নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এস এম এম হাসান

চলুন, বদলে দিই এ জগতটাকে । আমি , আপনি এবং সকলে মিলে ।

এস এম এম হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীঃ আমাদের কিছু ভুল ধারনা

০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১৬

এক

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, যার যাত্রা শুরু হয়েছে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে। পাকিস্তান আমলে সশস্ত্র বাহিনীতে বাঙ্গালী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রবল বৈষম্য ছিল। সাধারন সৈনিক কিছুটা নিয়োগ করলেও অফিসার ছিল হাতে গোনা কয়েকজন। সেই কয়েকজন অফিসার এবং সৈনিক/এন সি ও/ জে সি ওর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। পরবর্তিতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া কিছু বেসামরিক ব্যক্তিদেরকেও সামরিক বাহিনীতে আত্মিকরণ করা হয়েছে । তবে বর্তমানে দুঃখ লাগে এই কারনে যে, মুক্তিযুদ্ধে সামরিক বাহিনীর( যাদের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি) অবদান কে সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। আপনারা খবর নিয়ে দেখুন,সকল মুক্তিযোদ্ধারাই কোন না কোন সামরিক সদস্যর কমান্ডে যুদ্ধ করেছেন। ভাই আপনার হাতে একটি অস্ত্র ধরিয়ে দিলাম আর আপনি সাথে সাথে গুলি করে আপনার শত্রুকে হত্যা করবেন, এই মানসিকতা কিন্তু এত সহজে তৈরি হয়না। তাহলে কোন ফোর্সকেই কোন প্রশিক্ষণ দেওয়া লাগতোনা, হাতে অস্ত্র ধরিয়ে দিলেই হত।

দুই

সশস্ত্র বাহিনীর অফিসারদের নিয়ে অনেকেরই ধারনা তারা স্বল্প শিক্ষিত । এই ধারনাটা একেবারেই অমূলক । প্রথমত, সেনাবাহিনীতে মোটামুটি দুই ধরনের কমিশন্ড অফিসার রয়েছেন; লং কমিশন্ড(দীর্ঘ মেয়াদি) এবং শর্ট কমিশন্ড(স্বল্প মেয়াদি) অফিসার। লং কমিশন্ড অফিসাররা এইচ এস সি পরীক্ষার পরে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদান করেন। দুই বছর সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারে বি এস সি/ বি এ পড়াশোনা করেন এবং তৃতীয় বছর শেষে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেন। আবার উক্ত অফিসারদের মধ্যে যারা বিভিন্ন টেকনিক্যাল কোরে যান(যেমন ই এম ই, ইঞ্জিনিয়ার্স, সিগন্যালস ইত্যাদি) তাদেরকে পরবর্তীতে বুয়েট বা এম আই এস টি তে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করতে হয়। আর এয়ার ফোর্স,নেভীর অফিসারদের বুয়েট বা এম আই এস টিতে পড়া আবশ্যিক; যেহেতু, তাদের পেশাটাই টেকনিক্যাল। আর যারা শর্ট কমিশন্ড অফিসার তারা উচ্চশিক্ষা গ্রহনের পর সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদেন এবং তারা সরাসরি লেঃ/ক্যাপ্টেন পদবীতে যোগ দেন।

আপনাদের একটি প্রশ্ন করি; একজন চিকিৎসক কি এম বি বি এস পাশ করার পর মেডিক্যাল রিলেটেড কোর্স করবেন নাকি তিনি বিজনেস বা ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়বেন ? আপনাদের উত্তর অবশ্যই হবে ‘মেডিক্যাল রিলেটেড’, তাহলে বলুন একজন সামরিক অফিসার কেন সামরিক বিষয়ে কোর্স না করে অন্যান্য বিষয়ে পন্ডিত হবেন ? আমাদের চাকুরীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়াশোনা এবং কোর্স করতে হয় দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন সামরিক প্রতিষ্ঠানে। এবং আমাদের বিভিন্ন কোর্স আছে যা আন্তর্জাতিক মানের এবং সামরিক অফিসারদের পাশাপাশি অনেক বেসামরিক অফিসার যেমন পুলিশ অফিসার, সরকারী অফিসার তাতে অংশগ্রহণ করেন। সুতরাং আপনারা অবশ্যই বুঝতে পারছেন যে একজন সামরিক অফিসার মোটেই স্বল্প-শিক্ষিত নন ।

তিন

আমাদের আরেকটি ভুল ধারনা এই যে আমরা বিনামূল্যে খাচ্ছি, ফ্রি বাসায় থাকছি এবং বিনামূল্যে সরকারি গাড়ি ব্যাবহার করছি।

প্রথমেই খাওয়ার ব্যাপারে আসা যাক । সশস্ত্র বাহিনীতে একজন সৈনিক থেকে শুরু করে একজন জেনারেল সাহেব পর্যন্ত সবাই তার নিজের, স্ত্রীর এবং ১৮ বছরের নিচের সন্তানদের জন্য নির্দিষ্ট হারে রেশন(চাল,ডাল, আটা, তেল, চা,চিনি) পান । তবে এক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য হল সৈনিক থেকে জেসিও পর্যন্ত যারা ব্যারাকে থাকেন তারা নিজেদের রেশন বিনামূল্যে পান এবং তাদের পরিবারের রেশন ভর্তূকি মূল্যে ক্রয় করেন আর , অফিসাররা তাদের নিজের সহ পরিবারের সম্পূর্ন রেশনটাই ভর্তূকি মূল্যে ক্রয় করেন । আর যে সব সৈনিক /জেসিও ব্যারাকে থাকেন তারা তার নিজের খাবার(মাছ, মাংশ, শাকসব্জী) বিনামূল্যে পেয়ে থাকেন আর যে সব সৈনিক /জেসিও তাদের পরিবার নিয়ে ক্যান্টনমেন্টে থাকেন তাদের নিজের টাকায় বাজার করে খেতে হয়। অফিসাররা ব্যারাকে থাকেন না, অবিবাহিত অফিসাররা অফিসার্স মেসে থাকেন আর বিবাহিত অফিসাররা সরকারি বাসায় থাকেন। এবং তাদেরও সবকিছু বাজার করেই খেতে হয়। অবিবাহিত অফিসাররা মাস শেষে মেসে খাবারের বিল পরিশোধ করেন। উদাহরণ স্বরূপ আমার নিজের প্রতি মাসে গড়ে ৬-৭ হাজার টাকা মেস বিল পরিশোধ করতে হয়, যেখানে বাইরে ৬-৭ হাজার টাকায় একটা পরিবারের খাওয়ার খরচ হয়ে যায়।

একজন সরকারী অফিসার যদি সরকারি বাসস্থান না পান, সেক্ষেত্রে তিনি বাড়িভাড়া বাবদ ভাতা পান। এটা বিবাহিত-অবিবাহিত সব অফিসারের জন্যই। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে শুধু বিবাহিত অফিসাররাই বাসা না পেলে বাড়ীভাড়া বাবদ ভাতা পান আর অবিবাহিত অফিসাররা যেহেতু মেসে থাকেন তারা কিছুই পাননা। মেসে কিন্তু এক রুমে দুই জন/তিন জন থাকতে হয়।

এবার আসি গাড়ীর ব্যাপারে । সোমবার ছাড়া সপ্তাহের যে কোন দিনে একজন অফিসার বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে যেমন, বাসা থেকে অফিস যাওয়া, বিভিন্ন সরকারী কাজে অন্যান্য সংস্থার অফিসে যাওয়া বা যে কোন সরকারী কাজে সরকারী গাড়ী(মিলিটারি জীপ) ব্যবহার করতে পারেন। আপনারা অনেক সময় বাইরে অফিসারদের পরিবারকে সরকারী গাড়ী ব্যবহার করতে দেখে ধারণা করেন এটা বোধহয় অন্যায্যভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আসল ঘটনা কিন্তু মোটেও সেটা নয়। একজন অফিসার( ২লেঃ থেকে লেঃ কর্ণেল পর্যন্ত) সপ্তাহে একদিন সরকারী গাড়ী নিজের ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারেন; তবে এজন্য তাকে ব্যাবহার অনুযায়ী (কিঃমিঃ হিসাবে) নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পরিশোধ করতে হয়। তবে কর্ণেল এবং তদোর্দ্ধ পদবীর জন্য মিলিটারি জীপের পাশাপাশি একটি সেডান(এক্স করলা, জ্যারিস, মিতশুবিশি ল্যান্সার ইত্যাদি) ব্যাক্তিগত ব্যাবহারের জন্য পেয়ে থাকেন । বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ তাদের নিয়োগ অনুযায়ী জীপ(টয়োটা প্র্যাডো, নিশান)ইত্যাদি পেয়ে থাকেন(ব্রিগেডিয়ার এবং তদোর্দ্ধ পদবী)। তবে ব্যাক্তিগত কারনে গাড়ি ব্যবহার করলে তার জন্য অফিসারকে বিল পরিশোধ করতে হয়।

পাঠকগণ, আপনাদেরকে একটা কথা বলি, একজন মেজর পুলিশের একজন এস পির সমতুল্য পদবির। একজন এস পি কিন্তু সেনাবাহিনীর জেনারেলদের সমমানের গাড়ি ব্যবহার করেন তার প্রশাসনিক এবং ব্যাক্তিগত কাজের জন্য। এটা তিনি তার পদাধিকারে লাভ করেন। এরপরও কি আপনারা একজন মেজর সাহেবের পরিবারকে বহনকারী গাড়ি দেখে উলটাপাল্টা ভাববেন? যেখানে সমমর্যাদা সম্পন্ন হয়েও একজন মেজর ব্যাবহার করছেন সামরিক নন-এসি ল্যান্ড রোভার জীপ( মূল্য-১৬০০০০০৳) আর একজন এস পি ব্যবহার করছেন পাজের, নিশান,হিল্যাক্স এর এসি জীপ সর্বোক্ষণের জন্য(মূল্য-৪০০০০০০-১০০০০০০০৳)।

চার

আপনাদের সশস্ত্র বাহিনীর পদবি এবং তাদের পদমর্যাদা সম্পর্কে কিছু ভ্রান্ত ধারণা আছে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে তিনটি শ্রেনী রয়েছে, আর তা হল, সৈনিক, নন কমিশন্ড অফিসার(তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা), জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার(দ্বিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা) এবং কমিশন্ড অফিসার(প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড কর্মকর্তা)। নিচে সশস্ত্র বাহিনীর পদ সমুহ দেয়া হল।

কমিশন্ড অফিসারদের পদবী সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌ বাহিনী এই ক্রমে দেয়া হলঃ

১। ২ লেফটেন্যান্ট, পাইলট অফিসার, অ্যাক্টিং সাব লেফটেন্যান্ট

২। লেফটেন্যান্ট, ফ্লাইং অফিসার, সাব লেফটেন্যান্ট

৩।ক্যাপ্টেন, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট, লেফটেন্যান্ট

৪। মেজর, স্কোয়াড্রন লিডার, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার

৫।লেফটেন্যান্ট কর্ণেল, উইং কমান্ডার, কমান্ডার

৬। কর্ণেল, গ্রুপ ক্যাপ্টেন, ক্যাপ্টেন

৭। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, এয়ার কমোডর, কমোডোর

৮। মেজর জেনারেল, এয়ার ভাইস মার্শাল, রিয়ার অ্যাডমিরাল

৯। লেফটেন্যান্ট জেনারেল, এয়ার মার্শাল, ভাইস অ্যাডমিরাল

১০। জেনারেল, এয়ার চিফ মার্শাল, অ্যাডমিরাল

১১।ফিল্ড মার্শাল, মার্শাল অব দ্যা এয়ার ফোর্স, অ্যাডমিরাল অব দ্যা ফ্লিট





এবার জানা যাক ‘ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স’ অনুযায়ী কার অবস্থান কোথায়।

‘ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স, বাংলাদেশ

১। প্রেসিডেন্ট

২। প্রধানমন্ত্রী

৩। স্পিকার

৪। প্রধান বিচারপতি, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট

৫। ক্যাবিনেট মন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলীয় নেতা , চিফ হুইপ

৬। মন্ত্রী সমমানের কিন্তু ক্যাবিনেটবিহীন, ঢাকা সিটি কর্পোঃ মেয়র

৭। বাংলাদেশে নিযুক্ত কমনওয়েলথ অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত

৮। প্রজাতন্ত্রীয় মন্ত্রী, হুইপ, বিরোধী দলীয় উপনেতা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্ট জাজ(অ্যাপিলেট ডিভিশন)

৯। নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্ট জাজ (হাইকোর্ট ডিভিশন)

১০। উপমন্ত্রী

১১। বাংলাদেশে নিযুক্ত এনভয়বৃন্দ, উপমন্ত্রীর স্ট্যাটাসভুক্ত ব্যাক্তি

১২। ক্যাবিনেট সচিব, সরকারের প্রধান সচিব। সেনা,নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান

১৩। জাতীয় সংসদের সদস্যগণ

১৪। ভিজিটিং অ্যাম্বাস্যাডরবৃন্দ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নহেন এমন হাই কমিশনার

১৫। এটর্নি জেনারেল, গভর্ণর(বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক)

১৬। সরকারী সচিববৃন্দ, সামরিক বাহিনীর মেজর জেনারেল এবং তার সমতুল্য পদবী, পুলিশের মহাপরিদর্শক(আই জি পি)

১৭। এন এস আই এর ডিজি, জাতীয় প্রফেসরস, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিবৃন্দ

১৮। ঢাকা বাদে অন্যান্য সিটি কর্পোঃ এর মেয়রসমূহ(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকায়)

১৯। অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল,সরকারের অতিরিক্ত সচিববৃন্দ, প্রধান পরিচালক(দুর্নীতি দমন কমিশন), রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টরবৃন্দ, ইউনিভার্সিটি প্রফেসরবৃন্দ( সিলেকশন গ্রেড)

২০। বাংলাদেশ বিমানের এম ডি, পি এস সি সদস্যবৃন্দ, জাতীয় কমার্শিয়াল ব্যাংকের এমডি

২১। পুলিশে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক, ডিজি( আনসার ও ভিডিপি),ডিজি(ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স), সশস্ত্র বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও তার সমতুল্য পদবী,সরকারের যুক্তসচিববৃন্দ, বিভাগীয় কমিশনার(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকায়), সার্ভেয়র জেনারেল

২২। সরকারের যুক্তসচিববৃন্দের সমতুল্য পদবি, বিভাগীয় কমিশনার(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকার বাইরে), পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকায়),কারা মহাপরিদর্শক, সশস্ত্র বাহিনীর কর্ণেল ও তার সমতুল্য পদবী

২৩। ঢাকা বাদে অন্যান্য সিটি কর্পোঃ এর মেয়রসমূহ(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকার বাইরে), অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকায়)

২৪। নির্বাচিত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন জেলায়), ডেপুটি কমিশনার অব ডিস্ট্রিক্ট(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন জেলায়), পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকার বাইরে), ডিস্ট্রিক্ট ও সেশন জাজ(তার নির্দিষ্ট দায়িত্বের মধ্যে), সশস্ত্রবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ও তার সমপদবী

২৫। সরকারের উপসচিব, প্রথম শ্রেনীর পৌরসভার চেয়ারম্যান(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন পৌরসভায়), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন উপজেলায়), সিভিল সার্জন (তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকায়),পুলিশের এস পি(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকায়), সশস্ত্রবাহিনীর মেজর ও তার সমতুল্য পদবী



আমি আশা করি এতক্ষণে আপনারা সশস্ত্র বাহিনীর মেজর ও তদোর্ধ ব্যাক্তিবর্গের অবস্থান বুঝতে পেরেছেন। এই ‘ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স’ এ অনেক বেসামরিক নিয়োগ বা পদ আমি উহ্য রেখেছি আপনাদের সুবিধার্তে। আপনারা একটু খেয়াল করলে দেখবেন কিছু বেসামরিক কর্মকর্তা তার দায়িত্বপূর্ন এলাকায় বেশী অধিকার ভোগ করেন আবার তার দায়িত্বপূর্ন এলাকার বাইরে কিছু কম অধিকার ভোগ করেন ।

আপনারা হয়ত চিন্তা করছেন তাহলে ক্যাপ্টেন এবং তার নিম্নস্থ পদবীর অবস্থান কোথায়? ‘ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স’ এ তাদের অবস্থান দেয়া নেই, কিন্তু বিভিন্ন জরুরী মুহুর্তে যেহেতু , সামরিক এবং বেসামরিক অফিসারগণ কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেন তাই তাদের অবস্থান দেয়া হলঃ

১। পুলিশের এডিশনাল এসপি(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকায়), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তার সমতুল্য পদবী, ম্যাজিস্ট্রেট(সিনিয়র)

২। পুলিশের সিনিয়র এ এস পি(তার নিজ দায়িত্বপূর্ন এলাকায়), সশস্ত্র বাহিনীর লেফটেন্যান্ট ও তার সমতুল্য পদবী,ম্যাজিস্ট্রেট

৩। পুলিশের জুনিয়র এবং প্রবেশনারি এ এস পি,সশস্ত্র বাহিনীর সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট ও তার সমতুল্য পদবী

বলাই বাহুল্য এই কর্মকর্তাগণ সবাই ১ম শ্রেনীর গেজেটেড কর্মকর্তা।



পরিশেষে বলতে চাই, সেনাবাহিনীতে যারা চাকরি করেন তারা আপনাদেরই ভাই, বোন বা আত্নীয়স্বজন। আপনারা বিভিন্ন সঙ্কটের মুহুর্তে আমাদের মিডিয়ার দায়িত্বহীন সংবাদ পরিবেশনে আপনারা অনেক কটু মন্তব্য করেন যা আদৌ বাস্তবসম্মত নয়। যেমন কয়েকদিন পুর্বে কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসার কয়েকজন স্কুলপড়ুয়া ছেলেকে মারায় আপনারা পত্রিকায় অনেক মন্তব্য করেছেন। একটা কথা জেনে রাখুন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যর বিচারের ভার সশস্ত্র বাহিনী নিতে পারে না, কারন তিনি আপনাদেরই মত একজন বেসামরিক ব্যাক্তি। তার জন্য সম্পূর্ন সশস্ত্র বাহিনীকে গালি গালাজ করাটা কতটুকু যুক্তি সঙ্গত।

আমাদের সেনাসদস্যরা কখনো দুর্নীতি করেনা এট আমিবলবোনা। শুধু জেনে রাখুন আমাদের ট্রেনিং থেকে সারাটা জীবন কানের কাছে জীবনের বিভিন্ন মূল্যবোধ সম্পর্কে এত মন্ত্রপাঠ করা হয় যে বিবেক আমাদের সবসময় সক্রিয় থাকে। আমাদের চাকরি বড়ই ঠুনক। বড় অপরাধ করলে আমাদের চাকরি চলে যায়, অন্য ডিপার্টমেন্টের মত শুধু সাসপেন্ড করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনা। সেনাবাহিনীর অফিসারগণ বিশ্বস্ত বলেই সরকার তাদেরকে বিভিন্ন বেসামরিক পদে নিয়োগ দিচ্ছেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অনেক বদগুন আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলাম যা আজ আধুনিকতা ও পেশাদারিত্বের কারনে আমাদের মধ্য থেকে বিদায় নিয়েছে এবং আরও নিবে। আমরা দেশ, সার্বভৌমত্ব ও জনগনের সেবক, এবং এ জন্য আমরা গর্বিত।

বিঃদ্রঃ আমার পোস্টের বানান নিয়ে প্লিজ কেউ মন্তব্য করবেন না। আমি আগেই বানান এবং ব্যাকরণগত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থণা করছি। আপনারা আরও কোন তথ্য জানতে চাইলে মন্তব্যে লিখতে পারেন। আর প্লিজ তাল গাছটা আমার জাতীয় যুক্তি কেউ দেখাবেননা। গঠন মূলক যুক্তি গ্রহনীয়।

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৩০/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৯

ইলিয়াস রিসাত বলেছেন: লেখাটা আমার অনেক কারণেই ভাল লেগেছে। আমরা সব সময় যে যে যার যার জায়গা থেকে একে অপরের পেশা কে অপমান করে থাকি যার কারণে মন্তব্যগুলো খুবি ব্যক্তিগত পর্যায়ে রয়ে যায়।সব পেশার কার্যকারিতা আমাদের বুঝা উচিৎ এবং সম্মান করা উচিৎ।

২| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:০১

অনিমেষ হৃদয় বলেছেন: দারুণ পোস্ট!! সোজা প্রিয়তে!!

আপনি যেহেতু ডিফেন্সে আছেন, অফটপিকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করি।

আমার ছোটভাইর এয়ারফোর্সে যাওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল, ও এবার এইচ.এস.সি. পাশ করেছে। জুলাই মাসে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের জন্যে পরীক্ষাও দিয়েছিল, কিন্তু রিটেনে টিকে মেডিকেলে বাদ পড়েছে ওর চোখ আর উচ্চতার কারণে(৫ ফুট ৪ ইঞ্চি)। এরপর থেকে তো বেচারার নাওয়া-খাওয়া ছাড়ার অবস্থা, সে এয়ারফোর্স বা আর্মিতে যাবেই, নইলে কোথাও ভর্তি হবেনা! এই ডিসেম্বরে আবার পরীক্ষা দিবে।

ও চোখে অলরেডি কন্ট্যাক্ট লেন্স লাগিয়েছে। কিন্তু ভয়ে আছে হাইটের কারণে আবার না বাদ পড়ে! আমাদের হিসেব অনুযায়ী কিন্তু ওর হাইট ১৬৩ সেমি বা ৬৪ ইঞ্চি ঠিক আছে, তবে ও বলল মেডিকেলে পরীক্ষায় নাকি সবার হাইট-ই দেড় ইঞ্চির মতো কমিয়ে ধরে! তাই ওর হাইট দেখিয়েছিল ৬৩ ইঞ্চি।

আপনার কাছে জিজ্ঞাসা, এর কি কোন অল্টারনেটিভ আছে? বিমান বাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর ছাড়া অন্য কোর, যেমন অ্যাডমিন, লজিস্টিকস ইত্যাদিতেও কি উচ্চতা নিয়ে এধরনের সমস্যা হবে? কিংবা আর্মিতে যদি ইএমই, ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জন্যে পরীক্ষা দেয়, তাতেও কি একই সমস্যা?

০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫২

এস এম এম হাসান বলেছেন: ভাই, অনেক ধন্যবাদ। মেডিকেল করার সময় যেটা মাপে ওটাই সাধারনত ঠিক। আমিও একটি অফ টপিকের কথা বলি। আপনার ভাই যদি ভাল রেজাল্ট করে থাকে তাকে বাইরে অবশ্যি চেষ্টা করতে বলুন। কারন অনেকেই সশস্ত্র বাহিনীতে আসার পরে সীমিত বেতন দেখে আর পছন্দ করতে পারেনা।
আর হাইটের ব্যাপারটা সব ক্ষেত্রেই এক।

৩| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:০৭

রাজীব বলেছেন: শোকেসে সাজিয়ে রাখার মতো একটি পোস্ট।
প্রিয়তে রাখলাম।

জনগনের বিপদে সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগনের পাশে থেকেছে। এই কিছুদিন আগেও ১/১১ এর সময় জনগন অপেক্ষায় ছিল ও অনেকেই বলতো আর্মি এখনো ক্ষমতা দখল করছে না কেন? কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী শেষ পর্যন্ত এলেও তারা কিন্তু সরাসরি নিজেরা না এসে বেসামরিক লোকের অধীনে কাজ করেছে।

মুক্তিযুদ্ধ, সিপাহী-জনতার বিপ্লব থেকে ১/১১ সবসময় কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী জনগনের সাথে ছিল।

এখনকার পুলিশ, ডিবি, যে পরিমান দুর্নীতিতে জড়িত সশস্ত্র বাহিনী কিন্তু তার শতভাগের একভাগ দুর্নীতিতে জড়ায়নি। তবে জাতি হিসেবে আমাদের কিছু সমস্যা আছে। সবকিছুতেই আমরা সুযোগ পেলেই চুরি করতে চাই। সশস্ত্র বাহিনীও এর উর্ধে নয়। তবে তাদের দুর্নীতি অনেক কম।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪৩

এস এম এম হাসান বলেছেন: Thank u brother for the comment. I agree with you.

৪| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:০৯

মৃগয়া বলেছেন: শোকেসে রাখলাম।

৫| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৮

তৌফিক জোয়ার্দার বলেছেন: অনেক ভাল লাগল। অনেক কিছু জানলাম।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৩

এস এম এম হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৬| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৮

সাধারণমানুষ বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্ট টা ........শোকেসে তুলে রাখলাম।

৭| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৯

ইসাকুল বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে। ছোটবেলা আমারও ভুল ধারনা ছিল কিন্তু আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ভর্তি হবার পর ধারনা বদলে গেছে। সামরিক বাহিনীতে যে কষ্ট, সাধারন মানুষ তা কল্পনাও করতে পারেনা।তাদের দেশপ্রেম অনুকরণীয়। আফসোস। আমাদের সামরিক বাহিনীর বাইরে অনেক সুনাম হলেও দেশের মানুষের কাছে তারা প্রাপ্য সম্মানটুকু পায় না ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৫

এস এম এম হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:২৪

জীবন্মৃত০১ বলেছেন: একবার পড়লাম। খুব সুন্দর লিখেছেন। আবারও পড়তে হবে। তাই প্রিয়তে রাখলাম।

৯| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৩

নেকা বলেছেন: আপনার পোস্ট ফেসবুকে সেয়ার করলাম। আমার ফ্রেন্ডের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যান-

১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২২

এস এম এম হাসান বলেছেন: না ভাই, ওনার ধারনা সঠিক নয়। আমার বাবা আর্মিতে ছিলেন। ওনার বাবা(আমার দাদা) জন্মের ১ মাস আগে মারা যায় এবং ওনার কোন আপন মামাও ছিলেননা। আমার আত্নীয় স্বজনদের মধ্যে কোন আর্মি পারসন নাই। আমার বাবা ১৯৯৭ সালে ওয়ারেন্ট অফিসার পদ থেকে অবসর নেন। আর আমি ২০০৭ সালে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেই। তাহলে আপনি এখানে স্বজনপ্রিতি হয়েছে কিনা বলুন। আর অফিসার পদে যোগ দিতে হলে প্রিলিমিনারি ভাইভা, প্রিলিমিনারি মেডিকেল,লিখিত পরিক্ষা পাশ করে অতঃপর আইএস এস বি দিতে হয়। এতগুলা ফিল্টার এর মধ্যে দিয়ে কাউকে অবৈধভাবে আসতে হলে তাকে কতগুলা লোককে ধরতে হবে? শুধু আই এস এসবিতেই কমপক্ষে ৭-৮ জন অফিসার প্রার্থীকে আলাদাভাবে বিভিন্ন পরিক্ষা নেয়। এবং এই অফিসারগুলা কিন্তু তার আই এস এসবি গ্রুপিং অনুযায়ী হবে। আর গ্রুপিং ঠিক হবে, প্রার্থীর আই এস এসবি র প্রাথমিক আই কিউ টেস্ট এর রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে। so no chance!! আর সৈনিক রিক্রুটমেন্টের সময় বাইরের একশ্রেনির দালাল আছেন যারা প্রতারণা করেন এই বলে যে, তাদের ভিতরের অফিসার দের সাথে লিঙ্ক আছে(আদৌ নেই)। তারা টাকা নেয় এবং কেউ তার নিজ যোগ্যতায় চান্স পেলে বলে যে ,তার তদবিরে চান্স পেয়েছে। আর না পেলে প্রার্থীর কোন অসমর্থতা দেখায়।এই সব ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থার লোক উপস্থিত থাকে। তারা অন্য কিছু না করতে পারলেও সেনাসদস্যদের কাজ কর্মের রিপোর্ট খুব ভাল দিতে পারে।
আর বর্তমানে চাকরিরজন্য এত প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীদের সুপারিশ থাকে তাই এটা খুবই কঠিন কাজ। জানেনতো ,যিনি প্রেসিডেন্টের বাসায় রান্না করেন তিনিও প্রেসিডেন্টের মতই ক্ষমতাবান (হা হা)।

১০| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:১৬

ইমরান০০৭ বলেছেন: জেনে নিন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে কিছু জানা অজানা তথ্য – ৪

সেনাবাহিনী নিয়ে একটি ধারাবাহিক পোষ্ট দিয়েছিলাম চার পর্বে, তার লিঙ্ক দিলাম।পড়ে দেখতে পারেন। আপনার পোস্টের জন্য অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ।এছাড়া ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স সংক্রান্ত একটি পোষ্টরও লিঙ্ক দিলাম
দরকারী পোস্ট- জেনে নিন ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী দেশের সকল সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তার তুলনামূলক পদমর্যাদা :-B

আরও লিখুন দয়া করে । প্রচলিত ভুল ধারনাগুলো এভাবেই হয়ত কিছুটা হলেও দূর করা সম্ভব হবে । অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

১১| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৬

০৯১১ বলেছেন: dear writter,
can i have ur email id ?? plz reply me [email protected]
thanks

১০ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫০

এস এম এম হাসান বলেছেন: [email protected]

১২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৪৭

নেমলেসবেসট বলেছেন: ভাই নেকা ,আমার দাদা একজন কষক ছিলেন। আমার বাবা আজ সেনাবাহিনীর একজন বিগে্ডিয়ার।আপনি কি উওর পেয়েছেন

১৩| ১০ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৭

সেক বলেছেন: ভাল লাগল

১৪| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৯

আবদুল্লাহ্‌ আল্‌ মামুন বলেছেন: দারুন ভাই । প্রিয়তে রাখলাম । আমার খুব ইচ্ছা ছিল .... সেনাবাহিনীতে যোগদেয়ার । কিন্তু বাই ডিফল্ট আমি আবেদনই করতে পারিনি ।


যে যাই বলুক... আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ভালবাসি । গর্বও করি ।


শৃংখল একটা বাহিনী ।

১৫| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৪৪

আমি ছড়াকার বলেছেন:
অনেক ভাল লাগল আর অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ। :)

১৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:১১

মেঘেরদেশ বলেছেন: ভাল লাগল। দূর থেকে অনেক কিছুই ভাবা যায় :)

১৭| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩৭

উচ্চশিক্ষায় অশিক্ষিত বলেছেন: পড়লাম ,আইনে অনেক কিছুই লেখা থাকে , বাস্তবে তার কতটুকু পালন করা হয়।

তারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারে বি এস সি/ বি এ পড়াশোনা করেন এবং তৃতীয় বছর শেষে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেন

যেকোন বি এস সি ডিগ্রী নিতে চার বছর সময় লাগে , সেখানে আর্মীদের কেনো তিন বছর , তারা কি এক্সট্রা অরডিনারী কিছু যে চার বছরের জিনিস তিন বছরে শেষ করে ফেলে?
নাকি সমাজের কাছে তাদের শিক্ষিত বুদ্ধিমান হিসেবে প্রকাশ করতে হবে এই উদ্দেশ্যে তিন বছর সময় নিয়ে একটা সার্টিফিকেট দেয়া হয়?

আজ পর্যন্ত যত সামরিক অফিসার দেখেছি ,সবার ছেলে মেয়ে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশুনা করে যেটা অবশ্যই ব্যয়বহুল , , পরিবারের সবাই যাতায়াতে গাড়ি ব্যবহার করে , তাদের স্ত্রীরা বসুন্ধরায় শপিং করে । আচ্ছা এই গাড়ি এই টাকা কোথা থেকে আসে ? নাকি আর্মী অফিসারদের পরিবারের জন্যও সরকারী টাকায় গাড়ি সহ গাড়ির তেল কেনা হয় ?

আর নিচে একটা লিঙ্ক দিলাম , এ বিষয়ে আপনার কি মতামত?

Click This Link

১৮| ২৬ শে জুন, ২০১২ দুপুর ২:১২

মানবিক ৩০ বলেছেন: সামরিক বাহিনী বেশি করে গাছ লাগাক

১৯| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩৪

ইসপাত কঠিন বলেছেন: উচ্চশিক্ষায় অশিক্ষিত ভাই, অনার্স আর ডিগ্রী পাস কোর্সের সময়কালের পার্থক্য আপনি কি জানেন। জানলে এই মন্তব্য করতেন না।

আপনার কি ধারনা সামরিক বাহিনীতে শুধুমাত্র অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তানরা যায়? তাহলে গাড়ী ব্যাবহার, সন্তানদের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ানো টাইপ প্রশ্নের উত্তর পাবেন। আর জাতিসংঘের বেতনের কথাও ভুলে যাবেন না। জাতিসংঘে একজন অফিসার নিয়োগভেদে ২০ লাখ থেকে ৪৮ লাখ টাকা ১ বছরে আয় করে।

আর আপনি যে লিংক দিয়েছেন, তার লেখককে বলুন সামরিক শাসন বাদে প্রত্যেকটি অভিযোগের ১টি ১টি করে specific উদাহরন দিতে। ইনশা-আল্লাহ জবাব দিব। তবে হ্যাঁ, কেউ কেউ ২ নাম্বারী ঠিকই করে। এরা সংখ্যায় নগন্য। ধরা পড়লে জেলসহ বাড়ীও যায়। এই অল্প কয়েকজনের জন্য সবাইকে নিয়ে দয়া করে বাজে কথা বলবেন না।

২০| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:৩৯

জুয়েল বলেছেন: দরকারি পোস্ট। সশস্ত্রবাহিনী সম্পর্কে অনেকের মধ্যেই ভুল ধারণা রয়েছে যা দূর করা দরকার।

২১| ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৭

আরিফ আরাফাত রুশো বলেছেন: যে অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তারা স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের মারধোর করেছে,তার ডিটেইল পড়ে আমি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আপনার কথা মত তারা যেহেতু অবসরপ্রাপ্ত তাই তারা সিভিলিয়ান,মানলাম তাদের বিচারের দায়িত্ত আপ্নারা নিতে পারেন না।কিন্তু আপনাদের বর্তমান অফিসার রা তাদের প্রাক্তন সিনিওরদের সম্মানে যে এই কেস এ ভাল কোন একশন নিতে বাধা তোইরী করবেন না তার গ্যারানটিও তো থাকতে হবে তাই না।

২২| ১১ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৪১

নিঃসঙ্গ অভিযাত্রিক বলেছেন: আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন প্রকৌশল ও জিবপ্রযুক্তি বিভাগে পড়ি। আমার পক্ষে কি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অফিসার পদে যোগ দেওয়া সম্ভব? আমার বিষয়টা কিছুটা মেডিক্যাল সম্পর্কিত। কিন্তু আমার খুব ইচ্ছা সেনাবাহিনীতে থেকে আমার বিষয় নিয়ে কাজ করার। সেটা সম্ভব কিনা জানতে চাই।

২৩| ২১ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৪

সাইফুল আল খান বলেছেন: ভাল পোস্ট

২৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৪

দর্পন বলেছেন: আপনার এই পোস্ট , সেনানাহিনীর শৃঙ্খলা বিরোধী ।

২৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩০

বোকামন বলেছেন: মনোযোগ সহকারে পড়লাম, বেশ কিছু জানলাম

তথ্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ

ভালো থাকবেন

২৬| ৩১ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:৩৯

কাওছার ঠাকুরগাঁও বলেছেন: বাঙ্গালী জাতিকে সারাদিন নামতা পড়ালেও কিছু বুঝবেনা, কারণ সময় পরিবর্তনশীল, নতুন চাকরীজীবির পাশাপাশি নতুন প্রশ্ন কারীর সংখ্যাও অনেক

২৭| ৩১ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:৫০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: সেনাবাহিনী আমাদের গর্বের ধন। গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এই বাহিনীর প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম।

২৮| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৬:৩২

মোঃ নূরুল আমিন বলেছেন: এবার আর বেতন কম এটা বলতে পারবে না । শুধুমাত্র অফিসারদের যত বৎসর চাকরি ততটা ইন্ক্রিমেন্ট । জে সি ও আর সার্জেন্টের গ্রেড আপের নামে বেতন কমিয়ে দেওয়া হলো । একজন সার্জেন্টের গ্রেড আপ করাতে ২০ টাকা মুল বেতন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় কিন্তু বিনিময়ে টিফিনের ২০০ টাকা আর যাতায়াত ভাতা ৩০০ টাকা মোট ৫০০ টাকা কমিয়ে দেওয়া হল । সার্জেন্ট তুই সেকেন্ড ক্লাস গুলে পানি খা বাজার করে খাওয়া লাগবে না ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.