| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
শেখ হাসিনার সাথে মূলত প্রতারণা করা হয়েছে।
প্রতারণা করা হয়েছে বাংলাদেশের সাথে। জুলাই জঙ্গীরা নিজেদের জুলাই যোদ্ধা ভাবে। যুদ্ধ কার সাথে করেছে? যুদ্ধ করেছে, পুলিশদের সাথে। তারা পুলিশ হত্যা করেছে। থানায় আগুন দিয়েছে। পুলিশের অস্ত্র লুট করেছে। সরকারি অফিস আদালত ভাংচুর করেছে, আগুন দিয়েছে। এখন দেশে রাজত্ব করছে, জামাত শিবির। ৭১ এর পরাজিত শক্তি। জামাতের বুদ্ধির কাছে বিএনপি কিছুই না। বিএনপি আওয়ামী লীগের মতো দেশের উন্নয়ন করতে পারবে না। নো নেভার।
এখন জুলাই জঙ্গীদের প্রতি দেশের মানুষের কোনো ভালোবাসা নেই।
শুধু মাত্র জামাত শিবির তাদের পছন্দ করে। সেদিন সরকারি হাসপাতালে দেখলাম, প্রেসক্রিপশনে লেখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র। জুলাই যোদ্ধা। অর্থাৎ এরা বিশেষ সুবিধা পাবে। কিন্তু দেশের মানুষ তাদের ঘৃনা করে। আমি বলে রাখলাম, এই বাংলার মাটিতে জুলাই জঙ্গীদের বিচার হবেই। আওয়ামিলীগ স্বাধীনতার বহু বছর পর হলেও রাজাকারের বিচার করেছিল। কাজেই জুলাই জঙ্গীদেও বিচার করবে। দেরী হোক, যায়নি সময়।
জুলাই যোদ্ধাদের কপালে দু:খ আছে।
জাতি এদের ক্ষমা করবে না। এদের ক্ষমা করা উচিৎ হবেও না। শেখ হাসিনা দেশে এলে, এরা প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলবে। এই জুলাই জঙ্গীরা শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙে দিয়েছে। ভাস্কর্যের গায়ে মুতে দিয়েছে। গ্রেট শেখ মুজিবের ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি ভেঙে দিয়েছে। এদের ক্ষমা করে দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। এরা গোপালগঞ্জ গিয়ে মুজিব মুর্দাবাদ বলেছে। কতবড় সাহস! এদের আবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সাপোর্ট করেছে। সেনাবাহিনী কেন আমেরিকার কথা শুনবে! কেন পাকিস্তানের কথা শুনবে! কেন জামাত শিবিরের হয়ে কাজ করবে। গত ১৭ বছর জামাত দেশের সব সেক্টরে তাদের লোকজন ঢুকিয়ে দিয়েছে।
জামাত শিবির বাংলাদেশের শত্রু।
তারা বাংলাদেশ চায়নি। জুলাই জঙ্গীরা ভাড়ায় খেটেছে। তারা টাকার বিনিময়ে জুলাই মাসে আন্দোলন করেছে। দেশে অরাজকতা তৈরি করেছে। শেখ হাসিনা কে সরাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। জামাত শিবিরের নীল নকশায় আওয়ামিলীগ ধরা খেয়েছে। সেনাবাহিনীও আওয়ামীলীগের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জামাত শিবির চেয়েছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে। আওয়ামী তো দেশের উন্নয়ন কম করেনি। পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, থার্ড টার্মিনাল। অসংখ্য রাস্তাঘাট। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এত উন্নয়ন আর কোনো সরকার করেনি। হ্যা আওয়ামিলীগে কিছু দূর্নীতিবাজ ছিলো। তারা দূর্নীতি করার জন্যই দলে প্রবেশ করেছিল। অথচ শেখ হাসিনা ভেবেছিল, এরা দেশের মানুষের জন্য অনেক কাজ করবে।
ইউনূস একটা কালপিট। লোভী এবং ভন্ড।
শেখ হাসিনার এই করুন পরিনতির জন্য একসাথে কাজ করেছে, আমেরিকা, পাকিস্তান, জামাত শিবির এবং জামাতের প্রোডাক্ট হাসনাত, সারজিস, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আসিফ মাহমুদ, তৌহিদি জনতা সহ বেশ কিছু দল। শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। এই সুযোগে জামাত শিবির নীল নকশা করে। তারা তাদের প্লান মতো এগিয়ে যায়। আমি রাজনীতি করি না। কোনো দল করি না। খালি চোখে যা দেখেছি তাই বলি। তাই লিখি। এখন দেশের জনগণ বলতে শুরু করেছে, আওয়ামী লীগের আমলেই ভালো ছিলাম। শেখ হাসিনা ভালো। এখন বিএনপি আছে। তারা তিন মাস ধরে ক্ষমতায়। এই মাস তারা কি করেছে আমি জানি না। আমি চাই তারা আরেকটা পদ্মাসেতুর মতো সেতু করুক। মেট্রোরেল করুক। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে করুক। আরেকটা কর্নফুলি টার্নেল করুক। তারা দেশের উন্নয়ন করে দেখাক। উন্নয়নে তারা আওয়ামী লীগকে পেছনে ফেলে দিক। তারা পারবে না। নো নেভার।
২|
২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:২৮
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: আওয়ামীপন্থেীরা এখন আর কেউ কোন দল করে না। বাটপার।
৩|
২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ১:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
শেখ হাসিনার সাথে মূলত প্রতারণা করা হয়েছে।
........................................................................
বিষয়টা ঠিক এভাবে নিতে পারছিনা ।
পৃথিবীতে গনতন্ত্র থেকে স্বৈরতন্ত্রে উত্তরণ এমন নজির অনেক আছে ।
আওয়ামী লীগে তাই ঘটেছে ।যখন থেকে তিনি আমলা নির্ভর আর
ডিজিআইএফ এর প্রদত্ত প্রেস্ক্রিপশনে চলতে শুরু করেছেন
তখনই অধ:পতন আরম্ভ হয় ।
উনার শাসন আমলে গুম, খুন কেন হবে ? রাজনীতিতে বিরোধিতা থাকবে
তাই বলে জেলে পুরে রাখতে হবে ???
গনতন্ত্রে হারজিৎ থাকবে, কেন মেনে নেয়া যাবেনা ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:১৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আজকে ঈদের দিনেও রাজনৈতিক আলাপ বাদ দেয়া যাবে না ; কেরী অন । বকরি মুবারাক ।