| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বর্গ ও নরক ভ্রমণ করবেন ঈশ্বর, প্রথম ঠিক হলো স্বর্গে যাবেন;
শুভ দিনক্ষণ দেখে জিব্রাইলকে নিয়ে একদিন রওনা হলেন।
‘এ-দিনটির কথা ওরা জানলে হৃদয় খোদাই করে লিখে রাখতো’—
যেতে যেতে বললেন জিব্রাইল;
ঝলমলে হয়ে উঠলেন মহান ঈশ্বর—‘হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিকই বলেছ।’
প্রবেশমাত্র নাক চেপে ধরলেন প্রভু—‘কী ব্যাপার! কোথায় এলে?’
‘কেন!’—বললেন জিব্রাইল—‘আমরা তো স্বর্গেই এসেছি...’
‘দেখো, ভুল করনি তো!’—বিস্ময়ভরা কণ্ঠে ঈশ্বর!
বের হয়ে ভালো করে দেখলেন—হ্যাঁ... এই যে... স্পষ্ট...
স্বর্ণাক্ষরে লেখা ‘স্বর্গোদ্যান’; ফিরে নিঃসংশয়ে জানালেন জিব্রাইল;
‘তাই!’—ঈশ্বরের চোখেমুখে উৎকণ্ঠার ছাপ!
চারপাশ দেখতে দেখতে হেঁটে চলছেন পরম করুনাময়
পেছনে পেছনে নিঃশর্ত-চিরদাস জিব্রাইল।
‘তাহলে এসব কিসের আলামত...’
কিছুটা চড়া গলায় ঈশ্বর—‘তুমি কোনো গন্ধ টের পাচ্ছ?’
‘হ্যাঁ!’—উদ্বিগ্ন চোখেমুখে জিব্রাইল—‘তা-ই তো!’
খেজুরগাছ তলায় দেখেতে পেলেন কুৎসিত এক ভূত
কাছাকাছি যেতে যেতে মনে হল ভূত নয়—
উপর দিকে চেয়ে হা-করে আছে একজন মানুষ
গায়ে তার পিঁপড়ে ও মৌমাছির বাসা;
জিব্রাইল ডাকলেন, সাড়াশব্দ নেই...
আবার ডাকলেন, নাহ্!... কোনো সাড়াশব্দ নেই...
অঃতপর পাছায় এক লাথি মারলেন!
এদিকে লজ্জায় অন্ধ হয়ে আসে ঈশ্বরের চোখ!
এবার নিশ্চুপ বাদশার গল্প বলতে বলতে নরকের পথ ধরলেন
হাঁটতে পারছেন না ঈশ্বর—মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর মত
চোখে নেমে আসে সীমাহীন অন্ধকার।
‘নিজের চোখকেও আমি বিশ্বাস করতে পারছি না...’
ছোট্ট একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন ঈশ্বর!
নমনীয় চোখে তাকালেন জিব্রাইল;
ঈশ্বর নন, এ যেন নদী ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারান দুঃখে
ভেঙে পড়া মানুষের কণ্ঠস্বর—
‘এখানে না আগুন জ্বলার কথা, মিষ্টি বাতাস এলো কীভাবে?’
চারদিকে তাকালেন জিব্রাইল, কী যেন ভাবলেন—
‘হ্যাঁ, কিছুই তো ভালো ঠেকছে না!’
করুণ হয়ে এলো জিব্রাইলের নিস্পাপ মুখখানা।
তেরে নানা তেরে নানা তেরে নানা নানারে...
হৃদয়-উত্তাল ডেউয়ে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লো ঈশ্বর এসেছেন।
অভিবাদন জানালেন সক্রেটিস, অতিথিশালায়
ঝলমলে পোশাকে সজ্জিতা এক রূপসী মদ পরিবেশন করলেন;
সঙ্কোচ কাটিয়ে দ্রুত নিজেকে সামলে নেন ঈশ্বর;
এক এক করে ঈশ্বরের চোখে ভেসে উঠলো এতদিনের স্বপ্নসাধ—
সবকিছু কেমন গোলমেলে, কেমন যেন গোলমেলে মনে হয়!
তিনি এবার যেতে চাইলেন, সবাই ধরল—
না, না হুজুর, তা হয় না, একদিন থাকেন, অন্তত একটা দিন...
এত অনুরাগী দেখে খুশিতে বাকবাকুম ঈশ্বর থেকে গেলেন।
সন্ধ্যায় এক জলশার উৎসবে
ঈশ্বরকে লাল গোলাপের সংবর্ধনা দেয়া হল;
‘চাঁদ বদনি নাচ তো দেখি/ তালে তালে নাচ তো দেখি...’
শ্যাম নাগরের বাঁশির তালে তালে নাচলেন শ্রী দেবী,
রবীন্দ্রনাথ গাইলেন—‘আকাশ জুড়ে শুনিনু
ঐ বাজে ঐ বাজে তোমারি নাম সকল তারার মাঝে...’
প্রাণের আবেশে শিউরে উঠলেন ঈশ্বর, ভিজে এলো চোখ;
জিব্রাইল ঘাবড়ে গেলেন, অপরাধীর মত নিচু গলায় বললেন—
‘হুজুর, আপনি কি এখন যাবেন?’
ভুল করা লোকের মতো চোখ তুলে তাকালেন ঈশ্বর—
‘তুমি এখানকার সাইনবোর্ডটি খুলে স্বর্গে টাঙ্গিয়ে দাও,
স্বর্গের সাইনবোর্ডটি এনে এখানে টাঙ্গিয়ে দাও।’
২|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৯
ইমন কুমার দে বলেছেন: হমম।
৩|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৩
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: chomotkar !!
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৭
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
আমি কিন্তু ভয়ে আছি, চয়ন ভাই, ভরসা হলো এই যে, যারা আপনারা সবসময় আর প্রায়ই আসেন, তারা আমাকে বুঝবেন। গালি দিবেন না।
৪|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৩
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: valo laga !!
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৮
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: আচ্ছা! শূভ কামনা। 
৫|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৯
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: না ভাই , কবিদের তারাই গালি দেয় যারা মূর্খ !!
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৭
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: কাউকে অসন্মান আর আঘাত না করে যেকোনো কমেন্টই করা যেতে পারে। কিন্তু এই ব্লগে অনেক সময় খুবই উগ্র কমেন্ট ও রিপ্লাই দেখা যায়। আর বিশেষ করে নাস্তিক-আস্তিক যে বিতর্ক একেবারে নিম্ন মানের আর ফালতু। মানুষ হিসেবেও তারা খুবই নিম্ন মানের।
৬|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩২
নিঃসঙ্গ নিশাচর বলেছেন: জট্টিলসস...
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৭
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: হা হা হা...
৭|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৫
মামুণ বলেছেন: দেছেন তো কাম সাইরা । এইটা আমার "বেহেস্তের এড" এর ৩ য় পর্ব আছিলো ।
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৩
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: দেখলাম। ভালো লাগলো। এই নিয়ে আমার একটা কবিতা আছে । পুরুষের হুর পাওয়া আর নারীর? পোষ্ট দেব একসময়।
৮|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৮
জীবন্মৃত০১ বলেছেন: ঈশ্বরের সাথে জিব্রাইল?? কেম্নে কি?
তয় ভাবখানা ভালো ঠেকছে। ++
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৪
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ভালো লাগা রইলো।
৯|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০০
রেজওয়ান তানিম বলেছেন: কঠিন লিখেছন । ধরতে একটু কষ্ট ঠেকছে ।
প্রশ্নটা হল এখানে ঈশ্বরটা কে ?
স্বর্গ নরক কেন বদলে যায় ?
নিশ্চয়ই একটা সামগি্রক অবক্ষয় মিন করেছেন ?
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩১
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: আরে! তানিম ভাই, ঈশ্বর বলতে ধর্মমতে সৃষ্ট্রিকর্তা। স্বর্গ ও নরক বদলে যাওয়ার কারণ তো স্পষ্ট। বদলে যাওয়ার কারণ প্রথম থেকেই বিদ্যমান। ঈশ্বর যখন স্বর্গে গেলেন, তখন যে-চিত্র তিনি দেখতে পেলেন, অপ্রত্যাশিত। আর নরকের চিত্র, ঈশ্বরকে অভ্যর্থনা জানান হলো, অনেক আপ্যায়ন করা হলো। স্বর্গে তো কেউ ঈশ্বরকে চিনতেই পারে নি। এবং স্বর্গের অবস্থাও ছিল দুর্গন্ধযুক্ত এবং ভয়াবহ। আর নরক সতঃস্ফুর্ত ও সহজ।
সামগি্রক অবক্ষয় মিন করছি কীনা এই প্রশ্নে গেলাম না। আপনি আর কিছু বললে বা এই প্রশ্নটি আরেকটু ক্লিয়ার করলে আমার জন্য বলা সহজ হবে।
১০|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৫
রায়হান রাহী বলেছেন: অসাধারণ
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৪
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ভালো লাগা রইলো।
১১|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৪
সকলম বলেছেন: এই দালালদের এখনি লাথি মেরে ভারতে পাঠান - টিপাইমুখের সুনাম গাইতে আসছে এক বেজন্মা ।
Click This Link
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৮
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: আপনার আর ওর পোষ্টও দেখেছি। ও তো কাউকে রিপ্লাই দিচ্ছে না, তার মানে ওর ভেতরে গলধ আছে। ওর পোষ্টের কোনো মানে নেই, টিপাইমুখের সুনাম এর পক্ষে ও নিজে খুবই অপরিনত যুক্তি দিচ্ছে আর সাধারণ মানুষকে সামনে নিয়ে আসছে, তাদের সুবিধা অনুবিধা। কিন্তু এই দুই পদ্ধতিই ভুল, ভুল এই অর্থে যে, ও আর সাধারণ মানুষের কমেন্ট অবশ্যই গুরুত্ত্বপূর্ণ, কিন্তু তার আগে এটি বিষেশজ্ঞদের ব্যাপার। কারণ, সাধারণের পক্ষে বোঝা সহজ নয় যে, তার বাড়ির কাছে, বা তার দেখা নদীটির পানি বাড়া-কমা ও অণ্যান্য বিষয়গুলো।
সঙ্গে আছি।
১২|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৪৪
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: তেরে নানা তেরে নানা তেরে নানা নানারে...
হৃদয়-উত্তাল ঢেউয়ে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লো ঈশ্বর এসেছেন।
!ভাল লাগা রইল অন্যরকম একটা লেখায়।
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০০
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন।
১৩|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:০১
সায়েম মুন বলেছেন: ভালোলাগা!
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৯
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ভালো লাগা রইলো।
১৪|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩৬
সুপান্থ সুরাহী বলেছেন:
ভাবতে হবে...
ভাবনার অতলে দেখতে হবে...
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০২
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
ভালো লাগা রইলো...
১৫|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: অসাধারণ! মোহাক্রান্ত ধর্মীয় আচার পালন করা ধর্মান্ধ অপেক্ষা সৃজনশীলেরা অনেক বেশি ভালো। স্বর্গ নরকের থোরাই কেয়ার করে তারা।
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৫
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: সৃজনশীলেরা মানুষ হিসেবে অনেক ভালো। স্বর্গের লোভ-লালসার চেয়ে তাঁরা মানুষ হয়ে ওঠাকে গুরুত্ব দেন। ভালো লাগা...
১৬|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১০
চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন:
খেজুরগাছ তলায় দেখেতে পেলেন কুৎসিত এক ভূত
কাছাকাছি যেতে যেতে মনে হল ভূত নয়—
উপর দিকে চেয়ে হা-করে আছে একজন মানুষ
গায়ে তার পিঁপড়ে ও মৌমাছির বাসা;
জিব্রাইল ডাকলেন, সাড়াশব্দ নেই...
আবার ডাকলেন, নাহ্!... কোনো সাড়াশব্দ নেই...
অঃতপর পাছায় এক লাথি মারলেন!
এদিকে লজ্জায় অন্ধ হয়ে আসে ঈশ্বরের চোখ!
চমৎকার কবিতা!
অনেক অনেক ++++++
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৫
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ভালো লাগা রইলো।
১৭|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৭
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: আমার বুঝতে সময় লেগেছে প্রথমেই। এজন্য পুরাটাই ধীরে ধীরে পড়েছি সময় নিয়ে, এরপর আবার। এভাবে হয়তো কিছুটা বুঝলাম।
কিন্তু আমার মত যারা ঈশ্বর বিশ্বাস করে তারা এমন কিছু পড়লে কবিতার মানের চেয়ে অন্য অনেককিছু মিলাতে চেষ্টা করবে। যেমন, আমি ভাবছিলাম ঈশ্বরকে কেন রওনা দিতে হবে, সব কিছুই উনার। উনি আছেন সবখানে, তবে কেন জিবাঈলকে নিয়ে বের হতে হবে? ঈশ্বরের তো যেকোন মুহূর্তে যেকোন ব্যাপার নিয়ে সবকিছু অবহিত থাকবার কথা, কারন আমরা যা জানিনা আর যা জানি সবই উনি জানেন। সবকিছুর অবস্থা, এমনকি একটা পরমানুর অবস্থান কিংবা অস্তিত্ত সবই উনার জানা থাকবার কথা।
ঈশ্বর না বলে কোন এক পয়গম্বরকে দিয়ে বোঝালে হয়তো ভালো হত। ঈশ্বর কখনো তার দূত কিংবা অন্য কাউকে নিয়ে ঘুরতে বের হবেননা, এতা প্রায় সব ধর্মই বলে। তার যদি হেটে কিংবা রওনা দিয়ে কোথাও যেতেই হয় তবে তিনি কিসের ঈশ্বর? সময়, আদি, অনাদি আর আমাদের জানা সবকিছু তাহলে কিভাবে উনি সৃষ্টি করলেন? ঈশ্বর এই কবিতার জন্য বেমানান। পড়তে ভালোলাগলেও বেমানান।
ভালো থাকবেন।
২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৯
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: এলোমেলো ভাই, ধর্মের প্রেক্ষাপট থেকে আপনার সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত।
এটি একটি কবিতা (কবিতা হয়েছে কীনা সেটা ভিন্ন কথা), কবিতাটির মূল পয়েন্ট স্বর্গ ও নরক, ঈশ্বর ও জীব্রাইল নয়, তাঁরা মাধ্যম বা উপলক্ষ। আমি দেখাতে চেয়েছি, স্বর্গের অবস্থা নরকের মত, আর নরকের অবস্থা স্বর্গের মত। স্বর্গ ও নরকে যাওয়ার প্রক্রিয়া থেকে আমরা বলতে পারি, সক্রেটিস, প্লেটো, ব্যুনো, গ্যালিলিও.... এঁরা নরকে যাবে, আমি তাঁদের নরককে স্বর্গীয় রূপে দেখিয়েছি, আর স্বর্গকে নরক রূপে। এখানে সক্রেটিস, প্লেটো, ব্যুনো, গ্যালিলিও.... এঁদের মহত্ত্ব আমাকে অনুপ্রানিত করেছেন। এর উল্টোদিকে অনেক ধার্মিকদেরকে অনেকভাবে আমার ভালো লাগে না। অনেক ভালো ধার্মিক যে নেই তা নয়। দেখবেন, অনেক খারাফ নাস্তিকও আছে। এই ব্লগেও এর প্রমান পাবেন। আমার ভালো লাগছে যে, এই পোষ্টে কোনো গালাগালি হচ্ছে না। আমি নিশ্চিত, এই একই পোষ্ট এই ব্লগের অন্য কোনো নাস্তিক দিলে অনেক কমেন্ট পড়তো আর প্রচুর গালাগালি হতো। যাইহোক, ঈশ্বর জিব্রাইলকে নিয়ে ভ্রমন করতে পারেন কীনা? ঈশ্বরের ভ্রমেনরইবা প্রয়োজন আছে কীনা? তাঁর তো এমনিতেই সব জানার কথা। ঠিক এই বিষয়গুলো দেখতে হবে কবিতার জায়গা থেকে ধর্মের জায়গা থেকে নয়, কবিতার যে-মূল পয়েন্ট, তার সাপেক্ষেই আমি ঈশ্র ও জিব্রাইলকে একেছি।
আপনি যা বলেছেন, তার সারমর্ম হিসেবে আমি ধরে নিলাম আপনি বলেছেন, ''ঈশ্বর এই কবিতার জন্য বেমানান'' এখানে আমি বলবো, আমি উপরের প্যারায় যা বললাম সেভাবে দেখতে, ধর্মের জায়গা থেকে নয়, কবিতার জায়গা থেকে। কবিতার জায়গা থেকে দেখলে, ঈশ্বরের চরিত্র এখানে বাস্তব-সন্মত বা সত্য না হলেও কবিতায় বাস্তব-সন্মত ও সত্য। আপনি একটি জায়গায় প্রশ্ন করতে পারেন যে, এরকম কবিতা আমি লিখতে পারি কীনা? এখানে আমি বলবো, যেমন কবিতা, রাজনীতি... অনেক বিষয়ে আমরা ভিন্ন ভিন্ন মত দিতে পারি, ভিন্ন ভিন্ন মত আমাদের থাকতে পারে, ধর্মেও তেমনি ভিন্ন মত থাকতে পারে, কেউ ধর্ম না মানতে পারে। কিন্তু সেটা প্রকাশ এর ধরন কেমন? এই ধরন নিয়েও আমরা প্রশ্ন তুলতে পারি যে, ধরন সংযত হতে হবে, এরকম আরো কিছু বিষয়।
ভালো থাকবেন।
১৮|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৭
নীরব 009 বলেছেন: চমৎকার লেখা। একটু কঠিন ঠেকলেও বুঝতে পাড়ছি হাহাকারের একটা ধ্বনি আছে এখানে।
ভাল লাগা রইলো।
২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫০
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো, নীরব ভাই। ভালো থাকবেন।
১৯|
২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৪
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: হুম, সেতা বুঝেছি। ব্যাপারগুলো আপেক্ষিক, একেকজনের কাছে একেকরকম। যার যার পছন্দ তার তার কাছে। আর আমার নিজেরও আস্তিক নাস্তিক নিয়ে বিতর্ক পছন্দ না। আর ব্লগে তো নাই। সামনা সামনি বসেও ঘন্টার পর ঘন্টা তর্ক শেষ হবেনা, এখানে ঘন্টার পর ঘন্টা নস্ট করে কয় লাইন তর্ক করে লাভ কি?
তবে কবিতা যেমনই হোক, এর উপস্থাপনার জন্য এটা অন্যদিকে ভাবনাকে নিয়ে যাবে। বিষয়টা ধরবার চিন্তা আসবে পরে, যেমনটা আমার হচ্ছিলো। আমি ভাবছিলাম প্রথমেই যে ঈশ্বরকে কেন রওনা দিতে হবে জিব্রাঈলের সাথে? এসব নিয়ে ভাবনার পর মূল জিনিসটাই চোখ এড়িয়ে যায়। এটাই বলতে চেয়েছিলাম।
আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুক। ভাল থাকবেন। ![]()
২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:০৫
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
তা ঠিক। প্রথমত এমন ভাবনাই আসার কথা, যা আপনি বললেন। তবে কবিতাটিতে আসলে কী বলতে চাওয়া হচ্ছে, সেই দিক থেকে দেখলে বিষয়টা নিয়ে আর বিভ্রান্ত ও জটিলতার অবকাশ থাকে না। কেবল এই কবিতাটি নয়, কবিতা মাত্রই একটু কঠিন। আমার কবিতা সাধারণত সহজ। সেই কবিতাও আক্ষরিক অর্থ একজন জানলেও কবিতাটির আসল মানে বের করা সহজ নয়।
যাইহোক, শুভ কামনা। ভালো থাকবেন।
২০|
২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৬
শ্রাবণ এর বৃষ্টি বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার পাতায় মতামত লিখছি তাই প্রথমেই শুভেচ্ছা জানায়ে রাখি।
.
.
.
আমি কোন প্রকার তর্কে যেতে চাইনা, অনেক আগে আপনার সাথে এমন একটা আপাত ধর্মীয় বিষয়ে কবিতায় আমার সামান্য উপলব্ধির কথা জানিয়েছিলাম।
.
.
আজ শুধু আগ্রহ থেকে জানতে ইচ্ছে করছে, ঈশ্বরের ভবিষ্যৎ বুঝতে পারার সক্ষমতা থাকার কথা নয় কি? এবং ঈশ্বর কি কোথাও বুঝিয়েছেন যে অপরের উপকারে (সমগ্র মানবজাতীর কল্যাণে কাজ করা মানুষ) বেঁচে থাকা মানূষ নরকে নির্বাসিত হবে!
আমারতো মনেহয় উনারা তাদের বিশাল কর্মের জন্যে স্বর্গের থেকে আরও উন্নত কোন পর্যায়ে অবস্থান করবেন (যদি না তাদের কর্মের প্রকৃত উদ্দেশ্য আমাদের অজানা কোন ব্যক্তিস্বার্থ পূরন না হয়ে থাকে)।
আশা করি ভুল বুঝবেন না .......... ![]()
২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২১
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: কেমন আছেন আপনি, শ্রাবণ ভাই? আপনার শেষ পোষ্ট হিসেবে ১বছরের বেশি সময় ধরে আপনি ব্লগে একটিভ নন। আশা করি একটিভ হবেন।
যাদের সঙ্গে আমার নিয়মিত কথা হয়, তাদের বোঝার কথা যে, বিতর্ক করার জন্য বিতর্ক আমি করি না, আর ধর্ম নিয়ে তো তর্ক এড়িয়েই যেতে চাই। আপনার-আমার, আমাদের মধ্যে যে জানাশোনা, এতে করে বলা যায়, আমাদের ভুল বোঝাবুঝির সম্ভবনা নেই।
ভবিষ্যৎ কেনো, ঈশ্বরের সবকিছুই বুঝতে পারার সক্ষমতা আছে। কিন্তু এটি ধর্ম মতে, অর্থাৎ যারা ধর্ম মানেন তাঁদের জগতে। এর বাইরের এক জগত বলবেন, ঈশ্বরই তো নেই, আবার এক জগত বলবে ঈশ্বর আছে কী নেই বলতে পারি না। তার মানে বিষয়টি সার্বজনিন নয়, জগতের সম্ভবত কিছুই সার্বজনিন নয়, কিছু তাত্ত্বিক বিষয় ছাড়া। ঈশ্বরের থাকা না থাকা কিন্তু তাত্ত্বিক বিষয় নয়, প্রমান, বিশ্বাষ ও অস্তিত্ত্বের বিষয়। তাত্ত্বিক বিষয় হলো আপনার দ্বিতীয় পয়েন্ট : অপরের উপকারে, সমগ্র মানবজাতীর কল্যাণে কাজ করা মানুষ কি নরকে নির্বাসিত হবে? আপনি বলেছেন, তাদের বিশাল কর্মের জন্যে স্বর্গের থেকে আরও উন্নত কোন পর্যায়ে অবস্থান করবেন। তা করবেন না, এটি তাত্ত্বিক বিষয়, (আমার মনে হয় তাত্ত্বিক বিষয় ভীন্ন ভিন্ন হতে পারে না) ইসলাম ধর্মে আছে, আল্লা মানুষ সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদত করার জন্য, তাঁকে খুশি করার জন্য, একেবারে সরাসরি এই উদ্দেশ্য। এবং বেহেস্তে যাওয়ার প্রক্রিয়া হলো আল্লাকে খুশি করা। এর বাইরে ভালো মানুষ হওয়া মানুষের কল্যান এসব অনেক পরের বিষয়। আমি যে অফিসে কাজ করি, সেখানে বসের কাজ পাওয়াটাই মুখ্য, আমি কেমন মানুষ তা অনেক পরেব বিষয়। এর মধ্য থেকে কেউ কেউ হয়তো স্বর্গে যেতে পারে, এই প্রক্রিয়ারও বর্ণনা আছে, এটি তো বিষেশ বিবেচনার মত, একে তো আমরা ধরতে পারি না।
আর কবিতাটি তো আমার মনে হয় ২০ নং কমেন্টের রিপ্লাইতে কিছুটা স্পষ্ট হয়েছে। অনেক ভালো লাগা রইলো। আশা করি রাগ করবেন না। আশা করি ব্লগে নিয়মিত দেখব।
২১|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২৬
জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় হানিফ রাশেদীন, মাই গড! তুমিতো ভয়ংকর বুদ্ধি জিবীয় কবিতা লিখছো!!!
সৃস্টি কর্তায় বিশ্বাস কিম্বা অবিশ্বাস একান্তই নিজস্ব-সেখানে যুক্তি তর্ক অপ্রাসংগীক। আমি সেই বিশ্বাস -অবিশ্বাস বাদদিয়ে শুধু কবিতার কথাই বলবো। আমার স্বল্প এবং সীমাবদ্ধ জ্ঞানে কবিতা কিম্বা সাহিত্যের সবগুলো ব্যাকরণ-শুদ্ধ প্রায়োগিক নয়। অবশ্য তার খুব বেশী প্রয়োজনও নেই-যেখানে লেখায় বক্তব্য পরিচ্ছন্ন। সেখানে মনন,আবেগ,চিন্তা'র সৃজন প্রক্রিয়া মিলে একটি রসায়ন সৃষ্টি হয়। আর সৃজনশীলতাই একজন লেখককে ওজন করার বিশ্বাস্য উপাদেয় হিসাবে মনে করি। তুমি তা প্রমান করেছ-এই লেখায়।
শুভ কামনা। +
২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৮
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: হা হা হা... আপনার প্রতি সীমাহীন ভালো লাগা রইলো, জুল ভার্ন ভাই। আশা করি ভালো আছেন।
অনেক মত ও পথ থাকবে, ধর্মের প্রতি বিশ্বাস আছে, অবিশ্বাস আছে। জগতের সবকিছুতেই ভিন্ন ভিন্ন মত আমরা দেখি। আর এই ভিন্ন ভিন্ন মত থাকাটাই স্বাভাবিক ও কাঙ্খিত। এখানে দেখার বিষয় হচ্ছে সেই মত ''প্রকাশের ধরন'' কেমন? এবং ''প্রকাশের উদ্দেশ্য'' কী? এবং যে ''মাধ্যমে'' প্রকাশ করা হলো সেই ''মাধ্যম'' এর কিছু ''বৈশিষ্ঠ'' আছে, তো, সেই ''মাধ্যমের বৈশিষ্ঠের'' ভিত্তিতেও দেখতে হয়। ঠিক এভাবেই আপনি দেখেছেরন।
অনেক ভালো লাগা রইলো।
২২|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮
শায়মা বলেছেন: আকাশ জুড়ে শুনিনু
ঐ বাজে ঐ বাজে
খুবই সুন্দর!!!
ভাইয়া তুমি জানতে চেয়েছিলে তোমার সাথে আমার কোন পোস্টে প্রথম কথা হয়েছিলো।
এই যে সেই পোস্টের লিন্ক!!![]()
Click This Link
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৪
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
... সকল তারার মাঝে।
কমেন্টটির ধরন দেখেই মনে হচ্ছে প্রথম কমেন্ট।
২৩|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০১
শায়মা বলেছেন: হানিফ রাশেদীন বলেছেন: হৃদয়ছোয়া, মন খারাফ হওয়া ও ভাল লাগার মত লেখা, এটি কবিতা হতে পারে।
শুভ কামনা রইলো।
এই সেই কমেন্ট!!!
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৬
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: হা হা হা...
২৪|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৭
নেক্সাস বলেছেন: শুধু কবিতার ফ্রেম নিয়ে বল্লে পুরাটই অসাধারণ।
++++
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৯
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ভালো লাগা রইলো, নেক্সাস। শুভ কামনা।
ভিন্ন ভিন্ন মত আমাদের থাকতে পারে, কিন্তু মানুষ হিসেবে আমদের লক্ষ্যস্থল ও চেতনা অভিন্ন হওয়া উচিত।
২৫|
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১১
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: এভাবে ভাবতে পারা টা প্রথম আনন্দ। আর এভাবে থাকতে পারা টা সর্বদা আনন্দ।
২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৫
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
ভালো লাগা রইলো।
২৬|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৮
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: দারুন তো। অন্যরকম একটা লেখা।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৪
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
ভালো লাগা রইলো। আশা করি ভালো আছেন।
২৭|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪৬
ফাইরুজ বলেছেন: অন্তর্নিহিত তাত্পর্য বুঝতে কষ্ট হচ্ছে।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫৬
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
আমি ভাবলাম আপনি আমাকে ভুলেই গেছেন।
যাক, আপনার কী খবর, এখনো সেই অনেক দিনের পোষ্ট ঝুলছে!
২৮|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০৩
ফাইরুজ বলেছেন: লিখতে পারিনা তাই পুরাতন লিখাই ঝুলছে।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১১
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: এতো দিন ধরে লিখতে পারছেন না, তা কি হতে পারে বা স্বাভাবিক? নাকি লিখছেন না? 
যাক অনেক অনেক শুভ কামনা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২০
অদ্ভূত উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ বলেছেন: নো কমেন্ট।