| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঠাকুরমাহমুদ
sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful
শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন সাহেবের বক্তব্য পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধের বিষয়টি গত কিছুদিন যাবত সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। এমনকি সামহো্য়্যারইন ব্লগেও সমালোচনা হয়েছে! বাংলাদেশে স্কুল কলেজ পরীক্ষা সহ বোর্ড পরীক্ষাতে এখন আর নকল নেই! - কিভাবে সম্ভব? যেইখানে সামান্যতম নকল করার সুযোগ পেলে হাতছাড়া করে না তাদের দ্বারা কিভাবে কি সম্ভব?
সামান্য সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট, সামহো্য়্যারইন ব্লগের সামান্য পোস্ট, এমনকি ব্লগের সামান্য একটি মন্তব্য পর্যন্ত টাইপ হয় এআই (AI Generator) দিয়ে! যেইখানে কোনো পরীক্ষা বলে কিছু নেই - সোশ্যাল মিডিয়া ! - এইখানেও নকল হচ্ছে। এই জাতির কাছে বোর্ড পরীক্ষায় নকলমুক্ত বাংলাদেশ কিভাবে আশা করা যায়?
বোর্ড পরীক্ষায় বাংলাদেশে নকলের অবস্থা: -
১। এসএসসি ২০২৫: নকল করে বহিষ্কার ৭২১ শিক্ষার্থী
২। এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৫: ৪৩ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল
৩। মুখে অক্সিজেন, ব্যান্ডেজে লুকানো ডিভাইস: বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ধরা পড়ল যুবক | ভিডিও।
গুগল সার্চবারে লিখতে হবে “এসএসসি পরীক্ষা নকল ২০২৫ / এসএসসি পরীক্ষা নকল ২০২৪ / এসএসসি পরীক্ষা নকল ২০২৩” - পরীক্ষা নকলের শত সহস্র সংবাদ প্রমাণ হিসেবে পাওয়া যাবে। যারা নকলে অভ্যস্ত নন তাদের নকল প্রতিরোধে মাথাব্যথা থাকার কথা না। কিন্তু যারা নকলে অভ্যস্ত তাদের নকল প্রতিরোধে মাথাব্যথার কারণ আছে। আশা করি যে বা যাহারা এহসানুল হক মিলন সাহেবকে নিয়ে সমালোচনা করার চেস্টা করছেন, তারা বুঝতে সক্ষম হবেন - এহসানুল হক মিলন সাহেব সঠিক আর তারা ভুল।
আপনার মতো সমালোচনাকারী এই দেশে ১৭ কোটি আছে, কিন্তু এহসানুল হক মিলন সাহেব এই দেশে একজনই। সমালোচনা বন্ধ করে অর্থ উপার্জনের জন্য সততার সাথে যে কোনো একটি কাজ করুন, কাজে ব্যস্ত থাকুন।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫৮
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আমার বক্তব্য এহসানুল হক মিলন সাহেব সঠিক। আমি বিএনপি বা আওয়ামী লীগের কারও পক্ষে না। আমি সব সময় রাজাকার নামক অতি নিম্ন শ্রেণীর প্রাণীর বিপক্ষে।
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
২|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫৩
মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: এসএসসি পরীক্ষায় গার্ড দেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, শুধু নকল না, নকলের মহোৎসব চলে এদেশে। আমি নিজেই ইংরেজি পরীক্ষায় এক ছাত্রকে চিরকুট সহ ধরেছি।কেন্দ্র থেকে আমাকে সেই ছেলেকে এক্সপেল করতে দেয়নি, বরং এটা বলেছে যে এতে আপনার এবং আপনার স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্যা হতে পারে। কিন্তু তারপরও সেই চিরকুট ফেরত না দিয়ে জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দেওয়াতে আমার উপর রুষ্ট হয়েছিলেন তারা। নিজেদের স্কুলেই কেন্দ্র ফেলে শিক্ষকরা নকল সাপ্লাই দেয়। কখনো চিরকুট, কখনো শিক্ষকেরা নিজেরা উত্তর বলে দিয়ে আসে হলের মধ্যে ঢুকে। এ কাজে যিনি বাধা দেবেন তার স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ওপরে এর ঝাল মেটানো হয়। পুরো পরীক্ষার হলেই এই ব্যাপারগুলো ঘটতে থাকে। এরা শুধু ম্যাজিস্ট্রেটের টহল দেওয়ার সময়টাতেই ফেরেশতা হয়ে যায়। এটা গ্রামাঞ্চলের কেন্দ্রের চিত্র। শহরের কেন্দ্রের ব্যাপারে অভিজ্ঞতা নেই।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০১
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
শহর ও গ্রামের চিত্র এক ও অভিন্ন। শহরের মানুষ দিন দিন মব-পশু হয়ে যাচ্ছে। আপনার অভিজ্ঞতার চিত্র জানিয়ে আমার বক্তব্যকে সহযোগিতা করেছেন। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
৩|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫৩
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: নকল, প্রশ্নফাঁস এসব বেহুদা আলাপ। পড়ালেখার মান বাড়াতে বলুন আগে। হুদাই মাস্টার্স পাস করে দেশের-দশের লাভ কী?
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৩
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আমাদের দেশের পড়ালেখার মান খুবই খারাপ। অকারণ অযথা বস্তা বস্তা বই পড়ানো হয় যা কর্মজীবনে কোনো কাজে আসে না।
৪|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমাদের দেশের পড়ালেখার মান খুবই খারাপ। অকারণ অযথা বস্তা বস্তা বই পড়ানো হয় যা কর্মজীবনে কোনো কাজে আসে না।
যারা বই লেখেন বা সম্পাদনা করেন, এমনকি সংশোধন করেন: তারা সবাই স্বনামধন্য এবং ডক্টরেট করা মানুষ। অথচ তারা কীভাবে শিশুদের জন্য এত নিম্নমানের বই নির্বাচন করেন ? বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যে বইগুলো পড়ানো হয়, সেগুলো হয় বিদেশি লেখকদের নকল অথবা ভারতীয় উপমহাদেশের জন্য লেখা, যেখানে দেশীয় কোনো উদাহরণ থাকে না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বইগুলো কেবল বাচ্চাদের গাইড বইয়ের মতো পয়েন্ট করে দেওয়া। মূল বিষয় হলো, আমাদের পুরো সিস্টেম জানে যে তারা সবাইকে বৃত্তিমূলক কিংবা কর্মমুখী শিক্ষা দিতে পারবে না। তাই সিস্টেমটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে কেবল যোগ্যতমরাই টিকে থাকে কারণ পুরোনো স্টক শেষ হয়ে গেলে সিস্টেমের জন্য ডক্টরেট করা বা স্বনামধন্য ব্যক্তিদের নতুন স্টক লাগবে ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৬
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আমার পক্ষ হতে অনেক বড় আলোচনার বিষয় ও ব্যাখ্যা প্রয়োজন। অল্প কথায় - আমাদের দেশের সকল যোগ্যস্থানে সব অযোগ্য লোকজন বসে আছে। এরা দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে। অযোগ্য লোকজনের কাজই ধর্ম আর রাজনীতি। নিজ কাজে এরা অদক্ষ। এরা দক্ষ ধর্ম নামক অধর্মে আর রাজনীতি নামক অপরাজনীতিতে।
আমি সময় ও সুযোগ করে লিখবো - এই দেশে মুরাদ টাকলার মতো টাকলা লোকগুলো কি পরিমাণ ক্ষতি করে দিয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৪০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একজন মানুষ পেলাম যিনি মিলন স্যারের পক্ষ নিলেন । আপনার লেখা পড়ে জানলাম ও বুঝলাম , নকল এখনো বাংলাদেশে ভালোভাবেই রয়েছে এবং মিলন স্যার নকলের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনা করেছেন তা সঠিক ।