| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা এবং সকল গোষ্ঠীর প্রতি সুবিচারের অঙ্গীকার ও Spirit নিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিলো।
তথাকথিত মুসলিম ভাতৃত্ব বা মুসলিম ঐক্যের স্বপ্ন দেখে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে পূর্ববঙ্গের মুসলিমদের নিজেদের উজার করে দেয়াটা যে একটা পুরোদস্তুর scam ছিলো তা ৪৭ এর পরপরই মানুষ উপলব্ধি করেছে। মুসলিম ভাতৃত্ব বা মুসলিম ঐক্য বা মুসলিম জাতি এ জাতিয় আর্দশের অন্তঃস্বারশুন্যতা আমলে নিয়ে এদেশের মানুষ ধাবিত হয়েছিলো বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য।
একজন হিন্দু নিজেকে একজন মুসলিমের মতো বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক মনে না করে,
/সংখ্যালঘু (যার নাগরিক অধিকারও তার কমিউনিটির সংখ্যার ভিত্তিতেই সীমাবদ্ধ) হিসেবে ভাবতে বাধ্য হচ্ছে বা তা ভাবতে বাধ্য করা হচ্ছে,
/বা তাকে উঠতে বসতে মনে করিয়ে দেয়া হচ্ছে যে সে যতটা না বাংলাদেশের নাগরিক তার চেয়ে বেশি সে হিন্দু ............. এমন বাস্তবতা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে, সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভারে ভারাক্রান্ত মুসলিমদের সম্মিলিত ব্যার্থতা দেখিয়ে দেয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৫৫ বছর পরও এরকম অর্জনের (?) তকমা মাথায় নিয়ে সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই।
সুতরাং সমাজে ধর্ম, বর্ন, জাত-পাত, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়….ইত্যাদি নির্বিশেষে সবার অন্তর্ভুক্তি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সুষ্ঠু সংরক্ষন, পরমত সহিষ্ণুতা টিকিয়ে রাখা আর সর্বস্তরে বৈষম্যহীনতার প্রতিষ্ঠা করাই হোক মুসলিমদের লক্ষ্য।
সমাজে ধর্ম থাকুক, মানুষ সত্যিকার অর্থেই যে যার ধর্ম মানুক, দূর হোক ধর্মীয় গোড়ামি কিন্তু দিন শেষে আমরা বাঙ্গালী, জুম্ম জনগণ, সবাই এই বাংলা মায়ের সন্তান, বাংলাদেশের নাগরিক।
২|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম হিসাবে গর্ব করলে কি সমস্যা ?
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫১
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে সংখ্যাগরিষ্ঠের দায়িত্ব লঘু থাকে না। তা গুরুদায়িত্বে পরিনত হয়। গুরুদায়িত্বে পালন না করলে, গরিষ্ঠ সংখ্যার কোন মূল্য থাকে না।
৩|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তথাকথিত মুসলিম ভাতৃত্ব বা মুসলিম ঐক্যের স্বপ্ন দেখে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে
পূর্ববঙ্গের মুসলিমদের নিজেদের উজার করে দেয়াটা যে একটা পুরোদস্তুর scam ছিলো
তা ৪৭ এর পরপরই মানুষ উপলব্ধি করেছে।
..................................................................................................................
সব ধর্মর লোকজন সহ-অবস্হান বাস করবে তা ছিল মহৎ বাণী ।
কিন্ত দেশে দেশে গোপনে বা প্রকাশ্যে কিছু সম্প্রদায় নিজস্ব কার্যক্রম চালায়ে যাচ্ছ
বহুদিন থেকে । আর এখন তো প্রকাশ্যে ইউরোপের অনেক দেশ মুসলিমদের সহ্য করতে পারেনা ।
হিন্দুরা মাত্র ভারতেই সংখ্যা গরিষ্ঠ, মোদির আগ পর্যন্ত মোটামুটি সবাই সহঅবস্হানে ছিলো ।
এখন দিল্লী বা মুব্বেতে মুসলিমদের বিচরন অনেক কঠিন করে ফেলেছে ।
তাদের ষ্টাইল অনেকটা ইসরায়েলের মতো ।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @স্বপ্নের শঙ্খচিলঃ মুসলিমদের সহ্য না করাই স্বাভাবিক। কারন পশ্চিমা রাষ্ট্রের তথা ইহুদী-নাসারাদের অনেক বছরে গড়ে তলা social welfare system এর অতিব্যবহার আর অপব্যবহার করে লিল্লাহখোর মুসলিমরা সেখানে এমন পরিস্হিতি সৃষ্টি করেছে যে সেখানে native দের তাদের প্রকৃত প্রাপ্য বুঝে নিতে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। কিন্তু সেই পশ্চিমা সমাজে থেকে, সেখানকার সংস্কৃতিক গন্ডির মধ্যে থেকেও তারা পড়ে মরুর দেশের জোব্বা আর বস্তা (যা সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রি বরিস জনসন নামকরন করেছিলেন letter box নামে)। আর মোটা দাগে ইসলাম যদি সবার সেরা আদর্শই হয় তবে মুসলিমরা কেন পশ্চিমা দেশে ভিড় জমায়? বরং মুসলিমদের জন্য এটাই কি বাঞ্ছনীয় নয় যে তারা তাদের ইসলামিক আদর্শ তার জন্মস্হানে যথাযথ প্রয়োগ করে তাদের জন্মস্থানকে এমনই উচ্চমানে নিয়ে যাবে যেন উল্টো পশ্চিমারাই তাদের দেশে আসবে? মুসলিমরা পশ্চিমা আদর্শের পুরো সুবিধাই সে চঞ্চু ডুবিয়ে চুষে খাবে, কিন্তু গলার রগ ফুলিয়ে বলবে ইসলামি আদর্শই সেরা আবার সেই সেরা ইসলামি আদর্শ সে কেন তার home country তে প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হলো সেটার সদুত্তর সে দেবার প্রয়োজন বোধ করবে না। টাটকা দ্বিচারিতা যাকে বলে.............
এতো খারাপ অবস্হায় থাকার পরও ভারতীয় মুসলিমরা মনে প্রানে প্রথমে ভারতীয়, তারপর তারা পাঞ্জাবী, বাঙ্গালী, কাশ্মিরী, মালিয়ালি, বিহারী...........আর সবার শেষে মুসলিম। ৪৭ ছাড়া আর কোন সময় ভারতীয় মুসলিমরা ভারত ছেড়েছে? এ যাবৎ কয় জন ভারতীয় মুসলিম পাকিস্তান বা বাংলাদেশে এসেছে? জীবন দিয়ে হলেও তারা তাদের মাতৃভুমি ছাড়েনি। যতই তাদের প্রতিনিয়ত মনে করানো হোক যে তারা মুসলিম এবং মুসলিম বলেই তারা ভারতীয় না.......তারা এই হীনমন্যতায় ভোগার ফাঁদে পড়েনি। এখন আমরা বাংলাদেশীরা হয়ে গেছি ওদের মাসি। ওদের লোক দেখানো দরদ দেখাই।
নিঃসন্দেহে আফগানিস্তান, পাকিস্তান আর বাংলাদেশের মুসলিমদের চেয়ে ভারতীয় মুসলিমরা চিন্তা ভাবনায় অনেক বাস্তবমুখী।
৪|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্ বলেছেন: দেশের অরাজকতা, প্রায়শই ইংরেজদের সাথে স্থানীয় প্রসাশনের একত্রিত সিদ্ধান্ত এইসবই ছিল সে সময়ের রাজনৈতিক চালিকা শক্তি। আমরা সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম তাই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে আমারা একিভূত হব, এই থিওরী জনসাধারনের কয়জনের ছিল? তাদের জন্য অন্য কোন বিকল্প কি ছিল যার ইঙ্গিত আপনি দিতে চান?
৫|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩
রাজীব নুর বলেছেন: আমি মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখি। ধর্ম দিয়ে ভাগ করতে চাই না।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১১
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: মালায়লাম মুভির শেষ হওয়ার পর শিল্পী ও কলা-কুশলীদের credit এর পার্টটা যখন দেখি তখন খুব অবাক লাগে। কে নেই। হিন্দু, মুসলিম, খ্রীষ্টান সবাই আছে। ধর্মের ভিত্তিতে গনমানুষের এতো বৈচিত্রময় representation আর অন্য কোন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে খুজে পাই না। না বলিউডে না টলিউডে। সব ধর্মের মানুষদের নিয়ে যুথবদ্ধ হয়ে গোটা কেরালা রাজ্যটা কি খারাপ আছে? সমাজ inclusive হলে, সে সমাজে ধর্মভিক্তিক সংকীর্ন রাজনীতির অস্তিত্ব না থাকলে আখেরে লাভ top to botom সবারই।
৬|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০
মাথা পাগলা বলেছেন: নিজের জন্মভূমি ছেড়ে অন্যদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য করানোটা গর্ব করার মতো কোন বিষয় না। হিন্দুদের যখন তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে বলা হয়, "আপনারা তো আজ নয়তো কাল ভারতে পালিয়ে যাবেন" অথবা "আমরা তো ইসলামিক দেশ, ৯৫ শতাংশই মুসলিম ১০০% করার স্বপ্ন দেখি" - তখন এই কথাগুলোর মধ্যে যে কতটা সংকীর্ণ ও নিচু মানসিকতার প্রকাশ ঘটে, সেটা বোঝার মতো জ্ঞান আমাদের নেই।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ৯৫% মুসলিমের দেশে যখন ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাবেন তখন দেখবেন পুরা মসজিদ ফাঁকা। কোন রকমে জামাতে দুইটা কাতারও পূর্ন হয় না। এই বাস্তব পরিস্থিতি কি ইঙ্গিত দেয়? এটাই ইঙ্গিত দেয় যে দেশে ইসলাম ধর্মচর্চকারী আল্লাহভীরু এবং কেবল মাত্র আল্লাহর কাছেই অনুগ্রহ প্রার্থী মুসলিমের সংখ্যা ৫% হলে হতেও পারে। আর বাকি লোক দেখানো মুসলিম।
এটা বলা বাস্তবসম্মত যে, লেবাসধারী ৯৫% মুসলিমের দেশ বাংলাদেশ। এই ৯৫% উল্লেখিত ৫% কে ঝেটিয়ে বিদায় করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ন ১০০% লেবাসধারী মুসলিমের দেশে রূপান্তরিত করতে চায়। মানে দেশটা ইসলাম নিয়ে শয়তানি করা ১০০% শয়তানের দেশে পরিনত হোক এটাই তাদের খায়েশ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৬
কামাল১৮ বলেছেন: সঠিক বলেছেন।