবে।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৯২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯২। এই যে তোমাদের জাতি, ইহাতো একই জাতি, আর আমিই তোমাদের রব। অতএব আমার ইবাদত কর।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। আমরা তোমাদের প্রতি কিতাব নাযিল করেছি যাতে তোমাদের জন্য যিকর বা উপদেশ রয়েছে। তবু কি তোমরা বুঝবে না?

* ওহী বাহক পুরুষ। সুতরাং আহলে যিকর রাসূলের (সা.) স্ত্রী ও কন্যা পক্ষীয়গণ নন। তাঁদের সকল পক্ষ ছিলেন মতভেদের আখড়া। মতভেদ মুক্ত ছিলেন রাসূলের (সা.) চাচা আব্বাস। তাঁর আহলে বাইত আব্বাসীয় খলিফাগণ ও তাঁদের হানাফী অনুসারীগণকে আল্লাহ রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দিলেন। তাঁরা মুসলিম বিশ্ব শাসন করেছেন প্রায় বারশত বছর। এখনও মুসলিমদের বেশীর ভাগ এলাকা, জনসংখ্যা ও দেশ হানাফীদের।রাসূলের (সা.) পর আমিরের মান্যতার বিষয় রয়েছে। মুসলিমদের মাননীয় বিরানব্বই বিশ্ব আমির ছিলেন আব্বাসীয় ও তাদের হানাফী অনুসারী। তাদের সাথে মতভেদকারী বাহাত্তর দলে মুসলিমদের কোন বিশ্ব আমির নাই। আব্বাসীয় ও তাদের হানাফী অনুসারীদের সাথে মতভেদকারীর চেয়ে তাঁদের অনুসারী বেশী।যারা ইসলামকে বিশ্ব ধর্মে পরিণত করেছে। রাসূলকে (সা.) বিশ্ব জগতের রহমত হিসাবে তারাই সবচেয়ে বেশী পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। তারাই পৃথিবীর সকল প্রান্তের বাসিন্দা। তাদের কর্ম প্রচেষ্টা অগ্রাহ্য হয়নি। বিশ্ববাসী তাদের দ্বীনি দাওয়াত সাদরে গ্রহণ করেছে। তাদের বিরোধীরা নিজেদের মধ্যে ভেদ সৃষ্টি করে বহু দলে বিভক্ত হয়েছে। শিয়া ও সালাফীদের মাঝে ভেদের অন্ত নাই। কিন্তু আব্বাসীয় ও তাদের অনুসারী হানাফী একই জাতি। তুর্কী, আফগান, পাকিস্তানী ও বাংলাদেশী সবাই হানাফী। তুর্কী বীর, আফগান অজেও, পাকিস্তান আনবিক শক্তি সমৃদ্ধ ও বংলাদেশী গেরিলা। অমুসলিম মোকাবেলায় তাদের সুনাম আছে। উপদেশ গ্রহণে আল্লাহর নাযিল করা কিতাবকে হানাফীরা প্রা্ধান্য দেয়। রাসূলের (সা.) ও তাঁর সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে প্রচারিত মিথ্যা প্রচারণায় হানাফীরা বিভ্রান্ত হয় না। একজন আমাকে বলল হানাফী ফিকাহ মানা যাবে না, মানতে হবে বোখারীর (র.) হাদিস। আমি বললাম কেন? সে বলল এটা সহিহ। আমি বললাম, বোখারীর (র.) হাদিস সহিহ সেটা কে বলেছে? সে বলল, কেন সেটা ইমাম বোখারী (র.) বলেছেন? আমি বললাম তাঁকে কে সহিহ বলেছে? সে তখন নিরুত্তর। আমি বললাম, রাসূলের (সা.) পর আমিরের মান্যতার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু হাদিনের কিতাব সমূহে ও অহানাফী ফিকাহ সমূহে কেউ কোন মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুমোদন গ্রহণ করেনি। এরা ছিল অহংকারী। আর কোন অহংকারীর প্রস্তাবনা ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু হানাফী ফিকাহ আমির অনুমোদীত ও আমিরগণ অনুসারিত। সুতরাং এর সাথে করা কোন মতভেদ কোনভাবেকই ইসলামে গৃহিত নয়। তথাপি যারা হানাপীদের সাথে মতভেদে লিপ্ত তারা সবাই জাহান্নামের যাত্রী।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:৪০

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কেউ কি গ্রহণযোগ্য কোন প্রমাণ নিয়ে আমার সাথে মতভেদ করতে আসবে? ২০১৬ সাল থেকে আমার সাথে মোক্ষম মতভেদকারী দেখছি না।

২৪ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:৪২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: মাঝে মাঝে যারা আমার সাথে মতভেদ করতে আসে তাদের নিকট আমার সাথে মতভেদ করার মত মোক্ষম কোন প্রমাণ থাকে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.