| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গত রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনা এখন বাংলাদেশের সব বড় বড় ব্লগ এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শোভা পাচ্ছে । সেখানে যে সকল বিবরন দেয়া হয়েছে একজন সাধারন জনতা হিসেবে আপনার যেমন লেগেছে আমার ও তেমন লাগছে । তারপর থেকে এর অনুসন্ধান করাটা হয়ে গেল আমার দায়িত্ব। কারণ ব্লগে যাদেরকে গালাগাল করা হয়েছে তারা সবাই আমার জুনিয়র, ডিপার্টমেন্ট এর জুনিয়র । জাহাঙ্গীরনগরে সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্ক নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু লিখেছেন সামু তে । গতকাল মাহবুব হাসান সাহেবের ফেইসবুকের স্ট্যাটাস টা আমি দেখি উনার পোস্ট করার ৩০ মিনিটের ভিতর । তখন ল্যাবেই ছিলাম । দেখে আমি বর্তমান ২য় বর্ষের ছাত্র(যারা অভিযুক্ত) তাদের দেখাই এবং তাদের জিগ্যেস করি আসলে ঘটনা কি হয়েছে । ওরা বলে ভাই আমরা তো এইসবের কিছুই জানি না । উল্লেখ্য যাদের জিগ্যেস করা হয়েছে তারা একান্তই আমার কাছের ছোট ভাই-বোন। আমার কাছে কখনই তারা কিছু লুকায় না । যথারীতি আমি জাহানারা ইমাম হলের আইটির যারা আছে তাদের খোঁজ নিলাম এবং খুব ই গোপনীয়তার সাথে জানতে চাইলাম । তারা বলল তারা এখন ও ওই হলে আইটির কেউ উঠেছে কি না তারা জানেনা । তবে সবাইকে একজায়গায় রেখে হলে থাকতে বলা হয়েছে । এর কারন হল আমার ডিপার্টমেন্ট এর খেলা আগামীকাল । ওরা চাঁদা তুলে নুডলস ও কিনেছে ওদের খাওয়ানোর জন্য । কথাগুলো যখন আমি ফোন এ শুনছিলাম তখন মেয়েটি কাঁদছিল । এখন ওখানে দুইজন ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রী আছে । তাদের শিক্ষরা জিগ্যেস করেছে এইরকম কোন ঘটনা ঘটেনি । আমাকে ওই হলের অনেকেই ফোন দিয়েছে এবং বলেছে , ভাইয়া আমরা কিছু না করেই এতবড় একটা ঘটনায় জড়ালাম কিভাবে বুঝতে পারতেছি না। তবে ভাইয়া যেভাবে মানুষ না জেনে ব্লগ ফেইসবুক এ ছড়াচ্ছে তাতে কোনভাবে যদি এই ঘটনা আমার বাবা জানে সে আর বাচবে না । আমি কিন্তু তখন ও ওদের উপর ১০০% বিশ্বাস করতে পারছিলাম না । তখন ও ওদের টেনশন । আমরা সবাই জেগে আছি । আমি শুধু ওকে বলছিলাম "তোরা যদি দোষ না করে থাকিস তাহলে জেনে রাখ কিছুই হবে না । তবে দোষী হলে অবশয়ই শাস্তি পাবি সন্দেহ নাই" । আমরা দুই সিনিয়র ব্যাচ আজ ১০ টায় ডিপার্টমেন্ট এ আসলাম ওদের সাথে কথা বলছিলাম । সব গোপনীয়তার উর্ধে থেকে । ওই হলের আমার যারা ছোট বোন আছে সবাই ই খুব ই কান্নাকাটি করছিল । সবার কাছ থেকে আলাদা করে শুনছিলাম ঘটনাগুলো । তখনও আমরা ওদের কথা শতভাগ বিশ্বাস করছি না । বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিন, গোপনেও যদি কিছু করে থাকে এই সন্দেহে । যা হোক আমরা একদমই নিরপেক্ষ থেকে ঘটনা শুনেছি । কোন আবেগের স্থান হয়নি । ১০০ ভাগ নিশ্চিত হতে হলে ফার্স্ট ইয়ারের সবার সাথে কথা বলা ছাড়া উপায় নেই । কয়েকজন অবিভাবক সহ আমাদের সমস্ত শিক্ষক এবং আমরা বড় ভাইয়েরা আপুরা ছিলাম । সবাইকে জগ্যেস করলেন স্যার। এবং যদি কারো অভিযোগ থাকে গোপনীয়তার সাথে তিনি তা হ্যান্ডেল করবেন বলে আশ্বাস দেন । কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলেও সত্য কেউ ই এইরকম কুৎসিত ঘটনার ইঙ্গিত পর্যন্ত পায়নি ! বাংলাদেশের সমস্ত সোশাল মিডিয়া যে ঘটনায় সয়লাব সেই ঘটনার কিছুই ফার্স্ট ইয়ারের কেউ জানে না ! আমি এখন কি করে আপনার বোনের পক্ষ নিই মাহবুব ভাই ?? এই গেল উপরের পরিবেশ । এই মুহুর্তে যা হচ্ছে তা আরো বেশি ভয়াবহ । ওই মেয়ের কোন হদিস ই নাই অথচ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার ডিপার্টমেন্ট এর নির্দোষ মেয়েগুলো নির্বিচারে গালাগাল শুনছে । বাইরে বের হলে সবাই জিগ্যেস করছে তোদের ডিপার্টমেন্ট এ কি না হইছে ? এই তাইলে অবস্থা না !! কি অসহ্য যন্ত্রনা । মাহবুব সাহেবকে আমি চিনিও না চেনার প্রয়োজন ও বোধ করছি না ।তবে গত রাতের হিরো তিনি । উনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট উপচে পড়ছে । সাবস্ক্রাইবারের তো অভাব নাই । এক রাতেই !এর ই মধ্যে শুরু হল পেইজ এডমিন দের রমরমা ব্যাবসা । তথাকথিত লাইক কমেন্ট আর শেয়ারের ব্যাবসা ।
মাহবুব সাহেব যেভাবে ঘটনার মিথ্যা বর্ননা বা ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা আরো শালীনভাবে দেয়া যেত । ওনার ই তো বোন । জাহাঙ্গীরনগরের প্রশাসনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বাইরের কেউ ই জানে না । যারা বড় বড় মুখ করে বলেন যে "ভালো হইছে, ওইখানের ফর্ম ই তুলিনাই !" তাদের বলি , আপনার মত মানুষের জন্য বাংলাদেশে কোন বিশ্ববিদ্যালয় আছে কি ! র্যা গিং এখনকার কোন ছাত্রই বোঝে না ।শোনা ব্যাপার দিয়ে চালিয়ে দেয় ।
আমি আর সব ডিপার্টমেন্ট এর কথা বলতে পারব না , আমাদের আইটিতে ২৪ ঘন্টা ল্যাব খোলা থাকে যখন যার ইচ্ছা নিরাপদেই আসা যাওয়া করে । এ বিষয়ে আমরা এবং শিক্ষকেরা সবাই ই সচেতন ।
আমি ৪র্থ বর্ষের ছাত্র। তবে অবাক হবার ব্যাপার মানিক সম্পর্কে ভিতরের থেকে ক্যাম্পাস এর বাইরের লোকজনই বেশি জানে । আমি বাংলাদেশের মানুষের সেন্স দেখে অবাক হই যে ক্যাম্পাসে একাধিক প্রেম করলেই সবাই ঘৃনা করে সেখানে মানিক ১০০ ধর্ষন করে ! হাস্যকর ।জাহাঙ্গীরনগর খারাপ কারণ এই মানিক কে আন্দোলনের মাধ্যমে তাড়ানো হয়েছিল। জাহাঙ্গীরনগর খারাপ কারণ এখানে বড়রা কৌশলে ছোট ভাইদের আপন মানুষ হয় । জাহাঙ্গীরনগর মেয়েদের জন্য নিরাপদ নয় কারণ এখানে মেয়ের রাতের বেলায় ও বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পারে এবং পরে সেই বন্ধুরাই নিরাপদে হলে পৌঁছে দেয় ।
যেহেতু দেখা গেল যারা অভিযুক্ত বলে সবাই গাই গালাজ করল তারা আসলে নির্দোষ এখন এই মেয়েগুলোর সম্মান কে ফিরিয়ে দিবেন ? আছেন কোন সুশীল ?
জাবি আইটি একটি নতুন ইন্সটিটিউট । ধীরে ধীরে বাংলাদেরশের প্রযুক্তিখাতে উঠে আসছে । কয়েদিন আগেও একটা সফটওয়্যার প্রতিযোগিতায় ইন্সটিটিউটের একটি দল চ্যাম্পিয়ন ও হয়েছে । মিঃ মাহবুব যে বদনামের আমাদের সকলকে জড়িয়েছেন, মানুষের কাছে ভিক্ষা চেয়েছেন কিছু নির্দোষ মেয়েদের গালাগাল করার জন্য । ও ভালো কথা কাল ২ টায় নাকি মেয়েটা উদ্ধার হইছে হল থেকে । কোথার মেয়ে কোথায় আছে কেউ জানে না কিন্তু ফেইসবুক লাইকার রা জানে সেই মেয়েকে হল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে । কে ওকে বন্দী করছে মাহবুব ভাই ?
উপসংহারঃ
আমি আইটির সকল ছাত্রদের পক্ষে সকল পাঠককে উদ্যেশ্য করে কয়েকটি কথা বলব
যা হয়েছে তা একদম ই সত্যি নয় । একটা কাল্পনিক মেয়ের ইজ্জত বাঁচাতে আপনারা যারা পোস্ট লাইক কমেন্ট করেছেন তারা সত্যি সত্যি কিছু নির্দোষ মেয়েকে বিপদে ফেলে দিয়েছেন । আপনাদের প্রতি অনুরোধ আপনারা কোন লেখা বিশ্বাস করার আগে একটু যাচাই করুন । আপনার বোন ও এই পরিস্থিতিতে পড়লে আপনি করতেন?
কি করতেন কোন একজন মানুষ যকে আপনি চেনেন না সে আপনার বোনকে নিয়ে মিথ্যেমিথ্যি এরকম পোস্ট দিলে আপনি কি করতেন, সেটাই করুন ।
গুরুত্বপুর্ন লিঙ্কঃ
http://d.pr/i/qf3O
http://d.pr/i/TP2v
Click This Link
২|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৫
মোর জ্বালা বলেছেন: অবশ্যই। ধন্যবাদ
৩|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০০
মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: আশা করব আপনারা আরও সতর্ক হবেন?
আমার এখনো বিশ্বস হচ্ছেনা ঘটনা মিথ্যা...
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২০
মোর জ্বালা বলেছেন: অবশ্যই আমরা সতর্ক।
৪|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৪
নীলসমুদ্র বলেছেন: গতকাল ঘটে যাওয়া এই অপপ্রচারে আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে...
ক্ষতিপূরন চাই না, কিন্তু জনগনের দৃষ্টিতে আসার জন্য এবং আই আই টি ডিপার্টমেন্টের তথা জাবির সাময়িক দুর্নাম ঘুচাতে অন্তত ২৪ ঘন্টার জন্য হলেও পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ জানাচ্ছি...
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২০
মোর জ্বালা বলেছেন: জেগে উঠুন
৫|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৬
বিডি আইডল বলেছেন: মেয়েদের হলে রেগিং হবে আর মেয়েরা সেটা অন্যদের কাছে প্রকাশ করে দিবে, এটা ভাবলেন কি করে?? এদের কোড অব কনডাক্ট অনেক শক্ত।
৬|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৫
অরিন্দম007 বলেছেন: আপনি লিখেছেন : আমি বাংলাদেশের মানুষের সেন্স দেখে অবাক হই যে ক্যাম্পাসে একাধিক প্রেম করলেই সবাই ঘৃনা করে সেখানে মানিক ১০০ ধর্ষন করে ! হাস্যকর ।
আপনাকে বলছি বিষয়টি আপনার কাছে হাস্যকর মনে হতে পারে । কিন্তু সত্যি ।
আজ আমি ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টারের একটি ব্যানার হেডিং সম্পর্কে কিছু বলবো । ঘটনাটি ১৯৯৮ সালের অগাষ্ট সেপ্টেম্বর মাসের । দৈনিক মানব জমিন সর্বপ্রথম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ছাত্র লীগের ভয়াবহ ধর্ষণ কর্ম অনুশীলনের তথ্য দেয় । তারপর দৈনিক দিনকাল । ইনকিলাব আর ভোরের কাগজ রহস্যজনক কারণে প্রথম নিরব থাকে । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দীন মানিক দৈনিক দিনকালের বিরোদ্ধে মানহানির মামলা করলে ঘটনা জটিল রুপ ধারন করে । তখন পত্রিকা পাঠকদের কৌতুল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ধাবিত হয় । আর পত্রিকাগুলোর হাতে গোনা কয়েকটি তখন পাঠকদের কৌতুল নিবৃত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে । তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টার । তাহলে আমরা আজ দেখবো ডেইলী স্টারের একটা শীর্ষ খবর যা ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ তারিখে প্রকাশ হয়েছিল ।
খবরটির শিরোনাম ছিল :
Fact Finding Committee Report: Over 20 JU students raped, 300 sexually harassed নেটে ডেইলী স্টারের এই সংখ্যাটি দেওয়া নেই । আমি ব্লগারদের সাথে শেয়ার করার জন্য এই নিউজটি সংগ্রহ করি রেফারেন্স সেকশন থেকে । আমি প্রথমে ইংরেজীতে খবরটা দিচ্ছি । তারপর আমার নিজের করা বাংলা অনুবাদ দিয়েছি । আশা করি, ব্লগার বন্ধুরা !এখবরটা থেকে শিক্ষাঙ্গনে ধর্ষণ চর্চার মাত্রা সম্পর্কে সামান্য হলেও জানতে পারবেন । আপনারা আরো জানবেন কীভাবে ধর্ষণের সেঞ্চুরী হয় । তাহলে চলুন আমরা সেই খবরটা এখনই পড়ে ফেলি ।
The Daily Star September 26, 1998 Front page, Banner heading news.
Fact Finding Committee Report: Over 20 JU students raped, 300 sexually harassed
Fact Finding Committee Report: Over 20 JU students raped, 300 sexually harassed More than 20 students of Jahangirnagar University were raped and over 300 others harassed on the campus by the armed cadres of a particular political party. This was revealed in the report of the Fact Finding committee constituted by the J U authorities. The committee, formed on August 20 against other backdrop of press reports on incidents of rape at the university and massive protests by students, submitted its report to the VC, Prof Alauddin Ahmed, on September 21.
A copy of the report obtained by the Daily Star yesterday contained details of the ordeal suffered by the victims, “negligence” of the University authorities in handling the issue and the tyranny let loose by the armed goons on the campus. “Some were raped several times, some were gang raped and some were even forced to leave the campus after the incidents,” the Committee report said. “Many of them were even whisked away from in front of their residential halls at gun point and then raped in broad day light,” it said. These incidents were hushed up either with threat and coercion or in the name of adverse social repercussion. “Some of these incidents were even brought to the notice of officials of the university but they did not take any action, reminding the victims about social repercussion.” the report noted. “Ironically, the campus has become a fertile ground for criminal activities where a section of students under political shelter are found not only involved in rape but also in extortion, bus dacoity, bringing prostitutes at the residential halls, drug abuse and black mailing,” the report noted. “Jasimuddin Manik, a student of Drama and Dramatics Department was on the top of the list of seven persons accused of rape on the university campus.” “On completion of his 100th rape, he even celebrated the occasion offering sweets and throwing a cocktail party,” the report noted.
Jasimuddin Manik is the former general secretary of the Jahangirnagar University unit of Bangladesh Chhatra League. He was expelled on September one. The six others accused of rape of the department of Bangla, Hasibur Rahman,Barkat of Geology,Mohammad Ali Dalas of History,Nabiul Haq Roni of Government and politics,Atiqur Rahman Naim of History and Anisur Rahman of the department of English. The six are also influential leaders of the Bangladesh Chhatra League at the university. The report found that top leaders and armed cadres of a particular political party and some outsiders were involved in the incidence of rape. The outsiders were Sohel, Mukul and Raj. The abettors in the incidents were identified as Titu, Ferdous, Rafiq, Ruhul, Sohag and Kajol. They were also students of the JU and leaders of Bangladesh Chhatra League.
As many as 20 sites were identified on the university campus where the incidents took place. The site included the Shaheed Minar, Library premeses, Mosharraf Hall and its gymnasium and the Green Room of the Drama and Dramatics Department. “When the victims approached the administrative officials including Provosts of halls and former Proctor Afsar Ahmed, They hardly got any remedy on grounds of adverse social repercussion.” The report said. The 213 page report is now being discussed by the J U Syndicate. Fact Finding Committee scrutinized more than 350 secret letters and interviewed 18 alleged offenders and about 30 witness including students and others. The committee also visited the alleged sites of the incidents, the report noted. The seven - member Fact Finding Committee headed by Prof Anwarul Huq Sharif, comprises Dr A Mannan Chowdhury, Proctor of the university; Prof Abul Hussain, Provost of Al Beruni Hall; Kanchan Chowdhury, Provost of Pritilata Hall; Prof Nasima Akhtar Hussain, Provost of Nawab Faizunnessa Hall Hall; A N Rasheda, Syndicate member and Prof Sauda Akhter, a teacher of Bangla Department of the university.
বাংলা অনুবাদ :
তথ্য অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ এর বেশী ছাত্রী ধর্ষিতা এবং ৩০০ এর বেশীর শ্লীলতাহানী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ এর বেশী ছাত্রী ধর্ষিতা হয়েছেন এবং ৩০০ এর বেশী শ্লীলতাহানীর শিকার হয়েছেন একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অস্ত্রধারী গুন্ডাদের দ্বারা । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গঠিত তথ্য অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে । ধর্ষণের ঘটনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় ধরনের ছাত্র বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ আগস্ট তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয় । উপাচার্য অধ্যাপক আলাউদ্দিন আহমেদের কাছে ২১ সেপ্টেম্বর কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয় ।
গতকাল ডেইলি স্টার প্রতিবেদনটির একটি কপি পেয়েছে । যাতে বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে, নির্যাতিতারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের "অবহেলা" এবং ক্যাম্পাসের সশস্ত্র গুন্ডাদের অত্যাচারের শিকার । কমিটির প্রতিবেদন মতে,"কিছু ছাত্রী বহুবার ধর্ষিতা হয়েছেন, কিছু ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এবং কিছু ছাত্রী ঘটনার পর ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন " । এ প্রতিবেদনের তথ্য ," এমনকি ছাত্রীদের অনেকেই তাদের আবাসিক হলের সামনে বন্দুকের মুখে দিনের আলোতেই সম্ভ্রম হারিয়েছেন " । এসব দুর্ঘটনা হুমকি, বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ও প্রতিকূল সামাজিক প্রতিক্রিয়া হওয়ার ভয় দেখিয়ে ধামা – চাপা দেওয়া হয়েছিল । "এই ঘটনা কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের নজরে আনা হয়েছিল কিন্তু তারা নির্যাতিতাদের জন্য কোনো পদক্ষেপ ও সুবিচার নিশ্চিত করেননি " প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়েছে । "হাস্যকর ভাবে, ক্যাম্পাস একটি অপরাধমূলক কর্মকান্ডের উর্বর ক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল যেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রশয়ে ছাত্রদের একটি অংশ শুধুমাত্র ধর্ষণ কর্মতেই জড়িত হয়ে পরেনি, তারা চাঁদাবাজি, বাস ডাকাতি, আবাসিক হলে বেশ্যা আনা, মাদকদ্রব্য অপব্যবহার ও ব্লাক মেইলিয়েও জড়িত হয়ে পড়েছিলো " প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে । বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধর্ষণ কর্মের জন্য অভিযুক্তদের তালিকায় শীর্ষ সাত ছাত্রের মধ্যে শীর্ষে ছিল নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের জমিম উদ্দীন মানিক । "জমিম উদ্দীন মানিক ১০০তম ধর্ষণ শেষ করে বন্ধুদের মাঝে মিষ্টি বিতরন করেছিল এবং একটি ককটেল পার্টি দিয়ে উৎসব পালন করেছিল," প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে ।
জসিম উদ্দীন মানিক বাংলাদেশ ছাত্র লীগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন । তাকে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ বহিস্কার করা হয় । ধর্ষণ কর্মের জন্য অভিযুক্ত অন্য ছয় ছাত্রদের মধ্যে আছেন বাংলা বিভাগের হাসিবুর রহমান, ভূতত্ত্ব বিভাগের বরকত, ইতিহাসের মোহাম্মদ আলী ডালাস, সরকার ও রাজনীতির নবীউল হক রনি,ইতিহাসের আতিকুর রহমান নাইম এবং ইংরেজি বিভাগের আনিসুর রহমান ।তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ছাত্র লীগের প্রভাবশালী ছয় নেতা । প্রতিবেদনে পাওয়া গেছে, শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল এবং বহিরাগত কিছু সশস্ত্র গুন্ডা ধর্ষণ কর্মে জড়িত ছিল । বহিরাগতদের মধ্যে ছিল সোহেল, মুকুল এবং রাজ ।টিটু, ফেরদৌস, রফিক, রুহুল, সোহাগ এবং কাজল অপরাধের সাহায্যকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে । তারা ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং বাংলাদেশ ছাত্র লীগ নেতা ।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ২০ টি স্হান যেগুলোতে ধর্ষণ কর্ম সংগঠিত হয়েছিল সেগুলো যথারীতি চিহ্নিত করা হয়েছে । স্হানগুলোর মধ্য রয়েছে শহীদ মিনার, গ্রন্হাগার চত্তর, মীর মোশাররফ হোসেন হল ও এর ব্যায়ামাগার এবং নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের গ্রীণ রুম । যখন ধর্ষণ কর্মের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্হারা হলের প্রভোস্টদের এবং সাবেক পোক্টর আফসার আহমেদের কাছে গিয়েছিল, তখন তারা প্রতিকুল সামাজিক প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র প্রতিকার পায়নি । ২১৩ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন এখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটে আলোচিত হচ্ছে । তথ্য অনুসন্ধান কমিটি ছাত্র-ছাত্রী ও অন্য লোকদেরসহ ১৮ অপরাধী ও ৩০ প্রত্যক্ষদর্শীর ২৫০ গোপন চিঠি ও সাক্ষাৎকারতন্ন তন্ন করে যাচাই করছেন । কমিটি অভিযুক্ত স্হানগুলোও পরিদর্শন করেছেন । প্রতিবেদনে উল্লেখে করা হয়েছে । সাত সদস্য বিশিষ্ট্য তথ্য অনুসন্ধান কমিটির প্রধান অধ্যাপক আনোয়ার হক শরীফ সহ অন্য সদস্যরা হলেন ড. এ মান্নান চৌধুরী,প্রোক্টর: অধ্যাপক আবুল হোসেন, আলবেরুনী হলের প্রোভোস্ট; কাঞ্চণ চৌধুরী, প্রীতি লতা হলের প্রোভোস্ট;অধ্যাপক নাসিমা আক্তার হোসেন, নবাব ফয়জুন্নেসা হলের প্রোভোস্ট;এ এন রাসেদা, সিন্ডিকেট সদস্য এবং সাউদা আক্তার, বাংলা বিভাগের শিক্ষীকা ।
দেখুন :
Click This Link
দয়া করে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করবেন না।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩১
মোর জ্বালা বলেছেন: আপনি যে যুগের কথা বলছেন সে যুগ এটা না। সে সময় ছাত্রীরা হলে ঢুকে তাদের তাড়িয়েছল । স্মরঙ্কালের সবথেকে বড় যৌননিপীড়ন বিরোধী নারী আন্দোলন ছিল । জাহাঙ্গীরনগর কখনই অন্যায় সহ্য করেনি । ছাত্ররা কত বড় আন্দোলন করতে পারে তা জুবায়ের হত্যার পরে আপনারা কি দেখেন নি?
ভিসি বিরোধী আন্দোলন ও বোধহয় দেখেছেন। আমরা সফল হয়েছি । সব সময় যারা আন্দোলনের সামনে ছিল তারা হল বামেরা । আজ ছাত্রফ্রন্টের বর্তমান কর্নধারদের সাথে আমার কথা হয়েছে । এই মহুর্তে কারা নির্যাতিত জানেন যাদের নামে অপপ্রচার চালানো হয়েছে । ক্যাম্পাসে তারা সুস্থ মনে চলাফেরা করতে পারছে না । বিষয়টা প্রশাসনের কাছে আগে কেন গেল না?? দুইটা বড় বড় বিল বোর্ড টানানো আছে দুই গেটে । মেয়েটা না পারুক মেয়ের কেউ কি নাই যে প্রোক্টরের নাম্বার দিতে পারে। ভাই অন্যায় সে অন্যায় ই সেটা জাবি তে হোক বা অক্সফোর্ড এ হোক । আপনার অনুসন্ধানী কমেন্ট এর জন্য ধন্যবাদ।
৭|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২০
ফিরোজ রিয়েল বলেছেন: আমি সি.এস.ই বিভাগের ৩৮ তম ব্যাচের ছাত্র । তোমরা এভাবে আলাদা আলাদা চেষ্টা না করে সম্মিলিতভাবে ডিপার্টমেন্ট থেকে দেখ এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যায় কিনা ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩২
মোর জ্বালা বলেছেন: ভাই আপনারাও যে এগিয়ে আসছেন ভালো লাগছে।
৮|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪০
অতিক্ষুদ্র বলেছেন: মানিকের ব্যাপারটা প্রথম মানুষ জেনেছিল এক পাঠেকের পাঠানো চিঠি থেকে - যা তখনকার সাপ্তাহিক যায়যায়দিনে প্রকাশ হয় ।
মানিক কে বিদেশ পাঠিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছিল ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৮
মোর জ্বালা বলেছেন: সেক্ষেত্রে ছাত্ররা কি করতে পারে ?? একজন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয়ছাড়া করা যেনতেন ব্যাপার নয় । সেখানে এতবড় একটা সন্ত্রাসীচক্রের নেতা ! মানিক কে বিদেশে পুরষ্কৃত করুক বা গর্দান ফেলে দিক সেটা ছাত্রদের দেখার বিষয় না । তৎকালীন প্রশাসন আর সরকারের দায় ।
৯|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৫
বিত্তবান ফকির বলেছেন: আপনি জাবির ছাত্র এজন্য এভাবে সাফাই গাইয়েন না। আত্ন সমালোচনা করার অভ্যাস বাংগালীর নাই।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৭
মোর জ্বালা বলেছেন: ধরুন যে মেয়েদের এখন মিছেমিছি গালাগাল করা হয়েছে তাদের একজন আপনার বোন । আপনি কি করবেন??
১০|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫০
আহ্সান হাবীব বলেছেন: আমি ইংরেজি বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের ছাত্র। সত্যি এই লেখাটি পড়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।
কি করে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের মানহানি করা হচ্ছে!!!!!!!!!!
অন্তত ২৪ ঘন্টার জন্য পোস্টটিকে স্টিকি করার আবেদন জানাচ্ছি।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০১
মোর জ্বালা বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ।
১১|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫
বাসকপাতা বলেছেন: পোস্টটি স্তিকি করার দাবি জানাচ্ছি ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০২
মোর জ্বালা বলেছেন: ধন্যবাদ বাসকপাতা।
১২|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৯
রবিনহুড বলেছেন: আপনি কি বলতে চান যে, জাবিতে রেগিং হয় না?
আর সেন্চুরী মানিক বলে জাবিতে কেউ ছিল না?
ব্লগে দেখি নতুন বকধার্মিক চলে এসেছে।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৫৯
মোর জ্বালা বলেছেন: আপনারা খালি মানিকের কথা বলেন। আমরা কয়বার বলেছি যে মানিক ছিল না? আমরা আন্দোলন করে তাকে তার বন্ধুসহ ক্যাম্পাস থেকে বের করেছি। কই আপনারা তো এর কোন কথা বলেন না। কেন? শোনেন ভালো খারাপ সব জায়গাতেই থাকতে পারে। একটা খারাপের কথা শুনেছেন এবং এরপরে যখন এটার পক্ষে কোন প্রমান নেই তখনও কিভাবে আপনারা একই কথা বলে যান?? র্যাগিং এখন ক্যাম্পাস এ অনেক কমে এসেছে। এর ভালো দিক টা আপনারা কবে নিতে শিখবেন?
১৩|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৩
কষ্টসখা বলেছেন: আমি কালকে রাত্রে ঘটনা শোনার পর এক অদ্ভুত খারাপ লাগার কারনে রাত ৪ টা পযন্ত ঘুমাতে পারি নাই কারন এটা আমার ক্যাম্পাস।
আমি অনুভব করতে পারছি যারা বিনা অন্যায়তে অপমানের বোঝা মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের কষ্ট।
মি মাহবুব ব্লগটি পড়ছেন কিনা জানিনা তবে হিরো সাজার জন্য এতোগুলো মানুষকে কষ্ট না দিলেও পারতেন।
আইটি বিভাগের পরিচালকের কাছে অনুরোধ এই মিথ্যাচার যারা করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক।
১৪|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৫
কষ্টসখা বলেছেন: পোষ্টি স্টিকি করা হোক
১৫|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০১
ধানের চাষী বলেছেন: ঘটনা সম্পূর্ণ বানানো, এ ধরণের কোন ঘটনা ক্যাম্পাসে ঘটে নি, মিডিয়াতে নিজে নোংরামি না প্রকাশ করলেও চলে, আজাইরা পাবলিক গুলারে পিডানোর কাম
১৬|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:১৫
ঝটিকা বলেছেন: এই পোষ্ট আর কিছু মন্তব্য দেখে খুবই বিরক্ত হলাম। আপনার ক্যাম্পাস, আপনার অনেক আবেগ থাকবে সেটা ঠিক। তাই বলে ধোয়া তুলসি পাতা প্রমান করে কি লাভ? রেগ জাহাঙ্গির নগরে অনেক আগে থেকেই ছিল, যে কোন সময় তা মাত্রা ছাড়িয়ে যেতেই পারে। মাত্রা ছাড়ালে তা কোন পর্যায়ে যায় তা আমি জানি। আর বুঝলাম না, যে রেগ দিছে সে কোন দুঃখে আপনার কাছে স্বিকার করতে যাবে? যত্তসব
১৭|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২৩
নষ্ট ছেলে বলেছেন: বাংলাদেশে এত বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে বার বার কেন জাবির বিরুদ্ধেই এই ধরনের অভিযোগ আসে? নাকি বলবেন জাবি বাংলাদেশের সেরা(!) তাই।
অবস্থা ভয়াবহ না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে র্যাগিং এর বিরুদ্ধে ব্যানার লাগানোর কথা না।
কেউ যদি সত্যিই র্যাগিং এর শিকার হয় তাহলে সেটা কিভাবে প্রমাণ করবে?
অভিযোগ করলে তো স্বাভাবিক ভাবেই অস্বীকার করবে? আর সিনিয়রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে বাকি চার বছর কিভাবে কাটবে সেটা তো সবাই বুঝে।
১৮|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২৩
নষ্ট ছেলে বলেছেন: বাংলাদেশে এত বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে বার বার কেন জাবির বিরুদ্ধেই এই ধরনের অভিযোগ আসে? নাকি বলবেন জাবি বাংলাদেশের সেরা(!) তাই।
অবস্থা ভয়াবহ না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে র্যাগিং এর বিরুদ্ধে ব্যানার লাগানোর কথা না।
কেউ যদি সত্যিই র্যাগিং এর শিকার হয় তাহলে সেটা কিভাবে প্রমাণ করবে?
অভিযোগ করলে তো স্বাভাবিক ভাবেই অস্বীকার করবে? আর সিনিয়রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে বাকি চার বছর কিভাবে কাটবে সেটা তো সবাই বুঝে।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১০
মোর জ্বালা বলেছেন: কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ কিন্তু ভাই একটা কথা, পজেটিভ দিক টা দেখে চিনে নেন। সব সময় নেগেটিভ দিক টা নিয়েন না। কোন খাবারের মোড়কে লেখা খাবারের উপাদানগুলো মাঝে মাঝে আপনিও মেনে নেন না, তবু খাবার টা হয়ত খান। র্যাগিং এর বিরুদ্ধে গেটে ব্যানার লাগানো মানেই যে এখন ক্যাম্পাসে রাত কাটালেই র্যাগ খেতে হবে এমন ব্যাপার নয়।
১৯|
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:২০
বিত্তবান ফকির বলেছেন: আমার বোন যদি এমন অপরাধ করে তাহলে সে দায় কিছুটা আমারও। আর আমার বোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। সে এমন কখনই করবে না। যে অন্য আরেকটা মেয়েকে র্যাগ দিবে।
২০|
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৮
আমার অন্তর বলেছেন: সম্পূর্ণ মিথ্যা ঘটনা। পোস্ট স্টিকি করার আবেদন জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মোর জ্বালা। সুন্দর পোস্ট।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৫১
ঠোঁটকাটা বলেছেন: কিছু না হলেই ভাল। কিন্তু আমরা ঘরপোড়া গরু। এখনকার পরিবেশ কী তা আমি জানি না। কিন্তু আগের অনেক কিছুই জানি যা খুবই অপ্রীতিকর। আশা করব আপনারা আরও সতর্ক হবেন।