নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বোকা মানুষের কথায় কিই বা আসে যায়

বোকা মানুষ বলতে চায়

আমি একজন বোকা মানব, সবাই বলে আমার মাথায় কোন ঘিলু নাই। আমি কিছু বলতে নিলেই সবাই থামিয়ে দিয়ে বলে, এই গাধা চুপ কর! তাই আমি ব্লগের সাহায্যে কিছু বলতে চাই। সামু পরিবারে আমার রোল নাম্বারঃ ১৩৩৩৮১

বোকা মানুষ বলতে চায় › বিস্তারিত পোস্টঃ

"ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী" যেখানে যেতে যেতে রাত হয়ে যায় ;) (বাংলার জমিদার বাড়ী - পর্ব ১৮)

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৯



ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের নাম তো অনেক আগেই শুনেছি, কিন্তু ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ীর নাম খুব বেশী দিন আগে শুনি নাই। ২০১৩ সাল থেকে জমিদার বাড়ী নিয়ে লেখালেখি শুরু করার পর আরও অনেক জমিদার বাড়ীর মতই এই জমিদার বাড়ীর কথা জানতে পারি। তো প্রথম এই জমিদার বাড়ী দেখতে উদ্যোগ নেই ২০১৪ সালে, সারাদিনের মুন্সিগঞ্জ ভ্রমণে গিয়ে এই জমিদার বাড়ী দেখার প্ল্যান ছিল। ভ্রমণ বাংলাদেশের সাথে সেই ভ্রমণের কাহিনী নিয়ে লিখেছিলাম এই পোস্টঃ ঐতিহ্যের খোঁজে মুন্সীগঞ্জ

কিন্তু সেই ট্যুরে সারাদিন ঘুরতে ঘুরতে যখন ভাগ্যকুল গিয়ে পৌঁছলাম, তখন সূর্য পশ্চিম আকাশে লুকিয়েছে। দলের সবার কথা চিন্তা করে সে যাত্রায় ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী দেখা হল না। কথা ছিল, ভ্রমণ বাংলাদশের সভাপতি টুটুল ভাইয়ের মোটর সাইকেলে করে পরের সপ্তাহ এসে ঘুরে যাব। কিন্তু সেই যাওয়া আর হয়ে উঠে নাই। এর পর গেলাম ২০১৫ সালে, আমি আর ভ্রমণ বন্ধু বজলু, ওর মোটর সাইকেল নিয়ে। বাবুবাজার বুড়িগঙ্গা সেতু দিয়ে আমরা দোহার-নবাবগঞ্জের কলাকুপা-বান্দুরা হয়ে একে একে নানান স্পট ঘুরতে ঘুরতে পৌঁছলাম যখন ভাগ্যকুল তখন সন্ধ্যে ফুরিয়ে রাত নেমেছে। কিন্তু তখনো জানা ছিল না, বান্দুরার কোকিলপেয়ারি, উকিল বাড়ী, তেলিবাড়ী এগুলোও ভাগ্যকুলের জমিদারদেরই বাড়ী। যাই হোক, প্রতিজ্ঞা ছিল, এবার আমি পিছপা হব না। খুঁজে খুঁজে চলে এলাম জমিদার বাড়ী প্রাঙ্গণে। এটা এখন র‍্যাব কার্যালয়। মেইন গেটে একটা ঘর দেখলাম, প্রবেশ চৌকি, কিন্তু অনুমতি নেয়ার জন্য কাউকে সেখানে পাওয়া গেল না। মোটর সাইকেল নিয়ে আমরা ভেতরে ঢুকলাম। কিছুটা এগুতেই দুই’তিন জন লোকের দেখা পেলাম, সবাই র‍্যাব সদস্য। তাদের কাছে আমাদের আগমনের উদ্দেশ্য বললাম। তারা আমাদের উদ্দেশ্য শুনে আগ্রহ পেল, বিভিন্ন জায়গা নির্দেশ করে জানাল এখন তো আর তেমন কোন স্থাপনা নেই। আরও বেশ কিছু তথ্য দিচ্ছিল, তখন র‍্যাবের একজন বড় অফিসার আসল সেখানে। আমরা কারা এবং কেন এখানে এসেছি তা জিজ্ঞাসা করতে র‍্যাবের লোকগুলো বলল আমরা কেন এসেছি এখানে। উনি সব শুনে ক্ষেপে গেলেন, আমরা রাতের বেলা এসেছি জমিদার বাড়ী দেখতে, তাও অনুমতি ছাড়া ঢুঁকে পড়েছি... বলল সামনে যে প্রবেশ চৌকি আছে, সেখানে যেতে মোটর সাইকেল নিয়ে, আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। আমি তো বুঝলাম, ঝামেলায় জড়াতে যাচ্ছি। তাদের বললাম ঠিক আছে, কিন্তু বজলুকে কানে কানে বললাম, গেটের সামনে গিয়ে সোজা বাইরে বের হয়ে মোটর সাইকেল একটানে মেইন রোডে নিয়ে যেতে। যেই কথা, সেই কাজ। ক্ষণিকের মধ্যে আমরা পগারপার, নইলে সেদিন খোদাই জানে কি যে হত!

মূলত ভাগ্যকুলের জমিদারদের অনেকগুলো বাড়ীর মধ্যে একমাত্র টিকে থাকা বাড়ীটি রয়েছে বান্দুরায়। ভাগ্যকুলের এই জমিদার বাড়ীটি বানিয়েছিলেন জমিদার যদুনাথ সাহা। দ্বিতল বাড়ীর সামনে রয়েছে আটটি বিশাল থাম, দেখতে অনেকটা মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ীর মত। ভবনটির চারিদিকেই এমন থাম বিশিষ্ট এই স্থ্যাপত্যটি গ্রীক স্থাপত্যের ঘরনায় নির্মিত। ভবনের ভেতরে নকশা-সাপ, ময়ূর, ফুল, পাখি সহ নানান নকশা রয়েছে। পুরো জমিদার বাড়ীর আঙ্গিনা জুড়ে ভবন, মাঝে উঠোন। এই জমিদার বাড়ীর দরজা এবং জানালা একই মাপের, মানে উচ্চতার। ফলে কপাট বদ্ধ অবস্থায়, কোনটি দরজা, কোনটি জানালা বুঝা দায়। একতলা থেকে দোতলায় যাওয়ার সিঁড়িটি কাঠের তৈরি। এই জমিদার বাড়ীটি বান্দুরায় অবস্থিত। জমিদার বাড়ীর সামনে রয়েছে “নবকুঠি”, এটি মূলত গদিঘর ছিল। এই জমিদার বাড়ীটি আনুমানিক ১৯২০ সালের আগে পড়ে নির্মাণ করা হয়। যদুনাথ সাহার ছিল পাঁচ ছেলেমেয়ে। এদেরকে পৃথক পৃথক বাড়ী নির্মাণ করে দেন জমিদার যদুনাথ, যেগুলো বান্দুরা’র কোকিলপেয়ারি জমিদার বাড়ী, উকিল বাড়ী, জজ বাড়ী নামে পরিচিত রয়েছে।

কিন্তু তখনো মুল ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী খুজে পেতে মুন্সিগঞ্জের ভাগ্যকুলে গিয়ে যে র‍্যাব কার্যালয়ে পৌঁছেছিলাম, তার ইতিহাস জানা হল না এখনো। কিন্তু তখনো কি জানি ভাগ্যকুলে এতোগুলো জমিদার ছিল, আর এতগুলো বাড়ী!!!

খোঁজ করতে জানা যায়, ভাগ্যকুলের জমিদাররা ব্রিটিশ আমলে উপমহাদেশে প্রসিদ্ধ ছিলেন। জমিদারদের মধ্যে হরলাল রায়, রাজা শ্রীনাথ রায় ও প্রিয়নাথ রায়ের নাম উল্লেখযোগ্য। ব্রিটিশের তাঁবেদারি করায় তাঁরা রাজা উপাধি পেয়েছিলেন। তাঁদের মতো ধনী বাঙালি পরিবার সে সময়ে কমই ছিল। জমিদারদের প্রায় সবাই উচ্চ শিক্ষিত ছিলেন। ঢাকা, কলকাতা এবং ইংল্যান্ডে তাঁরা পড়াশোনা করেছেন। জমিদারদের কীর্তির বেশির ভাগই পদ্মা কেড়ে নিয়েছে। জমিদার যদুনাথ রায়ের বাড়িটিই যা টিকে আছে।

ভাগ্যকুলে জমিদারদের সাতটি হিস্যার সন্ধান পাওয়া যায়। গুরুন্ন প্রসাদের দুই পুত্র মথুরামোহন রায় এবং প্রিয় মোহন রায় এর উত্তরপুরম্নষ ভাগ্যকুলের বর্তমানের ওয়াপদায় বসতি স্থাপন করেন। এই পরিবাইে জন্মেছিলেন বিখ্যাত ক্রিকেটার পংকজ রায়। পুলিন রায়ও জমিদার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন।

হরিপ্রসাদ রায় ১৮২৯ সালে ওলাউঠাতে মৃত্যুবরণ করলে গুরুন্ন প্রসাদ রায় ভ্রাতার বংশ রক্ষার্থে তার কণিষ্ঠপুত্র হরলাল রায়কে ১৮৩০ সালে পৌষ্যপুত্র প্রদান করেন। তীক্ষ্ণ বিষয়বুদ্ধি থাকায় হরলাল ব্যবসা বাণিজ্যে প্রভূত উন্নতিলাভ করেন। কলকাতায় বহু বাড়ি ক্রয় ও নির্মাণ করেন। তিনি ব্যয়শীল ও দাতা হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন। কিন্তু মাত্র ২৬ বৎসর বয়সে বসন্ত রোগে নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। স্ত্রী মাণিক্যময়ী নিজের ৬ বছর বয়সী ছোটভাই হরেন্দ্রলালকে পৌষ্যপুত্র হিসাবে গ্রহণ করেন। হরেন্দ্রলাল রায় ভাগ্যকুল হরেন্দ্রলাল উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ হরেন্দ্রলাল পাবলিক লাইব্রেরি, ভাগ্যকুল উপস্বাপস্থ্য কেন্দ্র, মুন্সীগঞ্জ হরেন্দ্রলাল কলেজসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। যদিও কলেজটি স্থানীয় দ্বন্দ্বে বিলুপ্ত হয়। সারাদেশব্যাপী অসংখ্য বিদ্যালয়, চেরিট্যাবল ডিস্পেন্সারী, মন্দির-বিগ্রহ, পানীয় জলের ট্যাংক, রেসকোর্স প্রতিষ্ঠায় বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। দানশীল ও রাজভক্তির জন্য সরকার ১৯১৪ সালে তাকে রায়বাহাদুর উপাধি দ্বারা ভূষিত করেন। তিনি নিজের স্টীমার ও ৩৫ হজার টাকার ওয়ারবন্ড ক্রয় করে যুদ্ধ ও অসহযোগ আন্দোলনের সময় সরকারকে সহযোগিতা করেন। তিনি বৃটিশ ইন্ডিয়া এ্যাসোসিয়েশন, বেঙ্গল ল্যান্ড হোল্ডর এ্যাসোসিয়েশন, ইস্ট বেঙ্গল ল্যান্ড হোল্ডার এ্যাসোসিয়েশন, নর্থব্রুক হল, কলকাতা কন্সটিটিউশনাল ক্লাবের সদস্য ছিলেন। তিনি বেঙ্গল জমিদার সমিতির সহসভাপতি ও মিডফোর্ট হাসপাতালের লাইফ গভর্ণর ছিলেন। তিনি ১৯৫১ সালে ৭৮ বৎসর বয়সে স্ত্রী ও তিনপুত্রের মৃত্যুর শোকে শোকাহত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

গঙ্গাপ্রসাদ রায়ের ৪র্থ ও কণিষ্ঠ পুত্র প্রেমচাঁদ রায়ের তিনপুত্র ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী জমিদার। এদের মধ্যে শ্রীনাথ রায় এবং জানকী নাথ রায় ইংরেজ সরকার কর্তৃক রাজা উপাধি দ্বারা ভূষিত হন। এই দুইজন ভাগ্যকুলে প্রাসাদ নির্মাণ করে বসতি স্থাপন করেছিলেন। তাদের প্রাসাদও প্রায় ৩০ বছর পূর্বে কৃত্তিনাশা পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়েছে। রাজা শ্রীনাথ রায় ছিলেন ভাগ্যকুলের জমিদারদের মধ্যে সর্বশেষ্ঠ। তিনি ১৮৪১ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে ঢাকা ও পরে কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজে শিক্ষা লাভ করেন। তিনি ঢাকার মিউনিসিপ্যাল কমিশনার ডিস্ট্রিক্ট বোর্ড, রোডসেস ও শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন। তিনি একনমিক মিউজিয়মের ও জুলজিক্যাল গার্ডেনের আজীবন গভর্ণর এবং ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অবৈতনিক ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। রাজা শ্রীনাথ রায়, রাজা জানকীনাথ রায় ও রায় সীতানাথ রায় যৌথভাবে পূর্ব বেঙ্গল চক্ষু চিকিৎসালয়, সীতাকুন্ডু ওয়াটার ওয়ার্কস ও অন্যান্য বহু জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি করেন। তারা কলকাতার দরিদ্রদের জন্য একটি আদর্শ বস্তি বিল্ডিং নির্মাণ করেন। পূর্ববঙ্গ ও কলকাতায় তাদের বহু ব্যবসায় ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান ছিল। কলকাতা ও ঢাকার একটি স্টীমার সার্ভিসও তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। রাজভক্তি ও বহু জনহিতকর কাজের জন্য ১৮৯১ সালে রাজা উপাধীতে ভূষিত হন। তাদের ন্যায় ধনী বাঙ্গালি অতি অল্পই ছিল। সে সময় তাদের দানের পরিমান ছিল ৬ লক্ষ টাকার অধীক। সিরাজদিখানের রায় বাহাদুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং শ্রীনগরের রাজা শ্রীনাথ হাসপাতাল এখনো কালের স্বাক্ষী হিসাবে রয়েছে। বর্তমানে ভারতের বিখ্যাত সাহারা গ্রুপও রাজা শ্রীনাথ রায়ের উত্তর পুরুষ।

রাজা সীতানাথ রায়ের দুই পুত্র যদুনাথ রায় এবং প্রিয়নাথ রায়। যদুনাথ রায় বর্তমানের বাড়িখাল ইউনিয়নের উত্তর বালাশুরে (সে সময় ভাগ্যকুল নামে পরিচিত ছিল) হুবহু একই ধরণের দুটি ত্রিতল ভবন নির্মাণ করেন। বিশালাকৃতির দিঘি খনন করেন, নাট মন্দির ও দূর্গামন্দির স্থাপন করেন। ড. হুমায়ুন আজাদ এই বাড়িটিকে নিয়ে তার ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না গ্রন্থে লিখেছেন- বিলের ধারে প্যারিশ শহর। সাহিত্যিক নূর উল হোসেন তার বহু লেখায় ভাগ্যকুলের জমিদার বাড়ির জাকজমকপূর্ণ উৎসবের বর্ণনা দিয়েছেন। ভাগ্যকুলের স্টীমার ঘাটও সুপরিচিত ছিল জমিদারদের কারণেই। ইংরেজি গ্রামার বইয়ে ‘দি’ এর ব্যবহার শিখতে ‘ভাগ্যকুলের জমিদারগণ অনেক বড়’ বাক্যটির ইংরেজি অনুবাদ পড়তে হতো পাকিস্তান আমলেও। একবার মেট্রিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রেও বাক্যটি অনুবাদ করার জন্য ছিল। ভাগ্যকুলের জমিদারদের নিকট রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহের কুঠিবাড়ি বিক্রি করেছিলেন। কলকাতার বিখ্যাত ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতাও ভাগ্যকুলের জমিদারগণ। ভাগ্যকুরের জমিদারগণ শুধু শিক্ষানুরাগীই ছিলেন না, তারা প্রায় সকলেই ছিলেন উচ্চ শিক্ষিত। ঢাকা, কলকাতা এবং ইংল্যান্ডে তার পড়াশোনা করেন। বর্তমানে ভাগ্যকুলের র‍্যাব অফিসের নিকট তিনজন ব্যারিস্টারের সমাধীসৌধ রয়েছে। এছাড়া বটু মন্দির যার স্মৃতিতে তিনিও ব্যারিস্টারী পড়ার জন্য ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন।

ভাগ্যকুলের জমিদারদের সকলেরই কলকাতায় বাড়ি ছিল। তারা ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ কলকাতামুখী হয়ে পড়েছিলেন। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত শুধুমাত্র যদুনাথ রায় তার বিলের ধারের প্রাসাদে ছিলেন। তিনি ভাগ্যকুল ত্যাগ করতে চাননি। বৃদ্ধ বয়সে তার আত্মীয়-স্বজনরা জোর করে কলকাতায় নিয়ে যায়। তিনি কলকাতায় গিয়ে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন। যদুনাথ রায়ের বাড়িটি দীর্ঘদিন অযত্নে অবহেলায় পড়েছিল। পরিণত হচ্ছিল ধ্বংসস্তূপে। বর্তমানে "অগ্রসর বিক্রমপুর" এই বাড়িটি রক্ষায় এগিয়ে এসেছে এই প্রত্যয়ে যে, তারা ফিরিয়ে আনবে আগের অবয়ব। স্থাপন করবে বিক্রমপুর যাদুঘর ও সংস্কৃতি কেন্দ্র, থাকবে পর্যটন কেন্দ্র, গেস্ট হাউজ, থীমপার্ক, নৌ-যাদুঘর ইত্যাদি। আবারো বিলের ধারের এ প্যারিস শহরটি জীবন ফিরে পাবে। লোক সমাগমে ভরে উঠবে। বিক্রমপুরের ঐতিহ্য এবং ভাগ্যকুলের জমিদারদের কৃত্তি অবলোকনে দূর-দূরান্ত হতে হাজার হাজার মানুষ ভাগ্যকুলে আসবে। পূরণ হবে বিক্রমপুরবাসীর একটি দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।


উপরের ইটালিক প্যারার লেখাটি পাঠকদের জন্য ওয়েব সাইট হতে তুলে দেয়া হয়েছে।

===========================================================

"বাংলার জমিদার বাড়ী" সিরিজের আগের পোস্টগুলোঃ

"বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ১ (বালিয়াটি জমিদার বাড়ি)
"বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ২ (পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি)
"বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ৩ (মহেড়া জমিদার বাড়ি)
"বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ৪ (লাখুটিয়া জমিদার বাড়ি)
"বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ৫ (দুবলহাটি জমিদার বাড়ি)
"বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব৬ (ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর রাজবাড়ি)
"বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ৭ (তেওতা জমিদার বাড়ী)
দালাল বাজার জমিদার বাড়ী - ("বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ৮ )
দত্তপাড়া জমিদার বাড়ীর খোঁজে - ("বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ৯ )
ভৌতিক সন্ধ্যায় কামানখোলা জমিদার বাড়ী প্রাঙ্গনে - ("বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ১০ )
কালের সাক্ষী - শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ী (বাংলার জমিদার বাড়ী - পর্ব ১১)
খুঁজে পেলাম 'ইসহাক জমিদার বাড়ী' - ('বাংলার জমিদার বাড়ী' - পর্ব ১২)
বলিয়াদি জমিদার বাড়ী - চারশত বছরের ইতিহাস ("বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ১৩)
ভুলে যাওয়ার পথে কাশিমপুর জমিদার বাড়ী - ("বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ১৪)
করটিয়া জমিদার বাড়ী (টাঙ্গাইল) ("বাংলার জমিদার বাড়ী" - পর্ব ১৫)
কোকিলপেয়ারী জমিদার বাড়ির খোঁজে (বাংলার জমিদার বাড়ি - পর্ব ১৬)
মুরাপাড়া জমিদার বাড়ীর আঙ্গিনায় (বাংলার জমিদার বাড়ি - পর্ব ১৭)

মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫১

সুমন কর বলেছেন: ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী সম্পর্কে জানা ছিল না। পোস্টের মাধ্যমে জানলাম।

সেদিন র্র্যাবের হাতে বেঁচে গেছো জেনে খুশি হলাম। ;)

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৬

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ বন্ধু, আসলেই বড় বাঁচা বেঁচে গেছি সেদিন। :)

দীর্ঘ এক বছর পর আবার এই সিরিজে লেখা পোস্ট করলাম, ইচ্ছে আছে নিয়মিত করার। দেখা যাক কতটুকু পারি।

শুভ সন্ধ্যা।

২| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখা গুছানো নয়

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০১

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: গুছানোর চেষ্টা করছি। দেখি কতটা গুছানো যায়। :(

৩| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: এই জমিদার বাড়ির কথা আগে শুনেছি। কিন্তু বাস্তবে বা ছবিতে দেখা হয়নি। আজ ছবিতে দেখলাম।
ধন্যবাদ বো মা ব চা।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:১৭

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। আগে জানতাম না যে, বান্দুরার বাড়ীগুলোও ভাগ্যকুলের জমিদারদের। আরও বেশ কিছু ছবি পাবেন এই পোস্টেঃ কোকিলপেয়ারী জমিদার বাড়ির খোঁজে (বাংলার জমিদার বাড়ি - পর্ব ১৬)

৪| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:১৭

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: আমার সবচেয়ে ভালো লাগে জিমিদার বাড়ির ছবি! সেটাই মিসিং :((
তবে পড়তে ভালো লেগেছে তাদের নিয়ে। হরলাল রায়ের নাম কোথায় যেন শুনেছি শুনেছি মনে হচ্ছে

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:৪০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ রাখাল ভ্রাতা। উপরের কমেন্টের প্রতিত্তর দ্রষ্টব্য। :)

৫| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:১৮

সায়ান তানভি বলেছেন: মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়লাম। জমিদার বাড়ী বা পুরাতন স্থাপনার প্রতি একটা দূর্নিবার আকর্ষন আছে আমার। আপনার এই সিরিজটা অভিনব। চালিয়ে যান।শুভকামনা থাকলো।,

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:২২

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তানভি। এই সিরিজটা মূলত তিন বছর আগে শুরু হয়েছিল, নানান সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকদিন বন্ধ ছিল। আশা করি এখন থেকে নিয়মিত পোস্ট পাবেন এই সিরিজে।

ভালো থাকুন সবসময়। শুভকামনা জানবেন।

৬| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:২১

দীপংকর চন্দ বলেছেন: শেকড় সন্ধানী কাজের প্রতি শ্রদ্ধা।

প্রিয়তে থাকছে প্রয়োজনীয় আয়োজনটি।

অনিঃশেষ শুভকামনা ভাই।

সবসময় ভালো থাকবেন। অনেক ভালো।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৬

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকুন আপনিও। চেষ্টা থাকবে এই সিরিজটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার।

৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:২৮

কানিজ রিনা বলেছেন: ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ি,র্্যাবের হাতে হা
হা হি হি।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: =p~ =p~ =p~

৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১:৩৮

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: নিজঘরের কথাই জানলাম।। আসলে অন্ধ, সব বিষয়েই অন্ধ।।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:০৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: !!!

ভাবনার বিষয় ;)

:-B :-B :-B

৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:১৫

বৃতি বলেছেন: ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ি সম্পর্কে জেনে ভাল লাগলো :) শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৫১

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বৃতি, পোস্টে পেয়ে ভাল লাগলো। ভালো থাকুন সবসময়, শুভকামনা জানবেন।

১০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৩০

জুন বলেছেন: বোকামানুষ এটা আমাদের দেশ । এই বান্দুরা হলিক্রস স্কুল যা বাংলাদেশের প্রথম মিশনারী স্কুল । এখান থেকেই আমার আব্বা ও চাচারা ম্যট্রিক পাশ করেছিল । তখন সব ফাদাররা ছিল সাদা চামড়ার । সেই কতদুর থেকে এসে তখনকার সময়ের সেই দুর্গম পথ পেড়িয়ে সেখানে বসতি গেড়েছিল । হয়তো অনেকে বলবে ধর্ম প্রচারে। তা যাই হোক পরিবার পরিজন ছেড়ে সেই দূর প্রবাসে বিনা আর্থিক সুবিধায় এখন কেউ থাকবে বলে আমার বিশ্বাস হয় না ।
এই শব জমিদার বাড়ীগুলো দেখেছি । আমার আম্মার দেশ মাওয়া যেতে স্টিমারে নাকি ভাগ্যকুল পড়তো । তখন ভাগ্যকুল নাকি অনেক বড়া স্টিমার ঘাট ছিল শুনেছি ।
খুব ভালোলাগলো আপনার চোখে আমার দেশকে দেখে ।
+

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১১:২৬

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু, নতুন কিছু ইতিহাস জানানোর জন্য। ভালো থাকুন সবসময়।

১১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:০০

পুলহ বলেছেন: সিরিজটা সংগ্রহে রাখলাম ভাই। চমৎকার আয়োজন।
আমাকে যদিও প্রত্নস্থান কিংবা স্থাপত্যের তুলনায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই বেশি টানে, তারপরো ঘুরাঘুরি বলে কথা! ট্রাভেল মানেই চমকপ্রদ কিছু...
শুভকামনা এবং পোস্টে প্লাস।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:১০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই, আমিও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাগল, প্রাধান্য পায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে। তবে এই সিরিজটি'র জন্যও মাঝে মাঝে ঘোরাঘুরি হয়ে থাকে আর কি।

ভালো থাকুন সবসময়, পাঠ এবং মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:১৭

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:



আরও কয়েকটা ছবি দিতেন ভ্রাতা ?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:২৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ভ্রাতা ছবি আগের কোকিলপেয়ারি জমিদার বাড়ির পোস্টে দিয়েছিলাম, দেখতে পারেনঃ কোকিলপেয়ারী জমিদার বাড়ির খোঁজে (বাংলার জমিদার বাড়ি - পর্ব ১৬)

১৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৫৮

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে তথ্যবহুল এই ভাগ্যকূল জমিদার বাড়ি দেখানোর জন্য।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৪০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ মাহমুদুর রহমান সুজন। পাঠ এবং মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:০১

হাসান মাহবুব বলেছেন: এইটা সম্পর্কে কিছু বলতে পারবেন?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:১৭

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: হাসান ভাই, যতটুকু খোঁজ নিয়ে জানলাম, এটি ব্যক্তি মালিকানায় তৈরি একটি বাসা, খুব বেশী প্রাচীন নয়। কোন একটা গ্রুপ এখানে বেড়াতে গিয়ে এই ছবিটি প্রথম আপলোড করেছিল। এর বেশী কিছু উদ্ধার করতে পারি নাই।

১৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৯

প্রামানিক বলেছেন: আপনার লেখাটা প্রিয়তে নিলাম। ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভান্ডারের অনেক মিষ্টি খেয়েছি কিন্তু ভাগ্যকুল যে একটি জায়গার নাম এটা জানা ছিল না। ধন্যবাদ

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৩৬

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: আমাদের ভাগ্য, ভাগ্যকুলের নাম শুনেছিলাম, তাই না ;) আমিও কিন্তু শুনেছি মাত্র বছর তিনেক আগে।

ধন্যবাদ প্রামানিক ভাই, ভালো থাকুন সবসময়।

১৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৫০

জীবলু বলেছেন: কালের সাক্ষী এই ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী এবং জমিদারদের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য ।
পোষ্ট টি প্রিয়তে নিলাম ।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:০০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জীবলু। বোকা মানুষের ব্লগে স্বাগতম আপনাকে। :)

১৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:০৬

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন:


ছবি থাকলে চোখের আরাম হইতো।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:২৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ছবির জন্য ৪ নম্বর মন্তব্যের প্রতিত্তরে একটু ঢুঁ মারুন। দুঃখিত রাজপুত্র, ভালো থাকুন সবসময়। :)

১৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০০

আমিই মিসির আলী বলেছেন: নাহ!
ভাগ্যকুলে যাওয়ার সাধ জাগছে।
কিন্তু সময়ের বড্ড অভাব.....

১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৪৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: যে কোন সাপ্তাহিক বা অন্য কোন ছুটির দিন ঘুরে আসুন। ঢাকা থেকে খুব কাছেই।

ভালো থাকুন মিসির আলী সাহেব, শুভকামনা।

১৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

নুরুন নাহার লিলিয়ান বলেছেন: আপনাকে আরও কিছু তথ্য দেই । মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থা।। সত্যি সুন্দর । ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ি থেকে আরও একটু গেলে যদু নাথ বাবুর আরও বাড়ি আছে । ওটা বিক্রমপুর যাদুঘর হয়েছে হয়তো ।যদুনাথের ভাই নীল কৃষ্ণ আরও অনেক গুলো বাড়ি আছে ।সেখানে এখন নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার হচ্ছে । তার কাছেই আছে রাড়িখাল বিজ্ঞানী জগদ্বিশ চন্দ্র বসুর বাড়ি ,ড হুমায়ূন আজাদের বাড়ি .।.।.।।।শ্রী নগর মানে সুন্দর নগর । বাংলাদেশিরা জানে না রাড়িখালের আড়িয়াল বিল এ বিমান বন্দর হলে এই সৌন্দর্য পৃথিবীর মানুষ দেখার জন্য সেখানে ছুটে আসতো ।কতো সুন্দর পুড়নো বাড়ি .।.।আমি জানি ! আমার জন্ম সেখানেই .।.।আমি খুব শীঘ্রই ছবি পোষ্ট দিব ।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৭

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আমার কিন্তু মুন্সিগঞ্জ ভ্রমণ নিয়ে এবং যদুনাথ আর তার ভাইদের বাড়ি নিয়েও পোস্ট আছে। আপনি ভাগ্যবতী বিক্রমপুরবাসী বলে। ভাল থাকুন সবসময়, শুভকামনা রইল।

২০| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১২:২২

শরনার্থী বলেছেন: আপডেটঃ
জার্মান প্রবাসে- 1305
অগ্নি সারথির ব্লগ- 217
ইস্টিশন ব্লগ- 147
প্রবীর বিধানের ব্লগ- 57
ইতুর ব্লগ- 23

অসম ব্যবধান শুরু হয়েছে মোটামুটি। প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগের সাথে লড়াই করে যাওয়াটা বেশ দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে দিনের পর দিন। আবারো আপনাদের ভোট দেবার অনুরোধ করছি। প্লিজ আপনারা ভোট দিন।

ভোট দিতে যা করতে হবেঃ
প্রথমে https://thebobs.com/bengali/ এই ঠিকানায় যেতে হবে। এরপর আপনার ফেসবুক আইডি দিয়ে লগইন করুন। লগইন হয়ে গেলে বাছাই করুন অংশে ক্লিক করুন। ক্লিক করে ইউজার অ্যাওয়ার্ড বাংলা সিলেক্ট করুন। এরপর মনোনীতদের একজনকে বেছে নিন অংশে ক্লিক করে, অগ্নি সারথির ব্লগ সিলেক্ট করুন। এরপর ভোট দিন বাটনে ক্লিক করে কনফার্মেশন পেয়ে গেলেই আপনি সফল ভাবে আমাকে ভোট প্রদান করে ফেলেছেন। এভাবে ২৪ ঘন্টা পরপর মে ২, ২০১৬ পর্যন্ত ভোট দেয়া যাবে।

২১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:৩৯

শামছুল ইসলাম বলেছেন: "বাংলার জমিদার বাড়ী" নিয়ে আপনার পোস্টটা পড়ে ভাল লাগল।

র‍্যাবের হাত থেকে যেভাবে পার পেলেন, তাতে মনে হয় আপনার চিকন বুদ্ধিটা ভালই !!!

"বাংলার জমিদার বাড়ী" নিয়ে আপনার বিশাল কাজে মুগ্ধ।

ভাল থাকুন। সবসময়।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:২৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ শামছুল ইসলাম ভাই। আসলে মোটা মানুষের মাথায় হুট করে কিভাবে যে চিকন বুদ্ধি আসল নিজেও বুঝলাম না। :P

এই সিরিজের লেখাগুলো হল খসড়া, ভবিষ্যতে বই আকারে বের করার জন্যই এই সিরিজ। গত বছর দেড়েক যাবত ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সিরিজটা তেমন আর আগায় নাই। দেখি, আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।

আপনিও ভালো থাকুন, প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ।

২২| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এত আমার এলাকা ,পরিচিত জায়গার চমৎকার বর্ণনা খুব ভালো লেগেছে .।
আপনি বিক্রমপুর ঘুরলে কয়েক মিনিট পর পর চমৎকার সব নির্দেশনা পাবেন ,দূরে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে হয়ত একটা মন্দির ।
সংরক্ষণ বলে যে একটা কথা আছে ,সেটা আমাদের দেশে প্রায় বিলুপ্ত :(

শুভ কামনা ভাইয়া :)

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:৩১

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: বাহ, জুনা আপু আর লিলিয়ান এর পর আপনিও বিক্রমপুরের! আমার খুব কাছের বন্ধুর পৈতৃক আদিভুমিও বিক্রমপুর। চারিদিকে শুধু বিক্রমপুর আর বিক্রমপুর। :) আমার ঐতিহ্যের খোঁজে মুন্সীগঞ্জ আর কোকিলপেয়ারী জমিদার বাড়ী এই দুটো পোস্ট দেখতে পারেন, আপনাদের এলাকা ভ্রমণ নিয়ে লেখা।

সংরক্ষণ নিয়ে আর কি বলব? এখন সংরক্ষণের নামে ধ্বংস হচ্ছে শুধু।

ভালো থাকুন সবসময়, অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

২৩| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:১০

মির্জা বাড়ির বউড়া বলেছেন: আসেন দেখেন ব্লগের সবচেয়ে পুরান নাটকের পুন:প্রচার। শরণার্থী নিকে ব্যাপক ল্যাদানির পরও মনমত সাড়া না পাওয়ায় অগ্নিসারথি গতকালকে নিজেই খুলেন বেলের শরবত নামে এক ইচিং ব্লগিং ক্যারেক্টার, তারপর সারাব্লগ ভাসিয়ে দেন নিজেই নিজেকে গালি দিয়ে কমেন্ট করে যেন মানুষের সহানুভূতি আদায় করে ভোট পাওয়া যায়। নিজের গোমর নিজেই গভীর রাতে ভুলে ফাঁস করে ফেলেন পোস্ট দিয়ে যে তিনি ববস.কমে জিতে চাকরি ছেড়ে রেসিডেন্ট ব্লগার হতে চান এই ব্লগের। মারহাবা।

২৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৩১

মাদিহা মৌ বলেছেন: আহারে! র‍্যাবের ভয়ে দেখাই হল না ভালো করে!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.