| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এম, এ, হায়দার
ছোট থেকেই গল্প কবিতা পড়তে বেশি ভালো লাগতো। এমনকি একটা গল্প যদি ভালো লেগে যেত তাহলে শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘুম হারাম হয়ে যেত। তাই কখন আবার নিজে একটু আধটু লিখাও শুরু করে দিলাম নিজেও জানিনা। আপনাদের কাছে ভালো লাগলেই আমি ধন্য।
(১)
সকাল থেকেই বৃষ্টি, থামতেই চাইনা । একটু কমে আবার বেড়ে যায়, না কিছু ভালো লাগেনা । কলেজ যাওয়া হবেনা বুঝতে পারছি । বিছনায় শুয়ে শুয়ে ভাবছি কি করা যায় ।
হঠাৎ পাশের রুম থেকে একটা জোরে চিৎকার শুনতে পেলাম । তাড়া তাড়ি উঠে গিয়ে দেখি একটা ছেলে একটা লাঠি নিয়ে দাড়িয়ে আছে।
জীজ্ঞাসা করলাম কি হয়েছে?
আর বলবেননা ভাইয়া, একটা তেলাপোকা উড়ে এসে রাজুর গায়ে বসেছে, আর এতেই চিৎকার, চেচামেচি বলল রাজুর রুমমেট ।
আমি তো অবাক, একটা তেলাপোকা দেখে যদি এত বড় একটা ছেলের এত ভয় হয় তাহলে এরা জাতির জন্য কি করবে? আর দেশের জন্যই বা কি করবে ?
আর একটা তেলাপোকা মারার জন্য এতো বড় লাঠি !
আচ্ছা রাজু তোমার কাছে ছাতা হবে ?
হবে ভাইয়া ।
কোথাও যাবে নাকি ?
তেমন কোথাও যাবনা,,,,,,, তবে ২টায় টিউসনি আছে ।
আরে ঘন্টাখানেকের জন্য দাও একটা বই নিব , যাব আর আসব ।
ঠিক আছে ।
ওকে ধন্যবাদ ।
বৃষ্টির মাঝে বেরিয়ে পড়লাম ছাতা নিয়ে । ফিরলাম দেড়ঘন্টা পর, সাথে একটা বই নিয়ে ।
বিকেলে বসলাম বইটা নিয়ে, পড়ার জন্য নয় , বইটার ভিতরের একটা পাতায় কিছু লেখার জন্য ।
কারণ, বইটা একজনকে গিফট দেয়ার জন্য কিনে এনেছিলাম । তো ভেবে পায়না কি লিখব । বার বার থমকে যাচ্ছি লিখতে গিয়েও যেন কলম থেকে লিখা বের হয়না । অনেক ভাবাভাবির পর লিখলাম তাও আবার মনের মত হলো না । কাটিয়ে দিলাম এমনকি মার্কার কলম দিয়ে, লিখাটাকে একেবারে কালো করে দিলাম । মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম কিছু লিখবনা সব গুটিয়ে রেখে দিলাম ।
মিনিট দশেক পর আবার কি মনে হলো ।
আবার বসলাম, হঠাৎ করে একটা কথা মনে আসল,
"পৃথিবীর পৃষ্ঠদেশে অনেক স্বপ্ন আর কল্পনা নিয়ে তোমার জীবন,
তোমর সেই স্বপ্নগুলো কল্পনার তুলির মতো আঁকা ছবি হয়ে বাস্তবায়িত হোক "- এই কামনায় তোমাকে দিলাম আমার ছোট্ট একটা উপহার ।
আর শেষের পাতাই লিখেছিলাম কবিতার কয়েকটি লাইন ।
রাতে জন্মদিনের অনুষ্ঠান, মনে মনে বিরক্ত হলাম বর্ষায় কেন জন্মদিন হতে গেল। হয় ২মাস আগেই হ না হয় ২মাস পরেই হ ।
শেষ পর্যন্ত গেলাম, একবারে যে গেস্ট বেশি এসছে তাও নয় আবার খুব কম এসেছে তাও নয় ।
অনেক রাতে ফিরলাম । ক্লান্ত শরীর বিছানায় এলিয়ে দিলাম ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ।
পরের দিন কলেজ গিয়ে একাকার অবস্থা ।
একজন বলে কবি হয়ে গেছ, আরেক জন বলে সাহিত্যিক, আবার আরেকজন বলে.....................।
আর তিন্নি তো বলেই ফেলল, তুমি এতো কিছু জানো, তুমি কবি হলে কখন থেকে । আরে আমিতো জানি তুমি একটা দর্শনের ছাত্র, বাংলায় পড়লে না হয় অন্যকথা। দার্শনিকেরা তো চিন্তা করেই চুল পাকায় । তুমি আবার কবিতা লিখেই চুল পাকাও নিতো । না আবার অন্য কিছু মনে করে এসব...............................!
এই ভালো হবেনা কিন্তু................................
( চলবে............)
©somewhere in net ltd.