| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আসাদুজ্জামান ইব্রাহি২২১১
হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার ও যেখানে মূল্যায়ন হয়না, সেখানে কাউকে ভালোবেসে প্রতিদান তো দূরের কথা , কষ্ট পাওয়া ও পাপ.........................................................
রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের । আপনি ভাবতে পারেন ক্যারিয়ার বা চাকুরী বা পড়াশোনার চিন্তায় , কিংবা অনেকে হয়তো ভাবতে পারেন মনের মত প্রেমিকের চিন্তায়। ক্যারিয়ার ? পড়াশোনায়? প্রেম? না আসলে তা এমন কোন কম জরুরী বা চিন্তায় না, তাহল কি সে চিন্তা ?? বলা যায় বেঁচে থাকার চিন্তায় ...............মানুষ বেঁচে থাকতে হলে যেমন দরকার খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা, ঠিক তেমনি অতি প্রয়োজনীয় যে ব্যাপারটি তা হল পরিমিত ঘুম । সারা রাত পড়াশোনা করে যখন বিছানায় যায় তখন আর ঘুম হয় না কেননা সেই মামা চাচার কাছ থেকে ঐতিহ্যগত ভাবে সবাই সবকিছু পেলেও ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা পেয়েছে বিছানায় ছারপোকা । তাই হলে থাকা মানে ছারপোকাকে আলিঙ্গন করতেই হবে । তাইতো ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে সবচেয়ে যে ব্যাপারটি নাড়া দেয় তা হল, একটু শান্তির ঘুম। তাইতো রাতে শান্তির ঘুম অনেকটা অমাব্যাসার চাঁদ এর মত । এর প্রতিরোধের জন্য অনেকে বেডের উপর প্লাষ্টিক দিয়ে কিছুটা শান্তির ঘুম প্রত্যাশা করলেও, অনেকে পিঠের নিচে প্লাষ্টিক অস্বস্তিবোধ করায় ছারপোকার নির্মম নির্যাতন থেকে রেহাই পাওয়ার কোন পথ খুজে পায়না, তাইতো তাদের(ছারপোকা) অবলিলায় দিতে হচ্ছে ব্যাগ-ব্যাগ রক্ত। কেউ বা আবার কিছুদিন পর পর বেড পোড়ানোর ব্যবস্থা করে কিছুটা মুক্তি পেলেও শেষ রক্ষা হয় না , ৩ বা ৪ দিন পরে আবার ও মামা বাড়ির আবদার ছারপোকাদের রক্ত দিতে হবে । এত কষ্টে রাত যাপন করলেও তাতে কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যথা নেই । তারা তো হলে থাকেন না, থাকেন বাসভবন, টাওয়ার ভবন এর মত জায়গায় যেখানে ছারপোকা তো দূরের কথা খারাপ চিন্তার মানুষ ও যেতে পারে না। তাহলে কে চিন্তা করবে এই মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের????????????? এর প্রতিকার হিসেবে তেমন কিছু না করতে চাইলেও কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলেই বেডের উপরের অংশ যদি কাঠের পরিবর্তে লোহা দিয়ে বাঁধানো যায় , তাহলে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া যাবে । একদিন ভালো ঘুম না হলে যেখানে সারাদিন ভালোভাবে কাটে না, সেখানে বছরের পর বছর ঘুমহীন বা পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে কাতে প্রতিটা হলের ছাত্র-ছাত্রীদের । কে করবে এর সমাধান ?????????????????????????? আমি , তুমি না কর্তৃপক্ষ চাইলেই পারে এর আশু সমধানের পথ খুজতে । (উপরে বেড পোড়ানোর ছবি শহীদুল্লাহ হলের এক্স-২ , নিচে রাতে ঘুম আসতে না পেরে দিনে ক্লাশ ফাকি দিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা, কেননা ছারপোকা দিনে একটু কম কামরায় ,আরো কিছু দৃশ্য ফেলে রাখা কম্বল, বেড)
২|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২১
বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: আহারে........................
৩|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২১
আসাদুজ্জামান ইব্রাহি২২১১ বলেছেন: ছার বুঝার জন্য অনুরোধ
৪|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২২
হোসাইন সাজ্জাদ বলেছেন: রক্তচোষা
২০/০৬/২০১০
আমি আর কী লিখব- এই আজব প্রাণীটার সম্পর্কে। ওর কথা শুনলেই আমার গা জ্বলে উঠে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের রাতের একমাত্র শত্র“ এই ছারপোকা। ইদানিং দিনেও কামড়ায়। শান্তি নেই এই নিষ্ঠুর প্রাণীটার কারণে। আমার পাশের রুমের কথা সাহিত্যিক রমজান ভাই ছারপোকা নিয়ে একটা লেখা লিখেছে ।
“ওর সার্বক্ষনিক জ্বালাতন আমাকে বিমর্ষ, ক্লান্ত ও বিরক্ত করে। তার প্রতি আমার প্রবল ঘৃণা, সে কি বুঝতে পারে না? তবে তার বুঝা উচিত আমি তাকে দেখতে পারি না। কয়েকদিন যাবত ওর জ্বালায় আমি ঠিকমত ক্লাসও করতে পারি না।
সে সারা রাত আমাকে ঘুমুতে দেয় না। তার ঘরের সর্বত্র বিচরণ আমাকে অস্থির করে। সে আমাকে চুষে খেতে চায়, আমাকে নিঃশেষ করতে চায়। আমার মৃত্যু ওর সর্বশেষ কামনা। সে আমাকে সহজেই ছেড়ে দিবে, তা আমার মনে হয় না। তার প্রতি আমার আজন্ম ঘৃণা। আমাকে চুষে খাওয়ার মাঝে তার পরম তৃপ্তি। আমি তার কিছুই করতে পারি না। অনেক বার মনে হয়েছে, তাকে আমি দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় করে দেই। কিন্তু তা আমার সামর্থ্যরে বাইরে। আগুন ধরিয়ে দেই ওর সারা গায়। পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাক তার সারাদেহ। আমি মুক্তি পাই এই অসহ্য ছারপোকার যন্ত্রনা থেকে”।
আমি প্রথমে পড়ে কিছু বুঝতে পারলাম না। আমি মনে করেছি রমজান ভাই তার প্রেমিকার যন্ত্রনায় লেখাটি লিখছে। আমার কাছে প্রথম অবস্থায় তাই মনে হয়েছিল। পরে খেয়াল করে দেখি, আমারও শত্র“ সে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকে অথচ ছারপোকার যন্ত্রনায় অতিষ্ট না, এরকম ভাল মানুষ হলে নাই। আমার রক্তকে আশ্রয় করে বেঁচে থাকা রক্তচোষা আমাকে দিন দিন নিঃস্ব করে ছাড়ছে। ছারপোকা মারার ডেঞ্জার নামক ঔষধ অনেক বার কিনেছি, কোন কাজ হয়নি। এখন ছারপোকা মারার দোয়াই ভরসা। আমার রুমের একমাত্র পাঞ্জেগানা নামাজী ইমন ভাই গ্রামের বড় হুজুরের কাছ থেকে আনা ছারপোকা তাড়ানোর দোয়া বিছানার নিচে রেখে ঘুমায়। এতে নাকি ছারপোকা কামড়ায় না। আমার বিশ্বাস হয়, আবার হয় না। একদিন চুরি করে ইমন ভাইয়ের দোয়ার কাগজটি আমার বিছানার নিচে রাখলাম। পুরোপুরি হিতে বিপরীত। আরো বেশি করে কামড়ায় ঐদিন। কারণ বিছানা নাড়াচাড়া করাতে সব ছারপোকা উপরে চলে আসে।
পরদিন আমি ঐ কাগজ ছিড়ে ফেলে দেই। কিছুদিন পর ইমন ভাইকে ছারপোকার কথা বলতেই- দেখেছ সবুজ, আল¬াহর দুনিয়ায় এখনো ভাল মানুষ আছে। হুজুরের দোয়ার বদৌলতে আমাকে এখন কোন ছারপোকায় কামড়ায় না।
এবার গ্রামে গেলে তোমার জন্যও একখানা দোয়া নিয়ে আসব। আমি হাসব না কাঁদব, বুঝতে পারি না। কয়েকদিন পর ইমন ভাই রাত জেগে ছারপোকা মারে। লজ্জায় কাউকে বলতে পারে না। আমি কাঁথার ফাঁক দিয়ে দেখি আর হাসি।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৬
আসাদুজ্জামান ইব্রাহি২২১১ বলেছেন: ভাইয়া আসুন আমরা মানব বন্ধন করি.।
৫|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২২
জয় রহমান বলেছেন: এ ব্যাথা কি যে ব্যাথা - বোঝেকি আর জনে ...
যুগ যুগের এই ছারপোকার শোষণ থেকে বের হতে পারিনি আমি, আমার বাপ, আমার বাপের...।
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৭
আসাদুজ্জামান ইব্রাহি২২১১ বলেছেন: আমার ক্ষেত্রে শুধু .।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।। আমার বাপের ক্ষেত্রে ছিল না।
৬|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৩
সাইফুল ইসলাম নিপু বলেছেন: আর বলবেন না।.....।ফ্রেণ্ডরা অনেক কষটে আচে
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৯
আসাদুজ্জামান ইব্রাহি২২১১ বলেছেন: হ ভাই.........আম্রা অনেক কসসসসসস টে আছি........................।
৭|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৬
হোসাইন সাজ্জাদ বলেছেন: রক্তচোষা
২০/০৬/২০১০
আমি আর কী লিখব- এই আজব প্রাণীটার সম্পর্কে। ওর কথা শুনলেই আমার গা জ্বলে উঠে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের রাতের একমাত্র শত্র“ এই ছারপোকা। ইদানিং দিনেও কামড়ায়। শান্তি নেই এই নিষ্ঠুর প্রাণীটার কারণে। আমার পাশের রুমের কথা সাহিত্যিক রমজান ভাই ছারপোকা নিয়ে একটা লেখা লিখেছে ।
“ওর সার্বক্ষনিক জ্বালাতন আমাকে বিমর্ষ, ক্লান্ত ও বিরক্ত করে। তার প্রতি আমার প্রবল ঘৃণা, সে কি বুঝতে পারে না? তবে তার বুঝা উচিত আমি তাকে দেখতে পারি না। কয়েকদিন যাবত ওর জ্বালায় আমি ঠিকমত ক্লাসও করতে পারি না।
সে সারা রাত আমাকে ঘুমুতে দেয় না। তার ঘরের সর্বত্র বিচরণ আমাকে অস্থির করে। সে আমাকে চুষে খেতে চায়, আমাকে নিঃশেষ করতে চায়। আমার মৃত্যু ওর সর্বশেষ কামনা। সে আমাকে সহজেই ছেড়ে দিবে, তা আমার মনে হয় না। তার প্রতি আমার আজন্ম ঘৃণা। আমাকে চুষে খাওয়ার মাঝে তার পরম তৃপ্তি। আমি তার কিছুই করতে পারি না। অনেক বার মনে হয়েছে, তাকে আমি দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় করে দেই। কিন্তু তা আমার সামর্থ্যরে বাইরে। আগুন ধরিয়ে দেই ওর সারা গায়। পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাক তার সারাদেহ। আমি মুক্তি পাই এই অসহ্য ছারপোকার যন্ত্রনা থেকে”।
আমি প্রথমে পড়ে কিছু বুঝতে পারলাম না। আমি মনে করেছি রমজান ভাই তার প্রেমিকার যন্ত্রনায় লেখাটি লিখছে। আমার কাছে প্রথম অবস্থায় তাই মনে হয়েছিল। পরে খেয়াল করে দেখি, আমারও শত্র“ সে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকে অথচ ছারপোকার যন্ত্রনায় অতিষ্ট না, এরকম ভাল মানুষ হলে নাই। আমার রক্তকে আশ্রয় করে বেঁচে থাকা রক্তচোষা আমাকে দিন দিন নিঃস্ব করে ছাড়ছে। ছারপোকা মারার ডেঞ্জার নামক ঔষধ অনেক বার কিনেছি, কোন কাজ হয়নি। এখন ছারপোকা মারার দোয়াই ভরসা। আমার রুমের একমাত্র পাঞ্জেগানা নামাজী ইমন ভাই গ্রামের বড় হুজুরের কাছ থেকে আনা ছারপোকা তাড়ানোর দোয়া বিছানার নিচে রেখে ঘুমায়। এতে নাকি ছারপোকা কামড়ায় না। আমার বিশ্বাস হয়, আবার হয় না। একদিন চুরি করে ইমন ভাইয়ের দোয়ার কাগজটি আমার বিছানার নিচে রাখলাম। পুরোপুরি হিতে বিপরীত। আরো বেশি করে কামড়ায় ঐদিন। কারণ বিছানা নাড়াচাড়া করাতে সব ছারপোকা উপরে চলে আসে।
পরদিন আমি ঐ কাগজ ছিড়ে ফেলে দেই। কিছুদিন পর ইমন ভাইকে ছারপোকার কথা বলতেই- দেখেছ সবুজ, আল¬াহর দুনিয়ায় এখনো ভাল মানুষ আছে। হুজুরের দোয়ার বদৌলতে আমাকে এখন কোন ছারপোকায় কামড়ায় না।
এবার গ্রামে গেলে তোমার জন্যও একখানা দোয়া নিয়ে আসব। আমি হাসব না কাঁদব, বুঝতে পারি না। কয়েকদিন পর ইমন ভাই রাত জেগে ছারপোকা মারে। লজ্জায় কাউকে বলতে পারে না। আমি কাঁথার ফাঁক দিয়ে দেখি আর হাসি।
৮|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৯
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: এসব পরিবেশে থাকে বলেই রাস্তায় গাড়ি ভাংচুর ওদের একটি অংশের দ্বারা নিত্যই চোখে পড়ে , পরিবেশের প্রভাব জীবনে স্হায়ী হয় । পরবর্তী জীবনে দূর্নিতিবাজ ও অসহিষ্ণুতা প্রভাব বিদ্যমান হবে এটা নিশ্চিত ।
সরকার কি পারে না ওদের একটি সহিষ্ণু পরিবেশে বাস করার সুযোগ দিয়ে ওদের মানসিক সিক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে ?
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৩১
আসাদুজ্জামান ইব্রাহি২২১১ বলেছেন: চাইলেই পারে কিন্তু চায় না.।.।.।.।.।.।।।
৯|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:২৯
নীরব 009 বলেছেন: আহারে!!!!!!!!!!
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৩২
আসাদুজ্জামান ইব্রাহি২২১১ বলেছেন: ভাইয়া আর আহারে করে কি হবে.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।
১০|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৪৪
শায়েরী বলেছেন: ব্যবষথা নাওয়ার ও কেও নেই
১১|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৫১
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: ছাত্রী হলের বিছানায় কেডা ছারপুকা ছাড়লো রে??? দে দে এক কেজি মিষ্টি কিনে দে....
ছারপোকা নিধনে কিছু তথ্য,
১. খোদ ব্রিটেনেও ছার পোকার উপদ্রপ আছে, বাসে, হোস্টেলে, বাসায়।
২. কঠোর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন। এ ব্যাপারে অলসতা বা গাফলতি করা যাবেনা। ছারপোকা ওয়ালা বন্ধুকে নিজের বিছানায় বসতে না দেয়া, তাকে বলা যে সে ছারপোকা নিয়ে যাক, বা নিয়ে আসুক কোনটাই আপনি চান না।
৩. বালিশ, তোশক, মশারির কোন কোণায় ছারপোকার বাস করে সেটা খুব ভাল ভাবে জানা থাকা।
৪. কম থেকে মাঝারি উপদ্রপের জন্য শক্তিশালী মর্টিন এরোসল স্প্রে কিনুন। তোষকের, বালিশের, মশারির সেলাই যেখানে যেখানে স্প্রে করে যান। এরোসলে ছার পোকা মরে, পরিক্ষীত। ঝাক ধরে ডিম পাড়া ছারপোকার উপর স্প্রে করুন, সাথে সাথে মরে শেষ।
৫. ছারপোকা বিষে মরেনা এটা ভুল কথা, বরং সত্য হল ছার পোকার হদীস পাওয়াই দুষ্কর।অদৃশ্য, আধারের শত্রু। তাই একে নিধন করা যায়না।
৬. তোষকের ভিতরে, বালিশের তুলোয় ছারপোকা ঢুকে গেলে পুড়িয়ে ফেলুন। মশারি গরম পানি ডিটারজেন্টে ধুয়ে দিন।চৌকিতে ধরলে, কড়া রোদে দুদিন ফেলে রেখে নতুন তোষক কিনে কিছুদিন ফ্লোরিং করুন।
৭. রুমের সবাইকে নতুন তোষক বালিশ কিনতে হবে, বহিরাগতদের আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রতি দু/চার দিন অন্তর অন্তর সেলাই করা যায়গায় এরোসল স্প্রে করে ঘুমাতে যেতে হবে। সেলাই করা যায়গা গুলো নিয়মিত বিষাক্ত হয়ে উঠলে আর কোনদিন ছার পোকা ধরবেনা।
বিফলে তোষক, বালিশের মূল্য ফেরত।
১২|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৫২
ব্লগ ৪১৬ বলেছেন: আম্রা য়ারামে গুমাইতে চাই.................।
১৩|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:৫৭
ইংলা বলেছেন: গাড়ি ভাংতে পারেন
১৪|
০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:২৯
আসাদুজ্জামান ইব্রাহি২২১১ বলেছেন: কেন এরূপ ধারনা কেন?
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:১৭
িমরর বলেছেন: চারপোকা ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,