| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনেক সময় দেখা যায় কোন একটা কোম্পানি একটা প্রোডাক্ট প্রস্তুত করে কিন্তু এটা অন্য কোন কোম্পানির মোড়কে বাজারজাত করা হয়। এটাকে বলা হয় প্রাইভেট লেবেল।
রেকিট বেনকিজার, ইউনিলিভার, গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন সহ অনেক কোম্পানিই এভাবে অনেক প্রোডাক্ট বাজারজাত করে থাকে। বিষয়টা যাচাই করতে চাইলে পরের বার হরলিক্স অথবা সার্ফ এক্সেল কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে প্রস্তুতকারক কোম্পানির নাম দেখে নিতে পারেন।
কেন এমনটা করা হয়?
পন্য গ্রাহকের হাত পর্যন্ত পৌঁছানোর আগে অনেক ধাপ অতিক্রম করে। বড় দুটা পর্যায় আমরা বলতে পারি উৎপাদন এবং বিপণন। ধরা যাক একজন উদ্যোক্তা অনেক পয়সা খরচ করে একটি সাবান কারখানা দিলেন। সাবান উৎপাদন করলেন, কিন্তু এই সাবান কিনবে কে? বাজারে অনেক সাবান রয়েছে। একজন ক্রেতা কেন উল্লিখিত উৎপাদনকারীর সাবান কিনতে যাবে? উৎপাদনকারীকে সাবান তৈরির পর মোড়ক জাত করতে হবে অর্থাৎ পণ্যের খরচের সাথে মোড়কের খরচ এড হবে। গুদামজাত করতে হবে এখানে গুদামের ভাড়া দিতে হবে। হোল সেলার এর কাছে পরিবহন করতে হবে, হোলসেলার কে কমিশনে বিক্রি করতে হবে। এর বাইরে বিজ্ঞাপনের জন্য খরচ করতে হবে। অ্যাকাউন্টিং টিম রাখতে হবে হিসাব রাখার জন্য, টাকা আদায়ের জন্য আরেক টিম রাখতে হবে ; প্রতি ধাপে নতুন নতুন খরচ যোগ হবে। এরপরেও নিশ্চয়তা নেই সব সাবান বিক্রি হবে কিনা।
আবার আরেকজন ব্যবসায়ী, যার ব্যবসার ব্র্যান্ড ভ্যালু আছে, অলরেডি মার্কেটিং টিম সেটাপ করা আছে, তার জন্য নতুন একটা প্রোডাক্ট মার্কেটে চালু করে দেওয়া খুব কঠিন কাজ না। কিন্তু প্রোডাকশনে যেতে চাইলে কারখানা তৈরীর খরচ শ্রমিক হ্যান্ডেল করা ইত্যাদি ঝামেলায় তিনি যেতে চান না।
এইখানে প্রথমে উল্লেখ করা উৎপাদক যদি পরে বলা ব্র্যান্ড ভ্যালুর অধিকারী ব্যবসায়ীর সাথে সমঝোতায় আসেন এবং তার পণ্য সামান্য লাভে ব্র্যান্ড ভ্যালু অধিকারীর কাছে বিক্রি করে দেন তবে দুজনেরই লাভ।
ব্যবসায় এরকম অহরহ ঘটে। শুধু তাই না পশ্চিমাদেশ গুলোতে এরকম অসংখ্য প্রোডাক্ট এর ক্ষেত্রে এমনকি উৎপাদকের নামও থাকেনা, এন্ড ইউজার মনে করে মোড়কে উল্লেখিত বিপনণকারীই পণ্যের প্রস্তুতকারক। (সংশ্লিষ্ট দেশের আইন এবং দুই ব্যবসায়ীর মধ্যে স্থাপিত চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে মোড়কে উৎপাদনকারীর নাম থাকবে কিনা)।
বিষয়টি যদিও কিছুটা অনৈতিক মনে হয় , তবে অবৈধ না। আমার কাছে অনৈতিক এই কারণে মনে হয় যে একটি বড় ব্র্যান্ডের প্রতি আমাদের সচরাচরএই আস্থা থাকে যে তারা তাদের পন্যের কোয়ালিটি ভালোভাবে যাচাই করে। থার্ড পার্টির কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করলে তার মান সবসময় একইভাবে যাচাই করা সম্ভব হয় না।
যাহোক সাবান, টয়লেট ক্লিনার, কাপড়ে দেওয়া নীল এগুলো একটু ঊন মানের হলেও বড় সমস্যা নেই। খাদ্য দ্রব্যের ক্ষেত্রে এটা সমস্যা তৈরি করতে পারে।
তবে এক্ষেত্রে আমি বড় ধাক্কা খেয়েছি যখন দেখলাম স্কয়ারের মত খ্যাতনামা কোম্পানি তাদের ফার্মাসিটিক্যাল প্রোডাক্ট তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে কিনে নিজেদের লেবেল লাগিয়ে বিক্রি করছে। ঈদের সময় ঠান্ডা গরম লেগে বুকে সর্দি বসে যাওয়ার পর ডাক্তারের পরামর্শে Ambrox সিরাপ কিনে খাওয়ার সময় লক্ষ্য করলাম এটা স্কয়ারের তৈরি না, তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে কিনে স্কয়ার বাজারজাত করেছে।
আপাতত কিছুদিন স্কয়ারের ওষুধ খাওয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

১২ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ৮:৩৭
গোবিন্দলগোবেচারা বলেছেন: গোলু নাকি?
তা কি মনে করে?
ভাদ্র মাস তো এসে গেল প্রায়, এখন ব্লগে কি করেন?
এখন তো আপনার রাস্তায় ঘুরে ঘুরে নেড়িদের বংশবিস্তারে সাহায্য করার কথা।
প্রোস্টেটের সমস্যার কারণে কি আর আগের মত পারতেছেন না? বেশি করে গার্বেজ খান। তাহলে আপনার হারানো ক্ষমতা ফিরে পাবেন।
২|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৩৩
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
এসব বালাছাল লেখার জন্য ব্লগিং?
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৩৯
গোবিন্দলগোবেচারা বলেছেন: আরে গুলু যে, ভাদ্র মাসে ব্লগে কি করেন? রাস্তায় যান, নেড়ি গুলার সাথে ইটিস-পিটিশ করেন । আর ওইটা করার পয়সা না থাকলে ইন্টারনেটে বসে বসে ডগি পর্ন দেখেন। আপনার তো আবার নিয়মিত রিলিফ না করালে প্রস্টেট বড় হয়ে যায়
৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:১৬
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই জানেন, বাজারে অনেক প্রোডাক্ট আমরা যেই ব্র্যান্ড নামে চিনি, সেটি আসলে অন্য কোম্পানি তৈরি করে দেয়- এটাই প্রাইভেট লেবেল। এতে ব্র্যান্ড খরচ ও ঝুঁকি কমায়, প্রস্তুতকারকও নিয়মিত কাজ পায়। আমার ছোট ছেলে একটি বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানির সিনিয়র মাইক্রোবায়োলজিস্ট। ওদের কোম্পানির ঔষধের দাম অনেক বেশী। দেশীয় বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ঔষধের বোতল, প্রিন্টিং প্যাকিং ইত্যাদি কাজগুলো দেশীয় কোম্পানিকে সাব কন্টাক্ট দিয়ে করায়। বাংলাদেশে বাটা সু কোম্পানি তাদের ৮৫% প্রোডাক্ট বাহির থেকে করায়।
কাজেই হরলিক্স বা সার্ফ এক্সেল কিনলে প্যাকেটের গায়ে প্রস্তুতকারকের নাম খেয়াল করলে আসল নকল বোঝা যায়।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৪৬
গোবিন্দলগোবেচারা বলেছেন: জি , ধন্যবাদ।
ব্র্যান্ড ভ্যালু আছে এমন কোম্পানিগুলোর জন্য অপেক্ষাকৃত ছোট কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কিনে বাজারজাতকরণ একটি খুব কমন ঘটনা। আন্তর্জাতিক বাজারগুলোতে অহরহো এরকম ঘটে। অনেক দেশে এমন কি পণ্যের গায়ে উৎপাদকের নাম লেখার বাধ্যবাধকতাও নেই, বিপননকারীর নাম দিয়েই বাজারজাত করা যায়।
ওষুধ কোম্পানিগুলো খরচ কমানোর জন্য বোতল স্ট্রিপ টিউব লেবেল ইত্যাদি বাহির থেকে কিনে আনুক সমস্যা নেই। বোতল,টিউব বা স্ট্রিপ এর ভিতরের উপাদান ও বাহির থেকে কেনায় আইনগত কোন বাধা নেই।
আমার ক্ষেত্রে এটা জাস্ট হিউম্যান সাইকোলজি, স্কয়ারের মোড়কে পপুলারের প্রোডাক্ট দেখে খারাপ লেগেছে।
৪|
০১ লা অক্টোবর, ২০২৫ সকাল ৮:১৯
অপু তানভীর বলেছেন: এই পোস্টটা সম্ভবত আপনি দেখেন নি। দেখেন, মজা পাবেন। ![]()
০১ লা অক্টোবর, ২০২৫ দুপুর ২:৪৫
গোবিন্দলগোবেচারা বলেছেন:
এখানেতো অনেক পুরান জিনিশ দেখি। গলুর ছাগলামি রোগ তো শুরু থেকেই আছে। এক্কেরে লেজে গোবরে কইরা ফালাইসে।
ছাগলটার কান্ড দেখেন, জিডিপিকে জন সংখা দিয়ে ভাগ করে পার ক্যাপিটা ইনকাম বাইর করসে।
(ঐ একাউনট ব্যান, ঢোকা যায় না বলে লিনক দিতে পারলাম না।)
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ৩:৩১
নতুন মেসাইয়া বলেছেন:
৫ পোষ্টের ৪টিতে শুন্য ( ০ ) মন্তব্য; মনে হচ্ছে, আপনি জ্ঞানী মানুষ!