| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কারা নিবেন তার জন্য হয় জাতীয় নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচনে যে রাজনৈতিক দল জয়লাভ করে সে দল সরকার গঠনের সুযোগ পায়। সরকার গঠন করে শপথবাক্য পাঠ করলেই সে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গ হয়ে উঠে সে তখন আর ঐ রাজনৈতিক দলের সরকার নন বরং প্রত্যেক নাগরিকের সরকার। আর এইসব নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য। সম্প্রতি সারাদেশে যেহারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে তা চরম উৎকন্ঠায় নিমজ্জিত করেছে সাধারন জনগনকে। সাধারন জনগনকে সরকার বার বার বলছে আইনশৃংখলা ও নিরাপত্তা সরকারের নিয়ন্ত্রনে আছে যা হাস্যকর মনে হল প্রধানমন্ত্রীর আদেশ এর পর, তিনি বললেন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি গড়ে তোলার। এর মানে কী? সরকার ব্যর্থ? দায়িত্ব দিচ্ছেন তার পেটোয়া বাহিনীর হাতে বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করার গোপন চুক্তির বলে।
২|
১১ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:৪২
রূপসা ০০৭ বলেছেন: বর্তমান সরকার জনগনের সরকার এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। সৎ লোকের পরিচয় দান করা জামায়াত-শিবির দেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিকে পুজিকরে দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছে। পরাজিত পাক বাহিনীর দোসর এই অপশক্তি দেশে পাকিস্তানি আকিদা বাস্তবায়নের জন্য মরন পন আঘাত হানছে। সেজন্য সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার স্বার্থে গ্রামে গ্রামে সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি গঠন করার আহবান অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। সরকার বিশ্বাস করে এর মাধ্যমে শিবির এর জ্বালাও পোড়াও কার্যক্রম হ্রাস পাবে। তবে আমাদের সবারই একটি কথা মনে রাখা উচিত, সন্ত্রাস দমনে শুধু সরকারের ভুমিকা থাকবে এমন নয়, এবিষয়ে জনগণকে হতে হবে সোচ্চার। তবেই না দেশে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে আসবে, দেশ প্রগতির পথে এগিয়ে যাবে।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১:১৬
M R Rana বলেছেন: ৪২ বছর ধরে যে আগাছা বেড়েছে তা তুলতে বেগতো পেতেই হবে।
এনি ওয়ে, আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান তো ??????????