নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ছোট বেলায় বাংলা ছবির খুব একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলাম, আমাদের বাংলা ছবিগুলাতে নায়কদের উপস্থাপন করা হয় মোটামূটী দাগি টাইপের ভিলেনের সাঝভঙ্গিতে, শূধু আমাদের দেশে যে এই কালচার তা কিন্তু না, হলিউড, বলিউড সকল ক্ষেত্রেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই রীতি পালন করা হয় নায়কদের উপস্থ

গহীনে যে শব্দের অশূন্য নিরবতা, আমি সেই শুন্যে খুঁজে ফিরি আমার স্বধীনতা।।

শূন্যের গুনিতক

ভষ্ম করে কষ্টগুলা উড়িয়ে আবার দিয়েছি, পাখির সাথে দূর আকাশে জলের উপর ভেসেছি...

শূন্যের গুনিতক › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি করুন রোমান্টিক জীবনমুখী বাস্তব গল্প

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:২৭

বহিমা রেগমের মন আজ অনেক ফুরফুরে। থলে ভর্তি খাবার নিয়ে যেতে পারবে আজ তার সন্তানদের জন্য। জীবনে প্রথমবারের মত এতগুলো খাদ্য একসাথে নিয়ে যেতে পারছে সে। তার সন্তানগুলো না জানি কত কষ্টে আছে। সেই সন্ধ্যার সময় সন্তানগুলোর মুখ দেখে বের হয়েছিল শুকনো আর মলিন। সন্ধ্যা থেকে তেমন কাউকেই পায়নি বহিমা ঢুকানোর জন্য। অনেক খোঁজাখোঁজির পরে প্রায় মধ্যরাতে এক বড়লোকের হৃষ্টপুষ্ট ছেলের সন্ধান পেয়ে তার সাথেই চলে এলো বহিমা। ছেলেটা অনেক ভাল, ভদ্র। এতো ঢুকাঢুকি করেছে অথচো কোন প্রকার মারধোর ও করেনি। মনে পড়ে গেল তার স্বামীর কথা। বিয়ের আগে তার স্বামীও অনেক ভদ্র ছিল, এইজন্যই তো বিয়ে করেছিল বহিমা তাকে। বিয়ের পরে সব কিছু শেষ, এতোগুলো সন্তানের জনক এখন পড়ে থাকে বনে বাঁদাড়ে। কি সব পাতা নাকি বাকল নাকি বাল ছাল কি সবের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকে সারাক্ষন।

বাস্তবতায় ফিরে এলো বহিমা। থলেটা অনেক ভারী হয়ে গিয়েছে। এতোগুলো জিনিস একসাথে নেওয়া ঠিক হয় নি। কিন্তু সে কি করবে, সন্তানদের হাসিমুখের কথা চিন্তা করে ইচ্ছেমত থলি পূরন করছিল। এখন এটা তাকে বয়ে নিয়ে যেতে হবে অনেক দূর। অনেক ক্লান্ত লাগছে, তাও সে সাহস হারায় না। তাকে পারতেই হবে, তার সন্তানদের জন্য, তার নিজের জন্য...

হঠাত করে ঠাশ করে পারমানবিক বোমার মত এক বিষ্ফোরন শুনলো বহিমা। কিছু বুঝার আগেই চোখ ঝাপশা হয়ে আসলো, চিন্তা শক্তি শেষ হয়ে যেতে লাগলো। সে বুঝতে পারলো তার আর সময় বেশি নেই। কিন্তু তার যে হলোনা তার সন্তানদের হাসিমুখ দেখা। দূর থেকে অস্ফুটভাবে শুনতে পারছে মানুষের কথা। সেই মানুষটা বলছেঃ “শালার পুতের মশা”... বহিমা রেগমের অনেক বলতে ইচ্ছে করলো, আমি শালার পুত নই, আর আমার বাপ তোমার শালা হবারো কোন সম্ভাবনা নাই। ইনফ্যাক্ট আমি জানি ই না আমার বাপ কে? কিন্তু সে আর কিছু অনুভব করছে না, আর কিছু শুনছে না...... এটাই কি তবে মৃত্যু? কেমন আছে তার সন্তানরা? তার থলে ফেটে বের হয়ে যাওয়া রক্তগুলো কি কেউ তার সন্তানদের কাছে পৌঁছে দিবে??

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৪৬

ডরোথী সুমী বলেছেন: কেমন জানি গল্পটা। বোধগম্য হলনা। সন্তানের কথা শুনে এসেছিলাম।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:০৭

শূন্যের গুনিতক বলেছেন: মশা রক্ত খায় তার ডিম কে পরিপক্ক করার জন্য। রক্ত না পেলে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হবেনা- এতটুকো জানেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.