| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তুবা গ্রুপের মালিক দেলোয়ার হোসেন জামিন পেয়েছেন। এই খবরটি জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে বসে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। আর বলেছেন, রবি-সোমবারের মধ্যে দেলোয়ার মুক্তি পাবেন। তিনি তুবা গ্রুপের পাঁচটি গার্মেন্টস-এর অনশনরত ১,৬০০ শ্রমিককে অনশন ভাঙ্গার অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন,‘ বেতন ভাতা এবার পাওয়া যাবে।’
তবে এর আগে বিকেলেই বিজিএমইএ নেতারা সংবাদ সম্মেলন করে সাতদিনের মধ্যে তুবা গ্রুপের শ্রমিকদের পাওনা তিন মাসের বকেয়া বেতন আর বোনাস পরিশোধের আশ্বাস দেন। তার মানে হল, তারাও জানতেন যে দেলোয়ার জামিন পেয়েছেন।
এই দোলোয়ার হলেন সেই দেলোয়ার যিনি তাজরীন ফ্যাশানস-এরও মালিক। ২০১২ সালের ২৪শে নভেম্বর তাজরীন ফ্যাশানস-এ আগুন লেগে ১১৩ জন শ্রমিক নিহত হন। আর তদন্তে প্রমাণিত হয় যে মালিক দেলোয়ার হোসেনের অবহেলার কারণেই আগুন লাগে। কারণ তার কারখানায় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলে কিছু ছিলনা। আর ভানটিও ছিল অবৈধ। এরপর আদালতের নির্দেশেই তাকে জেলে যেতে হয়। তবে বিজিএমইএ তাকে গ্রেফতারের ব্যাপক বিরোধিতা করেছিল।
কিন্তু এবার তারা সফল হয়েছে। প্রতিশ্রুতি দিয়েও ঈদের আগে বেতন-ভাতা না দেয়ায় তুবা গ্রুপের শ্রমিকরা অনশন শুরু করেন ঈদের আগের দিন সোমবার থেকে। আর তখনই বিজিএমইএ নেতারা বলতে শুরু করেন মালিক দেলোয়ারকে জামিন না দিলে বেতন-ভাতা কে দেবে? তুবা গ্রুপের শ্রমিকরা এর কয়েকদিন আগে মালিকপক্ষের লোকজনকে ঘোরাও করলে তখন আবার বিজিএমইএ নেতারা গিয়ে শ্রমিকদের বেতন-ভাতার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মালিকদের ঘেরাওমুক্ত করেন।
তাজরীন ফ্যাশানস-এর নিহত ১১৩ শ্রমিকের পরিবার এবং আহতরা আজও ক্ষতিপুরণ পাননি। তাদের হত্যার বিচারও নিশ্চিত হয়নি। কিন্তু সেই ১১৩ শ্রমিককে হত্যা মামলার আসামি দেলোয়ারের জামিন আদায় করে নিলেন বিজিএমইএ নেতারা ১,৬০০ শ্রমিককে জিম্মি করে। তারা ঈদ করতে পারেননি। ঈদে তারা করেছেন অনশন। আর তারা এখনো বেতন পাননি পেয়েছেন মাত্র প্রতিশ্রুতি।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত যদি তারা বেতন পান তাহলেও ১১৩ শ্রমিককে হত্যার কী হবে? দেলোয়াররা গার্মেন্টস ব্যবসা করেন বলে কী তাদের জন্য সাত খুন মাফ!
আরো বিস্তারিত পাবেন এই লিংক-এ
Click This Link
ঢাকা/ ০১.০৮.২০১৪
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:৪০
রুচি বলেছেন: welcome to samu