নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাবিজাবি

বলার তেমন কিছু নাই... হাবাগোবা একজন মানুষ! নতুন ব্লগার... ব্লগ জিনিসটা এখনো আয়ত্ত্বে আসেনাই...

গোবা

বলার তেমন কিছু নাই... হাবাগোবা একজন মানুষ! ব্লগ জিনিসটা এখনো আয়ত্ত্বে আসেনাই... তারপরও করি আরকি!

গোবা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোয়ান্টাম মেথড ও ইসলামঃ সাংঘর্ষিক স্বরূপ

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সকাল ১০:৩৬

ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা (যা মারকাযুল ফিকরিল ইসলামী বাংলাদেশ নামেও পরিচিত) থেকে প্রকাশিত দাওয়াত ও আত্মশুদ্ধিমূলক সাময়িকী “মাসিক আলআবরার” ধারাবাহিকভাবে ইসলামের মূলনীতির সাথে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সংঘর্ষ নিয়ে প্রবন্ধ লিখেছেন মুফতী শরিফুল আযম । আজ শুরুতেই থাকছে মাসিক আল আবরার এ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সংখ্যায় প্রকাশিত প্রবন্ধ "কোয়ান্টাম মেথড-১: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একটি পর্যালোচনা"। প্রবন্ধটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন।



আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। পর্যায়ক্রমে বাকী প্রবন্ধগুলোও প্রকাশিত হবে ইনশাল্লাহ!

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সকাল ১০:৫৩

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: সব কিছুর সঙ্গে ইসলামের সংঘর্ষ বাধায়া দেন, তারপর দেখেন কার অস্তিত্ব থাকে। এই আধুনিক যুগে ধম্মো নিয়ে যতো কচলাবেন ততো ধম্মের ইজ্জত নষ্ট হবে। ধন্যবাদ।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:০৯

গোবা বলেছেন: সবকিছুর সাথে তো আর ইসলামের সংঘর্ষ হয়নারে ভাই। যেগুলোতে হয় সেগুলো নিয়েই জানতে হয়, জানাতে হয়। সংঘর্ষ জেনে নিয়ে যার যেটা ভাল লাগে সেটাকে সে গ্রহন করবে - এটা তো সহজ কথা! আর অস্তিত্বের কথা বলছেন? আপনার যদি মনে হয় যে ইসলামের অস্তিত্ব থাকবেনা তাহলে সে ধারণা নিয়েই থাকুন - কোন সমস্যা নেই, অন্তত আমার কোন সমস্যা নেই। আপনি যেভাবে স্বাধীনভাবে চিন্তা করছেন, আমারও তেমনি স্বাধীন চিন্তা থেকেই এই পোস্ট লেখা। :)

২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:০৩

একটু ছোঁয়া বলেছেন: "সব কিছুর সঙ্গে ইসলামের সংঘর্ষ বাধায়া দেন, তারপর দেখেন কার অস্তিত্ব থাকে। এই আধুনিক যুগে ধম্মো নিয়ে যতো কচলাবেন ততো ধম্মের ইজ্জত নষ্ট হবে।" ........একেবারেই ঠিক কথা

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:১১

গোবা বলেছেন: হুমমম ... ঐ যে একই কথা ... আপনার যদি মনে হয় যে ইসলামের অস্তিত্ব থাকবেনা তাহলে সে ধারণা নিয়েই থাকুন - কোন সমস্যা নেই, অন্তত আমার কোন সমস্যা নেই। আপনি যেভাবে স্বাধীনভাবে চিন্তা করে বলছেন যে ইসলামের অস্তিত্ব নিয়ে টানাপোড়েনে পড়বে, আমিও তেমনি স্বাধীন চিন্তা থেকেই এই পোস্ট লিখেছি। এতটুকুই তো ব্যাপার! :)

৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:১৭

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: বলুন তো ইসলামের অস্তিত্ব এখন কিভাবে আছে? আমার এই পোস্টটা পাঠ করুন, দেখুন কিভাবে মানুষ ইসলামের অস্তিত্ব বজায় রেখেছে।
ভণ্ড ভণ্ড ভণ্ড
Click This Link

৪| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৩

একটু ছোঁয়া বলেছেন: ভাই ! আপনি কি কোয়ান্টাম এর কোস' করেছেন ??

৫| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:১৭

আন্ধার রাত বলেছেন:
কোয়ান্টামে বিভিন্ন বক্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে শিরকী কথাবার্তা এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বক্তব্য দেয়া হয়।

৬| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৭

বাংলাদেশী দালাল বলেছেন:
পোস্ট ও মন্তব্যে সহমত।

৭| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:১৬

নতুন বলেছেন: এইটা হইলো আধুনিক ভন্ডপীরবাদ...

মেডিটেসন ভাল... তার সাথে ভন্ডামী মিসাইয়া কোয়ান্টামের মতন জটিল জটিল শব্দ লাগাইয়া বিষয়টা জটিল বানাইছে...

জাকাত ফান্ড...হিলিংএর জন্য টাকা পয়সা নেওয়া... সবই মিহি ধান্ধা মাত্র...

৮| ০৫ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:০৪

বনসাই বলেছেন: ব্লগার ‘পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন’ ভন্ড ভন্ড ভন্ড ব্লগের বক্তব্যের সাথে সহমত পোষণ করে এখানে কয়েকটি কথা বলতে চাই। আসলে কয়েকটি প্রশ্ন করতে চাই। সকলের উদ্দেশ্যে হলেও মুলতঃ ব্লগার গোবার নিকট থেকে উত্তর পেলে ভালো লাগবে। যেহেতু তিনি দীর্ঘদিন কোয়ান্টামের সাথে আছেন যথাযথ জবাব তার কাছে থাকার কথা।
১ ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ- এই নামে কিছু দেশে আছে আমার জানা ছিলো না। এদের কার্যক্রম ও অর্থের উৎস সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। নিশ্চয়ই এই তথ্য গোপন কিছু নয়।
২ মুফতী শরীফুল আজম কে? তিনি কি কেবলই মুফতী না আরো কিছু সফলতা আছে?
৩ পর্যালোচনাটি পড়লাম, একই সাথে কোয়ান্টামের ওয়েব পেজ দেখলাম, দু’টো বই উচ্ছ্বাস ও কণিকা কিছুটা পড়লাম। একটি সিদ্ধান্তে না এসে পারলাম না, মুফতী শরীফুল আজম যে যুক্তি দিয়েছেন সবই খোঁড়া। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে লিখে পাঠকের মন প্রথমেই সম্মোহিত করার অপচেষ্টা নিয়েছেন বললে অত্যুক্তি হবে কি? তিনি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা যা দিয়েছেন সবই কোয়ান্টামের কাছ থেকেই ধার করা (সার্চ দিয়ে তাই পেলাম), এমনকি তাক্বদীর বা ভাগ্য নিয়ে হযরত আলী (রাঃ) এর ঘটনাও সেখানে আছে। সেখানে কোথাও ভাগ্যকে অস্বীকারের কথা আমি পেলাম না। মুফতী শরীফুল আজম সাহেবের নিজের গবেষণা কিছু নেই। এ লেখা কীভাবে বিশ্বাস করবো? যদি কোয়ান্টাম ইসলাম বিরোধীই হবে তবে পরিচিত ইসলামী চিন্তাবিদরা চুপ আছেন কেন?
৪ কোয়ান্টাম কণিকা বই এ ১৫ পৃষ্ঠার লেখা ‘জন্ম নাই মৃত্যু নাই’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে সেটাও তাদের ওয়েবে সার্চ করলে পাঠক সহজেই পাবেন। ২১ পৃষ্ঠার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা তো আরো মজার।
৫ কোয়ান্টামের কোন কর্মকান্ড ঈমান বিধ্বংসী ও কুফরী আরো স্পষ্ট করলে আমার জানা আরো সহজ হতো। আমি তো কিছু খুঁজে পেলাম না। একটু বিস্তারিত লিখবেন কি?
৬ লেখাটির শেষ পৃষ্ঠায় এসে নিজাম ডাকাতের কথা মনে পড়লো। যিনি নিজাম আউলিয়া নামে পরিচিত হয়েছিলেন পরবর্তীতে; এমনটাই পাঠ্যবই তে পড়েছিলাম- মনে পড়ছে। মহাজাতক জ্যোতিষী যদি এখন জ্যোতিষগিরি না করে মানুষের জন্য কিছু করতে চান তবে কি তাকে দূরে সরিয়ে দেবো? আর যে ইসলামী লেবাসধারী ভন্ড সমাজের ও মানূষের কোনো কাজে আসে না তার তারিফদারী করবো। একটু কিছু হলেই ইসলাম গেলো ইসলাম গেলো বলা যাদের কাজ আর যাই হোক তারা আগে নিজে ইসলামে দাখিল হলেই ইসলাম আর যাবে না। ঠিক কি না?
৭ প্রশ্নটি ব্যক্তিগত, আপনার ব্লগে কোয়ান্টাম বিরোধী লেখা প্রচুর। লেখাগুলো থেকে একটা সন্দেহ জাগলো, আপনি কি কোয়ান্টামেরই কেউ? কারণ লেখাগুলো ঘটা করে শুরু হয়েছে তবে ভিতরে মালমশলা এক্কেবারে দুর্বল। কোয়ান্টাম সম্পর্কেই পাঠক আরো আগ্রহী হবে এতে। ওদের মেডিটেশন কোর্স করেছেন কি?
জবাবগুলো পেলে ভালো লাগবে। না পেলেও ক্ষতি নেই। আপন সিদ্ধান্ত নেয়াতে কেউ তো আর প্রভাবিত করতে পারে না। আপনার মতো ভাসা ভাসা লেখা আরো আগ্রহী করেছে আমাকে।

০৬ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ৯:০৯

গোবা বলেছেন: ১। আমি নিজে "ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ" এর সাথে জড়িত নই। তাই খুবই বিস্তারিত বলতে পারছিনা। আপাতত নিচের লিংকগুলো থেকে এদের সম্পর্কে কিছু জানতে পারবেন।
Click This Link
Click This Link

২। আমি ব্যক্তিগতভাবে মুফতী শরীফুল আজমকে চিনিনা বা তাঁর সম্পর্কে জানিনা, যেমনটা আমরা জানিনা বাংলাদেশের অনেক আলেম-উলামা সম্পর্কে। ধর্ম নিয়ে আমাদের দৌড় আক্ষরিক অর্থেই মসজিদ পর্যন্ত, মসজিদের ইমামের উপরই আমরা শরীয়তের যেকোন বিধি নিষেধ জানার জন্য নির্ভর করি। শরীয়তের উপর লেখাপড়া জানা লোকজনও যে থাকতে পারে সেটা আমরা জানিনা বা তাঁদের আমরা চেনার বা নাম মনে রাখার চেষ্টাও করিনা। উপরের যে লিংক দিলাম সেখানে ফোন নাম্বার আছে, যোগাযোগ করা হলে নিশ্চয়ই জানা যাবে তাঁর সম্পর্কে।
৩। খোঁড়া যুক্তি কেন মনে হল তা অবশ্য বলেননি। যদিও আমার কাছে খোঁড়া লাগেনি। বরং কুরআন-সুন্নাহ'র যে রেফারেন্স উনি দিয়েছেন তাতে পুরো ব্যাপারটা সঠিকই মনে হয়েছে। আপনার কাছে যে জায়গাগুলো খোড়া মনে হয়েছে তা যদি ব্যাখ্যা করে আলাদা পোস্ট দিতেন তাহলে আমরাও বুঝে নিতে পারতাম। যাই হোক, আপনাকে এই লেখাটা পড়তে অনুরোধ জানাচ্ছি (http://quantummethodbd.wordpress.com)।
৪। ব্যাপারটা হচ্ছে যে ওটা অন্য ধর্মের বাণী, আর মুসলিম হিসেবে আমরা কখনোই অন্য ধর্মের কোন কিছু ফলো করতে পারিনা - এটা নিশচয়ই আপনি জানেন।
৫। এজন্য দয়া করে http://quantummethodbd.wordpress.com এই লিংকটি পড়ুন।
৬। মানুষের ভালো অনেকভাবে করা যায়। ইনফ্যাক্ট কোয়ান্টাম রক্তদান, শিশুসদন, খৎনা কার্যক্রম ইত্যাদি মাধ্যমে সেসম করছেও। কিন্তু দলে দলে লোককে মেডিটেশন করিয়ে, মেডিটেশনে ইসলাম ধর্ম আমদানী করে, ইসলামকে ব্যবহার করে, ইসলামকে বিকৃত করে যেভাবে মানুষকে কোর্স করাচ্ছে সেটা তো ভালো নয়! ভালো কাজের মাঝে খারাপ কাজ কেন আসবে?
৭। জ্বীনা, আমি কোয়ান্টামের কেউ নই। লোকজন যাতে কোয়ান্টামের প্রতারণার খপ্পরে না পরে সেজন্যই আমি সবাইকে সাবধান করছি।

আমার কাছে মনে হয়েছে কোয়ান্টাম খারাপ কাজ করছে সেজন্য আমি আমার অবস্থানে থেকে লোকজনকে সাবধান করছি। আপনার যদি মনে হয় ওরা ভাল কাজ করছে তবে আপনিও আপনার অবস্থানে থাকুন - আমার কোন সমস্যা নেই। তবে আমি চেষ্টা করব যে আমার লেখাগুলোকে "ভাসা ভাসা" না করে আরো সুসংহত করার। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!

৯| ০৬ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৩৬

নতুন বলেছেন: মেডিটেসন অবশ্যই ভাল...নিজেরউপরে নিয়ন্ত্রন আনতে খুবই সাহাজ্যকারী একটা বিষয়...

আর একটা বিষয় হইলো শিক্ষিত মানুষকে ধোকা দিতে হলে বেশ স্মাট পদ্ভতীদে দিতে হয়....

@ বনসাই>> মাটির ব্যাংকে দানে উপকার, হিলিং এর জন্য টাকা দেওয়া, যাকাত ফান্ডে টাকা দেওয়াতে উপকার, হিলিং পানি এই সব বিষয়কে কিভাবে ব্যক্ষা দিবেন আপনি???

[sb]সদকা হিলিং: সাইটে কিভাবে মানুষ উপকার পেয়েছে তার কিছু নমুনা সদগা হিলিং পেজ

* ব্যথা হলে আর দড়ি দিয়ে মাথা বেঁধে রাখতে হয় না (
* আব্বা আবারও সাইকেলে চড়েন ( হাড় ভেঙ্গে যাবার পরে ভাল হয়েছেন)
* কেমোথেরাপির সবগুলো সাইকেল লাগে নি ( ৪টার পরে আর দরকার হয়নি)
* মেয়ের কোল আলো করে এলো সন্তান (
*রিউমেটিক ফিভার ভালো হয়েছে
*আয়ু বড়জোর এক বছর ( জন্ডিস ডাক্তার ১ বছর বাচবে বলেছিলো)
*৫ মিনিটেই ব্যথা কমে গেল ( মাইগ্রসনের ব্যথা মুক্তি)
*ইটালিতে ওয়ার্ক পারমিট হলো
*কারখানায় কাজ চলছে শান্তিপূর্ণভাবে
*আইসিইউ থেকে ফিরেছেন
*কন্যার বাবা হলাম( কন্যার ইচ্ছা ছিলো হিলিং করাতে কন্যা হয়েছে)
*কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমছে
*দ্রুত কাজের অর্ডার পেলাম
*এ বাচ্চা বেঁচে আছে কীভাবে? ( ওটিতে ইউটেরাস ওপেন করে ডাক্তারদের চোখ ছানাবড়া, ‘কীভাবে সিজার করবো? বাচ্চার চারদিকে শুধুই টিউমার। এ বাচ্চা বেঁচে আছে কীভাবে?’)
*দূরদেশেও কাজ করে ( বাংলাদেশে বসে কানাডার মেয়ের হিলিং )
* ছোটবেলার ঘটনাও মনে করলেন ( বিদেশি বাংলাদেশী বন্ধুর কাছে হিলিং এর কথা শুনে হিলিং করাতে দিয়ে ফল পেয়েছেন )
*হার্ট তো ৩০ বছরের যুবকের মতো ( তখন ১৩ দিনের হিলিং বাবদ সদকার টাকা আলাদা করে রেখে নিজেও হিলিং শুরু করলাম। ২ ঘণ্টা পর ইটিটি করানো হলো। সব রিপোর্ট দেখে হাসতে হাসতে ডাক্তার বললেন, এ বয়সেও ওনার হার্ট ৩০ বছরের যুবকের মতো )

উপরের গল্পগুলি আমি কোয়ান্টামের হিলিং পেজ থেকেই নিয়েছি.... মানুষকে কোয়ান্টামের বড়বড় জটিল জটিল শব্দ দিয়ে ভুলিয়ে জনপ্রিয়তা পাবার প্রবনতা দেখতে পাই মহাজাতকের মাঝে...


) ধন্যবাদ...
মুক্ত চিন্তায় প্রসারিত হক সবাক দৃস্টি... :

০৬ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১০:৫৮

গোবা বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই! :)

ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত! মাটির ব্যাংকে টাকা ফেললেই মনের সব আশা পূরণ হয়ে যাচ্ছে! মহাজাতকের আবিষ্কৃত আবেশেফা'র পানি খেয়ে লোকজন ভাল হয়ে যাচ্ছে - আরও অদ্ভুত তাইনা!

১০| ০৬ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:১৭

নতুন বলেছেন: এইগুলিই প্রমান যে এই তরিকা ভুয়া.... নয়া ডিজিটাল পীরত্ব... X(

শিক্ষিত মানুষকে ডিজিটাল তরিকায় পড়া দিতে হয়... তাই কোয়ান্টামের বুলি...

কোয়ান্টাম শব্দের সাথে মেডিটেসনের কোন যোগ নাই.... কিন্তু এই সব ব্যবহার করতেছে যাতে মানুষ আকষ`ন করা যায়..

এরা কিছু ভাল কাজও করতেছে... তাই অন্য ভন্ডপীরের থেকে এরা একটু ভাল....

১১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১:০০

রাশেদ ভাই বলেছেন: শোকোর আলহামদুলিল্লাহ্‌! বেশ ভালো আছি।
শিক্ষিত মানুষদেরকে ধোকা দিতে হলে বুদ্ধি লাগে। মহাজাতক সত্যি একজন জিনিয়াস। শিক্ষিত কিন্তু ধর্মের ব্যাপারে উদাসিন, এমন ধরনের মানুষের উদাসিনতার সুযোগ নিয়ে ভালই ব্যবসা করছেন! মেডিটেশন শতভাগ বিজ্ঞান সম্মত এবং কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু এর ভুল ব্যবহার আপনাকে ভুল পথের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
আমি কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ৩২৪ তম ব্যাচ (ডিসেম্বর ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯/২০১০ ) এর গ্রাজুয়েট। শিষ্য হিসেবে আমি এখনো মহাজাতক এর বড়ই ভক্ত। কিন্তু ইদানিং কালের কিছু বিশ্লেষণ আমাকে ভাবতে বাধ্য করেছে যে, মজাতক আসলে একজন"ইলুমিনাতি"। আসুন দেখি, মহাজাতক এর মহতী উদ্যেগের আড়ালে কিছু খুঁজে পাই কি-না। পারলে যুক্তি খণ্ডিয়ে দেখানোর আমন্ত্রণ রইল।
https://quantummethodbd.wordpress.com/

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.