নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইন্দ্রজাল

ইন্দ্রজাল › বিস্তারিত পোস্টঃ

নুতন সাজেঁ পুরান বউ। বেরলভীদের "আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত" নিক ও হাচা কথা

২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:৫৬

আমার আগের পোস্টের একটি মন্তব্যের জাবাব লিখতে গিয়ে আবারো পূর্ন একটি দিতে হল।



হেফাজতে ইসলামীর আমীর হযরত আল্লামা আহমদ শফী (দামাত বারাকাতুহ) মরহুম আশরাফ আলি থানভী, কাসেম নানতুভী (দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা) ইলিয়াস কান্ধালভী (তাবলিগ জামাতের গোড়াপত্তনকারী ) সহ আরো বড়বড় জগদ্বি্খ্যাত আলেমদের ব্যাপারে অভিযোগ তারা মহানবী স: কে মাটির মানুষ বলেন, বড়ভাইয়ের মত বলেন, সর্দারের মত বলেন ইত্যাদি ইত্যাদি। কোরান সুন্নাহের স্পষ্ট ভাষ্য ইনারা বুঝলেন না বুঝলো কেবল বেরলভী আর আমাদের দেশের কবর পুজারী নামধারী মুসলিমরা। !!!



আল্লাহর রসূল জগতবাসীর জন্য আলোকবর্তিকা্ । এর মানে এই নয় যে তিনি একটা টিউবের লাইট বা চেরাগ। কোরান তো তাকে চেরাগো বলেছে। এসব অপব্যাখা বাদ দিয়ে সোজা সাপ্টা ভাবে কোরান পড়ুন। মৌলিক আরবী জ্ঞান থাকলে যেসব তাফসিরের কিতাবের রেফারেন্স দিছেন সেগুলা পড়ুন। খামাখা সাল্লামোল্লাদের লেখা কপিপেস্ট দিবেন না।



আল্লাহর রসূল স: জাহেলি অন্ধকারের বিপরীতে আলো বা নুর এবং মানবীয় অর্থে আল্লাহ তার রুহ থেকে বাবা আদম আ: কে রুহ প্রদানের মাধ্যমে নূর প্রদান করেছেন সেই নুরের সবচাইতে বেশী মহানবী স: এর নিকট। এর অর্থ এই নয় যে তিনি সশরীরে একেবারেই কেবল ই নূরের তৈরি। কেবল নূরের তৈরি জাতি হলো ফেরেস্তা।

আর মানুষ হলো মাটি ও আল্লাহ প্রদত্ত রুহের মিশ্রন। যদি নবী স: কে নূর জ্ঞান করেন তবে তাকে মানুষ না বলে ফেরস্তা বলা হতো। অথচ কোরান বারবারই এ বিষয়টি স্পষ্ট করেছে যে আল্লা মাটির মানুষের জন্য তাদের মধ্য থেকেই মাটি রক্তে তৈরি মানুষকেই যূগে যূগে নবী রসূল বানিয়ে পাঠিয়েছেন। আর এই নবী রসূলদের সকলের সর্দার হলেন সর্বশেষ মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ।



আজ যে সমাজ তাকে মানুষ না বলে ফেরেস্তা বলার চেষ্টায় লিপ্ত তারা মুলত বিভ্রান্ত একদল নামধারী মুসলিম। সেই পুরানো কথাকেই নুতন সাজে সাজিয়েছে। খুব লক্ষ্য করে নীচের আয়াতগুলো পড়ুন: সূরা ইসরা বা বনী ইসরায়েল:

أَوْ يَكُونَ لَكَ بَيْتٌ مِّن زُخْرُفٍ أَوْ تَرْقَى فِي السَّمَاء وَلَن نُّؤْمِنَ لِرُقِيِّكَ حَتَّى تُنَزِّلَ عَلَيْنَا كِتَابًا نَّقْرَؤُهُ قُلْ سُبْحَانَ رَبِّي هَلْ كُنتُ إَلاَّ بَشَرًا رَّسُولاً

93

অথবা আপনার কোন সোনার তৈরী গৃহ হবে অথবা আপনি আকাশে আরোহণ করবেন এবং আমরা আপনার আকাশে আরোহণকে কখনও বিশ্বাস করবনা, যে পর্যন্ত না আপনি অবতীর্ণ করেন আমাদের প্রতি এক গ্রন্থ, যা আমরা পাঠ করব। বলুনঃ পবিত্র মহান আমার পালনকর্তা, একজন মানব, একজন রসূল বৈ আমি কে?



وَمَا مَنَعَ النَّاسَ أَن يُؤْمِنُواْ إِذْ جَاءهُمُ الْهُدَى إِلاَّ أَن قَالُواْ أَبَعَثَ اللّهُ بَشَرًا رَّسُولاً

94

আল্লাহ কি মানুষকে পয়গম্বর করে পাঠিয়েছেন? তাদের এই উক্তিই মানুষকে ঈমান আনয়ন থেকে বিরত রাখে, যখন তাদের নিকট আসে হেদায়েত।



قُل لَّوْ كَانَ فِي الأَرْضِ مَلآئِكَةٌ يَمْشُونَ مُطْمَئِنِّينَ لَنَزَّلْنَا عَلَيْهِم مِّنَ السَّمَاء مَلَكًا رَّسُولاً

95

বলুনঃ যদি পৃথিবীতে ফেরেশতারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করত, তবে আমি আকাশ থেকে কোন ফেরেশতাকেই তাদের নিকট পয়গাম্বর করে প্রেরণ করতাম।



قُلْ كَفَى بِاللّهِ شَهِيدًا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ إِنَّهُ كَانَ بِعِبَادِهِ خَبِيرًا بَصِيرًا

96

বলুনঃ আমার ও তোমাদের মধ্যে সত্য প্রতিষ্ঠাকারী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি তো স্বীয় বান্দাদের বিষয়ে খবর রাখেন ও দেখেন।



নবীপ্রেম এতদিন কোথায় গেছিলো? হাম্বালিগের বাজেট এতদিনে পাশ হলো তোমাদের জন্য তাই নবীপ্রমের নামে হেফাজতের মুখোশ! উম্মোচন!!!নের নামে পুরানো চর্বিত চর্বন করে এদের বি্ভ্রান্ত আক্বীদাকে আরো ভালো করে জানান দিয়ে গেল এই আহলে খোরাফাত ওয়াল বিদাআত পন্থীরা।



সবযূগের দরবারি আলেমরাই ইসলামের ক্ষতি করেছে। খলিফা মনসুরের যুগ থেকে আরম্ভ করে, এলাহি আকবর আর আমাদের হাসিনার দরবার পযর্ন্ত সবখানেই দরবারি আলেমরাই যূগেযূগে ইসলামের অপব্যাখা ও স্বার্থপর ফতোয়া দেয়।







মন্তব্য ৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:০৪

সত্য কথা বলি বলেছেন: এরা নিজেদেরকে "আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত" বলে দাবী করে কিন্তু এরা আসলে "আহলে বিদ'আত ওয়াল জামা'আত" । এমন কোন বিদয়াত নেই, যা তারা করেনা।

২| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:৩৫

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: দাবিদার আর নবীজীর জীবনাদর্শ এক নয়
যারা সঠিক তারা ইসলামের সত্য হেদায়েতে আর যারা ভ্রান্তি ঘটায়
তারা শয়তানের শামিল , নবীজীর ছুন্নাত অয়াল জামাতের ক্ষতি নয় ।

৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:৪৬

ভারসাম্য বলেছেন: পোষ্টে +++ ।


ওই পোষ্টেও কমেন্ট করেছি সেটা এখানেও দিলাম।

@ টিনের বাড়ী, আপনি বললেন,
“সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরে মুজাস্‌সাম বলেই তাঁর শরীর মুবারকের কোন ছায়া ছিল না।”

অথচ যে কারো স্বাভাবিক কমন সেন্স থেকেই বলে দেয়া যায় যে কারো ক্ষেত্রে যদি এরূপ কথিত 'ছায়া না থাকার' ব্যাপার ঘটে থাকে তাহলে সেটা একটা অলৌকিক ব্যাপার হিসেবে সবার কাছেই দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কি কাউকে এই কথিত বৈশিষ্ট্যের কথা বলে অথবা দেখিয়ে ইসলাম প্রচার করেছেন! আর কেউ না হোক রাসুলুল্লাহ্‌র (সাঃ) অনুসারীগণ অন্ততঃ অন্যদের কাছে তাঁর এই বৈশিষ্ট্য জাহির করে বেড়াত। রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এর ক্ষেত্রে এমন একটা উদাহরণও কি দেখাতে পারবেন। এমনকি কোন জাল হাদীসও হয়তো পাওয়া যাবেনা। এত বড় একটা ব্যাপার অথচ তাঁর(সাঃ) হাজার হাজার সাহাবীগণের (রাঃ) কেউই এ ব্যাপারে কাউকে কিছু বললেন না এটা অসম্ভব।

সামান্য এই কমন সেন্সও কি আপনাদের হয়না! আল্লাহ মাটির তৈরী মানুষকেই আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা বলেছেন আর সেই মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মানুষটির শরীরের সৃষ্টিগত মূল উপাদান মাটি না হয়ে ভিন্ন কিছু হবে এমন ভাবারতো প্রয়োজন নেই। সৃষ্টিগত মূল উপাদানগুলোর মধ্যে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন উত্তম/অধম বলে কোন ধারণা তৈরী হতে পারেনা যতক্ষণ না আল্লাহ কোন একটা কিছুকে অন্যটির চেয়ে উত্তম/অধম নির্ধারণ করে না দিয়েছেন। অথচ এই বিভ্রান্তি থেকেই শয়তান তার সৃষ্টিগত উপাদান হিসেবে আগুনের শিখাকে মাটির চেয়ে উত্তম জ্ঞান করেছিল।

যেখানে আল্লাহর আদেশে নূরের তৈরী ফেরেশতারা সবাই মাটির মানুষ আদম(আঃ) কে সেজদা করার মাধ্যমে মাটির মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে নিয়েছিল সেখানে শয়তান শুধু তার অহংকারজাত বিভ্রান্তি থেকে আগুন থেকে তৈরী নিজেকে মাটির মানুষের চেয়ে উত্তম জ্ঞান করে সিজদায় বিরত থেকে অভিশপ্ত ইবলিসে পরিণত হয়েছিল।

এবার মাটির বৈশিষ্ট্যকে অবজ্ঞা করবার মাধ্যমে আপনাদের অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটা স্বাভাবিক জ্ঞানে একটু চিন্তা করে দেখুন।

৪| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:২৭

সৈয়দ শমশের বীন মুর্তজা বলেছেন: কাকের মাংস নাকি কাক খায় না।
আচ্ছা - কুকুরের মাংস কি কুকুর খায়?

৫| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৩৭

সৈয়দ শমশের বীন মুর্তজা বলেছেন: এখন রাজনীতির বাজারে ধর্মব্যবসার রেট খারাপ যাচ্ছে না। তাই সবাই একবার ঝুল দিতে চায়। চামড়া আর দান খয়রাতের মাঝে থেকে এ যেন স্বর্ণ যুগ। হুজুরদের সবচেয়ে রহমতের সময় চলছে এখন।
জামাতের বিম্পি এত টেকা পয়সা খরচ কইরা হুজুরগো ঢাকা আনল। হুজুররা সামান্য কিছু মাল পাইয়া বেইমানি করলো। দখল নিয়ে বসে থাকার বদলে, তল্পি গুটায়ে বাড়ি হাটা।
এখন আবার আরেক "সন্নাহ পার্টি"। এদের কে কত দিবে দেখা যাক।
জনগন এসব দেখে বিনোদন নিক।

৬| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৫২

প্রকৌশলী রিয়াদ হাসান চৌধুরী বলেছেন: সৈয়দ শমশের বীন মুর্তজা বলেছেন: কাকের মাংস নাকি কাক খায় না।
আচ্ছা - কুকুরের মাংস কি কুকুর খায়?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.