নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ছোট বেলায় বাংলা ছবির খুব একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলাম, আমাদের বাংলা ছবিগুলাতে নায়কদের উপস্থাপন করা হয় মোটামূটী দাগি টাইপের ভিলেনের সাঝভঙ্গিতে, শূধু আমাদের দেশে যে এই কালচার তা কিন্তু না, হলিউড, বলিউড সকল ক্ষেত্রেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই রীতি পালন করা হয় নায়কদের উপস্থ

গহীনে যে শব্দের অশূন্য নিরবতা, আমি সেই শুন্যে খুঁজে ফিরি আমার স্বধীনতা।।

শূন্যের গুনিতক

ভষ্ম করে কষ্টগুলা উড়িয়ে আবার দিয়েছি, পাখির সাথে দূর আকাশে জলের উপর ভেসেছি...

শূন্যের গুনিতক › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রজার বেশে রাজার দেশে মধ্যবিত্ত সুখ

২৮ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:১৯

জন্মসূত্রে মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম, ঠিক মধ্যবিত্ত ও না, নিম্ন মধ্যবিত্তই বলা চলে। কখনো আমাদের ছিল গোলাভরা ধান আবার কখনো এক পাত চাল ও জুটতো না। এই পরিবারে জন্ম হওয়া ছেলেরা জীবনের অর্থগুলা অনেক সহজেই বুঝতে পারে। অনেক বাস্তবতা নিজেদের চোখের সামনে দেখতে দেখতে জীবন বোধ সম্পর্কে অনেক অনেক বেশি অভিজ্ঞ হয়ে যায় খুব অল্প সময়ে। অনেক অনেক ঈদ গিয়েছে আব্বুর হাতে টাকা পয়সাও ছিলনা, কিন্তু বাপ আমার খানদানী বাপ!! পোলারে পুরান কাপড়ে রাখা যাবেনা। নিজে ছেঁড়া জুতো পড়ে আমাকে নিয়ে যেতো বড় বড় শপিং মলে। দোকানদাররা ঘুরে ঘুরে তাকিয়ে দেখতো, জিনিসপত্র বের করে দেখাতেও যেনো এক প্রকার অনীহা। ধরেই নিতো যে এই লোকের আয়ত্তের বাইরে এসব জিনিস। আমার আব্বাজান ও কম যাইতো না। সেই ছোটবেলা থেকে আমাকে সবসময় খুব ভাল ভাল ব্র্যান্ড এর অনেক দামী কাপড় চোপড় কিনে দিতো ঈদের সময়ে। নিজে কিছুই কিনতো না। আমাকে কিনে দিয়ে হাসিমুখে ফিরে আসতো বাসায় আমাকে হাতে ধরে নিয়ে। তখন যে একেবারে বুঝতাম না ব্যাপারগুলা তা না। আমি কখনো যদি বলতাম ও আমাকে তেমন কিছু কিনে দেওয়া লাগবে না তখন আমার খানদানী বাপ আমারে এমন ঝাড়ী দিতো যে ভুলেও আর কথা রিপিট করার সুযোগ ছিলনা। আমি বুঝতাম যে আমাকে দামী কাপড়চোপড় কিনে দিলে আমাদের অর্থনৈতিকভাবে ঝামেলায় পড়তে হবে। শুধু এইটা বুঝতাম না এতো কষ্টের পরেও আব্বু কেনো আমাকে কিনে দিতে কোন কার্পন্য করেনাই। এই ব্যাপার টা এখনো বুঝিনা। এখন আল্লাহর রহমতে আমার নিজের ই অনেক টাকা (অন্তত এই বয়স হিসেব করে)। আব্বু আম্মুকেও প্রতিবছর কিছু না কিছু কিনে দেওয়ার চেষ্টা করি। গতবার সাধারন এক পাঞ্জাবী দিয়েছিলাম। মোটামোটি মানের দামী তবে সাধারন। আব্বু সেবার আরো অনেক দামী দামী পাঞ্জাবী উপহার পেলেও কেনো জানি যেকোন অনুষ্ঠানে আমার দেওয়া পাঞ্জাবীটাই পড়ে যাইতো। দেখতে অনেক ভাল লাগতো। তবে এখনো আমি বুঝতে পারিনাই বাপেদের সন্তানকে নিয়ে এরকম আহামরী আভিজাত্য প্রকাশের কারন। এখনো ঈদের সময়ে মার্কেটে গেলে দেখি, বেশভুষায় বুঝা যায় তাদের আয় এর সাথে ব্যায় এর খাতের বিশাল ব্যাবধান। তারপরেও সন্তানকে হাতের মুঠিতে ধরে একটা শান্তি শান্তি ভাব নিয়ে মার্কেটে ঘুরে, আর সন্তানদের যদি কিছু কিনে দিতে পারে তবে কেনো জানিনা তাদের মাঝে একটা রাজা রাজ ভাব এসে ভর করে। আসলেই তো তাদের রাজ্যে তখন তো তারাই রাজা। নিজের ছোট্ট রাজ্যের অধিবাসীদের সুখী করতে পারাটাতো একটা সফল রাজার ই লক্ষন। রাজার মত হাসি তাদের ই মানায়।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:২১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আহ! অনেক ভালো লাগল লেখাটা পড়ে।

২৮ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:০২

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: ধন্যবাদ

২| ২৮ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৩০

আরজু পনি বলেছেন:

মুল কথাটা খুব ভালো লাগলো ।

+++

২৮ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:০২

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৪০

অসহায় নাগরিক বলেছেন: খুব ভালো লাগলো +++

২৮ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:০২

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৩২

কালোপরী বলেছেন: :)

৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৪১

অদ্ভুত_আমি বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো +++

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:৫৪

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.