| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
কেমন আছে পাকিস্তানে বসবাসরত ৪০ লক্ষ বাঙালী?
১৯৭২ সালে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে দাড়িয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বিচার করার হুঙ্কার দিলেন। পাকিস্তানে বসে তখন খুনি জুলফিকার আলী ভূট্টা মুচকি হাসেন। সে বঙ্গবন্ধুর দুর্বলতা জানেন। সেই সময় ভূট্টোর হাতে আটক প্রায় দেড় লাখ বাঙালি সরকারি কর্মচারী - কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার-পরিজন এবং ৪৮ হাজার বাঙালি সেনাবাহিনীর সদস্য। ভূট্টো ঘোষণা দিলেন "যদি একজনও পাকিস্তানির বিচার করে মুজিব, আমি ২ লাখ বাঙালির বিচার করব, এ ছাড়াও আমার হাতে ১০ লাখ বাঙালি আছে, তাদেরও বিচার করবো। অসীম সাহসি বঙ্গবন্ধু এবার সত্যি সত্যিই ভয় পেয়ে গেলেন। বাঙালি মানেই বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা, সেটাই তার দুর্বলতা। ভারতের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু গোপনে দেন-দরবার শুরু করেন। পাকিস্তানি সেনাদের বিনা বিচারে ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে, বাঙালি সেনা ও সরকারি চাকরিজিবিদের ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু ফিরিয়ে আনেন। যে দশ লক্ষ সাধারণ বাঙালি পাকিস্তানে বসবাস করতো তাদের মধ্যে দেশ, বেছে নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। পাকিস্তান অথবা বাংলাদেশ কে বেছে নেয়ার। তাদের মধ্যে মাত্র সামান্য কয়েক জন বাঙ্গালী বাংলাদেশে ফিরে। বাকী সব বেঈমান বাঙ্গালী পাকিস্তান কে ভালোবেসে পাকিস্তানে থেকে গেলেন। এদের মধ্যে ছিল ব্যাবসায়ি, বেসরকারী চাকরিজিবী আর করাচির আরব সাগরে মাছ ধারা জেলে ও মাছ ধরার ট্রলার মালিক। বেঈমান বাঙালিদের পুরস্কার কিছুদিনের মধ্যেই পাকিস্তানিরা দেয়া শূরু করে। পাকিস্তানিরা সকল বাঙ্গালীদের নাগরিত্ব বাতিল করে দিল। ফলে যারা চাকরি করতো তারা চাকরি হারালো, যারা ব্যাবসা করতো, তারা ব্যবসা হারালো। পাকিস্তানিরা তাদের সম্পত্তি বাতিল করে দিল।পাকিস্তান তাদের করাচির ১০০ টা বস্তিতে এনে জড়ো করে। বেঈমান বাঙ্গালীদের সংখ্যা এখন প্রায় ৪০ লক্ষ। পাকিস্তানে এখন বাঙালিরা শ্রেফ শিয়াল কুকুরের মত বসবাস করে। বাংলাদেশের রহিঙ্গারা সেই তুলনায় স্বর্গে আছে। করাচির বাঙালি বস্তিতে বিদ্যুৎ, পানির সংযোগ দেয়া নিষেধ। এদের নাগরিত্ব না থাকার কারনে এরা চাকরি করতে পারে না, শিক্ষা পুরাপুরি বাঙ্গালীদের জন্য নিষিদ্ধ। চিকিৎসা নিষিদ্ধ। হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া নিষিদ্ধ। এমনকি মারা গেলে পাকিস্তানের কোন সরকারি গোরেস্তানে বাঙ্গালীদের কবর দেয়া নিষেধ । আর পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ এখনো বাঙ্গালীদের বেঈমান ও নীচ ঘৃণার চোখে দেখে। রাস্তার নেড়ি কুত্তার মত ঘৃনা ও দুর দুর করে তাড়িয়ে দেয়।
১৭ বছর পর, পাকিস্তানের দালাল বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ফেরার পর। পাকিস্তানিদের মাঝে আনন্দের ঢেউ খেলে গেছে। বাংলাদেশ কে এরা এখনো নিজেদের জমিদারি মনে করে। তাইতো এক পাকিস্তানি সপরিবার ঢাকায় ঘুরতে এসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে প্রকাশ্যে রাস্তায় পিটায়, পাছায় লাত্থি, গায়ে থুথু দিয়ে বলে "মাদার ফাকার"। তাই দেখে বিএনপি-জামাতের গদগদ। কারন, ৫৪ বছর পরও তাদের পাকিস্তানি বাবারা, তাদের শ্রেফ "পা চাটা কুত্তাই" মনে করে, একাত্তরের আগে যেমন করতো। পাকিস্তানিদের পা চাটা কুত্তা হওয়ার মত শান্তি, আর কিছুই নাই।
জুলাই আন্দোলনে পাকিস্তান এম্বাসি কুটনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে সমন্বয়ক, শিবির এবং ছাত্রদলের সদস্যদের নিরাপত্তা দিয়েছিলো। টার্গেট কিলিং হয়েছে সেনাবাহিনীর কিছু বরখাস্ত আর পাকিস্তান আইএসআইয়ের গুপ্তচরের মাধ্যমে!জুলাই ছিলো পুরোটা প্রতারণার মাধ্যমে। সামনে রেখেছিলো কোটা আর অগ্নিঝড়া ৭১ / আর বাকি সব ছিলো পেছনে। মূল কলকাঠি নাড়ছিলো ডিপস্টেট আর ডলার।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:২০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পাকিস্তানিদের পা চাটা কুত্তা হওয়ার মত শান্তি, আর কিছুই নাই।
..............................................................................................
সামনের দিনগুলো কঠিন হবে মনে হচ্ছে ।
গতকাল জানলাম ওয়েষ্টিন হোটেল বুক হয়ে গেছে
আমেরিকার গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যদ্বারা ।
আমেরিকার ডীপ ষ্ট্যাট আবার সক্রিয় , কি ঘটবে এবার ???