| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঢাকা থেকে
অন্যায় সহ্য করা খুব কঠিন।। কিন্তু বাস্তব বড়ই নির্মম।
ছাত্র শিবির এক ভয়ংকর, জঙ্গি, সন্ত্রাসী ইসলাম বিচ্ছন্নগোষ্ঠীর নাম যারা শুধু ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়েই এদেশে জঙ্গিপনা শুরু করেছে। জঙ্গিপনাকে তারা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে জঙ্গি জামাতী চক্র ১৯৭১ সালে মানুষকে হত্যা করেছে, ঘরে আগুন দিয়েছে, মা-বোনের ইজ্জত লুটেছে। তাদের অন্যতম সহযোগী হিসেবে জঙ্গি শিবির এখনও হত্যা, রগ কাটা অব্যাহত রেখেছে। এখনও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তারের জন্য তারা মেধাবী ছাত্রদের হত্যার কর্মসূচী পালন করে যাচ্ছে। এসব ঘটনা ’৭১ এর বুদ্ধিজীবি নিধনেরই ধারাবাহিকতা। মূলত তারা চায় দেশের শিক্ষাঙ্গনকে অস্থিতিশীল রেখে জাতির বিকাশকে বাধাগ্রস্থ করতে। শিবিরের নৃশংসতার খতিয়ান অনেক লম্বা। ১৯৭৭ সালে তৎকালীন ক্ষমতালোভী শাসকগোষ্ঠিদের মাথায় ভর করে তাদের ঘৃণ্য জঙ্গিপনার পূন: যাত্রা শুরু করে। আওয়ামীলীগসহ সব শাসক দলই তাদের প্রতি কম-বেশী উদাসীন থাকার ফলে তারা দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে নামে বেনামে ইসলামের দোহাই দিয়ে ঢুকে পড়েছে। তাদের কাছে যে অস্র রয়েছে তা যদি উদ্ধার করা না হয় তাহলে তা এ দেশের নিরীহ জনগণের বিরূদ্ধে ব্যবহার করবে তাও আবার ইসলামের নামে এবং জিহাদ নাম দিয়ে। সরকারের জন্য এটা খুবই জরুরী যে তাদের সকল গোপন আস্তানা বিশেষ করে পাহাড়ী এলাকায় অস্রের যে গোপন ঘাঁটি রয়েছে তা থেকে অতি সত্ত্বর অস্র গুলো উদ্ধার করা।সম্প্রতি এ জঙ্গি দলের সভাপতি হুমকি ধামকি তাদের জঙ্গি মানসিকতারই বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছে।
তাদের জঙ্গিপনার হাজারো ঘটনা রয়েছে এখানে গুটিকয়েক উল্লেখ করা হবে।
১)মার্চ, ১৯৮১ / প্রতিষ্ঠার মাত্র তিন বছরের মাথায় শিবির ক্যাডাররা চট্টগ্রাম সিটি কলেজের ছাত্র তবারক হোসেনকে কলেজ ক্যাম্পাসেই কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। কিরিচের এলোপাতাড়ি কোপে মুমূর্ষু তবারক যখন পানি পানি করে কাতরাচ্ছিল তখন এক শিবিরকর্মী তার মুখে প্রস্রাব করে দেয়।
এ কোন নৃশংসতা! যা ইতিহাসের সকল নির্মমতাকেও হার মানিয়েছে। এধরনের ঘটনা ইরাকে জঙ্গি মার্কিন কাফিররা মুসলমানদের উপর ঘটিয়েছে। কিন্তু তবারক তো মুসলিম ছিলো তাহলে তার প্রতি এ আচরন কি কোন মুসলমানের পক্ষে সম্ভব ছিলো? তাহলে এ জঙ্গি শিবির আসলে কি? তারা কি চায়? মূলত: তারা ইসলামের নামে ওহাবীমতবাদীদের আশীর্বাদপুষ্ট মওদুদীবাদ প্রতিষ্ঠার জন্যই এদেশের মুসলিমদেরকে এভাবে নিধন করেছে যা মূলত: কাফিররা করে থাকে ; যেমন করেছে—- আফগানিস্তানে, জঙ্গি রাশিয়ান , আমেরিকান কাফিররা এবং এর পর ইরাকে ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:৩২
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: শিবির যা করে, তা-ই ইসলামী শরিয়ত সম্মত হয়ে যায়, আর বাকীরা সবার কাজই শরিয়ত বিরোধী কাজ। তারা মানুষ খুন করলেও সেটা ইসলামের নামে মানুষ করেছে, বোমাবাজি করলেও ইসলামের জন্য উপসর্গ করা হয়, কিন্তু ৭১এ নারী ধষর্ণের ব্যাখ্যাটা এখনও পাই নাই শিবিরের কাছ থেকে।