নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইন্দ্রজাল

ইন্দ্রজাল › বিস্তারিত পোস্টঃ

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত না ভন্ডামী ও চামচামী? দেখুন এদের আসল চিত্র

২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৪

নামধারী আহলে সুন্নাতের কিছু কাজের ফিরিস্তি:





১-আমাদের মুখ অপবিত্র, তাই মাজারের কবরের আউলিয়াএ কে মিডীয়া ধরে আল্লাহর কাছে চাইতে হবে" এমন ওয়াজ প্রকাশ্যেই করে থাকে এসব ভন্ডরা।

২ রাস্তার মোড়ে মোড়ে সপ্নে প্রাপ্ত মাজার বসিয়ে তাদের পেট চলে,

৩ ওরস, মান্নতের নামে মোশ জবাই এর উতসবে এরা পারদর্শি, এতে প্রচুর পরিমান হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও যোগ দেয়

৪। হিন্দু দের ন্যায় এক এক চাহিদা পুরনের জন্য এক এক বাবার মাজার

- পরালেখার জন্য মিস্কিন শাহ্রর মাজার (চট্টগ্রাম ও মহসিন কলেজের পাশে)

- চিকিৎসার জন্য বদনা শাহ (চট্টগ্রাম মেডীকেলের পাশে)

- সন্তানের জন্য নেংটা ফকিরের মাজার

[-টাকা পয়সার জন্য গরীব উল্লাহ শাহ র মাজার

৫ মাজারে এরা সেজদা করে প্রায় সময়,

৬ আজানের পরে এবং আগে নুতন এডিশন নিয়ে এসেছে।

৭ আমাদের নবী (সাঃ ) কে নুরের তৈরি মনে করে

৮ তাহের সাহেবকে আওলাদে রসূল দাবী করে। অথচ এটা একটা ডাহা মিথ্যা ।

৯ মোহাম্মদ (সাঃ ) এর জন্মদিন পালনের ন্যায় হিন্দুদের জমাস্টমীর মত রেলী করে

১০ তাবলীগ জামাত কে সব সময় হেয় করে

১২ কওমী মাদ্রাসা কে ওহাবি বলে

১৩। ব্রীটিশ এর খন্ডীত ইসলামী শিক্ষার মাধ্যমে এদের জন্ম

১৪ হাট হাজারি মাদ্রাসা হতে কোরান ও হাদিসের চরম অবমাননার (এই ব্যপারে আলাদা পোস্টই হতে পারে, কেউ থাকলে দিয়েন)জন্য বহিস্কৃত তথাকথিত শেরে বাঙলা মাওলানা এদের এখান কার আদর্শ

১৫। এই ধারার সাথে একাত্ববোধ করে বেশির ভাগ লোকই আওয়ামী লীগ সম্ররথক,

১৬। চট্টগ্রামের কেন্দদ্রীইয় ছাত্রলীগে এদের ভাব ধারার লোকের সংখ্যায় বেশি

১৭। এদের রাজনৈতিক বেনার ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ, প্রতীক মোম্বাতি (মাজারে মোম্বাতি দেয়ার ব্যবসা হতে হয়ত তারা এই প্রতীক নিছে)

১৮ গান-বাজনা,ছেমার মাধ্যমে এবাদত, রাত বিরাতে মানুসের ঘুম নস্ট করা চট্টগ্রামের মানুষ ভালই জানে

১৯, মাদানী কাফেলা(স্থানীয় ভাবে মুনিরীয়া যুব তাবলীগ নামে পরিচিত) নামে পরিচিত (মাদাণী টিভি ও সবুজ পাগড়ী ওয়ালা) এদের সাথে আকিদা গত বিশাল মিল থাকলেও ঝামেলা আছে "গাউসুল আজম " নিয়ে। এদের গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী, মুনিরিয়া দের গাউসুল আজম তফাজ্জল আহম্মদ মুনিরি (এ নিয়ে এদের গত কয়েক বছর আগে বিশাল মারা মার হয়েছিল)। ্যদিও সত্যিকার অর্থে গাউসুল আজম পদবী শব্দটা আল্লাহতাআলা ছাড়া কারো জন্য খাটানো , আল্লাহর শানে শিরকের সমতুল্য ।

তাদের বাবার গাউসুল আজম টাইটেল বাঁচাতে যেভাবে জিহাদী জোশে নেমেছিল, হযরত মোহাম্মদ সাঃ এর অবমাননার প্রতিবাদে কোন দিন এদের মাঠে দেখা যায়নি , এবার তারা নামছে হেফাজতে ইসলাম ও জামাতে ইসলাম কে ঠেকানোর নিয়তে হেফাজতে আওয়ামী লীগের ভুমিকায়।

আহলে ....খুরাফাত ওয়াল বিদাত। ভাবছেন এ আবার কোন দল !!? না আমি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত নামধারী কতিপয় দরবারী খেজুরের কথা বলছি। তবে এর আগে শব্দ গুলোর বিশ্লেষণ করে নেই: আহলে খুরাফাত = কুসংস্কারে অধিকারিগন, ওয়াল বিদাত= ধর্মে অধর্মের অনুপ্রবেশ ঘটনকারিগন, আর হ্যা এটাই এদের পরম পরিচয়, কারণ কাল মানুষকে লাল মিয়া নাম রাখলে যেমন সে লাল রংয়ের হয় না। তেমনি বেদাত,শিরক ও কুসংষ্কার পালনকারি এসব খেজুররা তাদের নাম আহলে সুন্নাহ দিলেই তারা সুন্নী বা রসূলের অনুসারী দল হয় না। এসব নামধারী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত বৃহত্তর উপমহাদেশে বেরলভি-সুন্নী-কাদেরী- চিস্তি ইত্যাদি নামে যেসব কুসংষ্কার ও বিদাতের সংযোজন করে তার ফিরিস্তি দেয়ার আগে এদের রাজপথে নামার নেপথ্যে বলে নেই।

হেফাজতে ইসলাম যখন দেশের নাস্তিক্যবাদ-স্যেকুলিজম-ফ্যাসিবাদ-অধর্মের বিরুদ্ধে সেচ্ছার তখন সরকারের স্পষ্ট মদদপুস্ট কতিপয় দরবারি মোল্লারা বি পার্ট নিয়ে রাজপথে নেমেছে। এদের সর্বাগ্রে রয়েছে তরিকত ফেডারেশন-ফরিদুদ্দীন মাসুদ-ওলামালীগ ও সর্বশেষ সংষ্করণ হলে এই " আহলে খুরাফাত ওয়াল বিদাত"



মন্তব্য ১১ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৯

টিনের বাড়ী বলেছেন: ৭ নং ঠিকই আছে ।

দলিল দেখুন -

“নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট মহান আল্লাহ্‌ পাক-এর পক্ষ হতে এক মহান নূর এবং একখানা সুস্পষ্ট কিতাব এসেছে।” (সূরা মায়িদা-১৫)
উল্লেখ্য, এ আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ্‌ পাক “নূর” শব্দ দ্বারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেই বুঝিয়েছেন, যেহেতু তিনি আপাদমস্তক “নূর বা নূরের তৈরি।”
এ প্রসঙ্গে “তাফসীরে আবী সাউদ”-এর ৩য় জিঃ ১৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, “বর্ণিত আয়াত শরীফের প্রথম শব্দ অর্থাৎ ‘নূর’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম; আর দ্বিতীয় শব্দ অর্থাৎ ‘কিতাবুম মুবীন’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- কুরআন শরীফ।”
হাদীছ শরীফে উল্লেখ আছে, “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহ পাক্‌-এর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্‌ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হয়ে যাক। আপনি আমাকে জানিয়ে দিন যে, আল্লাহ্‌ পাক সর্ব প্রথম কোন জিনিস সৃষ্টি করেছেন?
তিনি বললেন, হে জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ পাক সবকিছুর পূর্বে আপনার নবীর নূর মুবারককে সৃষ্টি করেছেন। অর্থাৎ আল্লাহ পাক-এর প্রথম সৃষ্টিই হচ্ছে “নূরে হাবীবী” ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” (মসনদে আব্দুর রায্‌যাক)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে নূরের সৃষ্টি বা “নূরে মুজাস্‌সাম” তা নিম্নোক্ত বর্ণনা দ্বারাও প্রমাণিত হয়:
যেমন হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন- হে আমার রব! আমাকে কি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন? জবাবে আল্লাহ্‌ পাক বলেন, হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি আমার (সৃষ্টিকৃত) সাদা নূর (যা নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্বচ্ছতা ও নির্মলতার প্রতি লক্ষ্য করলাম, যে নূরকে আমি কুদরতের দ্বারা আমার হুকুমে প্রথমেই সৃষ্টি করে রেখেছিলাম।
আমি সম্মান প্রকাশার্থে উক্ত নূরকে অর্থাৎ আমার নূর বলে সম্বোধন করি। অতঃপর উক্ত নূর থেকে একটি অংশ বের করে নিলাম অর্থাৎ “নূরে হাবীবী” ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তিন ভাগে ভাগ করলাম। প্রথম ভাগ দ্বারা আপনাকে অর্থাৎ আপনার আকৃতি মুবারককে ও আপনার আহলে বাইতকে সৃষ্টি করি, দ্বিতীয় ভাগ দ্বারা আপনার স্ত্রী ও ছাহাবীগণকে সৃষ্টি করি, আর তৃতীয় ভাগ দ্বারা যারা আপনার প্রতি মুহব্বত রাখেন তাঁদেরকে সৃষ্টি করেছি”.....(নূরে মুহম্মদী- ৪৭)”
অতএব, প্রমাণিত হলো যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দেহ মুবারক সৃষ্টির উপাদান হচ্ছে- “মূল নূরে হাবীবী।” যে ‘নূরে হাবীবী’ হযরত আদম আলাইহিস্‌ সালাম থেকে হযরত খাজা আব্দুল্লাহ্‌ আলাইহিস্‌ সালাম হয়ে মা হযরত আমিনা আলাইহাস্‌ সালাম-এর রেহেম শরীফে সম্পূর্ণ কুদরতীভাবে স্থান নিয়েছিল। আমাদের অবস্থা কিন্তু তার সম্পূর্ণই ব্যতিক্রম। যদি তাই হয়, তবে একথা কি করে বলা যেতে পারে যে, রসূল আমাদের মত।”
আকৃতিগতভাবে মেছাল আমাদের মত, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কোন দিক দিয়েই আমাদের মত নন, বরং তিনি আমাদের থেকে সৃষ্টিগত উপাদান, কর্মকাণ্ডে ও মর্যাদায় ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে সম্পূর্ণরূপে আলাদা অর্থাৎ এক কথায় সৃষ্টির মাঝে তাঁর তুলনা তিনি এককভাবে নিজেই। যেমন আল্লাহ্‌ পাক স্রষ্টা হিসেবে তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। তদ্রুপ সৃষ্টির মধ্যে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এরও সমকক্ষ কেউ নেই। কোনদিক দিয়েই না।
“সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরে মুজাস্‌সাম বলেই তাঁর শরীর মুবারকের কোন ছায়া ছিল না।”
এ প্রসঙ্গে বিখ্যাত ও প্রসিদ্ধ “নাওয়াদেরুল উছূল” কিতাবে হাদীছ শরীফ বর্ণিত আছে যে, হযরত হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি “নাওয়াদেরুল উছূল” কিতাবে হযরত জাকওয়ান রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণনা করেন। নিশ্চয়ই সূর্য ও চাঁদের আলোতেও সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর “ছায়া মুবারক” দেখা যেত না।”
হযরত আল্লামা ইবনে সাবা রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর “শিফাউস সুদুর” কিতাবে লিখেছেন,
অর্থঃ- “নিশ্চয়ই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম-এর ছায়া মুবারক যমীনে পড়তো না। কেননা তিনি ছিলেন নূর। অতঃপর যখন তিনি সূর্য অথবা চাঁদের আলোতে হাঁটতেন তখন তাঁর ছায়া মুবারক দৃষ্টিগোচর হতো না।”
এ প্রসঙ্গে “শরহে মাওয়াহেবুল লাদুন্নীয়া শরীফে” উল্লেখ আছে, “চাঁদ ও সূর্যের আলোতেও হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছায়া মুবারক ছিল না। কেননা তিনি নূর ছিলেন।” (আর নূরের কোন ছায়া নেই)
ইমামুল আল্লাম, জালালু মিল্লাত ওয়াদ্বীন, আল্লামা জালালুদ্দীন সূয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর “আনমুযাজুল লবীব ফী খাছায়িসিল হাবীব” ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দ্বিতীয় বাবের চতুর্থ অধ্যায়ে লিখেন- “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছায়া মুবারক মাটিতে পড়েনি। চাঁদ ও সূর্যের আলোতেও তাঁর ছায়া মুবারক দেখা যেতো না। হযরত আল্লামা ইবনে সাবা রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন- হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু সম্পূর্ণ নূর ছিলেন সেহেতু তাঁর ছায়া মুবারক ছিল না। হযরত ইমাম রাজীন রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, অবশ্যই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নূর সমস্ত কিছুকে ছাড়িয়ে যেতো।”
এ প্রসঙ্গে “শেফা শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নূরের দেহ মুবারকের ছায়া মুবারক সূর্য ও চাঁদের আলোতেও পড়তো না। কেননা তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ নূর।”
অনুরূপভাবে “আফযালুল কোরায়” উল্লেখ আছে, “নিশ্চয়ই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘নূর’ ছিলেন। নিশ্চয়ই তিনি যখন চাঁদ ও সূর্যের আলোতে হাঁটতেন তখন তাঁর ছায়া মুবারক প্রকাশ পেতো না।”
বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা শিহাবুদ্দীন খাফফাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি “নাসীমুর রিয়াজ” নামক কিতাবে লিখেন যে, “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর “নবুওওয়াতের” প্রমাণের মধ্যে এটাও একটি প্রমাণ যে, তাঁর শরীর মুবারকের ‘ছায়া মুবারক’ ছিল না। যখন তিনি সূর্য ও চন্দ্রের আলোতে হাঁটতেন তখনও তাঁর “ছায়া মুবারক” পড়তো না। কেননা তিনি (আপাদ মস্তক) “নূর”। ... কিতাবুল ওয়াফা-এর লেখক, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণনা করেন, “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর “ছায়া মুবারক” ছিল না। তাঁর নূরের উজ্জলতা সূর্য ও বাতির আলোর উপর প্রাধান্য লাভ করতো ...।”
এ প্রসঙ্গে “ফয়জুল ক্বাদীর শরহে জামিউছ্‌ ছগীর” কিতাবের ৩য় জিঃ, ৭৬৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, “হযরত আবুল উজাফা হতে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমার বিলাদতের সময় আমার মাতা হযরত আমিনা আলাইহাস্‌ সালাম দেখেন যে, একখানা “নূর মুবারক” তাঁর থেকে আলাদা হয়ে বছরা শহরের দালান-কোঠা সমূহ আলোকিত করে ফেলেছে।”
“বুলুগুল আমানী” কিতাবের ২০ জিঃ, ১৮৩ পৃষ্ঠায় এ হাদীছ শরীফখানা বর্ণিত আছে যে, “হযরত ওসমান ইবনে আবিল আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, যে রাত্রে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিলাদত লাভ করেন, সে রাত্রে আমার মাতা হযরত আমিনা আলাইহাস্‌ সালাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সে রাত্রে আমি ঘরের ভিতর ‘নূর’ ব্যতীত কিছুই দেখিনি।”
শুধু তাই নয়, আরশ-কুরসী, লউহ-ক্বলম, জান্নাত-জাহান্নাম, চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-তারকা এমনকি সমস্ত কুল-ক্বায়িনাত সৃষ্টি হয়েছে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নূর মুবারক থেকে।
এ প্রসঙ্গে বিশ্বখ্যাত কিতাব মাদারিজুন নুবুওওয়াতে উল্লেখ আছে,
“আল্লাহ পাক সর্ব প্রথম আমার নূর মুবারক সৃষ্টি করেছেন, এবং সব কিছুই সৃষ্টি হয়েছে আমার নূর মুবারক থেকে।”
তিনি যখন রাস্তায় চলতেন তখন সেই রাস্তায় নূরে ঝলমল করত। তিনি আপাদমস্তক নূর তার জ্বলন্ত প্রমাণ হল হযরত আয়িশা ছিদ্দিক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা-এর বর্ণিত হাদীছ শরীফ। যেমন- হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাত্রে বাতির আলোতে বসে নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাপড় মুবারক সিলাই করতেছিলাম। এমন সময় বাতিটি নিভে গেল এবং আমি সুঁচটি হারিয়ে ফেললাম। এর পরপরই নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। তাঁর চেহারা মুবারকের নূরের আলোতে আমার অন্ধকার ঘর আলোকময় হয়ে গেল এবং আমি নূরের আলোতে আমার হারানো সুঁচটি খুজে পেলাম। (সুবহানাল্লাহ)
কাজেই কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের অসংখ্য দলীল আদিল্লাহ এর ভিত্তিতে প্রতিভাত হলো যে, আখিরী নবী হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরে মুজাস্‌সাম তথা আপাদমস্তক নূর, তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ করলে কাফির হওয়া ছাড়া কোন পথই নেই। যার সাক্ষী স্বয়ং আল্লাহ পাক।
পরিশেষে মহান আল্লাহ পাক-এর দরবার শরীফে এই আরযী যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নূরে মুজাস্‌সাম তথা আপাদমস্তক নূর এই আক্বীদায় আক্বীদাভুক্ত করে আল্লাহ পাক-এর সন্তুষ্টি এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সন্তুষ্টি রিযামন্দী হাছীল করার তাওফীক্ব দান করুন। (আমীন)

২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:১৪

ইন্দ্রজাল বলেছেন: قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَمَن كَانَ يَرْجُو لِقَاء رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا
110
বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে sura kahf 110

২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:১৭

ইন্দ্রজাল বলেছেন: وَمَا مَنَعَ النَّاسَ أَن يُؤْمِنُواْ إِذْ جَاءهُمُ الْهُدَى إِلاَّ أَن قَالُواْ أَبَعَثَ اللّهُ بَشَرًا رَّسُولاً
94
আল্লাহ কি মানুষকে পয়গম্বর করে পাঠিয়েছেন? তাদের এই উক্তিই মানুষকে ঈমান আনয়ন থেকে বিরত রাখে, যখন তাদের নিকট আসে হেদায়েত।

قُل لَّوْ كَانَ فِي الأَرْضِ مَلآئِكَةٌ يَمْشُونَ مُطْمَئِنِّينَ لَنَزَّلْنَا عَلَيْهِم مِّنَ السَّمَاء مَلَكًا رَّسُولاً
95
বলুনঃ যদি পৃথিবীতে ফেরেশতারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করত, তবে আমি আকাশ থেকে কোন ফেরেশতাকেই তাদের নিকট পয়গাম্বর করে প্রেরণ করতাম।

قُلْ كَفَى بِاللّهِ شَهِيدًا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ إِنَّهُ كَانَ بِعِبَادِهِ خَبِيرًا بَصِيرًا
96
বলুনঃ আমার ও তোমাদের মধ্যে সত্য প্রতিষ্ঠাকারী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি তো স্বীয় বান্দাদের বিষয়ে খবর রাখেন ও দেখেন।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:৩২

ইন্দ্রজাল বলেছেন: আল্লাহর রসূল জগতবাসীর জন্য আলোকবর্তিকা্ । এর মানে এই নয় যে তিনি একটা টিউবের লাইট বা চেরাগ। কোরান তো তাকে চেরাগো বলেছে। এসব অপব্যাখা বাদ দিয়ে সোজা সাপ্টা ভাবে কোরান পড়ুন। মৌলিক আরবী জ্ঞান থাকলে যেসব তাফসিরের কিতাবের রেফারেন্স দিছেন সেগুলা পড়ুন। খামাখা সাল্লামোল্লাদের লেখা কপিপেস্ট দিবেন না।

আল্লাহর রসূল স: জাহেলি অন্ধকারের বিপরীতে আলো বা নুর এবং মানবীয় অর্থে আল্লাহ তার রুহ থেকে বাবা আদম আ: কে রুহ প্রদানের মাধ্যমে নূর প্রদান করেছেন সেই নুরের সবচাইতে বেশী মহানবী স: এর নিকট। এর অর্থ এই নয় যে তিনি সশরীরে একেবারেই কেবল ই নূরের তৈরি। কেবল নূরের তৈরি জাতি হলো ফেরেস্তা।
আর মানুষ হলো মাটি ও আল্লাহ প্রদত্ত রুহের মিশ্রন। যদি নবী স: কে নূর জ্ঞান করেন তবে তাকে মানুষ না বলে ফেরস্তা বলা হতো। অথচ কোরান বারবারই এ বিষয়টি স্পষ্ট করেছে যে আল্লা মাটির মানুষের জন্য তাদের মধ্য থেকেই মাটি রক্তে তৈরি মানুষকেই যূগে যূগে নবী রসূল বানিয়ে পাঠিয়েছেন। আর এই নবী রসূলদের সকলের সর্দার হলেন সর্বশেষ মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ।

আজ যে সমাজ তাকে মানুষ না বলে ফেরেস্তা বলার চেষ্টায় লিপ্ত তারা মুলত বিভ্রান্ত একদল নামধারী মুসলিম। সেই পুরানো কথাকেই নুতন সাজে সাজিয়েছে। খুব লক্ষ্য করে নীচের আয়াতগুলো পড়ুন: সূরা ইসরা বা বনী ইসরায়েল:
أَوْ يَكُونَ لَكَ بَيْتٌ مِّن زُخْرُفٍ أَوْ تَرْقَى فِي السَّمَاء وَلَن نُّؤْمِنَ لِرُقِيِّكَ حَتَّى تُنَزِّلَ عَلَيْنَا كِتَابًا نَّقْرَؤُهُ قُلْ سُبْحَانَ رَبِّي هَلْ كُنتُ إَلاَّ بَشَرًا رَّسُولاً
93
অথবা আপনার কোন সোনার তৈরী গৃহ হবে অথবা আপনি আকাশে আরোহণ করবেন এবং আমরা আপনার আকাশে আরোহণকে কখনও বিশ্বাস করবনা, যে পর্যন্ত না আপনি অবতীর্ণ করেন আমাদের প্রতি এক গ্রন্থ, যা আমরা পাঠ করব। বলুনঃ পবিত্র মহান আমার পালনকর্তা, একজন মানব, একজন রসূল বৈ আমি কে?

وَمَا مَنَعَ النَّاسَ أَن يُؤْمِنُواْ إِذْ جَاءهُمُ الْهُدَى إِلاَّ أَن قَالُواْ أَبَعَثَ اللّهُ بَشَرًا رَّسُولاً
94
আল্লাহ কি মানুষকে পয়গম্বর করে পাঠিয়েছেন? তাদের এই উক্তিই মানুষকে ঈমান আনয়ন থেকে বিরত রাখে, যখন তাদের নিকট আসে হেদায়েত।

قُل لَّوْ كَانَ فِي الأَرْضِ مَلآئِكَةٌ يَمْشُونَ مُطْمَئِنِّينَ لَنَزَّلْنَا عَلَيْهِم مِّنَ السَّمَاء مَلَكًا رَّسُولاً
95
বলুনঃ যদি পৃথিবীতে ফেরেশতারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করত, তবে আমি আকাশ থেকে কোন ফেরেশতাকেই তাদের নিকট পয়গাম্বর করে প্রেরণ করতাম।

قُلْ كَفَى بِاللّهِ شَهِيدًا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ إِنَّهُ كَانَ بِعِبَادِهِ خَبِيرًا بَصِيرًا
96
বলুনঃ আমার ও তোমাদের মধ্যে সত্য প্রতিষ্ঠাকারী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি তো স্বীয় বান্দাদের বিষয়ে খবর রাখেন ও দেখেন।

২| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:১১

মাহমুদুর রাহমান বলেছেন: ভাই আমি নিজে একজন সুন্নি মনে হয়। কিনতু এরা কারা?

৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:৩১

বাঘ মামা বলেছেন: আপনার প্রথম জবাবে এটা কি সুরা ক্বাফ এর ১১০ নং আয়াত?

৪| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:০১

আলতামাশ বলেছেন: টিনের বাড়ি একটা রাজারবাগির পেইড ব্লগার

৫| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:২২

এম আবু জাফর বলেছেন: ১৯, মাদানী কাফেলা(স্থানীয় ভাবে মুনিরীয়া যুব তাবলীগ নামে পরিচিত) নামে পরিচিত (মাদাণী টিভি ও সবুজ পাগড়ী ওয়ালা

এখানে আপনার জানার ভুল আছে।
মাদানী কাফেলা বলতে বুজায় দাওয়াতি ইসলামি দের কে। যারা পাকিস্থানি হুজুরের অনুসারী।
আশাকরি সংশোধন করে দিবেন।

৬| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:২৭

সত্য কথা বলি বলেছেন: ভন্ড রাজারবাগীদের লেখা পড়লেই বুঝা যায়। এদের মত কোরআন-হাদীছের অপব্যাখ্যাকারী দুনিয়াতে খুবই কম। তবে পথভ্রষ্ট শিয়াদের সাথে এদের মিল আছে।

৭| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:৪৩

ভারসাম্য বলেছেন: @ টিনের বাড়ী, আপনি বললেন,
“সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরে মুজাস্‌সাম বলেই তাঁর শরীর মুবারকের কোন ছায়া ছিল না।”

অথচ যে কারো স্বাভাবিক কমন সেন্স থেকেই বলে দেয়া যায় যে কারো ক্ষেত্রে যদি এরূপ কথিত 'ছায়া না থাকার' ব্যাপার ঘটে থাকে তাহলে সেটা একটা অলৌকিক ব্যাপার হিসেবে সবার কাছেই দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কি কাউকে এই কথিত বৈশিষ্ট্যের কথা বলে অথবা দেখিয়ে ইসলাম প্রচার করেছেন! আর কেউ না হোক রাসুলুল্লাহ্‌র (সাঃ) অনুসারীগণ অন্ততঃ অন্যদের কাছে তাঁর এই বৈশিষ্ট্য জাহির করে বেড়াত। রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এর ক্ষেত্রে এমন একটা উদাহরণও কি দেখাতে পারবেন। এমনকি কোন জাল হাদীসও হয়তো পাওয়া যাবেনা। এত বড় একটা ব্যাপার অথচ তাঁর(সাঃ) হাজার হাজার সাহাবীগণের (রাঃ) কেউই এ ব্যাপারে কাউকে কিছু বললেন না এটা অসম্ভব।

সামান্য এই কমন সেন্সও কি আপনাদের হয়না! আল্লাহ মাটির তৈরী মানুষকেই আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা বলেছেন আর সেই মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মানুষটির শরীরের সৃষ্টিগত মূল উপাদান মাটি না হয়ে ভিন্ন কিছু হবে এমন ভাবারতো প্রয়োজন নেই। সৃষ্টিগত মূল উপাদানগুলোর মধ্যে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন উত্তম/অধম বলে কোন ধারণা তৈরী হতে পারেনা যতক্ষণ না আল্লাহ কোন একটা কিছুকে অন্যটির চেয়ে উত্তম/অধম নির্ধারণ করে না দিয়েছেন। অথচ এই বিভ্রান্তি থেকেই শয়তান তার সৃষ্টিগত উপাদান হিসেবে আগুনের শিখাকে মাটির চেয়ে উত্তম জ্ঞান করেছিল।

যেখানে আল্লাহর আদেশে নূরের তৈরী ফেরেশতারা সবাই মাটির মানুষ আদম(আঃ) কে সেজদা করার মাধ্যমে মাটির মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে নিয়েছিল সেখানে শয়তান শুধু তার অহংকারজাত বিভ্রান্তি থেকে আগুন থেকে তৈরী নিজেকে মাটির মানুষের চেয়ে উত্তম জ্ঞান করে সিজদায় বিরত থেকে অভিশপ্ত ইবলিসে পরিণত হল।

এবার মাটির বৈশিষ্ট্যকে অবজ্ঞা করবার মাধ্যমে আপনাদের অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটা স্বাভাবিক জ্ঞানে একটু চিন্তা করে দেখুন।

৮| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:০৮

বিডিওয়েভ বলেছেন: এদের আসল চিত্র

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.