| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়ে তোলার আয়োজন করেন এবং ১৯৭২ সালে গোলাম আযম লন্ডনে 'পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি' গঠন করেন এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র উচ্ছেদ করে আবার এই ভূখন্ডকে পাকিস্তানের অংশে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করেন।
যুদ্ধাপরাধ নজরদারিতে গোলাম আযম নজরদারিতে গোলাম আযম
ঢাকা, জুলাই ০৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরু এবং জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ তিন নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রেক্ষাপটে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী হিসেবে 'গণ আদালতে' অভিযুক্ত দলটির সাবেক আমির গোলাম আযমকে নজরদারিতে রেখেছে সরকার।
জামায়াতের রাজনৈতিক গুরু গোলাম আযম মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তাকে যুক্তরাজ্যে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের একজন নীতি নির্ধারক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "গোলাম আযম গোয়েন্দা নজরদারিতে আছেন।"
প্রতি বছরই তিনি সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে যুক্তরাজ্য যান জানিয়ে বড় মগবাজারে নিজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ৮৭ বছর বয়সী আযম বলেন, "২০০৮ সালে আমার ওয়াইফ ভিসা পেলেও আমাকে ভিসা দেওয়া হয়নি। আমি ব্রিটিশ আদালতে আপিল করেছিলাম। আপিলের রায় আমার পক্ষে হওয়ার পরও আমাকে যেতে দেওয়া হয়নি।"
আপিলের জবাবে যুক্তরাজ্য সরকার তার পক্ষেই রায় দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, "বাংলাদেশ সরকার আমাকে যেতে দিচ্ছে না। এবছর এপ্রিল মাসের ২৭ তারিখ আমার পাসপোর্ট নিয়ে গিয়েছে।"
এর আগে গোলাম আযমের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে তার বাড়ির সামনে থেকে দুই দিন ঘুরে এলেও দেখা করার অনুমতি মেলেনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এই প্রতিবেদকের।
মঙ্গলবার সাড়ে ৩ টার দিকে তার বাড়ির সামনের দোকানি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় বিকাল ৫ টার দিকে পাাশের মসজিদে নামাজ পড়ার জন্য তিনি বের হন।
৫ টা পর্যন্ত বাড়ির সামনে অপেক্ষা করার পর তিনি রুবেল নামে ১৩/১৪ বছর বয়সী একটি ছেলের কাঁধে ভর দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন।
শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে গণহত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে মদদ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
মানবতার বিরুদ্ধে এসব অপরাধের বিচার করতে সরকার গত ২৫ মার্চ ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ অনুসারে বিচারক প্যানেল, তদন্ত সংস্থা ও আইনজীবী প্যানেল গঠন করে।
সরকার যুদ্ধাপরাধদের বিচার করতে যাচ্ছে, একারণেই কি আপনাকে দেশ ত্যাগ করতে দেওয়া হচ্ছেনা? এই প্রশ্নের জবাবে আযম বলেন, "এসব বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। যুদ্ধাপরাধ কি আমি জানি না।"
এর আগে গোলাম আযমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টায় তার যুক্তরাজ্য প্রবাসী দৌহিত্র নাবিল আল আযমীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে যান। তিনি বলেন, "আমরা পারিবারিকভাবে প্রেসের সঙ্গে কথা না বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
"কিছু দিন আগে একটি দৈনিক পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেছিলাম তারা ভুল ও মিথ্যা তথ্য ছেপেছে। আমি আপনার কোনো প্রশ্নেরই জবাব দেব না", বলেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর বর্তমান সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "গোলাম আযম সাহেব তার মগবাজার কাজী অফিস রোডের বাড়িতে আছেন। নিয়মিত নামাজ আদায় করছেন। সংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন না তিনি।"
গত ২৯ জুন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার মামলায় জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও নায়েবে আমির দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগসমূহ: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা, লূণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, জনপদ ধ্বংস, নারী ধর্ষণ প্রভৃতি অপরাধমূলক কাজে মদদ দেওয়া।
নিজ উদ্যোগে শান্তি কমিটি, আল-বদর, আল-শামস বাহিনী গঠন এবং হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীকে রাজাকার বাহিনী গঠন করায় প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে গণহত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, জনপদ ধ্বংসের নীলনকশা প্রণয়ন করে আল-বদর, আল-শামসকে দিয়ে মানুষ হত্যা করানো।
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীকালে 'পুর্ব পাকিস্তান বাস্তবায়ন কমিটি' গঠন করে বিদেশি শত্র"র চর হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা
ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্র করে অপরাধ সংগঠন করা।
আনিসুজ্জামানের সাক্ষ্য:
গোলাম আযমের বিরুদ্ধে এ সব অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে ১৯৯২ সালে গণআদালতে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেছিলেন "১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ শত্র"মুক্ত হলে গোলাম আযম পাকিস্তানে বসে মাহমুদ আলীসহ 'পুনরুদ্ধার কমিটি' নামে একটি সংগঠনের সূচনা করেন।
পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়ে তোলার আয়োজন করেন এবং ১৯৭২ সালে গোলাম আযম লন্ডনে 'পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি' গঠন করেন এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র উচ্ছেদ করে আবার এই ভূখন্ডকে পাকিস্তানের অংশে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করেন।
১৯৭৩ সালে ফেডারেশন অব স্টুডেন্টস ইসলামিক সোসাইটি'র বার্ষিক সম্মেলনে এবং ব্রিটেনের লেসটারে অনুষ্ঠিত ইউকে ইসলামিক কমিশিনের বার্ষিক সভায় তিনি বাংলাদেশবিরোধী বক্তৃতা দেন। ১৯৭৪ সালে মাহমুদ আলীসহ কয়েকজন পাকিস্তানিকে নিয়ে তিনি পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি'র এক বৈঠক করেন।
এই সভায় গোলাম আযম ঝুঁকি নিয়ে হলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে 'কাজ চালানোর' প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করেন। এভাবেই গোলাম আযম পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে গেছেন।"
---------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------
[১] ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হলে গোলাম আযম পাকিস্তানে বসে মাহমুদ আলী ও খাজা খয়েরউদ্দীনের মতো দেশদ্রোহীর সঙ্গে মিলিত হয়ে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি নামে একটি সংগঠনের সূচনা করেন এবং বিভিন্ন দেশে পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন গড়ে তোলার আয়োজন করেন। তিনি এই উদ্দেশ্যে দীর্ঘকাল পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির বলে নিজের পরিচয় দিতেন।
[২] ১৯৭২ সালে গোলাম আযম লন্ডনে ‘পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি’ গঠন করেন এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র উচ্ছেদ করে আবার এই ভূখণ্ডকে পাকিস্তানের অংশে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করেন। ১৯৭৩-এ ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত ফেডারেশন অফ স্টুডেন্টস ইসলামিক সোসাইটিজের বার্ষিক সম্মেলনে এবং লেসটারে অনুষ্ঠিত ইউ কে ইসলামিক কমিশনের বার্ষিক সভায় তিনি বাংলাদেশবিরোধী বক্তৃতা দেন। ১৯৭৪-এ মাহমুদ আলীসহ কয়েকজন পাকিস্তানিকে নিয়ে তিনি পূর্ব লন্ডনে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটির এক বৈঠক করেন। বাংলাদেশকে পাকিস্তানে পরিণত করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে দেখে এই সভায় স্থির হয় যে, তাঁরা এখন থেকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নিয়ে একটি কনফেডারেশন গঠনের আন্দোলন করবেন। এই সভায় গোলাম আযম ঝুঁকি নিয়ে হলেও বাংলাদেশে ফিরে অভ্যন্তর থেকে ‘কাজ চালানোর’ প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করেন। ১৯৭৭-এ লন্ডনের হোলি ট্রিনিটি চার্চ কলেজে অনুষ্ঠিত একটি সভায় তিনি এ কথারই পুনরাবৃত্তি করেন এবং সেই উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য পাকিস্তানি পাসপোর্ট ও বাংলাদেশি ভিসা নিয়ে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে আগমন করেন।
[৩] ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে গোলাম আযম রিয়াদে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ইসলামি যুব সম্মেলনে যোগদান করেন এবং পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকল মুসলিম রাষ্ট্রের সাহায্য প্রার্থনা করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৬ পর্যন্ত তিনি সাতবার সউদি বাদশাহ্র সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার আহ্বান জানান এবং কখনো তিনি বাদশাহ্কে বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করতে ও কখনো বাংলাদেশকে আর্থিক বা বৈষয়িক সাহায্য না দিতে অনুরোধ করেন। ১৯৭৪ সালে রাবেতায়ে আলমে ইসলামির উদ্যোগে মক্কায় অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এবং ১৯৭৭ সালে কিং আবদুল আজিজ ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত একটি সভায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বক্তৃতা করেন।
[৪] অনুরূপভাবে গোলাম আযম ১৯৭৩ সালে বেনগাজিতে অনুষ্ঠিত ইসলামি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে আগত প্রতিনিধিদের কাছে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য লবিং করেন। একই বছরে ত্রিপলিতে অনুষ্ঠিত ইসলামি যুব সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে হানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
[৫] ১৯৭৩ সালে গোলাম আযম মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত মুসলিম স্টুডেনটস অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা অ্যান্ড কানাডার বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তানভুক্ত করার জন্য সবাইকে কাজ করতে আহ্বান জানান।
[৬] ১৯৭৭ সালে গোলাম আযম ইসতামবুলে অনুষ্ঠিত ইসলামিক ফেডারেশন অফ স্টুডেনটস অরগানাইজেশনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশবিরোধী বক্তৃতা করেন।
১ Click This Link
২ Click This Link
৩ http://www.sachalayatan.com/tanveer/13238
২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:১৫
সাদা মেঘ বলেছেন: এই সমস্ত মিথ্যা কথা বলে পার পাবেননা। আপনারা বলছেন গোলাম আযম যুদ্ধাপরাধী। আবার বলছেন যুদ্ধ শেষ হবার পর এইসব করছে। লন্ডনে বইসা গোলাম আযম এরকম কিছু করেনি।
এই ব্যাপারে গোলাম আযম তার ইন্টারভিউতে কথা বলছে। View this link
গোলাম আযম যুদ্ধাপরাধী হলে এই পোষ্ট দুইটার যুক্তিগুলার উত্তর দিয়া আসেন যদি সাহস এবং জ্ঞান থেকে থাকে:
View this link
Click This Link
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:১৬
াহো বলেছেন: বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও বিরোধিতার অসংখ্য নজির রয়েছে গোলাম আযমের কথাতেও। পুরো ১৯৭১ জুড়ে এ ধরনের তৎপরতার সংবাদ প্রতিদিন ছাপা হয় জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম-এ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:১৭
াহো বলেছেন: প্রিল ১৯৭১
ঢাকায় নাগরিক শান্তি কমিটি গঠিত – দৈনিক পাকিস্তান- এপ্রিল ১১, ১৯৭১
মিছিলে নেতৃত্ব দেন গোলাম আযম ও নিজামী – দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
পাকিস্তান রক্ষার জন্য গোলাম আযমের মোনাজাত – দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
নুরুল আমিনের নেতৃত্বে শান্তি কমিটির প্রতিনিধি দল পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর টিক্কা খানের সাথে দেখা করে নাগরিকদের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ও শান্তি প্রতিষ।ঠায় অগ্রগতির কথা অবহিত করেন এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি তাদের সমর্থন পুন:ব্যক্ত করেন। – ঢাকায় নাগরিক শান্তি কমিটি গঠিত – দৈনিক পাকিস্তান- এপ্রিল ১৭, ১৯৭১
ভারত মুসলমানদের হিন্দু বানাতে চাচ্ছে তাই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে – মৌলবী ফরিদ আহমেদ - – দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৬, ১৯৭১
‘যেখানে তথাকথিত মুক্তিবাহিনী আলবদর সেখানেই’ এই স্লোগান নিয়ে কুখ্যাত বদর বাহিনী গঠিত হয় ২২ এপ্রিল, ১৯৭১ -দৈনিক পাকিস্তান, পূর্বদেশ -এপ্রিল ২২/২৩, ১৯৭১
সশস্ত্র বাহিনীকে সাহায্যে করার আহ্বান – আহ্বায়ক শান্তি কমিটি- দৈনিক পাকিস্তান -এপ্রিল ২৩, ১৯৭১
মে ১৯৭১
নয়া সাম্রাজ্যবাদ নস্যাত করার জন্য শাহ আজিজের আহ্বান- দৈনিক পূর্বদেশ ৫ মে, ১৯৭১
শান্তি কমিটির তৎপরতা, মুন্সিগন্জে পাক সেনাদের বিপুল সম্বর্ধনা – দৈনিক পূর্বদেশ ১২ মে, ১৯৭১
সামরিক সরকার ২৫ মার্চ রাত্রে পাকিস্তানকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন; তিনি শ্রী তাজউদ্দিন হয়ে গেছেন – দৈনিক সংগ্রাম ৮ মে, ১৯৭১
আল্লাহু আকবরের জায়গায় জয় বাংলা দখল করে নিয়েছে – দৈনিক সংগ্রাম ১২ মে, ১৯৭১
শান্তি কমিটির আবেদন : দেশের শত্রুদের মোকাবেলা করুন – দৈনিক পূর্বদেশ ১৮ মে, ১৯৭১
শান্তি কমিটির আবেদন -পাকিস্তানের শত্রুদের ধরিয়ে দেয়ার জন্যে সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করুন – দৈনিক আজাদ/পূর্বদেশ মে, ১৯৭১
যে কোন মূল্যে ভারতের চক্রান্ত নস্যাৎ করব -মওলানা আশরাফ আলী – দৈনিক আজাদ, ১৯ মে, ১৯৭১
জামাতে ইসলামী সেক্রেটারী জেনারেল রহমতে এলাহী বলেন- নতুন করে নির্বাচন চাই – দৈনিক পূর্বদেশ, ২৪ মে, ১৯৭১
অতি সম্প্রতি আমাদের দেশের একদল লোক হিন্দুদের সাথে যোগ দিয়েছে – পাকিস্তানের দুশমনদের নিশ্চিন্হ করার আহ্বান – মওলানা সিদ্দিক আহমেদ – দৈনিক আজাদ, ২৪ মে, ১৯৭১
জামাতের নেতা মওলানা ইউসুফ খুলনার শাহজাহান আলী রোডে অবস্থিত আনসার ক্যাম্পে ৯৬ জন জামাত কর্মী নিয়ে প্রথম রাজাকার বাহিনী গড়ে তোলেন – দৈনিক পাকিস্তান/আজাদ, ২৫-২৭ মে, ১৯৭১
জুন, ১৯৭১
বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরো, হাফেজ্জী হুজুর ও মাওলানা মওদুদী বললেন মুজিব বিচ্ছন্নতাবাদী
মওদুদীর বক্তব্য -শেখ মুজিবের দল গুন্ডামী ও মারামারী করে নির্বাচনে জয়ী হয় -পাকিস্তানী বাহিনীর হস্তক্ষেপ যৌক্তিক- দৈনিক পাকিস্তান, জুন ৬, ১৯৭১
মুজিবের বিচ্ছন্নতাবাদী আন্দোলন জনতা সমর্থন করেনি – মাওলনা মওদুদী – দৈনিক সংগ্রাম ৭ জুন, ১৯৭১
মীর জাফর কারা? – সম্পাদকীয় – দৈনিক সংগ্রাম ৮/৯ জুন, ১৯৭১
তাজুদ্দিন ও তোফায়েলসহ অন্যান্যদের ফৌজদারী আদালতে বিচার করা হবে – দৈনিক সংগ্রাম ১০ জুন, ১৯৭১
শান্তি কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য- দুস্কৃতিকারী গেরিলাদের গেরিলা স্টাইলে নির্মুল করা; ভারত ফেরত হিন্দুরা কড়া পাকিস্তান ভক্ত -সম্পাদকীয় – দৈনিক সংগ্রাম ১৩/১৪ জুন, ১৯৭১
সরকারী প্রেসনোটে পহেলা বৈশাখ নববর্ষের ছুটি বাতিল, ২৪০টি রাস্তার নামকরন হিন্দু থেকে মুসলিম করন, ৬৯টি বই নিষিদ্ধ- হিন্দুরা মুসলমানদের অস্তিত্ব বিলোপের কাজ করেছে – এই সংবাদে দৈনিক সংগ্রামের উপসম্পাদকীয় জুন, ১৯৭১
বিভিন্ন স্খানে শান্তি কমিটর সভা – ভারত ও তাবেদারদের বিরুদ্ভে প্রতিরোধের দৃঢ় সংকল্প – দৈনিক পাকিস্তান ১৭ জুন, ১৯৭১
পূর্ব পাকিস্তানীরা সর্বদাই পশ্চিম পাকিস্তানী ভাইদের সাথে একত্রে বসবাস করবে – গোলাম আযম দৈনিক সংগ্রাম -২৯শে জুন, ১৯৭১
লাহোরে সাংবাদিক সম্মেলনে অধ্যাপক গোলাম আজম:
“শেখ মুজিব প্রকাশ্যে কখনও স্বাধীনতার জন্যে চিৎকার করেন নি বরং মওলানা ভাষানীই বিচ্ছিন্নতাবাদের দাবী তোলেন। পূর্ব পাকিস্তানের অখন্ডতা বজায় রাখতে সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়া উপায় ছিল না।”
- দৈনিক সংগ্রাম -২৯শে জুন, ১৯৭১
জুলাই ১৯৭১
জয় বাংলা স্লোগানে পূর্ব পাকিস্তানের আকাশ বাতাস কলুষিত হয়েছে। ধর্ম নিরপেক্ষদের ধর্ম বিরোধী অত্যাচার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ময়দানে রাজাকারদের ক্ষূদ্র অস্ত্র দিয়ে গুলী চালানোর ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে – দৈনিক সংগ্রাম – ১-৫ জুলাই, ১৯৭১
জামাত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের আহ্বান- গ্রামে গ্রামে রক্ষীদল গঠন করুন – দৈনিক পাকিস্তান ৩রা জুলাই ১৯৭১
জনগণ এখন স্বেচ্ছায় রাজাকার ট্রেনিং নিচ্ছে – জামাত নেতা আব্দুল খালেক – দৈনিক সংগ্রাম ৯ জুলাই, ১৯৭১
৭০ এর নির্বাচন প্রত্যক্ষভাবে ঘর ভাঙার নির্লজ্জ চক্রান্ত – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১২ জুলাই, ১৯৭১
পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালীদের জীবনের নিরাপত্তা নেই একথা ভিত্তিহীন – ড: সাজ্জাদ হোসেন – দৈনিক পাকিস্তান ৯ জুলাই, ১৯৭১
বরিশালের শান্তি কমিটির সভায় আব্দুর রহমান বিশ্বাসের বক্তৃতা – দৈনিক সংগ্রাম ১৮ জুলাই, ১৯৭১
সেনাবাহিনী কুখ্যাত শহীদ মিনারটি ধ্বংস করে মসজিদ গড়েছে – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১৬ জুলাই, ১৯৭১
ফজলুল কাদের চৌধুরী – পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে - দৈনিক পাকিস্তান ১৮ জুলাই, ১৯৭১
ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রেসিডেন্টের ফর্মূলা বর্তমান সংকটের একমাত্র সমাধান, শেখ মুজিবের বিচার শূরুর আবেদন – জামাত অস্থায়ী আমীর মীর তোফায়েল মোহাম্মদ – দৈনিক পাকিস্তান ২৪ জুলাই, ১৯৭১
আলেমদের প্রতি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সহযোগিতার আহ্বান – দৈনিক পাকিস্তান ২৬ জুলাই, ১৯৭১
সামরিক আইনে রাজাকারদের যে কোন লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতা প্রদান- রাজাকারদের অত্যাচার বৃদ্ধি
আগস্ট ১৯৭১
পাক সেনারা আমাদের ভাই, তারা জেহাদী চেতনায় উজ্জীবিত – মতিউর রহমান নিজামী – দৈনিক সংগ্রাম ৩রা আগস্ট, ১৯৭১
সেনাবাহিনী আওয়ামী লীগের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেয়- দৈনিক সংগ্রাম ৭ই আগস্ট, ১৯৭১
পাকিস্তান টিকলেই এদেশের মুসলমানরা টিকবে, দুনিয়ার কোন শক্তিই পাকিস্তানকে নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। গ্রামে গন্জের প্রতিটি এলাকা থেকে শত্রুর চিন্হ মুছে ফেলার আহ্বান – নিজামী -দৈনিক সংগ্রাম ৫ই আগস্ট, ১৯৭১
পাকিস্তান অখন্ডতা ও সংহতি সংরক্ষণ এ্যাকশন কমিটি গঠন – দৈনিক সংগ্রাম ৯ই আগস্ট, ১৯৭১
তাদের এজেন্ডা:
× উর্দু একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, বাংলা সাইনবোর্ড ইত্যাদি অপসারন, রোমান হরফে বাংলা লেখার আহ্বান।
× কাফের কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা বর্জন।
× পূর্ব পাকিস্তানের রেডিও টিভিতে শতকরা ৫০% অনুষ্ঠান উর্দুতে হবে।
× জাতীয় স্বার্থে উচ্চপদ থেকে বাঙালী অফিসারদের অপসারন করতে হবে।
× রাজাকার বাহিণীর বেতন এবং শান্তি কমিটির ব্যয় নির্বাহের জন্যে হিন্দু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
× তিনমাসের জন্যে বিদেশী সাংবাদিকদের বহিস্কার করতে হবে।
তথাকথিত বাংলাদেশ আন্দোলনের সমর্থকরা ইসলাম, পাকিস্তান ও মুসলমানদের দুশমন – গোলাম আযম – দৈনিক সংগ্রাম ১২ই আগস্ট, ১৯৭১
দুস্কৃতকারীদের এর পরিণাম ফল ভোগ করতে হবে – মতিউর রহমান নিজামী – দৈনিক সংগ্রাম ১২ই আগস্ট, ১৯৭১
পাকিস্তান ভূখন্ডের নাম নয় একটি আদর্শের নাম – মতিউর রহমান নিজামী – দৈনিক সংগ্রাম ১৬ই আগস্ট, ১৯৭১
পাকিস্তানের শত্রুর মোকাবেলার আহ্বান – নুরুল আমীন, গোলাম আযম, শফিকুল ইসলামদৈনিক সংগ্রাম
পাকিস্তান অর্থ পবিত্র স্থান – গোলাম আজম- দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১৬/১৮ই আগস্ট
জামাতের একজন সদস্যও পূর্ব পাকিস্তানে বাংলাদেশ আন্দোলনে নিজেদের কোন ক্রমেই জড়িত করেনি – মওলানা আব্দুর রহিম – দৈনিক সংগ্রাম ১৮-২১ আগস্ট
আনসার অর্ডিন্যান্স বিলুপ্ত করে রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারিদৈনিক ইত্তেফাক, ২২শে আগস্ট, ১৯৭১
ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোন সমাধান গ্রহণযোগ্য নয় – মাহমুদ আলীদৈনিক আজাদ, ২৪শে আগস্ট, ১৯৭১
পাকিস্তানকে যারা বিচ্ছিন্ন করতে চায়- তারা ইসলামকেই উৎখাত করতে চায় – নিজামী
সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান রক্ষা করেছে – গোলাম আজম- দৈনিক সংগ্রাম ২৭ আগস্ট, ১৯৭১
হিন্দু ভারতের নিরপেক্ষ আদর্শের প্রচারক আওয়ামী লীগ – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ৩০ আগস্ট, ১৯৭১
নোয়াখালীর পল্লীতে জনসভা পাকিস্তানের সংহতি রক্ষার আহ্বান- দৈনিক আজাদ, ২৯শে আগস্ট, ১৯৭১
অধ্যাপক আতিকুজ্জামানের বক্তৃতা: পাকিস্তান কেয়ামত পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ থাকবে -দৈনিক আজাদ, ৩০শে আগস্ট, ১৯৭১
দেশে পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্খা কায়েম না হওয়া পর্যন্ত ক্ষমতা হস্তান্তর অর্থহীন – আব্দুর রহিমদেনিক সংগ্রাম, ২৯শে আগস্ট, ১৯৭১
নিজামী ও গোলাম আজম – দৈনিক সংগ্রাম
সেপ্টেম্বর ১৯৭১
বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষনার দাবী – গোলাম আযম দেনিক পাকিস্তান, ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিশ্বাসঘাতক – মিনহাজ শহীদ – দেনিক সংগ্রাম, ১ম সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ভারতীয় এজেন্ট – দেনিক সংগ্রাম
রেজাকার ও বদর বাহিনীর মরনাঘাত
পাক সেনানায়করা রেজাকারদের কৃতিত্ব আনন্দিত ও গর্বিত
অপবাদ মূলত সামরিক সরকারকেই দেয়া হচ্ছে
পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে পারবে না
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা দিবসে গোলাম আজম ও মতিউর রহমান নিজামী
ছাত্রসংঘ কর্মীরা পাকিস্তানের প্রতি ইঞ্চি জায়গা রক্ষা করবে – মতিউর রহমান নিজামী
যশোহরে ছাত্রনেতা মতিউর রহমান নিজামীর মন্তব্য : পাতা ১, পাতা ২ – দৈনিক সংগ্রাম – ১৫ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
আল্লাহ তাদের লাঞ্জিত করেছেন- মতিউর রহমান নিজামী : পাতা ১, পাতা ২
পাকিস্তান হাসিলের লক্ষ্য বাস্তবায়িত না হওয়ায় বর্তমান সংকটের কারণ – আব্বাস আলী খান -দৈনিক সংগ্রাম – ২০শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
যশোহরের রাজাকার সদর দফতরে মতিউর রহামন নিজামী : পাতা ১, পাতা ২
জামাত বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ মেনে নিতে রাজী নয় : গোলাম আজম - দৈনিক পাকিস্তান ২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
বিপদগামী তরুণদের সঠিক পথ দেখান : জেনারেল নিয়াজী -দৈনিক পাকিস্তান ২৮শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
গণতন্ত্র পুণ: প্রতিষ্ঠাই দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পূর্বশর্ত : নূরুল আমীন
সংবর্ধনা সভায় গোলাম আযমের ভাষণ – দৈনিক সংগ্রাম ২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
নিউইয়র্কে এ.টি. সাদী – বাংলাদেশ আন্দোলন ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্র -দৈনিক পাকিস্তান ২৭শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
আব্বাস আলী খান, মতিউর রহমান নিজামীর বক্তব্য
অক্টোবর ১৯৭১
শান্তি কমিটি সদস্যরা ব্যক্তিগত শত্রুতা ও রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করছে
রেজাকার বাহিনীর হাতে ভারী অস্ত্র দেবার আহ্বান
আব্বাস আলী খান, আখতার উদ্দীন আহমদ, ওবায়দুল্লাহ মজুমদার ও গোলাম আজম বলেন
স্বাধীন বাংলা জিগিরের উদ্দেশ্য মুসলমানদের হিন্দু বানানো - দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয়, ১০ অক্টোবর, ১৯৭১
তথাকথিত মুক্তিবাহীনির শতকরা ৯০ জন হিন্দু – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয়, ১৩ অক্টোবর, ১৯৭১
আব্বাস আলী খান, ইউসুফ বলেন
জামাতে ইসলামী নিরলসভাবে শান্তি কমিটির সাথে কাজ করে যাচ্ছে – গোলাম আজম
দেশটা আল্লাহর ফজলে টিকে গেল
বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে গণজমায়েতে অধ্যাপক গোলাম আজম, ভুট্রো বিচ্ছিন্নতাবাদের পথ প্রশস্ত করছে
ভারতের প্রচারণা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে – শাহ আজিজ- দৈনিক পাকিস্তান ২৫শে অক্টোবর, ১৯৭১
জসীম উদ্দীন আহমেদ, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, মওলানা ইউসুফ, ড: মালেক প্রমুখ বলেন
৬ নেতার যুক্ত বিবৃতি- দৈনিক ইত্তেফাক, ২৭শে অক্টোবর, ১৯৭১
দুস্কৃতিকারীদের গুলিত শান্তি কমিটির সদস্য আহত : পাতা ১, পাতা ২, পাতা ৩
নভেম্বর ১৯৭১
রেজাকারদের হাতে ৪ ভারতীয় চর খতম- দৈনিক সংগ্রাম, ৫ নভেম্বর, ১৯৭১
প্রেসিডেন্ট সকাশে নূরুল আমীন : রাজাকারদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও তাদের আরো অস্ত্র দেয়ার সুপারিশ পাতা ১, পাতা ২
হয় শহীদ নয় গাজী
আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও আব্দুল খালেক বলেন
প্রদেশব্যাপি বদর দিবস পালিত -দৈনিক সংগ্রাম ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
ভারত আক্রমণ করলে কোলকাতা ও দিল্লীতে নামাজ পড়বো – আব্বাস আলী খান- দৈনিক সংগ্রাম ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
আল বদর বাহিনীর অভিযান: ৪০ মুক্তিযোদ্ধা গ্রেফতার- দৈনিক সংগ্রাম ১১ নবেম্বর, ১৯৭১
বদর দিবসে বায়তুল মোকাররমে জনসভা: ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদ মোকাবেলার আহ্বান
বদর দিবসের ডাক-দৈনিক সংগ্রাম ১২ নভেম্বর, ১৯৭১
রাজস্ব মন্ত্রীর সাতক্ষীরা রেজাকার শিবির পরিদর্শন- দৈনিক সংগ্রাম ১৩ নভেম্বর, ১৯৭১
বিভিন্ন স্খানে বদর দিবস পালিত -দৈনিক সংগ্রাম ১৪ নভেম্বর, ১৯৭১
পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন ধ্বংস করতে হবে – জাামাতে ইসলামী
সেনাবাহিনীর পরেই রাজাকারদের স্থান
৯৩ জন বাঙালী সিএসপি, ৪২ জন ইপিসিএস, এবং ৪ জন অধ্যাপকের ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী কলকাতা থেকে বাবুদের ডেকে নিয়ে এসেছে
গোলাম আজম শেখ মুজিবের জায়গা দখল করতে সবই করে যাচ্ছেন
পাক সেনাবাহিনীর সহায়তায় বদর বাহিনী গঠিত হয়েছে – নিজামী
বদরবাহিনী হিন্দুস্তানকে খতম করবে -নিজামী
রাজাকারদের জাতীয় বীর বলা উচিৎ
দুস্কৃতিকারীদের চক্রান্ত বানচাল করার আহ্বান – জামায়াত
প্রধানমন্ত্রীর পদ পূর্ব পাকিস্তানকে দিতে হবে – গোলাম আজম
জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য – গোলাম আজম
পাকিস্তান আল্লাহর ঘর – মতিউর রহমান নিজামী
আওয়ামী লীগের যে পরিণতি হয়েছে ভুট্টোরও সে পরিণতি হবে – গোলাম আজম
আত্মরক্ষার জন্য আক্রমণাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে – গোলাম আযম – দৈনিক সংগ্রাম, ২৪ নভেম্বর, ১৯৭১
দেশপ্রেমিক জনগণ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত – গোলাম আযম – দৈনিক সংগ্রাম, ২৮ নভেম্বর, ১৯৭১
নেতৃবৃন্দের বজন্সকঠোর ঘোষণা : পাতা ১, পাতা ২ – দৈনিক সংগ্রাম, ৩০ নভেম্বর, ১৯৭১
আক্রান্ত হলে জেহাদ ফরজ হয়ে যায় – মওদুদী
রবিন্দ্র মার্কা লারেলাপ্পা গান
ডিসেম্বর ১৯৭১
আল বদর আল শামস বাহিনীর সংখ্যা এক লাখেরও বেশী – ইউসুফ
golam-azam-malek-rao.jpg
গোলাম আজম, রাও ফরমান ও মালেক বুদ্ধিজীবি হত্যার নীল নক্সায় ব্যস্ত
বুদ্ধিজীবি ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপারে আব্বাস আলী খান বলেন এদের নির্মূল করার ব্যপারে শান্তি বাহিনী ও সেনা বাহিনীকে সহায়তা করুন
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:১৮
াহো বলেছেন: তথাকথিত বাংলাদেশ আন্দোলনের সমর্থকরা ইসলাম, পাকিস্তান ও মুসলমানদের দুশমন – গোলাম আযম – দৈনিক সংগ্রাম ১২ই আগস্ট, ১৯৭১
৩|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:২৯
সাদা মেঘ বলেছেন: আপনার্এইসমস্ত কথার জবাব আছে আমার পোস্টে। এই সমস্ত বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে প্রমাণ হয়না কোন ক্রিমিনাল অফেন্স বা যুদ্ধাপরাধ। এই বিষয়ে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট অলরেডি রায় দিছে। বার বার একই প্যাচাল পারেন ক্যান আপনারা? রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় অন্ধ হইয়া যাইয়েননা। বু্দ্ধি বিবেকের দরজাটা একটু খোলা রাখেন।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৩৬
াহো বলেছেন: তথাকথিত বাংলাদেশ আন্দোলনের সমর্থকরা ইসলাম, পাকিস্তান ও মুসলমানদের দুশমন – গোলাম আযম – দৈনিক সংগ্রাম ১২ই আগস্ট, ১৯৭১
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৩৬
াহো বলেছেন: ১৯৭২ সালে গোলাম আযম লন্ডনে 'পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি' গঠন করেন এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র উচ্ছেদ করে আবার এই ভূখন্ডকে পাকিস্তানের অংশে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করেন।
৪|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৪৫
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
গ্রেফতারের কিছু আগে তৈরি করা গোলাম আযমের বক্তব্য আর আমার কিছু কথা।
আমার এই পোষ্টটি পড়ুন
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৪৯
াহো বলেছেন: বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও বিরোধিতার অসংখ্য নজির রয়েছে গোলাম আযমের কথাতেও। পুরো ১৯৭১ জুড়ে এ ধরনের তৎপরতার সংবাদ প্রতিদিন ছাপা হয় জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম-এ। এমনকি আত্মজীবনীতেও গোলাম আযম লুকাননি নিজের মনোভাব। তাঁর আত্মজীবনীমূলক বইয়ের নাম জীবনে যা দেখলাম। বইটির তৃতীয় খণ্ডের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় গোলাম আযম মুক্তিযুদ্ধবিরোধী নানা মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও রাজাকার বাহিনীর সাফাই গেয়েছেন, পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করার যুক্তি খুঁজেছেন, বর্ণনা করেছেন শান্তি কমিটি গঠনের প্রেক্ষাপট। তাঁর দাবি, শান্তি কমিটির সঙ্গে জনগণের কোনো শত্রুতা ছিল না, মুক্তিযোদ্ধাদের কারণেই জনগণের সঙ্গে তাঁদের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া গোলাম আযমের কাছে ‘পাকিস্তান বিভক্তি ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বিষাদময় কাহিনি’। জীবনীর তৃতীয় খণ্ডের ‘১৬ ডিসেম্বরে আমার অনুভূতি’ অধ্যায়ে গোলাম আযম লেখেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফয়সালা হয়ে যাবে, তা ধারণা করিনি বলে মনের দিক দিয়ে প্রস্তুত ছিলাম না।’ তিনি সে সময়ে পাকিস্তানে ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২২ নভেম্বর জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তানে যান। এরপর তিনি আর দেশে ফেরেননি।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাঁর অনুভূতি জানাতে গিয়ে মাসিক উর্দু ডাইজেস্ট-এর সম্পাদক আলতাফ হোসাইন কুরাইশীকে গোলাম আযম সে সময়ে বলেছিলেন, ‘উপমহাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম হিন্দু ও শিখ বাহিনীর নিকট প্রায় এক লাখ সদস্যের সশস্ত্র বাহিনী আত্মসমর্পণ করল। ইংরেজ আমলেও মুজাহিদ বাহিনী শিখদের নিকট আত্মসমর্পণ করেননি। তাঁরা শহীদ হয়েছেন।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর নানা অপকর্মের সহযোগী রাজাকার বাহিনীকে দেশপ্রেমিক এবং মুক্তিযুদ্ধকে নাশকতামূলক তৎপরতা উল্লেখ করে বইটির তৃতীয় খণ্ডে গোলাম আযম লেখেন, ‘যে রেযাকাররা (রাজাকার) দেশকে নাশকতামূলক তৎপরতা থেকে রক্ষার জন্য জীবন দিচ্ছে, তারা কি দেশকে ভালবাসে না? তারা কি জন্মভূমির দুশমন হতে পারে?’
গোলাম আযমের আরেক উদ্ভট দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে হিংস্র হতে বাধ্য করেছেন। পাকিস্তানিদের পক্ষে তাঁর সাফাই, মুক্তিযোদ্ধারা অবাঙালিদের নির্বিচারে হত্যা করেছেন এবং এর প্রতিশোধ নিতেই পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালিদের প্রতি নৃশংস হতে বাধ্য হয়েছে। তাঁর আক্ষেপ, ‘মুক্তিযোদ্ধারা শান্তি কমিটির সঙ্গে শত্রুতা না করলে জনগণের পর্যায়ে শান্তি কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হতো না।’
গোলাম আযমের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা স্বাধীনতার পরও বজায় ছিল। পাকিস্তানে তিনি মাহমুদ আলী ও খাজা খায়েরউদ্দীনের সঙ্গে মিলে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি নামে একটি সংগঠন তৈরি করেছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল নিজেকে পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির বলে পরিচয় দিতেন। ১৯৭২ সালে লন্ডনে ‘পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি’ গঠন করেন। ১৯৭৪-এ মাহমুদ আলীসহ কয়েকজন পাকিস্তানিকে নিয়ে তিনি পূর্ব লন্ডনে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটির এক বৈঠক করেন। সভায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নিয়ে একটি কনফেডারেশন গঠনের আন্দোলন করার সিদ্ধান্ত হয়। ওই সভায় গোলাম আযম ঝুঁকি নিয়ে হলেও বাংলাদেশে ফিরে অভ্যন্তর থেকে কাজ চালানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। তারপর পাকিস্তানি পাসপোর্ট ও তিন মাসের বাংলাদেশি ভিসা নিয়ে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে আসেন তিনি।
পাকিস্তানি পাসপোর্টধারী গোলাম আযম বাংলাদেশে এসে আর ফিরে যাননি। গোটা আশির দশক ছিলেন জামায়াতের অঘোষিত আমির। ১৯৯০ সালে এরশাদ পতনের পর প্রকাশ্য রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে প্রকাশ্যে আমির ঘোষণা করে জামায়াত।
এর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ করেছিলেন শহীদজননী জাহানারা ইমাম। ১৯৯২ সালে নাগরিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে গঠন করেন গণ-আদালত। সেই প্রতীকী গণ-আদালতে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ১০টি অভিযোগ আনা হয়েছিল। অভিযোগের প্রতিটিরই শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ডযোগ্য।
তবে সে সময়ের বিএনপি সরকার শহীদজননী জাহানারা ইমামসহ ২৪ জন দেশবরেণ্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা মাথায় নিয়েই জাহানারা ইমাম ১৯৯৪ সালে ক্যানসারে ভুগে মারা যান। ওই বছরই গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।
আজ জাহানারা ইমাম নেই। কিন্তু তাঁর ইচ্ছার কিছুটা হলেও পূরণ হলো গোলাম আযমকে কারাগারে পাঠানোর মাধ্যমে
Click This Link