নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পরিকল্পনা

---পরিকল্পনা---

খুজতেছি...

---পরিকল্পনা--- › বিস্তারিত পোস্টঃ

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভাস্কর্যের নামে মুর্তি নির্মান

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৪৪

আমি মুর্তি নির্মানের বিরুদ্ধে একমাত্র ইসলামে নিষিদ্ধ বলে। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম যে মুর্তি বানানো হয় চেতনা ৭১ নামে ঐ সময়ও আমি পোস্ট দিয়েছিলাম, কিন্তু তখন সরকারের দমন নীতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকায় কেউ এর বিরুদ্ধীতা করে নাই। যখন দ্বিতীয় আরেকটি ভাস্কর্যের নামে মুর্তি নির্মান করা শুরু হলো তখন সিলেটের ধর্মপ্রান মুসলমান আর সহ্য করতে পারছে না বিধায় আন্দোলন শুরু হয়েছে।



সিলেটের ধর্মপ্রান মুসলমানদের দাবি ভাস্কর্যের নামে মুর্তি না বানিয়ে আপনারা কোন স্মৃতিস্তম্ব তৈরী করেন, যাতে আপনাদেরও আবেগ বা ইচ্ছা পরিপুর্ন হয় এবং ইসলামেরও পরিপন্থী না হয়, আর তাছাড়া আমরা মুক্তিযোদ্ধের অসম্মানকারী নই। কিন্তু শাবিপ্রবির কিছু প্রগতিশীল নামে চরমপন্থিরা তাদের ইচ্ছাই কার্যকর করতে চাচ্ছে এবং ঐ অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং সিলেট শহরে একটি অনাকাখিত ঘটনা ঘটার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।



কিছু প্রগতিশীল নামে চরমপন্থিদের যুক্তিঃ

১। বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ থাকবে, মন্দির থাকবে ইত্যাদি। মোটকথা সবাই সবার মত চলবে কেউ কাউকে বাধা দিবে না। আমরা ভাস্কর্যের জন্যে যা ইচ্ছা তৈরী করব, কেউ কিছু বলবে না এমনকি প্রতিবাদ করতে পারবে না।

২। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নামে ভাস্কর্য মুর্তি হলেও এর বিরুদ্ধীরা ছাগু।



আমার কথাঃ

১। একমাত্র দুর্নীতিবাজরা এবং মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে থাকারাই উপরের ১নং যুক্তি দিতে পারে। কারন তাদের লক্ষ্য হল নিজে যা পাই তা নেই, যেভাবে পাও সেভাবে নাও। কিন্তু সত্যের পক্ষের মানুষ কখনও কোন মিথ্যাকে প্রশয় দিবে না। তারা মিথ্যা বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে অথবা অন্যায়কে অন্যায় বলবে।

২। “সবাই সবার মত চলবে, কাউকে আঘাত দেয়া যাবে না” এইটা যদি তাদের মুলনীতি হয়, তাইলে তারা কেমনে ইসলামে নিষিদ্ধ এমন কাজ মুসলমানদের আঘাত করে করতে চায়।

৩। তাদের মতের বিরুদ্ধে গেলেই তারা খেপে যায় এবং কোন ধরনের সমযোতা ছাড়াই তাদের উদ্দ্যেশ্য হাসিল করতে চায়। এইটা কি চরমপন্থিদের কাজ না।

৪। তাদের আরেক বৈশিষ্ট্য হল, সাধারন মানুষের সমর্থন পাবে না বলে এবং যুক্তিতে না পেরে সম্মানিত ব্যক্তিদের গালাগালি করে অসম্মানিত করে। যা ইতর শ্রেনী মানুষের বৈশিষ্ট্য। এরা হচ্ছে নব্য আবু জেহেল।



আমি সরকারকে বলতে চাই, বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা চিন্তা করে ঐ প্রগতিশীল চরমপন্থিদের কার্যকলাপ বন্ধ করে দেশকে অস্থিতিশীলতা থেকে রেহাই করেন। এটা আপনাদের দায়িত্ব। আর যদি না করেন দেশের শান্তি প্রিয় জনগন আপনাদেরকেই দোষ দিবে।



বাংলাদেশের মুসলমান সচেতন হোন, অন্যায়ের প্রতিবাদে মুখর হোন। চরমপন্থিদের আশ্রয় দিবেন না, এরা সুযোগ পাইলেই মাথায় উঠে। এর জলন্ত প্রমান শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়। প্রথম একটা মুর্তি ভাস্কর্যের নামে তৈরী করে এখন দ্বিতীয় আরেকটা তৈরি করতে চাছে। এরা ইসরাঈলের মত, সুযোগ পাইলেই মাথায় উঠে।



আমাদের দাবি, ইসলামের সাথে ক্লেশ করে এই মুসলামানের দেশে কিছু করতে পারবেন না। মুক্তিযোদ্ধের জন্যে স্মৃতিস্তম্ব তৈরী করতে পারেন কিন্তু মুর্তি না।



আল্লাহু আকবার।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৫৯

আবহমান বাংলা বলেছেন: এই পোস্ট পরিষ্কার বলে দিচ্ছে ইসলাম সুকুমার সৃষ্টিশীলতার বিপক্ষে। ইসলামে পূজা করা হারাম, মূর্তি বানানো নয়। শাহজালালে মূর্তি বানানোর উদ্দেশ্য এই নয় যে কেউ তা পূজা করবে, বরং এর উদ্দেশ্য হল শিল্পের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের জাতিসত্তার চেতনার রুপায়ণ। কেবল ইসলামে নিষেধ - এরুপ বাকোয়াজ না করে যুক্তি প্রদর্শন করুন যে মূর্তি বানালে তা আপনাদের ঈমানের কোন অংশ ধরে টান মারে!

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৪

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: আপনি যদি মনে করেন, "ইসলামে পূজা করা হারাম, মূর্তি বানানো নয়"

তাহলে আর আপনাকে আমার কিছু বলার নাই।

আমার লেখনি বলছে আপনি প্রগতিশীল নামে চরমপন্থিদের দলে।

আপনার যদি মুর্তি সম্বন্ধে ইসলামের অবস্থান জানতে চান তাইলে একটু গুগলে সার্চ দেন পেয়ে যাবেন।

হামাখা চরমপন্থি হয়ে ইসলামের অবস্থান ব্যাখ্যা করবেন না।

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০২

ঢাকাবাসী বলেছেন: আবহমান বাংলা বলেছেন.......... কেবল ইসলামে নিষেধ - এরুপ বাকোয়াজ না করে যুক্তি প্রদর্শন করুন যে মূর্তি বানালে তা আপনাদের ঈমানের কোন অংশ ধরে টান মারে!
সহমত।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৫

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: আপনিও তাইলে উনার কমেন্টের উত্তরটা দেখে নিন।

৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০৫

মাথানষ্ট০০৭ বলেছেন: ইসলাম আপনি আপনার ঘরে পালন করেন, মসজিদে পালন করেন। কে বাধা দিতে আসছে? মুক্তিযুদ্ধের চেতনামূলক অনেক ভাস্কর্য আছে সারা বাংলাদেশ জুড়ে। রাষ্ট্রের উপরে ধর্মকে জোর করে চাপিয়ে দেয়ার অধিকার কে দিয়েছে আপনাকে?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৭

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: ১। একমাত্র দুর্নীতিবাজরা এবং মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে থাকারাই উপরের আপনার যুক্তি দিতে পারে। কারন তাদের লক্ষ্য হল নিজে যা পাই তা নেই, যেভাবে পাও সেভাবে নাও। কিন্তু সত্যের পক্ষের মানুষ কখনও কোন মিথ্যাকে প্রশয় দিবে না। তারা মিথ্যা বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে অথবা অন্যায়কে অন্যায় বলবে।
২। “সবাই সবার মত চলবে, কাউকে আঘাত দেয়া যাবে না” এইটা যদি তোমাদের মুলনীতি হয়, তাইলে তারা কেমনে ইসলামে নিষিদ্ধ এমন কাজ মুসলমানদের আঘাত করে করতে চায়।

৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৪০

পূরান পাগল বলেছেন: মূর্তির পরিবর্তে সৃতিস্তম্ভ বানানো উচিৎ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৭

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: সহমত

৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫০

নিয়েল ( হিমু ) বলেছেন: ঐখানে গিয়া আপনারে পূজা দিতে কে কৈছে ?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৮

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: আপনার ঘরে বানান আমরা কিছু বলব না। ধন্যবাদ।

৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩১

বাংলামায়ের ছেলে বলেছেন: মূর্তি, ভাস্কর্য, পূজা, ইসলাম সব গুলায়া ফেললে কেম্নে কি?

বুঝলাম, আপনি ইসলামের দোহাই দিলেও আদতে ইসলামই বোঝেন না। কোরআন পড়েন নি, হাদীস পড়েন নি বা পড়লেও বুঝেন নি, ভুল বুঝেছেন।

অনুরোধ, ধর্ম বা ধর্মগ্রন্থের ভুল ব্যাখ্যা দিবেন না। এতে গুনাহ হয়।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪১

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: আপনার জন্যে তৈরী করা ইসলামে মুর্তি হারাম বা অবৈধ Click This Link

৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩৮

ক্যাচালবাজ বলেছেন: একটু পর পর রিপোষ্ট দেয়া বাজে অভ্যাস। বিরক্তিকর।

৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৫৩

যোগী বলেছেন: আমার একটা প্রশ্নের জবাব দেন

সরকার যখন বিভিন্ন মন্দিরে গির্যায় অনুদান দেয় মূর্তি বানাতে কিংবা সরকার যখন বাংলা সিনেমা বানাতে টাকা দেয় তখন কি আপনি বাধা দেন?

নাকি মন্দিরে গির্যায় অনুদান দেওয়া আর সিনেমা বানানো ইসলামে জায়েজ?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:০৪

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: ভালোই বলেছেন। ধীরে ধীরে সবই হবে।

সরকার তার জনগনের বৈধ কাজের সাহায্যে এগিয়ে আসবে এটাই ইসলামের নীতি। সবার নিজেদের ধর্ম পালন করার অধিকার ইসলামই দেয়।

৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০৯

ৎঁৎঁৎঁ বলেছেন: ইসলামে মূর্তি বানানো নিষেধ বইলা আপ্নে কেউ মূর্তি বানাইলে তারে মারতে চান, তাইলে আপ্নেরে সহজ এক খান কথা কই, সেইটা হল বাংলাদেশ আপ্নের জন্য স্বাধীন হয়নাই, পছন্দ না হইলে হিজরত মারেন। এই দেশ সবার, সব ধর্মের, বিশ্বাসের, মানুষের সহাবস্থানের দেশ। না পুষাইলে রাস্তা মাপেন।

আর ঘুষ, দুর্নীতির যে উদাহরণ দিলেন তা নিতান্তই ফালতু যুক্তি। ঘুষ দূর্নিতির কোন ধর্ম নেই, এর বিচার সবার জন্য সমান। কে গরু জবাই করবে আর কে মূর্তি বানাবে এইটা তাদের ব্যাপার, এইসবের সাথে ঘুষ দূর্নীতি মিলান কেমনে??

যার জীবন তারে বাঁচতে দেন,ধর্মের বিষয়ে যার বিচার করার সেই করব। আপ্নের এত অসুবিধা কেন?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪৬

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: আপনার মন্তব্য "ইসলামে মূর্তি বানানো নিষেধ বইলা আপ্নে কেউ মূর্তি বানাইলে তারে মারতে চান"
আমি কোন যায়গায় তা বলেছি।

কে কোথায় যাবে তা সময়ই বলে দিবে। অপেক্ষায় থাকুন।

ভয় পাবেন না, মুসলমানরা জুলুম করে না।

১০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:২৩

এ যুগের শ্রীকান্ত বলেছেন: এত ক থা বুঝি না ভাস্কর্য বাধা দিতে আইসেন পিঠের ছাল তুইলা ফালামু
তাতে প্রগতিশিল বলেন বা চ্রম পন্থী X(( X(( X(( X(( X(( X(( X((

১১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৪

রাহাত আহমেদ শাওন বলেছেন: এই রকম ছোট মনের চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসুন... যার যার ধর্ম যার যার পালন করুন। ইউনিভার্সিটি টা সবার, সর্বোপরি এই দেশের।

মূর্তি, ভাস্কর্য, পূজা, ইসলাম সব গুলায়া ফেলতেছেন কেন???

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫২

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: জি আমিও তাই বলি, ইউনিভার্সিটি টা সবার, সর্বোপরি এই দেশের।

সবার মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। মুসলিম মেজরিটিকে বাদ দিয়ে নয়।

১২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৪২

স্বাধীকার বলেছেন:
বিশ্ববিদ্যালয় একটি ব্যাপক ধারণা, এর সীমানা কোনো রাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এখানে ধর্মের উগ্রতা কিঙবা ধর্মের নামে কুমিরের চোখের জলফেলার মতো কোনো বালাই থাকার প্রয়োজন নেই, এমনকি অনাকাংখিতও। কিন্তু আপনারা ভাবছেন বিশ্ববিদ্যালয় বুঝি মাদ্রাসাতুল্য, তাই না? মাদ্রাসা নিয়েই ভাবেন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপনাদের না ভাবলেও চলে। ফালতু ধার্মিকতায় আপনার মতলবী দল লাভবান হলেও, এতে ইসলামের কোনো উপকার হবেনা, অধিকন্তু ইসলাম চিহ্নিত হবে একটি চরমপন্থী অনাধুনিক মতবাদ হিসাবে।

লিটারেচার কিংবা আর্ট বুঝার মতো মাথার উৎপাদন মাদ্রাসায় হয়না, তাই আপনাকে করুণা করতে হচ্ছে। ইসলাম কারো বা কোনো দলের পৈত্তিক সম্পত্তি নয় বা ওহীর মাধ্যমে কোনো ভন্ড উগ্রবাদী চরমপন্থীদের পেটেন্টও দেওয়া হয়নি। তাই আপনার অযৌক্তিক মুর্খতাকে ধর্মের নামে সমাজের উপর চাপাতে চেষ্টা করবেন না। আমার দায় আমি শেষ বিচারে পরিশোধ করবো-আমার ভাবনায় আপনার মুর্খতাকে জায়গা দিতে হবে? ভন্ডামীর মাধ্যমে, ধর্মকে পূজিঁ করে মানুষ ঠকানো কিংবা উদ্দেশ্য হাসিলের কৌশল বহু পূরানো। ভাস্কর্য করার আগে আসলে আপনাদের মতো চরমপন্থাসক্ত মানসিক মূর্খদের চিকিৎসা করানোটাই জরুরী।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৭

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: আপনার জন্যে তৈরী করা ইসলামে মুর্তি হারাম বা অবৈধ Click This Link

১৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪৬

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: ভাস্কর্য হল একটা শিল্প
ঘর বাড়ি রাস্তা বা ঐতিহাসিক নিদর্শন যেমন শহিদ মিনার , স্মৃতি
সৌধ প্রভৃতি ।
এসব সুন্দর ও ইতিহাস রক্ষা করার জন্য ।
পুজা করার জন্য নয় ।
না বুঝে শুধুই বিতর্ক ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৮

---পরিকল্পনা--- বলেছেন: ইসলাম সমর্তিত ভাস্কর্যে আমরা সমর্থন করি।

১৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪৬

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: ভাস্কর্য হল একটা শিল্প
ঘর বাড়ি রাস্তা বা ঐতিহাসিক নিদর্শন যেমন শহিদ মিনার , স্মৃতি
সৌধ প্রভৃতি ।
এসব সুন্দর ও ইতিহাস রক্ষা করার জন্য ।
পুজা করার জন্য নয় ।
না বুঝে শুধুই বিতর্ক ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.