| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুক্তিযুদ্ধের গল্প
আমিন আলির ইচ্ছাপূরণ
বেশ কিছুক্ষণ ধরেই উশখুশ করছেন আমিন আলি।তিনি যেখানে বসে আছেন সেটা তাঁর জন্য খুবই অস্বস্তিকর একটা জায়গা। এতবড় বাড়িতে আগে কখোনো ঢোকেননি এবং এত সজ্জিত ড্রয়িংরুমেও তাঁর কখোনো বসা হয়নি এর আগে।
তিনি প্রায় আধঘন্টা ধরে বসে আছেন এখানে। পুরোটা সময়ই তিনি ব্যাস্ত ছিলেন ড্রয়িংরুমটা সাজাতে কত টাকা ব্যায় হতে পারে তার আনুমানিক একটা হিসাব নিয়ে।
এখানে আসার পরিকল্পনা বেশিদিনের না হলেও এখানে আসার প্রস্তুতি তিনি ভালরকমই নিয়েছেন, অন্তত তাঁর পক্ষে যতটা নেয়া সম্ভব। তাঁর একমাত্র ছেড়া ফাঁটাবিহীন পান্জাবীটা ইস্ত্রি করেছেন। পান্জাবীটা দুবছর আগে একজনের কাছ থেকে উপহার পেয়েছিলেন।তানভীর নামে একটা দশবছরের বাচ্চা উপহারটা দিয়েছিল।
তাঁদের গ্রামের আবু সাইদের নাতি তানভীর। আবু সাইদের ছেলে, ছেলের বউ, নাতি সবাই দেশের বাইরে থাকে। দুবছর আগে গ্রামে বেড়াতে এসেছিল পুরো পরিবার।
কোথেকে যেন বাচ্চা ছেলেটা জানতে পেরেছিল আমিন আলি একজন মুক্তিযোদ্ধা। তখনই তানভীর জেদ ধরে আমিন আলিকে দেখার। একদিন পড়ন্ত বিকেলে বাবার সাথে আমিন আলির জীর্ণ কুটিরে আসে ছেলেটা।
আবু সাইদের ছেলে আনিসকে জন্মের সময় থেকেই চেনেন আমিন আলি। তাঁকে খুবই শ্রদ্ধা করে ছেলেটা।
আমিন আলি ঘর থেকে বেরুতে কুশল বিনিময় শেষে তানভীরের সাথে আমিন আলির পরিচয় করিয়ে দেয় আনিস।
'বাবা বলেছে তুমি নাকি দেশের জন্য যুদ্ধ করেছ? 'আমিন আলির উদ্দেশ্যে তানভীরের প্রথম কথাই ছিল এটা। আজন্ম বিদেশ বিভুঁইয়ে কাটিয়েও পরিষ্কার বাংলা উচ্চারণ ছেলেটার।
আমিন আলি সম্মতিসূচক মাথা নাড়তেই তানভীর আব্দার করে বসে তাকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনাতে হবে। বাধ্য হয়ে উঠোনে মাদুর বিছিয়ে গল্প শুরু করেন আমিন আলি। মুক্তিযুদ্ধের গল্প, তাঁর নায়কের গল্প, আসাদের গল্প।
আসাদ আর আমিন আলি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।বঙ্গবন্ধু এবং মেজর জিয়া স্বাধীনতার ডাক দেয়ার সাথে সাথেই ভারত চলে যায় আসাদ। একমাস পর ট্রেনিং নিয়ে দেশে ফিরে আসে।এই এলাকার সেক্টর কমান্ডারের কাছ থেকে নির্দেশ পায়,ওর নিজের গ্রামসহ আরো ছয়টা গ্রামে আসাদকেই যুদ্ধ পরিচালনা করতে হবে।
গ্রামে ফিরে আসে আসাদ। আমিন আলিসহ আরো কয়েকজনকে কাজ চালাবার মত ট্রেনিং দিয়ে মুক্তি বাহিনী গড়ে তোলে।
রোগা ভোগা ছেলেটার মাঝে কি যে ছিল, আজ পর্যন্ত জানতে পারেননি আমিন আলি, কিন্তু অজানা সেই বস্তুর জোরে পুরো এলাকায় প্রায় একাই কিভাবে যুদ্ধ চালিয়ে গেছে আসাদ,তার সাক্ষী আমিন আলি।
আসাদ স্বাধীনতা দেখে যেতে পারেনি। এগারো ডিসেম্বর রাতে একটা অপারেশনে গিয়ে শহীদ হয়।
গল্প শুনতে শুনতে তানভীরের ছল ছল চোখে শেষ বিকেলের আলোয় আসাদের জন্য নিখাদ ভালবাসা দেখতে পেয়েছিলেন আমিন আলি। তিনি খানিকটা বিস্মিতই হয়েছিলেন সেদিন। স্বাধীনতা যুদ্ধ কি এতই মহান কিছু? কই তিনি তো এই বাচ্চাটার আগে আর কারো চোখকে আসাদের জন্য ছলছল করতে দেখেননি।
তানভীর বিদায় নেয়ার আগে, একটা পান্জাবী উপহার দেয় আমিন আলিকে। খুব বেশি দামী নয় পান্জাবীটা। তার কারণ, পান্জাবীর টাকা সম্পূর্ণ তানভীরের নিজের। একবার ছবি এঁকে ওর এক স্যারের কাছ থেকে পাঁচ পাউন্ডের একটা নোট উপহার পায় তানভীর। সেই টাকা দিয়েই আমিন আলির জন্য পান্জাবী কেনে তানভীর।বাবার কাছ থেকে এজন্য এক পয়সাও নেয়নি।
একাত্তরে আসাদের মৃত্যুর পর সেদিনই প্রথম কেঁদেছিলেন আমিন আলি। তবে এই অশ্রু অবশ্যই আনন্দের।
আজ আমিন আলি সেই পান্জাবীটা পড়েছেন। এমপির বাড়িতে তো আর তালি দেয়া জামা পড়ে আসা যায়না। তিনি তাদের এলাকার এমপি , জয়নাল তালুকদারের বাড়িতে বসে আছেন। এমপি মন্ত্রীদের কাছে কেউ দাবি ছাড়া আসেনা, তাঁরও একটা দাবি আছে । বেশি বড় কিছুনা তবে তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন দাবিটা।
জয়নাল তালুকদারের বাড়ি আমিন আলিদের গ্রামেই।আসাদ, আমিন আলি, জয়নাল এরা সবাই সমবয়সী। যুদ্ধের সময় জয়নাল অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। দুঃখজনক ব্যাপারটা হল, জয়নালের সমস্ত কার্যক্রম ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। সোজা কথায় জয়নাল তালুকদার একজন রাজাকার।
স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন জয়নালের কোনো খোঁজ খবর ছিলনা। মাত্র পাঁচববছর আগে কোথেকে যেন ফিরে এল। ততদিনে লোকটার আঙ্গুল ফুলে একেবারে কলাগাছ। এসেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে লোকটা। উপযুক্ত জায়গায় টাকা ছড়াতে পারায় এবারের নির্বাচনে এমপি হতে নির্বাচিত হয়েছে। যদিও তার কতটুকু সৎপথে সে নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে এলাকার লোকজনদের। কিন্তু জয়নাল এখন ধরাছোঁয়ার অনেক বাইরে। জেলা শহরে আলিশান বাড়ি করেছে। অবশ্য এই বাড়িতেও তাকে কদাচিৎ পাওয়া যায়। বেশিরভাগ সময়ই ঢাকায় থাকে লোকটা। এমপি হবার পর নিজের নির্বাচনী এলাকায় হাতেগোনা কয়েকবার এসেছে। এবং প্রতিবারই তার চারপাশে দৃশ্য, অদৃশ্য দুর্ভেদ্য দেয়াল থাকায় এলাকবাসীর পক্ষে তার দেখা পাওয়া অসম্ভব প্রমাণিত হয়েছে।
আমিন আলিও ভাবেননি তিনি দেখা করতে পারবেন জয়নাল তালুকদারের সাথে। জয়নাল তালুকদারের বাড়ির গেটে যখন আটকানো হয় তখন তিনি খানিকটা অসহায় বোধ করেন। জয়নাল তালুকদারের সাথে দেখা করাটা খুবই জরুরী তাঁর জন্য। মরিয়া হয়ে একটা কাগজে নিজের নাম ঠিকানা লিখে সেটা জয়নাল তালুকদারকে দেখাবার জন্য দারোয়ানকে দিয়ে পাঠান। তাঁর বিশ্বাস এই নামটা জয়নাল তালুকদার কখোনোই ভুলবেনা। তবে দেখা দেবে কিনা সেটা নিয়ে তিনি তখনও চিন্তিত ছিলেন।
কী আশ্চর্য! আমিন আলির ডাক পড়ল ভেতরে।
তিনি গত আধঘন্টা ধরে বসে আছেন জয়নাল তালুকদারের ড্রয়িংরুমে। এই আধঘন্টায় কাউকেই দেখেননি তিনি।
মুক্তিযোদ্ধা হয়ে একজন রাজাকারের কাছে কিছু চাইতে আসায় আমিন আলির এতটুকু সংকোচ নেই। তাঁর ধারনা, একাত্তরে আকস্মিক একটা ভুলে জয়নাল তালুকদার স্বাধীনতা বিরোধী হয়েছিল। এতদিনে নিশ্চয়ই ভুলটা শুধরে নিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা আজ জয়নাল তালুকদার একজন দেশ সেবক। স্বাধীনতা বিরোধী চিন্তা ভাবনা নিয়ে আবার কেউ দেশের সেবা করতে পারে নাকি! আমিন আলি চাওয়াটাও তো একরকম দেশের জন্যই।
আরো পনেরো বিশ মিনিট পর জয়নাল তালুকদারকে দোতলা থেকে নেমে আসতে দেখা গেল। চল্লিশ বছর পর তাকে সরাসরি দেখছেন আমিন আলি।
টিঙটিঙে জয়নালের চেহারায় মাংস লেগেছে। বেশ খোলতাই চেহারা। ক্লীনশেভ।
দাড়ি ছাড়া রাজাকার দেখলে কেমন ধাক্কার মত লাগে।কিভাবে যেন বাংলাদেশের মানুষের ধারনা হয়ে গিয়েছে রাজাকার মানেই দাড়িওয়ালা হতে হবে।দেশের শত্রুদের নির্দিষ্ট কোনো গন্ডিতে বাধা যায়না, এরা ব্যাপক।
আমিন আলি একজন দেশ সেবকের সম্মানে দাড়িয়ে গেলেন।
'তোমার নামই আমিন আলি? '
'জ্বী। 'জবাব দিলেন আমিন আলি।
'উহুঁ, ওইখানে না, নিচে বস। 'আমিন আলিকে সোফায় বসতে দেখে বলে উঠল জয়নাল তালুকদার।
আস্তে করে নিচে বসে পড়লেন আমিন আলি। তাঁর অপমানিত বোধ করা উচিৎ কিন্তু তিনি অপমানিত হলেননা। ঠিকই তো।সোফাটা নিশ্চয়ই বড় বড় মানুষদের জন্য রাখা হয়েছে। তাছাড়া কার্পেটে বসলেই কী সমস্যা? ওটাও তো অনেক দামি!
'তা কিসের জন্য আসছ? টাকা পয়সা চাবা না। দিতে পারবনা। 'সোফায় বসতে বসতে বলল জয়নাল তালুকদার।
'ছিঃ ছিঃ টাকার জন্য কেন আসব? আমি আসছি আমাদের গ্রামে যে কলেজটা হইতাছে, ওইটার নামকরণ নিয়া কথা বলতে। '
'নামকরণে আবার কী সমস্যা? '
'আমি শুনছি কলেজটা নাকি আপনার বাবার নামে হবে। 'জয়নালকে একসময় 'তুই তোকারি' করতেন আমিন আলি। এখন 'আপনি ' করে বলতে কেমন একটু লাগল।
'হুঁ ঠিকই শুনছ।সমস্যা কী তাতে? '
'না, আমাদের গ্রামবাসীর দাবি কলেজটা শহিদ আসাদের নামে হোক। 'বললেন আমিন আলি।
'আসাদ নামটা শোনার সাথে সাথে খানিক চমকে উঠল জয়নাল তালুকদার। চমকে ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমিন আলিদের হাতে ধরা পরে জয়নাল রাজাকার। ওরা জয়নালকে নিয়ে আসে আসাদের কাছে। সবাই চাচ্ছিল বেইমানটাকে তখনই মেরে ফেলতে। কিন্তু আসাদ ওকে ছেড়ে দিল। ভেবেছিল এই দয়াটুকু করলে হয়ত জয়নাল তার ভুল বুঝতে পারবে।
কিন্তু যুদ্ধের পুরো সময়ের মধ্যে আসাদ ওই একটা ভুলই করেছিল,জয়নালকে ছেড়ে দিয়ে। পরবর্তীতে জয়নালের চক্রান্তেই আসাদ শহিদ হয়।
'কার কথা বললা ? আসাদ? ওই নমুর দালালটা আবার শহিদ হয় কেমনে? ওর মত নমুগুলার জন্যেই তো দেশটার এই অবস্থা। নাইলে আমরা আজকে অ্যাটম বোমার মালিক হইতাম। সুপার পাওয়ার বইলা ডাকত সবাই। ভারতের . . .'বলতে বলতে চুপ হয়ে গেল জয়নাল তালুকদার। তাকিয়ে আছে আমিন আলির দিকে।
আমিন আলির কান ঝাঁ ঝাঁ করছে। মনে হচ্ছে সমস্ত রক্ত ফোয়ারার মত উপরে দিকে উঠে আসছে। এসব তিনি কী শুনছেন? তাও আবার দেশের একজন হর্তাকর্তার কাছ থেকে।
দাড়িয়ে গেলেন তিনি। আস্তে আস্তে জয়নাল তালুকদারের দিকে এগোচ্ছেন। জয়নাল তালুকদারও আমিন আলিকে নিজের দিকে আসতে দেখে দাড়িয়ে গেল। দুচোখে নগ্ন আতংক।
আমিন আলি নিজেই জানেননা তাঁর দুচোখ ভাটার মত জ্বলছে।
'এইটা আসাদের তরফ থিকা, 'বলে নিজের সমস্ত শক্তি এক করে চড়টা মারলেন জয়নাল তালুকদারের মাংসল গালে।
'আর এইটা আমার তরফ থিকা ',চড়াৎ করে জয়নালের অপর গালে দ্বিতীয় চড়টা পড়ল।
এরপর একদলা থুতু লোকটার পায়ের কাছে ফেলে আমিন আলি বাড়িটা থেকে বেরিয়ে এলেন।
গেটের দারোয়ান ব্যাপারটা জানেনা বলে সহজেই বেরিয়ে আসতে পারলেন আমিন আলি।
এরপর কিভাবে বাসে উঠলেন, কিভাবে নামলেন, জানেননা আমিন আলি।
বাস থেকে নেমে তাঁর গ্রামে ঢোকার আগে বিশাল একটা মাঠ পেরোতে হয়। এখন তিনি সেই মাঠের মাঝখান দিয়ে হাটছেন।
সেই সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন, এখন সন্ধ্যা হব হব করছে। দীর্ঘ এই সময়টা না খেয়ে আছেন আমিন আলি। যদিও এই মূহুর্তে ক্ষুধা তৃষ্ণা কিছুই অনুভব করতে পারছেননা। চিন্তাশক্তি ঘোলাটে হয়ে আছে।শুধু জয়নাল তালুকদারের কথাগুলোই ঘুরপাক খাচ্ছে মাথার মধ্যে।এখনও পরিবর্তন হয়নি এই সমস্ত স্বাধীনতা বিরোধীদের চিন্তাধারা। আজ তিনি যা করেছেন, তার জন্য এতটুকু অনুতপ্ত বা ভীত নন তিনি।
পেছনে হঠাৎ মোটরসাইকেলের আওয়াজে চিন্তার সুতো ছিঁড়ে গেল আমিন আলির। পেছন ফিরে তাকালেন তিনি। একজোড়া মোটরসাইকেল চেপে চারজন আরোহী তাঁর দিকেই আসছে।
আমিন আলি অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করতে পারলেন কি ঘটতে চলেছে।
মোটরসাইকেল দুটো আমিন আলির পথরোধ করল। আরোহীদের সবাই হেলমেট পরে আছে। আমিন আলি স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন তাদের দিকে।
একজন আরোহীকে পকেট হাত ভরতে দেখলেন আমিন আলি। ছোট্ট একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চোখ বুজলেন।
বিকট আওয়াজের সাথে বুকে প্রচন্ড এক ধাক্কা খেলেন তিনি।হাঁটু ভেঙে পড়ে যাচ্ছেন। পতনটা অত্যন্ত ধীর যেন একজীবন লেগে যাচ্ছে।বাতাসে অক্সিজেনের অভাব টের পাচ্ছেন।
মাটিতে পড়ে বন্ধ চোখটা খুলেই অভূতপূর্ব এক দৃশ্য দেখতে পেলেন তিনি।দুরে একসারি গাছের ফাঁক দিয়ে পাটে বসা টকটকে লাল সূর্যটাকে দেখা যাচ্ছে।ঠিক যেন বাংলাদেশের পতাকা!
ঠিক সেই মূহর্তে আমিন আলির অদ্ভুত একটা ইচ্ছে হল। তিনি আল্লাহর কাছে খুব করে চাইলেন, তাঁর বুক থেকে ঝরে পড়া রক্ত যেন সবুজ ঘাসের উপর বৃত্তাকারে জমা হয়।নিজের লাল রক্ত দিয়ে সবুজ ঘাসের উপর আরেকটা নিশান তিনি রচনা করতে চান। আসমানে এক লাল সবুজের নিশান, আরেকটা যমীনে।
বিড়বিড় করছেন আমিন আলি।কালেমা পড়ছেন।
তাঁর বুকের কাছের গাঢ় সবুজ যমীনের দিকে তাকিয়ে একটুকরো হাসি ফুঁটে উঠল তাঁর ঠোঁটে। আকাশের দিকে একবার তাকিয়ে চোখ বুজলেন আমিন আলি, শেষবারের মত।তাঁর ইচ্ছা পূরণ হয়েছে।
©somewhere in net ltd.