নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে প্রগাড় পিতামহী,আজো চমৎকার?\nআমিও তোমার মত বুড়ো হব-বুড়ি চাঁদটারে আমি ক\'রে দেবো\nকালীদহে বেনজলে পার;\nআমরা দু-জনে মিলে শুন্য ক\'রে চ\'লে যাবো জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার।

এইচ তালুকদার

I am drunk,officer.punish me when I am sober.(Zahir ud din Muhammad,Babur)

এইচ তালুকদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর বলিউড অভিষেক,ভারতের নাগরিক নিবন্ধন আইন এবং বাংলাদেশ সীমান্ত

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ২:২০

সম্রাট আওরঙ্গজেব)
স্কুলে পড়ার সময় বাধ্যতামূলক ভাবেই কিছু ইতিহাস পড়তে হয়েছে তাই অন্তত পক্ষে ৫/৬ জন মুঘল সম্রাটের নাম জানতাম,ইসলাম খা বা শায়েস্তা খানের মত দুয়েকজন সুবেদারের নামও জানতাম তবে পরীক্ষাপাস এর বাইরে তাদের প্রতি আলাদা কোন আগ্রহ আমার ছিলো না,তবে বছর তিনেক আগে মুঘল সম্রাট বাবুর কে নিয়ে লেখা এম্পায়ার অফ দ্যা মুঘল,রেইডার্স ফ্রম নর্থ নামের উপন্যাস টা পড়ার পর মুঘল ইতিহাস সম্পর্কে প্রবল আগ্রহ জাগে এই সিরিজের ব্রাদার্স এট ওয়ার,রুলার অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড,টিন্টেড থ্রোন বই গুলোও পড়ে ফেলি,হুমায়ুন আহমেদ এর লেখা বাদশা নামদার ও বাদ যায় না তবে এগুলো তো ফিকশন তাই তুজুক ঈ জাহাঙ্গীর এর বঙ্গানুবাদ এবং প্রভাতাংশু মাইতির ইতিহাস এর বইও পড়তে শুরু করি।অনলাইন থেকেও অনেককিছু পড়া হয় বিশেষ করে স্ক্রোল নামের একটা ভারতীয় অনলাইন পত্রিকার কথা বলতে হয়।বিবিসির তৈরী প্রায় চার ঘন্টার একটা
ডকুমেন্টারিও দেখি,তবে এসবের মদ্ধে আমার কাছে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে যায় যে উপমহাদেশের মুসলিমদের কাছে মুঘলরা শক্তি,ঐশর্য আর সন্মানের প্রতিক হলেও হিন্দুদের ক্ষেত্রে সেটা সম্পুর্ন উল্টো,বিশেষ করে ষষ্ঠ মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব বা বাদশা আলমগীর।ভারতে মুসলিমরা তাকে জিন্দাপীর বলে ডাকলেও হিন্দুদের কল্পনায় তিনি একজন নরপিশাচ ছাড়া অন্য কিছু নয়।এমনকি ভারতীয় বিভিন্ন ইতিহাসবিদ ও তাকে ধর্মান্ধ বদ্ধউন্মাদ বানাতে সচেষ্ট,সম্রাটের নেয়া অনেক রাজনৈতিক পদক্ষেপের ধর্মীয় ব্যাক্ষা দেয়া হচ্ছে।হাজার হাজার মন্দির ভাঙ্গার জন্যও সম্রাটকে দায়ী করা হচ্ছে,এই ২০২০ সালে বলিউড সিনেমাতেও ভিলেন হিসেবে সম্রাটের ডেব্যু হবে (১০ জানুয়ারি মুক্তিপ্রতিক্ষীত তানাজি মুভিতে সম্রাট আওরংজেব,কারান জোহরও তাকে নিয়ে তাখত নামের সিনেমা বানাচ্ছেন)
হিন্দুনিপীড়ক! হিসেবে সম্রাটের পুরনো খ্যাতি গত কয়েকবছরে নতুন করে মাত্রা পেয়েছে বিশেষ করে এই বিজেপি সরকারের আমলে।
যাইহোক,সম্প্রতি নাগরিক নিবন্ধন আইন নিয়ে গোটা ভারত উত্তাল স্পষ্টতই মুসলিমদের টার্গেট করে বানানো এই আইন নাড়া দিয়েছে বাংলাদেশের সাধারন মানুষকেও,বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের মত আরেকটা উদ্বাস্তু সমস্যা নিয়ে অনেকেই ভীত আর এই ভয় যে অমুলক নয় সেটা অলরেডি টের পাও্য়া শুরু করেছি,বিজিবি সাধারন গ্রামবাসী নিয়ে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে(প্রথম আলো ২ ডিসেম্বর) অনেক আটক হচ্ছে(ঢাকা ট্রিবিউন ২ জানুয়ারী) যদিও বিজিবির ডিজি দাবী করছেন আটক হওয়া বেশিরভাগই বাংলাদেশী(কোলকাতা২৪*৭,২জানুয়ারি) তবে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলা গুলোথেকে যে দরিদ্র মুসলিম দের জোর করে দেশান্তর করা হবে না তার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে বলে মনে হয় না।
(এক বছরেরও বেশী সময় পর সামু তে এলাম,সদ্য মুক্ত সামু কে পেয়ে খুবই ভালো লাগছে)

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:০১

অনল চৌধুরী বলেছেন: আওরঙ্গজেব-মোগল আর শিবাজী-মারাঠীরা কংগ্রেস-বিজেপি’র মতোই একই মুদ্রার দুই পিঠ।
একটা মুসলমান নামধারী ভন্ড নরপিশাচ আরেকটা হিন্দু নরপিশাচ।

দুইদলই জন্ম ও রক্তসূত্রে ভারতীয় হলেও ধর্মচর্চা পদ্ধতি আলাদা হওয়ার কারণেই শিবাজী-মারাঠীরা তাদের ঘৃণা করে।
আর এখন যেহেতু উগ্র হিন্দুরা ক্ষমতায়,তাই তারাই ইচ্ছামতো মুসলিম বক-ধার্মিকদের হেয় করে ছবি বানাচ্ছে।

এর আসল উদ্দেশ্য,২০২০ সালের মধ্যে সারা ভারতে হিদুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:০২

এইচ তালুকদার বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন, আওরঙ্গজেব ২৭বছর একটানা যুদ্ধে চার লাখের বেশি লোক মারা যায় ,মারাঠীরা তো ডাকাতি ছাড়া অন্য কিছু জানতো না,শুধু সুবা বাংলাতেই পাচ লক্ষ লোকের মৃত্যুর জন্য দায়ী

২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:০৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
অনল চৌধুরী সঠিক ভাবে বলেছেন:

আওরঙ্গজেব-মোগল আর শিবাজী-মারাঠীরা একই মুদ্রার দুই পিঠ।
একটা মুসলমান নামধারী ভন্ড নরপিশাচ আরেকটা হিন্দু নরপিশাচ।
দুদলই ধর্ম ও ধর্মচর্চা পদ্ধতি আলাদা হওয়ার কারণে পরস্পরদের ঘৃণা করে।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:৩৫

এইচ তালুকদার বলেছেন: শাহজাহান যখন তাজমহল বানাচ্ছিলো ভারত তখন ইতিহাসের সবচেয়ে কঠীন দুর্ভিক্ষের মুখোমখি এবং সম্রটের এ নিয়ে কোন ভ্রূক্ষেপ ছিলো না।মারাঠারা তো ডাকাতি করতে করতে বাংলা কে বিরান ভুমি বানিয়ে দিয়েছিলো

৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৮:৪২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ভারতের ইতিহাস রক্তপাতের ইতিহাস, সাম্প্রদায়িকতার ইতিহাস।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫৬

এইচ তালুকদার বলেছেন: মৌর্য সম্রাজ্যের পর একমাত্র মুঘল আমলেই ভারত রাজনৈতিক ভাবে এক হয়।আওরঙ্গজেব এর সময় ভারত পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্র ছিলো ওনার সমসাময়ীক ফ্রান্সের রাজা লুইস দ্যা গ্রেট এর তুলনায় আওরঙ্গজেব কমপক্ষে বিশগুন ধনী ছিলেন

৪| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: ভারতের ইতিহাসের সাথে পুরো পৃথিবীর যোগাযোগ আছে।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩৩

এইচ তালুকদার বলেছেন: ঠিক বুঝতে পারোলাম না

৫| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:২৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আওরঙ্গজেবকে নিয়ে এতদিন তাহলে কী জানলাম? কোনটা যে সত্যি আল্লাহই জানেন। দুই পক্ষই নিজেদের মত করে ইতিহাস লিখছে বা বিকৃত করছে...

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

এইচ তালুকদার বলেছেন: মুসলিমদের কাছে জিন্দাপীর,আর হিন্দুদের কাছে নরপিশাচ,যদিও এই দুটির কোনটাই সঠিক নয়।এই সম্রাট আসলে একজন ম্যাগ্লোমেনিয়াক।জিজিয়া কর আরোপের প্রতিবাদে হিন্দুরা তার জুম্মার নামাজে যাবার সময় রাস্তায় শুয়ে পড়ে রাস্তা আটকালে তাদের উপর হাতি ঊঠিয়ে দেন।আবার দক্ষিনে এক যুদ্ধের সময় আত্নসমর্পন করা বিপক্ষের হিন্দু সৈনিকদের নিঃশর্ত মুক্তি দিলেও কয়েক হাজার মুসলিম সৈনিকের শিরোচ্ছেদ এর আদেশ দেন।শিবাজি নিজে থেকে সন্ধি করতে এলে অপমান করেন আবার শিখ গুরু তাকে অপমান করে খোলা চিঠি লিখলে তাকে দরবারে আমত্রন জানান

৬| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৩৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: মারাঠীরা তো ডাকাতি ছাড়া অন্য কিছু জানতো না,শুধু সুবা বাংলাতেই পাচ লক্ষ লোকের মৃত্যুর জন্য দায়ী-মারাঠিরা শিবাজি বা পানিপথের যুদ্ধের পরাজয়ের জন্য অঅজো মোগল -আফগানসহ মুসলমানদের ঘৃণা করে।
কিন্ত ভারতের বাঙ্গালীরা সেই সময়ে মারাঠীদের হত্য-ধর্ষণ-লুটপাটের কথা একবারও মনে করে না।
এটাই জাতিতে জাতিতে পার্থক্য।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১:০৪

এইচ তালুকদার বলেছেন: তানাজি দ্যা আনসাং ওয়ারিয়র মুভির ট্রেইলার মুক্তি পাবার পর ফেসবুকে একটা মুভি রিলেটেড গ্রুপে রিভিউ লিখেছিলাম আমি।এরপর গ্রুপে থাকা ভারতীয় বাঙ্গালীরা আমার গুষ্ঠী উদ্ধার করে ছেড়েছিলোএরা মুঘলদের আজও বিদেশী সাব্যস্ত করতে ব্যাস্ত অথচ শেষ মুঘল সম্রাট তো ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে পরাজিত হলেন,রাজ্য হারালেন তার সন্তানদের হত্যা করে শহরের মুল দরজায় লটকে রাখা হলো সেসব কথা কেউ বলে না।

৭| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:১৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশ-বাঙ্গলীদের মগজ বলে কছু নাই মূর্খতা ছাড়া।
তাই পৃথিবীর তৃতীয় আর দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় জাতিগোষ্ঠী হওয়ার পরও এরা এখনো শাসকের জাতিতে পরিণত হতে পারেনি।
বাংলাদেশ তো নামমাত্র হলেও স্বাধীন,কিন্ত ওইপারের মূর্খগুলি মারাঠী-গুজরাটিদের গোলামী করছে আর তাদের কথায় নাচছে।অথচ সুভাষ চন্দ্র বসু বীর বাঙ্গালী ছিলেন।

১১ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:২৮

এইচ তালুকদার বলেছেন: ঠিকই বলেছেন,তবে বাঙ্গালিদের ঢালাও ভাবে ব্যার্থ জাতি বলতে আমি নারাজ,ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন কিংবা পাকিস্থানিদের তাড়ানো এর উদাহরন,আজকে বিশিষ্ট সভ্য জাতি জাপানী দের নৃশংসতার গল্পগূলো শুনলে চমকে ঊঠতে হয়,ব্রিটিশদের হাতে তো এখনো কোটি কোটি মানুষের রক্ত লেগে আছে।ওটোম্যান তুর্কিদের আরব বা বলকান অঞ্চলের মানূষ কি পরিমান ঘৃণা করে সেটা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন,বাঙ্গালিরা অন্তত সে তুলনায় হাজারগুন সভ্য

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.