নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একটু খানি.......

পরির্বতনের সময় এখন....

আবু সালেহ

আমি ভালোবাসি গান শুনতে,গল্প পড়তে,কাজ করে সময় কাটাতে আর সবচেয়ে ভালো লাগে বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে ।

আমি তাদের দলে নই যারা বয়স হলেই কিংবা অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যায় ....
কেননা র্বেঁচে থাকা মানে জীবনে থাকা....আর তা উপভোগ করে যেতে চাই চুটিয়ে..

হাজার স্বপ্ন আমার.......একদিন পূরন হবে সেই আশায় ..........স্বপ্নগুলো নয়তো পূরন হবার...তবু আশা বুকে...

আমার ভেতর লুকিয়ে থাকা অন্য এক আমি......আমি খুজে ফিরি নিজেকে ...নিজের মাঝে...

আবু সালেহ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাসূল(সা:)কে ভালোবাসা ঈমাণের অঙ্গ

২৫ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:০৬



রাসূল ্র্র(সা:) কে মহব্বত/ভালোবাসা প্রত্যেক মুমিনের জন্য ফরজে আইন।আর রাসূল (সা:)কে মহব্বত করা ঈমাণের সাথে সম্পৃক্ত। ঈমানের অর্থ হচ্ছে জানা এবং মেনে নেওয়া ।যে ব্যক্তি আল্লাহর একত্ব, তার সত্যিকার গুনরাজি , তার কানুন এবং তার পুরস্কার ও শাস্তি সম্পর্কে জানে এবং দিলের মধ্যে তৎসম্পর্কে প্রত্যয় পোষন করে, তাকে বলা হয় মু'মিন এবং ঈমানের ফল হচ্ছে এইযে, তা মানুষকে মুসলিম অথর্াৎ আল্লহর অনুগত ও আঞ্জাবহ করে তোলে।



ইসলাম ধর্মে যতপ্রকার ইবাদত আছে,সেগুলো প্রতিপালনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈমানদার বা মুমিন হওয়া ।ঈমাদার হওয়ার পুর্বশর্ত হলো হজরত রাসূল(সা:)কে সবার উর্দ্ধে ভালোবাসা।হাদিসে বর্ণিত আছে ুযে ব্যক্তি নিজের জান, মাল,পিতা-মাতা, সন্তান-সন্তুষ্টি যাবতীয় সবকিছুর উধের্্ব আমাকে বেশি ভালো না বাসবে সে মুমিন হতে পারবে না"(বোখারী,2য় খন্ড)। হাদিস শরীফে আরো বর্নিত আছে যে "যার অন্তরে অনু পরিমান ঈমাান বিদ্যমান থাকবে তাকেও (জাহান্নাম থেকে মুক্তির পর ) জান্নাতে স্থান দেওয়া হবে(বোখারী)অন্তর বা হৃদয় থেকে ভালোবাসতে হবে। আর ঈমান, বিশ্বাস, আর ভালোবাসা হচ্ছে এই অন্তর বা হৃদয়ের বিশ্বাস....



আর একজন মুমিন মুসলমানের কর্তব্য বলতে রাসূল (সা:) কে ভালোবেসে, তাকে বিশ্বাস করে তার নির্দেশে আল্লাহ পাকের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের নির্দেশিত পথে চলা............





এখন আসাযাক এই ভালোবাসার অর্থ কি????ভালোবাসার একনিষ্ঠ সংঙ্গা প্রদান করা কষ্ঠসাধ্য হয়ে পড়বে । কারন ত্রে ভেদের কারনে ভালোবাসার সংঙ্গারও পরিবর্তন ঘটে থাকে এবং ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে....যেমন : মাকে ভালোবাস, স্থ্রীকে ভালোবাসা, বোনকে ভালোবাসা,দেশকে ভালোবাসা, রাসূল (সা:) ভালোবাসা, আল্লাহকে ভালোবাসা ইত্যাদি।প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ভালোবাসার ভিন্ন অর্থ হয়ে থাকে। আর যারা একে এক অর্থে দেখে থাকেন তাহলে তাদেরকে মানুষ বলার সুযোগ থাকেনা।



ভালোবাসার কারনে একের সাথে অপরের অন্তরের সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে থাকে। আর মহান আল্লাহ তাআলা নিজে যাকে ভালোবাসেন , সেই ভালোবাসার রাসূল(সা:ঘকে যদি কোন ব্যক্তি সবকিছুর উর্দ্ধে ভালোবাসেন তাহলে তার সাথেও রাসূল (সা:) এর আন্তার সম্পর্ক সৃষ্টি হবে।



মহানবী (সা:) এর আত্বা তো ণূরময় । ফলে রাসূলকে যারা সবকিছুর উর্দ্ধে ভালোবাসবেন তাদের সাথে রাসূলের আত্বার সাথে অন্তরের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।যার ফলে সেই প্রেমিকের অন্তরও হয়ে উঠে নূরময়।অর্থাৎ সেই প্রেমিকের অন্তরের সকল কালিমা দূর হয়ে যায় , তিনি পরিশুদ্ব অন্তরের এবং আদর্শ চরিত্রবান হন । যারফলে আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পন করেন এবং পূর্ন ইমানদার বা মুমিন হয়ে উঠেন।



( চলবে)

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:১৫

ধানসিঁড়ি বলেছেন: দারুন উদ্যোগ। চালিয়ে যান, পরবর্তী পর্ব পড়ার অপেক্ষায় রইলাম....

২| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:১৭

ধানসিঁড়ি বলেছেন: দারুন উদ্যোগ। চালিয়ে যান, পরবর্তী পর্ব পড়ার অপেক্ষায় রইলাম....

৩| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:২২

অতিথি বলেছেন: ভাল লাগল :)

৪| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:২৪

অতিথি বলেছেন: ভেরি গুড স্টার্ট। ভালো লেগেছে লিখাটা। চলুক :)

রাসূল (সাঃ) এর প্রতি বিশ্বাস, ঈমানের অংগ। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন। ভালোবাসাটা যেন সীমার মধ্যে থাকে। শিরকের সম্ভাবনা থাকতে পারে, এমন বিবৃতি এড়িয়ে চলুন। যেমন, রাসূল (সাঃ) কে 'সবার ঊর্ধ্যে' ভালোবাসার কথাটা গোলমেলে। আল্লাহ সবকিছুর ঊর্ধে এবং তার সাথে তুলনীয় হতে পারে এমন কিছু নেই। সবচেয়ে বড় কথা, রাসূল (সাঃ) একজন মানুষ। আমি জানি, আপনিও এমনটাই ভাবেন :)

৫| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:৩১

অতিথি বলেছেন: ধানসিড়ি
ধন্যবাদ আপনাকে .....খুব তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবেন......
আস্তমেয়ে
তোমার ভালো লেখেছে যেনে আনন্দিত হলাম....ধন্যবাদ
চোর
আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ..তবে এখানে সবার উধের্্ব বলতে সকল মানুষের উধের্্বর ভালোবাসাকে বুঝানো হয়েছে........সেটা যেমন হতে পারে সন্তান ,হতে পারে পিতা কিংবা মাতা........ধন্যবাদ আপনাকেও

৬| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:৪১

খুশবু বলেছেন: সুন্দর একটা সাবজেক্টে লেখা ।কিছু ইনফরমেশন জানলাম ।ধন্যবাদ

৭| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:৪৪

অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকেও, সামনে আরো কিছু জানানের চেষ্টা করবো................@ খুশবু......

৮| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:৪৭

ওয়ালী বলেছেন: চলবে...

৯| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:৫৬

অতিথি বলেছেন: পরবতর্ীর অপেক্ষায় আছি.......

১০| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ২:১০

অতিথি বলেছেন: ওয়ালী ভাই
অবশ্যই চলবে.......দোয়া করবেন.......আছেন কেমন???মেইল পাইছেন.....??

মুক্তধারা

আপনার অপেক্ষার পরিসমাপ্তি করা হবে খুব তাড়াতাড়ি.....

১১| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:১৩

অতিথি বলেছেন: রাসুলের প্রেিতা দুরূদ পেশ করছি

১২| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:২০

আরাফাত রহমান বলেছেন: কত নেত্রীর জন্য, নেতার জন্য জীবন দিয়ে দিচ্ছে কত যুবক। আরা রাসুলের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য একটি হাত এক মিনিটের জন্য দিতে পারেনা।
অমুকের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য কত মিছিল মিটিং হয়। কত আন্দোলন হয়। অথচ ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়নে কিছু বললেই মোল্লা বলে গালি দেয়।

১৩| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৪:০৩

অতিথি বলেছেন: সালেহ ভাই,
আপনারে কি আমি এমণে এমণে লাইক করছি নি। অনেক ভালো লাগলো পড়ে। চালিয়ে যান ..............মিস করুম না আশাকরি। ভাই কোন কারণে মিস হলে মাঝে মাঝে আমার ব্লগে দুই একটা বারি মাইরেন কিন্তু..............

সালেহ ভাই থ্যাক্কু

১৪| ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

শাওন বলেছেন: ঝাককাস । চালিয়ে যান সালেহ ভাই । আপনিই পারবেন . . .

১৫| ২৬ শে জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:২৫

অতিথি বলেছেন: জিনের বাদশা
অবশ্যই আপনার দুরূদ কবুল হোক ......আমিন......

আরাফাত ভাই
জব্বর কইছেন।দেখেননা দলের জন্য কি রক্তারক্তি কারবার...............কিন্তু.........

সাকিব ভাই
সাকিব ভাই আপনি আমারে লাইক করেন!!! শুইনা বড়ই আনন্দিত হইলাম.....আমার লেখা আপনার ভালো লেগেছে শুনে নিজেকে ধন্য মনে করলাম....ধন্যবাদ .......ধন্যবাদ.....

আর পরবর্তী অংশ আপনি না পড়লেও আপনারে জোর কইরা পরামু
আবারও ধন্যাপাতা.......

শাওন

শাওন কামের কাম কিছুই করতে পারতাছিনা এখনো , দোয়া করিসরে .........





আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.