নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নাম বলবো না

পরে বলবো, এখন সময় নাই, অনেক কাজ হাতে...।

নাম বলবো না › বিস্তারিত পোস্টঃ

পরামর্শ চাই!!!!

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:১৮

মা বড় ডাক্তার, সারাদিন-রাত হাসপাতালে মানুষের সেবা করতে ব্যাস্ত, বাবা একটি বড় কোম্পানীর বড় কর্মকর্তা, পাশাপাশি পরকিয়াতে মত্ত।

এই পরিবারের দুইটি সন্তান, বড়টি মাত্র ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হয়েছে, ছোটটা হাইস্কুলে যায়।

বাবার পরকিয়া ধরা পড়ার পর থেকে বড় মেয়েটি উল্টোপাল্টো কাজ শুরু করেছে, ঐশীর মত কিছু করে ফেললেও অবাক হবোনা।

আমি তাদের খুব কাছের আত্নীয়, কিন্তু সরাসরি কোন উপকার করতে পারছিনা, দেশে থাকলে হয়তো মেয়েটাকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসতাম, এখন তাও সম্ভব হচ্ছেনা।

মা ঢাকার বাহিরে থাকেন, বাবার বাসায় থেকে মেয়েটি কলেজে যায়।মা তার হাসপাতালের বাহিরে কিছুই ভাবতে চাননা, আর বাবাতো বাবা-ই।



কি করলে মেয়েটিকে ভালোভাবে মানুষ করা যেতে পারে বা বাজে পথ থেকে ফিরিয়ে আনা যেতে পারে- কোন ব্লগার ভাই-বোন যদি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করতেন খুব খুশী হবো।

দয়া করে কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:৩৪

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: সমস্যার গোড়ায় হাত দেন।

মা ঢাকার বাইরে থাকে কেন? ক্যারিয়ারের জন্য? পরিবারের চেয়ে ক্যারিয়ার বড়?

মা বাইরে থাকলে বাপের যৌন চাহিদা মিটবে কিভাবে? মায়ের যৌন চাহিদাই বা মিটবে কিভাবে? দু'জন মানুষ দূরে থাকার কারণে তাদের মানসিক দূরত্ব তৈরী হচ্ছে না? দু'জনের মধ্যে যে ভালবাসার বন্ধন সেটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে না? আল্লাহ তা'লা কি এমনি এমনি বিয়ের বিধান দিয়েছেন? পরস্পরের যে হক্ব, সেটা পূরণের ব্যাপারতো আছে, নাকি?

আগে ঐটা সমাধান করেন, নয়ত পরিবার উচ্ছন্নে যাবে, সেটাই স্বাভাবিক।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:১১

নাম বলবো না বলেছেন: মা ঢাকার বাহিরে থাকেন ক্যারিয়ারের জন্যই। উনি মানুষের সেবা করার জন্য সদা প্রস্তুত, চেম্বারে উনি ফ্রি সার্ভিস দেন, যাদেরকে চার্জ করেন তারা সবাই বেশ ধনী। মানুষ হিসেবে তিনি অসাধারন, আমার দেখা দুনিয়ার সেরা মানুষদের একজন।
ঢাকায় থাকলেও উনি রুগী আর হাসপাতাল নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন। ওদেরকে আমি হেল্প করতে চাচ্ছি, কিন্তু তারা আমার সিনিয়র, তাই আপনার উল্লেখিত চাহিদার বিষয়টা তাদেরকে আমার পক্ষে বলা সম্ভব হচ্ছেনা বলে সরি।

২| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৪৩

এম আর ইকবাল বলেছেন: পরিবারের সুদৃড বন্ধন হচ্ছে শান্তির র্পূবকথা,
তবে যারা বিদেশে থাকে সে জায়গায় ?
সেখানে নারীর (মায়ের) ভূমিকা হচ্ছে বড় ।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:১৩

নাম বলবো না বলেছেন: "এম আর ইকবাল বলেছেন: পরিবারের সুদৃড বন্ধন হচ্ছে শান্তির র্পূবকথা" - সেই জিনিসটাই তারা বুঝতে চান না।

৩| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:০১

রাজীব বলেছেন: ইসলাম খুব খারাপ কারন ইসলাম বহু বিবাহের অনুমতি দেয়।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:১৩

নাম বলবো না বলেছেন: আপনার কথা বুঝতে পারলাম না বলে দুঃখিত।

৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ ভোর ৬:০৬

কাকপাখি ২ বলেছেন: নামাজ কালাম পড়ার উৎসাহ দেন, কাজে দিবে ইনশাআল্লাহ।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:১৫

নাম বলবো না বলেছেন: মেয়েটিকে নামাজ পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি, দুইদিন ভালোভাবে চললেও পারিপার্শ্বিক অবস্থার জন্য আবার উল্টো-পাল্টা হয়ে যাচ্ছে।

৫| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৮:০২

বটের ফল বলেছেন: মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: সমস্যার গোড়ায় হাত দেন।

মা ঢাকার বাইরে থাকে কেন? ক্যারিয়ারের জন্য? পরিবারের চেয়ে ক্যারিয়ার বড়?

মা বাইরে থাকলে বাপের যৌন চাহিদা মিটবে কিভাবে? মায়ের যৌন চাহিদাই বা মিটবে কিভাবে? দু'জন মানুষ দূরে থাকার কারণে তাদের মানসিক দূরত্ব তৈরী হচ্ছে না? দু'জনের মধ্যে যে ভালবাসার বন্ধন সেটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে না? আল্লাহ তা'লা কি এমনি এমনি বিয়ের বিধান দিয়েছেন? পরস্পরের যে হক্ব, সেটা পূরণের ব্যাপারতো আছে, নাকি?

আগে ঐটা সমাধান করেন, নয়ত পরিবার উচ্ছন্নে যাবে, সেটাই স্বাভাবিক।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১২:২৬

নাম বলবো না বলেছেন: হুম, পরিবার আজ উচ্ছন্নে যেতে বসেছে।

৬| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:৪৭

রবিউল ফকির বলেছেন: সত্যি কথা বলতে গেলে বলতে হবে- বড় সন্তানটি ইণ্টারে পরে তার মানে তার বয়স বড়জোর ১৭ তাহলে তার মায়ের বয়স কত? এখন আরো ভাবতে হবে মা একজন ডাক্তার তার মানে সে নিশ্চই স্বাস্থ্য সচেতন। দেখতে শ্রী না হলেও নিশ্চই তার যৌন চাহিদা কমেনি। তা হলে সেই ভদ্র মহিলা কি করে দূরে থাকেন, তবেকি এই মহিলাও পরকীয়া প্রেমে পরেছেন? আর ভদ্রলোকটি বড় একটি প্রতিষ্ঠানে বড় কর্মকর্তা তার মানে তারও দৃষ্টি একটু আধুনিকতো হবেই বটে। তা ছাড়া পুরুষের যৌন চাহিদা থাকে ৬০ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত এখন এই লোক যদি তার যৌন চাহিদা মিটাতে না পারে তা হলে সে কি করবে? তাছাড়া এমনিতেও কিছু পুরুষ আছে বহু নারীতে গমন করে। তার যদি সেই আলুর দোষ থেকেই থাকে তাহলে সব মিলিয়ে পরকীয়া ছাড়া তার কোন গতিই থাকবে না। সর্বোপরি সন্তানদের জীবন ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। এর যথাযথ ব্যবস্থা নিতে গেলে মাকেই বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। মাকে অনেক কিছুই ছাড়া দিতে হয় তার সন্তারদের জন্য। সেই মহিলাও বড়ধরনের ছাড় দিক তার সন্তানের জন্য। নয়তো তার সন্তানরা নষ্ট হয়ে যাবে নিশ্চিত আর যদি মেয়ে হয়ে থাকেন তাহলে দেখা যাবে একেকদিন একে লেছেকে বয় ফ্রেন্ড বানিয়ে তার বাসায় এনে জীবনকে এনজয় করবে, মাদকাশক্ত হবে, অপরাদ জগতে জড়াবে আরো কতকি...........।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৮

নাম বলবো না বলেছেন: প্রথমেই জবাব দিতে দেরী করার জন্য দুঃখিত।
আপনার মূল্যবান বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ডাক্তার মা একেবারে মাটির মানুষ, তার মত ভালো মানুষের দেখা আমি এখনো পাইনি। কিন্তু উনার সংসারের প্রতি উদাসীনতার ব্যামো আছে। উনার মানুষকে সেবা করার কিছু নমুনা: যাকাতের টাকা দিয়ে গরিবদের চিকিতসা করেন, ওষুধ কোম্পানীর কাছ থেকে কোন উপটৌকন না নিয়ে কেবল ফ্রি স্যাম্পল নেন যেটা গরিব রোগীদেরকে দেন, অনেক সময় উনার টাকাটা ছেড়ে দিয়ে হাসপাতালের টাকাটাও কমানোর চেষ্টা করেন। আমি সবসময় দোয়া করি আমার পিচ্চিটা যেন তার মতো ভালো হয়। আমার পক্ষে তার মত ভালো হওয়া সম্ভব নয়।
যৌন চাহিদার বিষয়টা নিয়ে কথা বলা সম্ভব নয়, কিন্ত এইটাও জীবনেরই অংশ।
ঢাকায় পোষ্টিং নিয়ে আসার জন্য বসকে একটু তেলানোর দরকার, কিন্তু উনার দ্বারা তাও সম্ভব নয়, জানেনতো ভালো মানুষদের একটু ত্যাড়া রগ থাকে। বাচ্চাদের কথা চিন্তা করে মা কেই বেশী ছাড় দেয়ার কথা, এবং এটাই ভালো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.