| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি চিরন্তন আদর্শ।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একটি নির্বাচিত সরকারকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও পরিবেশ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোরও শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ, সমালোচনা এবং গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনের অধিকার রয়েছে।
কিন্তু রাজনৈতিক মতপার্থক্য যদি ক্রমাগত উসকানিমূলক বক্তব্য, সহিংসতা, ভাঙচুর, মব সৃষ্টি বা জনজীবন ব্যাহত করার পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তাহলে তা গণতন্ত্রের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার জন্যও উদ্বেগের বিষয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- বিএনপি সরকার গঠন করার পর থেকে অদ্যাবধি Nasiruddin Patwary - নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কিম্বা সালাউদ্দিন আম্মার এমন একটা কাজ করেছে- যা গনতান্ত্রিক নিয়মিত নীতির মধ্যে পরে!Democracy thrives on debate, but it cannot thrive on disorder.
যে-ই আইন ভঙ্গ করুক না কেন- সরকারপক্ষ, বিরোধী পক্ষ কিংবা অন্য কোনো গোষ্ঠী- আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই থাকতে হবে, কিন্তু সেই স্বাধীনতা যেন অন্যের অধিকার, জননিরাপত্তা বা আইনের শাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।
A stable democracy requires both political tolerance and the rule of law.
সংলাপ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ- এই তিনটির সমন্বয়েই একটি দেশ দীর্ঘমেয়াদে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে।
২|
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সেই স্বাধীনতা যেন অন্যের অধিকার, জননিরাপত্তা বা
আইনের শাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।
.................................................................................
মব কালচার চলতে থাকলে, ন্যায় নীতি সুবিচার কিছুই
প্রতিষ্ঠা পাবেনা , সেই সাথে আরও অনাচার মাথা চাড়া
দিয়ে উঠবে । সরকার যদি অন্যায়কে কঠোর হাতে সাজা না দেয়
তবে একদিন এই অন্যায় তাকেই গ্রাস করবে ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সমাধান
১- ছাত্রসংসদে ছাত্রদলকে জয়ী হয়ে আসতে হবে ।
২- হাসনাত , সারজিস , নাহিদ কিংবা পাটোয়ারীকে মন্ত্রনালয় দিতে হবে ।
বিএনপি এনসিপির সাথে কথার খেলায় পেরে উঠছে না । রাশেদ খান কে দিয়ে কাউন্টার দিয়ে সিচুয়েশন কন্ট্রোল হবে বলে মনে হয় না । বিএনপির সিনিয়র নেতাদের যে পরিমাণ কটু কথা বলেছে এনসিপির তরুণ নেতারা ভাবা যায় না