নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\'এম এল গনি\' cut & paste করে Google-এ search করলে আমার সম্পর্কে জানা যাবে। https://www.facebook.com/moh.l.gani

এমএলজি

এমএলজি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয়

০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪০

= ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয় =

বিশ্বখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি এনভিডিয়া (NVIDIA)-তে কর্মরত, বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং অত্যন্ত সম্ভাবনাময় তরুণ বিজ্ঞানী ড. ইরফান আল-হুসাইনির আকস্মিক মৃত্যুতে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী বাংলাভাষাভাষীদের মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। লাখো মানুষ তার এই অকাল প্রস্থান কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। তার স্ত্রী ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করলেও জনমনে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সংশয় দেখা দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। আমি নিজেও একজন বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে চলমান আলোচনার সাক্ষী। অনেকের মনেই এক প্রশ্ন - এটি কি সত্যিই আত্মহত্যা, নাকি পারিবারিক বিরোধের করুন পরিণতি? আর যদি আত্মহত্যাই হয়ে থাকে, তবে সেই পরিস্থিতিইবা কীভাবে তৈরি হলো?

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় নিজ বাসায় অচেতন অবস্থায় ড. ইরফানকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কয়েক দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তবে কী কারণে এই চিকিৎসাগত জরুরি পরিস্থিতির (medical emergency) সৃষ্টি হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। ফলে, ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্নের জন্ম নেওয়া স্বাভাবিক।

বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ইরফান যুক্তরাষ্ট্রের Georgia Institute of Technology থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে NVIDIA-তে সিনিয়র ডেটা সায়েন্টিস্ট হিসেবে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাখ্যাযোগ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Explainable AI) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন। তার অকালমৃত্যু শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি অঙ্গনের জন্যও এক অপূরণীয় ক্ষতি। কেননা, তাঁর মাপের একজন গবেষক তৈরী করা চাট্টিখানি কথা নয়। এটি তার বহুবছরের কঠোর পরিশ্রম, সাধনা ও মেধার ফল।

সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমসূত্রে জানা যায়, রহস্যজনক এ মৃত্যু ঘিরে কয়েকটি প্রশ্ন জনমনে প্রবলভাবে ঘুরপাক খাচ্ছে -

- নিজ বাসায় অচেতন অবস্থায় তাকে পাওয়ার পর পদক্ষেপ নিতে তার স্ত্রী কালক্ষেপন করেছিলেন কিনা?
- এটি কি আত্মহত্যা, নাকি পারিবারিক বিরোধের চূড়ান্ত রূপ?
- যদি আত্মহত্যাই হয়ে থাকে, তবে তার পেছনে কারো ইন্ধন বা দায় ছিল কিনা?

ড. ইরফানের পেশাগত জীবন নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। কারন, কর্মজীবনে তিনি অত্যন্ত সফল ছিলেন এবং সম্প্রতি পদোন্নতিও পেয়েছিলেন বলে জানা যায়। সহকর্মীদের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ছিলেন অত্যন্ত দক্ষ, নির্ভরযোগ্য এবং জটিল সমস্যার সমাধানে সক্ষম একজন গবেষক। তার সুপারভাইজারও টিমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য সদস্য মনে করতেন তাকে। তাই, কর্মক্ষেত্রে হতাশাজনিত কারণে আত্মহত্যা বলে কেউ এ ঘটনাকে সন্দেহ করছেন বলে এখন পর্যন্ত শোনা যায়নি।

তবে তার ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে স্ত্রীর সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন, বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে। তার বন্ধু ও পরিচিতদের অনেকেই দাবি করেছেন, বিয়ের পর ধীরে ধীরে তিনি পরিবার এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন; এমনকি, তাকে আত্মীয়স্বজন থেকেও একপ্রকার বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিবর্তন তার স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বহু বছরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইরফানের সিনিয়র-জুনিয়র ও পরিচিতদের অনেকেই বিস্মিত হয়েছিলেন বলে তাদের ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন। তেমন অজস্র ফেইসবুক পোস্ট অনালাইনে ভেসে বেড়াচ্ছে এখনো। বেশিরভাগ অভিযোগের তীর তার স্ত্রীর দিকে, যিনি নিজেও একজন উচ্চশিক্ষিত প্রযুক্তিবিদ।

ইরফানের কয়েকজন বন্ধু অভিযোগ করেছেন যে, তার বৈবাহিক সম্পর্কে স্ত্রীর নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ, মানসিক চাপ এবং পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও জানা যায়। অধিকন্তু তার স্ত্রীর এক সাবেক ছেলেবন্ধুর ফেইসবুক স্ট্যাটাসও এ ঘটনায় আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে। ওই বন্ধু নিজেও তার সাথে দীর্ঘ সম্পর্কে থাকাকালীন এই নারীর হাতে নানাভাবে লাঞ্চিত ও নিপীড়িত হয়েছিলেন বলে বর্ণনা করেন। তবে এসব অভিযোগের কোনটিই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তাই, অভিযোগগুলোর সত্যাসত্য নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে নিরপেক্ষ তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করাটাই সমীচীন।

প্রবল সম্ভাবনাময় প্রযুক্তিবিদ ড. ইরফানের অকালমৃত্যুর বিষয়টি আমাদের সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাও নতুন করে সামনে নিয়ে আসে।

বাঙালি সমাজে এখনো বিবাহকে এমন একটি দৃঢ় বন্ধন হিসেবে দেখা হয়, যা যে কোনো মূল্যে টিকিয়ে রাখার দায়বদ্ধতা থাকে স্বামী-স্ত্রীর। সম্পর্ক যতই অসহনীয় বা মানসিকভাবে ক্ষতিকর হয়ে উঠুক না কেন, বিচ্ছেদকে অনেকক্ষেত্রেই পারিবারিক জীবনে ব্যর্থতা কিংবা সামাজিক কলঙ্ক গণ্য করা হয়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এই সামাজিক চাপ আরও প্রবল হলেও, পুরুষেরাও এর বাইরে নন। লোকলজ্জার ভয়ে অভিভাবকবৃন্দও তাদের পুত্র-কন্যাকে বৈবাহিক সম্পর্ক যে কোন মূল্যে টিকিয়ে রাখার জন্য মানসিক চাপ প্রয়োগ করেন। ফলে, অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্বেও বিপর্যস্ত বা বিষাক্ত বৈবাহিক সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে সাহস পান না।

অন্যদিকে, পশ্চিমা দেশগুলোতে বৈবাহিক সম্পর্ককে ব্যক্তি কল্যাণ ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। সম্পর্ক যদি দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হয়ে ওঠে, তবে বিচ্ছেদকে সামাজিক অপরাধ হিসেবে দেখা হয় না সেসব দেশে। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে আমি এমন বহু উদাহরণ দেখেছি যেখানে বিচ্ছেদের পর মানুষ নতুন জীবন শুরু করেছেন এবং নতুন বিবাহে সুস্থ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। অতীতের একটি ব্যর্থ-সম্পর্ক তাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে কলঙ্কিত করেনি কখনো।

বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে আমার জানা একটি ঘটনা উন্নতদেশের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে সহায়ক হবে। কানাডার টরোন্টোতে একবার এক বিবাহ ভেঙে যেতে শুনেছি সামান্য এক বিড়ালের কারণে। ঘটনাটা এমন, মেয়েটির এক পোষা বিড়াল আছে। বিড়ালটির সাথে সে ইমোশনালি খুবই সংযুক্ত (attached)। বিবাহের পর স্বামীর সংসারে এসে দেখা গেল তার স্বামীর বিড়ালে এলার্জি। মেডিক্যাল পরীক্ষায়ও এলার্জির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলে মেয়েটি তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল কেবল বিড়ালের কারণেই। তারা সংসার করেছিল কেবল মাসখানেক; তবে, এ কারণে মেয়েটির দ্বিতীয় বিবাহ থেমে থাকেনি। পরবর্তীতে যেখানে তার বিয়ে হয়েছে সেখানে সে সুখেশান্তিতে সংসার করছে বলেই আমি জানি। মেয়েটির দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে পাত্রপাত্রীর যখন পরিচয় হয়েছিল তখন প্রথম সাক্ষাতেই মেয়েটি ছেলেটিকে পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছিল তার প্রথম বিবাহের ঘটনা। ছেলেটিও তা সরলভাবে মেনে নিয়েছিল।

তাছাড়া, আমার নিজের পরিবারের একটি ছোট্ট বিষয় এখানে শেয়ার করা প্রাসঙ্গিক মনে করি।

কানাডায় আমাদের একমাত্র কন্যার বিয়ে হয় প্রায় আট মাস আগে। মেয়েটি এবং তার বর, দুজনেরই খুব ছোটবেলা থেকে কানাডায় বেড়ে উঠা, এবং তাদের দুজনই উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবী - কন্যা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আর, তার বর টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি। তারা এতো বিদ্বান জেনেও, কন্যার সাথে আমার যখনই দেখা হয়, তাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে জানতে চাই স্বামীর সাথে তার দিনকাল কেমন যাচ্ছে? 'সংসার জীবনে ছোটখাট বিষয়ে সমঝোতা করে চলতে হয়' - তেমন পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি কন্যাকে এটাও স্মরণ করিয়ে দেই যে সে যেন কখনো সহ্যসীমা অতিক্রম না করে। তাকে অগ্রিম বলে রেখেছি, বৈবাহিক সম্পর্কে কোন কিছু তার কাছে অসহনীয় মনে হলে সে যেন দেরি না করে বাবা-মা, অর্থাৎ আমাদেরকে, জানায়। সমাজ বা লোকলজ্জার ভয়ে 'অগ্রহণযোগ্য পরিবেশেও সংসার চালিয়ে যেতে হবে' এমনটি যেন সে কখনো মনে না করে তেমন পরামর্শই তাকে দিয়েছি। আমি মনে করি, এ যুগের প্রতিটি বাবা-মায়ের উচিত তাদের সন্তানের সংসার জীবনের ভালোমন্দ শুনে প্রয়োজনে বিচ্ছেদের মতো সিদ্ধান্ত নিতেও তাদের মনোবল যোগানো। কারন, শারীরিক বা মানসিক নিপীড়নমূলক বৈবাহিক সম্পর্ক হতে বেরিয়ে আসা দুপক্ষের জন্যই মঙ্গল।

অপরদিকে, সামান্য মতভেদের কারণে বিবাহিত জীবন ভেঙে যাওয়াও কারো কাম্য নয়। ছোটখাট ভুল বুঝাবুঝি বা বিভেদ নেই কোন সংসারে? কিন্তু একইভাবে, এমন কোন সম্পর্কও ধরে রাখা উচিত নয়, যা ক্রমবর্ধমানভাবে মানসিক নির্যাতন, ভয়, অপমান কিংবা অসহনীয় চাপের উৎস হয়ে দাঁড়ায়। কখন বা কোন অবস্থায় একটি সম্পর্ক থেকে সম্মানের সঙ্গে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন - এই সচেতনতা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজ, সবার মধ্যেই তৈরি হওয়া সময়ের দাবি। কথায় আছে, 'দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।'

ইরফানের মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে এতটা মাতামাতি হচ্ছে তিনি খুবই উচ্চশিক্ষিত, হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি বলে। বাস্তবতা হলো, এমন ঘটনা বাংলাদেশে একটি দুটি নয়, অসংখ্য। এ মুহূর্তে তরুণ পুলিশ কর্মকর্তা পলাশ সাহাকে মনে পড়ে গেলো যিনি তার স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্যের জেরে বছরখানেক আগে কর্মস্থল চট্টগ্রাম রেব (RAB) কার্যালয়ে আত্মহননের পথ বেঁচে নিয়েছিলেন। তিনি তার মৃত্যুর জন্য তাঁর স্ত্রী দায়ী নন বলে সুইসাইড নোট লিখে গেলেও তার ভাই নন্দলাল সাহা জানিয়েছিলেন, পলাশ সাহার আত্মহত্যার মূল কারন তাঁর স্ত্রী তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেছিলেন। পরিস্থিতি এতোটা বিপদজনক হয়ে উঠার আগেই পলাশ সাহা বৈবাহিক সম্পর্ক হতে বেরিয়ে আসলে হয়তো এমন করুন পরিণতি আমাদের দেখতে হতোনা। সমাজ বা লোকলজ্জার ভয়ে হয়তোবা তিনি সে পথে হাটতে পারেননি।

ড. ইরফান আল-হুসাইনির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী তার উত্তর একমাত্র নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তই দিতে পারে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা করা সমীচীন নয়। তবে যদি এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধে অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক - অন্যথায়, মরহুমের আত্মার প্রতি অবিচার হবে।

সবশেষে আমার বিনীত নিবেদন, এই ঘটনাসংক্রান্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা নির্ভরযোগ্য তথ্য কারও জানা থাকলে, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব হিসেবে ছড়িয়ে না দিয়ে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পৌঁছে দিন। দেশবাসীর সাথে আমিও চাই, সত্য উদ্ঘাটিত হোক এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো মেধাবী তরুণকে এভাবে হারাতে না হয়, এটাই হওয়া উচিত সকলের প্রত্যাশা। মরহুম ইরফান জান্নাতবাসী হউন।

লেখক পরিচিতি: এম এল গনি - কানাডীয় অভিবাসন পরামর্শক, প্রকৌশলী, কলামনিস্ট ও কথাসাহিত্যিক।
https://www.facebook.com/moh.l.gani/

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বৈবাহিক সম্পর্কে কোন কিছু তার কাছে অসহনীয় মনে হলে
সে যেন দেরি না করে বাবা-মা, অর্থাৎ আমাদেরকে, জানায়।

......................................................................................
বৈবাহি ক সর্ম্পকের ক্ষেত্রে , বর কনের বোঝাপড়াই একমাত্র পরীক্ষিত মাধ্যম
এর মাঝে কখনও বাবা বা মার আসা উচিৎ নয় এবং পরামর্শও ঠিক নয়, তাতে
থিতে বিপরীত ঘটে ।
ঢাকা শহরে আজকাল হুটহাট করে বিয়ে হচ্ছে আবার ৬/৯ মাসের মাথায় দ্রুত
ডিভোর্স ও হচ্ছে ,
যা পরিসংখ্যানে অতন্ত উদ্বেগজনক । এজন্য শুধু বর কনে
দ্বায়ী নয়, আমাদের বর্তমান পরিবেশ ও সামাজিক অস্হিরতা দায়ী ।

০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:১২

এমএলজি বলেছেন: Theoretically আপনি যা বলেছেন তা ঠিক, কিন্তু, বাস্তবে বাবা-মাকে জানালে ক্ষতির চেয়ে লাভই বেশি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.