নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

যাযাবর মন: একজন সাদাসিধা মানুষ

বাংলা ভাষায় ঈ, ঊ, ূ, ী, ণ, ষ এর মত নিয়ম সর্বস্ব বর্ণগুলোর পৃথক কোন ব্যবহারিক ধ্বনি নাই

মন যাযাবর

খুবই সাধারণ, একটু আবেগপ্রবন, স্সানবিশেষে খানিকটা গোয়ারর্তুমিও আছে

মন যাযাবর › বিস্তারিত পোস্টঃ

শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি: ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকেই এটা বন্ধ হোক।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬

শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকলে ধর্ম-চর্চায় আলাদা করে কি উন্নতি হচ্ছে তা আমাদের আলেম সমাজ একটু ব্যাখ্যা করে বুঝালে খুব ভাল হোত। ইসলাম চর্চায় কোন ইগোর স্থান নেই। আর ধর্মচর্চাকে ঠিক রেখে যদি আমাদের দৈনন্দিন কাজ সহজ ও কার্যকর হয় সেটা ধর্মচর্চাকেই উৎসাহিত করে। শুক্রবার সাপ্তাহিত ছুটি হলে ধর্মীয়ভাবে যে ক্ষতিগুলো হয় তা নিম্নরুপ: [আমি তথ্যগুলো আলেম সাহেবদের কাছ থেকেই পেয়েছি]



১. উইকেন্ড নাইট: সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার হওয়াতে বৃহশ্প্রতিবার দিবাগত রাত হচ্ছে আমাদের "উইকেন্ড নাইট"। তাই শহরের যত ধরনের আনন্দ ফুর্তি [সবাই জানে] এই রাতেই হয়। অথচ বৃহশ্প্রতি দিবাগত রাতকে শবে কদরের রাতের সাথে তুলনা করা হয়েছে। তর্কের খাতিরে বলাই যায় যে যা পাপ তা সবসয়ই পাপ। কিন্তু ইসলামেই এই রাতকে বিশেয়ায়িত করা হয়েছে। শুক্রবার ছুটির দিন না হলে এই কাজটা হোত না।



২. জুমার নামাজ: অতীতে [১৯৮২ পূর্ব] শুক্রবার অর্ধেকদিন ছুটি থাকত। ফলে সবাই এই দিনের এই সুবিধাকে শুধুমাত্র জুমার নামেজেই ব্যয় করত; অন্য কার্যক্রম হাতে নিত না। এখন সপ্তাহে অন্যদিন ছুটি না থাকার কারনে যাবতীয় সব পারিবারিক-সামাজিক অনুষ্ঠানাদি, কেনাকাটা এই দিনের জন্যই তুলে রাখছে। ফলে জুমার নামাজের প্রতি সুবিচার অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্বেও করতে পারেন না।



৩. অন্য ধর্মের অনুকরণ: ইসলামে ধর্মীয় চর্চা দৈনিক করতে হয়। এখানে খ্রীষ্টান বা ইহুদীদের মত সাপ্তাহিক ধর্মীয় চর্চা বলে কিছু নাই যে শুধুমাত্র একদিন আমি ধর্মালয়ে যাব যার জন্য আমার সাপ্তাহিক ছুটির প্রয়োজন। যদি শুক্রবার শুধু ধর্মচর্চা করব এবং এই ধারনার উপর ভিত্তি করে সাপ্তাহিক ছুটি নির্ধারন হয় তবে তা তো খ্রীস্টান বা ইহুদীদের [খ্রীস্টানরা রোববার আর ইহুদীরা শনিবার] অনুকরন হয়ে গেল যে আমরাও শুধুমাত্র শুক্রবার মসজিদে যাব।



তাই আমি আলেম সমাজের প্রতি আহবার করছি ওনারা যদি সস্তা অনুভুতির দিকে খেয়াল না করে ব্যাপারটার প্রতি বিশ্লেসনাত্বক মন নিয়ে আম জনতাকে ব্যাখ্যা করেন তবে হয়ত সরকার এই ব্যাপারে একটা পদক্ষেপ নিতে পারে। ধর্মীয চর্চা ঠিক রেখে যদি আমাদের আর্থ-সামাজিক কার্যক্রমে গতি আসে তা তো সবদিক থেকেই ভাল হবে - এটাই আমার বিশ্বাস।

মন্তব্য ৮০ টি রেটিং +১৯/-১৯

মন্তব্য (৮০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫০

আজ বৃষ্টি নামুক বলেছেন: তাইলে ছুটি কবে হবে??রবিবার?

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৪

মন যাযাবর বলেছেন: রবিবার হলে ধর্মীয়ভাবে কোন সমস্যা নাই।

২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪

নুভান বলেছেন: ছুটি রবিবার করাটাই সমীচিন।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৮

মন যাযাবর বলেছেন: হ্যাঁ, সমীচিন।

৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

খাই দাই গান গাই বলেছেন: আপনি বলেছেন,"একটা সস্তা মানসিকতা যে আমরা মুসলমান, আমাদের এখানে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। "(যদিও কথাটা আদৌ সত্য নয়।)

আপনি কি জানেন,আপনার এই পোস্ট থেকেও "যা হচ্ছে তা ভালো নয়;যা হয়নি তাই ভালো"এই টাইপের সস্তা মানসিকতা উঠে এসেছে।

সজ্ঞানে মাইনাস।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫১

মন যাযাবর বলেছেন: বুঝলাম আপনার কথা; কিন্তু আমাকে একটা কথা বলেন তো, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি না হলে ধর্মীয়ভাবে আমাদের কোন ক্ষতি হবে কি? কিন্তু রবিবার ছুটি হলে ব্যবসায়িকভাবে আমরা লাভবান হব। শুক্রবার জুমার নামাজের কারনে ছুটিটাও নিরববিচ্ছিন্ন হয় না। রবিবার হলে তা সবদিক থেকেই যুক্তিযুক্ত।

৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

হিমু ব্রাউন বলেছেন: ছুটি রবিবার করাটাই সমীচিন।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৩

মন যাযাবর বলেছেন: হ্যাঁ, সমীচিন।

৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০০

কগচডড বলেছেন: আপ্নের মতন এতো জ্ঞানী ব্যাক্তি থাকতে, আমাগো ছুটির অভাব হইবো না। ইসলাম সম্পর্কে আপনার মহা জ্ঞান দেইখা ভাল লাগলো।
কড়া কইরা একটা মাইনাস।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৭

মন যাযাবর বলেছেন: জী, ধন্যবাদ। শুক্রবারটা সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষনা করেছিল ইসলাম ধর্মের উপর আরেক জ্ঞানী লেজেহোমো এরশাদ আর তার কিছু চাটুকার। এই মানসিকতার কারো কাছ থেকে মাইনাস না পেলে বরং খারাপ লাগে।

৬| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০১

অরণ্যচারী বলেছেন: ছুটি হোক শনি এবং রবিবার।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

মন যাযাবর বলেছেন: একদিন হোক রবিবার। প্রতিদিন এমনিতেই আধাঘন্টা যোহরের বিরতি দেয়া হয় শুক্রবার না হয় এক ঘন্টাই করা হোক।

৭| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০১

রুমানবিডি বলেছেন: রোব বার ছুটির দিন অর্থনৈতিক ভাবে বাংলাদেশ লাভবান হবে তাই ছুটি রবিবার করাটাই সমীচিন।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

মন যাযাবর বলেছেন: হ্যাঁ, রবিবার সমীচিন।

৮| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০২

আজ বৃষ্টি নামুক বলেছেন: আর কত ভারতমুখী হবেন আপনারা?

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৫

মন যাযাবর বলেছেন: কারো সাথে কোন কিছুর মিল হলেই সেইমুখী হয় নাকি? ভাল বলেছেন। আপনি চলবেন আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী। এতে কারো সাথে কখনো মিলবে কখনো মিলবে না। আর মিললেই তা করা যাবে না, এটা আহম্মকি নয়?! ভারতীয়রা তো মুখ দিয়ে আহার গ্রহণ করে আর নিচ দিয়ে মল ত্যাগ করে; তো আপনি কি এর বিপরিত করবেন? কারন ভারতমুখী হওয়ার ভয়ে?

৯| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭

সবার প্রিয় বলেছেন: আপ্নার চিন্তা শক্তি দেখিয়া আমি বড়ই পিড়িত হৈলাম, তাই.....

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৯

মন যাযাবর বলেছেন: আচ্ছা!!!! আপনি যদি এতে সুস্থ থাকেন তো আরো কয়েকটা মাইনাস দেন।

১০| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১১

অরণ্যচারী বলেছেন: আজ বৃষ্টি নামুক বলেছেন: আর কত ভারতমুখী হবেন আপনারা?

আফা আমার আগের কমেন্ট ভুলা যান, আপনার লগে বর্ণে বর্ণে সহমত।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১০

মন যাযাবর বলেছেন: সেই উত্তরটা দেখে নিন।

১১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৮

শেরজা তপন বলেছেন: ধর্মীয় না ব্যাবসায়িক দৃস্টিকোন থেকে শনি রবিবার বন্ধ হওয়া জরুরী।
তবে ছুটি একদিনের বেশী করা ঠিকনা।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১১

মন যাযাবর বলেছেন: হ্যাঁ, ঠিক আছে। আমি শুধু বলতে চেয়েছি এটাতে ধর্মীয়ভাবে কোন সমস্যা নাই।

১২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২২

তাজা কলম বলেছেন: আর্ন্তজাতিক ব্যবসা বাণিজ্যের প্রয়োজনে রবিবারই ছুটির দিন করা উচিৎ। আপনার সাথে সহমত।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১২

মন যাযাবর বলেছেন: ধন্যবাদ। সব ব্যাপারে যৌক্তিক হওয়া ভাল।

১৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩২

খাই দাই গান গাই বলেছেন: @অরণ্যচারী...আপনি একজন উচ্চমানের অভদ্র এবং অসভ্য।আপনার জন্য ব্লগ উপযোগী নয় অসভ্য বনাঞ্চলই মানানসই।

১০ নং কমেন্ট এর উত্তর।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১২

মন যাযাবর বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৬

সিংহ বলেছেন: অরণ্যচারী বলেছেন: ছুটি হোক শনি এবং রবিবার।

সহমত

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৩

মন যাযাবর বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে ছুটি একদিনই হোক।

১৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৮

পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আজ বৃষ্টি নামুক বলেছেন: আর কত ভারতমুখী হবেন আপনারা?

এখানেও ভারত টেনে নিয়ে আসলো যারা,এদের মানসিকতা নিয়ে সন্দেহ আছে।


সাপ্তাহিক ছুটি রবিবার হলেই ভালো।শুক্রবার মধ্যাহ্নবিরতি বাড়িয়ে দিলেই তো সমস্যা সমাধান।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৪

মন যাযাবর বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি এটাই বলতে চেয়েছি।

১৬| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৯

অরণ্যচারী বলেছেন: খাই দাই গান গাই বলেছেন: @অরণ্যচারী...আপনি একজন উচ্চমানের অভদ্র এবং অসভ্য।আপনার জন্য ব্লগ উপযোগী নয় অসভ্য বনাঞ্চলই মানানসই।

হ রে ভাই, মেগান ফক্সের বুক আসল না নকল সেটা নিয়া তো আমিই পোস্ট করছিলাম। আপনি অনেক সভ্য

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫

মন যাযাবর বলেছেন: ...........

১৭| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

টংকার বলেছেন: অরণ্যচারী বলেছেন: আজ বৃষ্টি নামুক বলেছেন: আর কত ভারতমুখী হবেন আপনারা?

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৬

মন যাযাবর বলেছেন: "আজ বৃষ্টি নামুক" এর মন্তব্যের উত্তর দেখে নিন; আপনার জন্যও ওটা প্রয়োজন।

১৮| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৭

রুহু্ননবী বলেছেন: ছুটি হোক শুক্রবার অর্ধেক ছুটি হোক এবং রবিবার পুরা।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৭

মন যাযাবর বলেছেন: খারাপ না এটা হলেও হয়।

১৯| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৯

ভাবসাধক বলেছেন: শুক্রবার হাফ
রবিবার ফুল

ছুটি হোক দেড় দিন !
জোরসে মজা মারা যাবে ।।।।।।।।।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৪

মন যাযাবর বলেছেন: দেড়দিন ছুটি হতে হবে এমন কোন কথা নাই। তবে শুক্রবারের পরিবর্তে রবিবার ছুটি হলে যুক্তিযুক্ত হয়।

২০| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩০

মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: ধরেন, আম্রা এই বাংলার জমিনের মানুষ যারা- তাগোর খালি একটা পেট আছে, সুতরাং মানুষ। তাইলে ধরেন আমগো রুটি রুজি করা দরকার। এবং ছুটি যদি জুমাবার না হয়া রইবার হয় তাইলে রুটির পরিমান বাড়তে পারে সদাপ্রভূ যিশুর দোয়ায়।

সেইক্ষেত্রে পেটমানুষদের জন্য রইবার ছুটি দরকার।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৯

মন যাযাবর বলেছেন: রবিবারটাও খোদার দেয়া; রবিবার ছুটি পালন করলেই আপনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ভুক্ত হয়ে যাবেন এমন ভাবছেন কেন? এই যে আপনি যে নেট ইউজ করছেন, টেকনলজী ইউজ করছেন - এগুলো তো সব ইহুদী-নাসারাদের দ্বারা আবিষ্কৃত; তো এখন আপনি ইহুদী-নাসারা হয়ে গেছেন। আপনি আপনার সিদ্ধান্তগুলো নিবেন আপনার নিজরের প্রয়োজন ও সুবিধা অনুযায়ী। এতে কারো সাথে মিলতেও পারে, নাও পারে।

২১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২

ত্রিশোনকু বলেছেন: বিদেশের সাথে ব্যবসা বানিজ্যের জন্যে যাদের প্রয়োজন তারা এখনো শুক্রবারে তাদের প্রতিষ্ঠান খোলা রাখে। তাই আপনার এ যুক্তিটি গ্রহন যোগ্য নয়।

রোববার চার্চে যাবার জন্যে ছুটির প্রচলন হয়েছিল। তো আমাদের দেশের ৮৮ শতাংশ লোক যদি ধর্মান্তরিত হয়ে যায় তা হলে আপনার প্রস্তাবটি অবশ্যই বিবেচনার দাবী রাখে।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৪

মন যাযাবর বলেছেন: তাহলে তো শুক্রবার অফিস করা হচ্ছেই; অফিসিয়ালী হলে সমস্যা কোথায়? যাদের সপ্তাহে একদিন ধর্মচর্চা করলে চলে তাদের ধর্মচর্চার জন্য সাপ্তাহিক ছুটি লাগে, আমাদের তো প্রতিদিনই আল্লাহকে ডাকতে হয়, আমাদের সাপ্তাহিক ছুটি দিয়ে আল্রাহকে ডাকার দরকার নাই। আমাদের ছুটি দরকার আমাদের কাজের সুবিধার জন্য।

২২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৪

সানুনয় বলেছেন: যারা ব্যবসায়ী তাদ্র সমস্যা অনেক।বাংলাদেশে ব্যাংক শুক্র শনি বন্ধ আর পৃথীবির অন্যজায়গায় রবিবার। ৭ দিনের ৩ দিনই যদি ব্যাংক বন্ধ থাকে তাহলে কিভাবে হবে।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৬

মন যাযাবর বলেছেন: সাপ্তাহিক ছুটি হোক প্রয়োজন অনুযায়ী; ধর্মীয় ফ্লেবার দেয়া একটা রাজনৈতিক ভন্ডামী। এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসা উচিৎ।

২৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১১

রিমঝিম খান বলেছেন: ধর্মে নিষিদ্ধ আনন্দফূর্তির পাপ সব বারেই সমান পাপ...তাই আপনার ১ম পয়েন্ট অযৌক্তিক.....
যারা প্রকৃত ধার্মিক তারা দিন দেখে ধর্মচর্চা করেনা....তানাহলে ছুটির দিনে মার্কেটগুলোর মসজিদের জামাতে এত লোক দেখা যেত না.... আপনার ২য় ও৩য় পয়েন্ট অযৌক্তিক.....

শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি বন্ধের জন্য আপনি ধর্মকে ব্যবহার করছেন কেন???অন্য যৌক্তিক কারন দেখান......সেটাই বরং ভাল হবে.....

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪

মন যাযাবর বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু যতবারই সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার থেকে সরিয়ে রবিবারে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল, ততবারই ধর্মের দোহাই দিয়ে তা প্রতিহত হয়েছে। এই জন্যই এখানে বলার চেষ্টা করেছি যে এতে ধর্মীয় কোন ক্ষতি নেই। তবে বৃহশ্প্রতিবার দিবাগত রাতকে ধর্মীয়ভাবেই আলাদা করা হয়েছে যা আমার কথা না, আলেম সমাজেরই কথা। ধরুন অফিস ডেকোরাম ভাঙ্গা এমনিতেই অন্যায়; কিন্তু কেউ যদি সেই অন্যায় এমডি চ্যায়ারমেনের সামনেই করে সেটা অন্যায়ের আরো একধাপ বেশী। তা হয়ে যায় ঔধ্যত্ব। অনেকটা চুরি ও ডাকাতির মধ্যে যে পার্থক্য - সেরকম।

২৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫০

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: প্রথমেই বলা ভাল, সাপ্তাহিক ছুটির ব্যাপারটা একটা সেক্যুলার বিষয়। এখানে, মূলতঃ ইসলামের নির্দিষ্ট কোন দিক নির্দেশনা নেই (আমার জানা মতে)। শুক্রবার জুমার দিনের ব্যাপারে এটুকু বলা হয়েছে যে, জুমার আজান দেবার সাথে সাথে সকল কাজ স্থগিত রেখে মসজিদের দিকে ছুটে যেতে; নামায শেষে আবার জীবিকার সন্ধানে দুনিয়ার বুকে ছড়িয়ে পড়তে।(৬২: ৯-১০)

কিন্তু, যখন সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়টা সামনে আসে তখন, আমরা কেন আমাদের স্বকীয়তাকে অগ্রাধিকার দেব না? ইউরোপীয় সমাজে রবিবার পবিত্র দিন হিসেবে গন্য হওয়াতেই এদিন সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে পালন করা হয়। তাহলে, আমাদের শুক্রবারে ছুটি পালনে বাধা কোথায়? শুক্রবারকে বাদ দিয়ে রবিবারে ছুটি পালন করলেই তো বরং ওদের অনুকরন বেশী করা হল, তাই না?

উইকেন্ড নাইটের নষ্টামিতে আর ছুটির দিনের পারিবারিক ব্যস্ততায় যাঁরা জুমার নামায নিয়ে গাফিলতি করেন, তাঁরা ছুটিবিহীন দিনে নামাযের প্রতি কতটা গুরুত্ব দেবেন সে ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ থেকেই যায়। কারন, দুরাত্মার ছলের অভাব হয় না। তাঁদের মানসিকতার পরিবর্তনের দিকে নজর না দিয়ে ছুটির দিনের পরিবর্তনের পক্ষে আপনার এই যুক্তিকে খোঁড়া ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছি না।

আর এরশাদ সরকার এটাকে সস্তা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। কথা সত্য। সেইসাথে এটাও সত্য যে, শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটি করার ব্যাপারে মানুষের সায়ও ছিল। ভাল একটা বিষয়কে এরশাদ সাহেব তার হীনস্বার্থে ব্যবহার করেছেন বলে তো সে বিষয়টি ছুঁড়ে ফেলে দেবার খারাপ হয়ে যায় না! তাহলে তো, পৃথিবীতে ভাল-খারাপের পার্থক্য নির্ণয়েই সমস্যা দেখা দেবে!

জবাব দেবেন আশা করি।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪

মন যাযাবর বলেছেন: পাপ তা সে যেদিনই করুক তা পাপই। তবু আমাদের ব্যক্তি-সামাজিক-রাষ্টীয় বিভিন্ন আচার-আচরনে এক কাজই স্থান-কাল-পাত্র ভেদে মাত্রার ভিন্নতা আসে। আলেম সমাজের কাছেই শোনা কোন কোন রাতকে আল্লাহ বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন। যেমন সব কদরের রাত, রমজান মাসের রাত - সেরকম একটি রাত হচ্ছে বৃহশ্প্রতিবার দিবাগত রাত বা শবে জুমার রাত। সেই আলোকেই বলা হয় যে ঐসব রাতে নেকের কাজ যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি পাপের কাজও বৃদ্ধি পায়। আপনি যেসব হোটেল / রেস্টুরেন্টে মদ কেনা-বেচা বৈধ সেসব জায়গায় গিয়ে ডাটা নিলেই পেয়ে যাবেন সপ্তাহের কোন রাতে বেশী মদ কেনা-বেচা হয়। আমার যে ক'জন বন্ধু ও কলিগ নিয়মিত মদ পান ও আনুসংগিক বিনোদনে লিপ্ত হয় তারা বৃহশ্প্রতিবার দিবাগত রাতকেই বেছে নেয়। কারন পরদিন ছুটির দিন।
শুক্রবারে সাপ্তাহিক ছুটির ব্যাপারে যদি স্পস্ট করে শরিয়তে কিছু গাইড লাইন থাকত আমার কিছু বলার ছিল না; কিন্তু সেরকম কিছু নাই।
তাই রবিবার যদি সাপ্তাহিক ছুটি হলে ব্যবসায়ি সমাজের উপরকার হয় তো সেটা করাই তো যুক্তি-যু্ক্ত। আমি পশ্চিমা বিশ্বকে ইহুদী বা খ্রীষ্টান হিসাবে দেখছি না; ক্লায়েন্ট হিসাবে দেখছি।
ধর্মীয় ব্যাপারটা আমি আনতাম না, যেহেতু শুক্রবার ছুটির সাদ্ধান্তটি পরিবর্তন করা যাচ্ছে না ধর্মীয় কারনে; অথচ ধর্মে এটা নিষেধ নাই, সেটাই বলার চেষ্টা করেছি।

২৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭

শ্রাবণ এর বৃষ্টি বলেছেন: একটা সস্তা মানসিকতা যে আমরা মুসলমান, আমাদের এখানে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

খুবই নিন্মশ্রেনীর প্রকাশ ভঙ্গি। আপনি তর্কের উপযোগী হোন .........

মাইনাস তুলে রাখলাম খানিক সংগত যুক্তির অপেক্ষায় ..........

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫০

মন যাযাবর বলেছেন: ঠিইইইইক আছে........ সবুর করেন... সবুরে মেওয়া পাইলেও পাইতে পারেন। তবে আমি সাদাসিধা মানুষ আমনের লাহান অইতারুম না মনে লয়। মাপ করেন।

২৬| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭

সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: শুক্রবার ই ছুটি থাকুক।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৫

মন যাযাবর বলেছেন: রবিবার হলে সমস্যা কোথায়?

২৭| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮

কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: ১. উইকেন্ড নাইট: সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার হওয়াতে বৃহশ্প্রতিবার দিবাগত রাতে আরো বেশি করে সারারাত জেগে ইবাদাত বন্দেগী করতে পারেন। পরের দিন ছুটি বলে এতে কোন সমস্যা নেই।
কিন্তু শুক্রবার ছুটি না থাকলে বৃহস্পতিবারের মহিমান্বিত রাতটি আপনি কি করে ইবাদাত করে উদযাপন করবেন?

২. জুমআর নামায: যার নামাযের ইচ্ছে নাই, সে পুরোদিন ছুটি থাকুক আর আধা দিন থাকুক যাবে না। বরং ছুটির দিনে সবাই একসাথে জুমআর নামায আদায়ের ফলে সামাজিক সম্পর্ক দৃঢ় হয়।

৩. অন্য ধর্মের অনুকরণ: ইসলামে ধর্মীয় চর্চা দৈনিক করতে হয়। তাই বলে মুসলিমরা তো আর মেশিন না যে তাদের ছুটির দরকার নেই। আর শুক্রবারের বদলে যদি রবিবার ছুটি ঘোষণা করেন, তাহলে অনুকরণটা কে করল এবারে শুনি?

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৯

মন যাযাবর বলেছেন: শুক্রবার বা রবিবার আমাদের সাধারণ মানুষদের তেমন কোন কিছু যায় আসে না। কিন্তু ব্যাবসায়ী সমাজের রবিবার ছুটি হলে তাদের অনেক সুবিধা হয়। তাই যখন রবিবার ছুটির সিদ্ধান্তের কথা উঠে তখন ধর্মের দোহাই দিয়ে তা প্রতিহত করা হয়; এইজন্যই আমি উক্ত কথাগুলো উল্লেখ করেছি। আমাদের সবার মনের রাখা উচিৎ ব্যাবসায়ীরা অনেক ঝুকি নিয়ে তাদের অর্থ বিনিয়োগ করেন। এটার উপর নির্ভর করছে আমাদের উন্নয়ন।

২৮| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১১

কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: ৮ নম্বর কমেন্টের উত্তরের জন্য বাহবা

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০০

মন যাযাবর বলেছেন: ঠিক আছে, ধন্যবাদ।

২৯| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০

হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: যখন এদেশে শুক্রবার ছুটি ছিল না, তখন মুসল্মানরা কি জুম্মার নামাজ পড়া ছেড়ে দিছিল?

নামাজ পড়ার জন্য ছুটি দরকার, ইসলাম অন্তত একথা সমর্থন করে না। ২৫০ কোটি মুসল্মান আছে দুনিয়ায়, কিন্তু আর কোন মুস্লিম দেশে কি শুক্রবার ছুটি আছে?

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৬

মন যাযাবর বলেছেন: অনেক মুসলিম দেশেই রবিবারে ছুটি বহাল আছে।

৩০| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১

রিমঝিম খান বলেছেন: বৃহশ্প্রতিবার দিবাগত রাতকে ধর্মীয়ভাবেই আলাদা করা হয়েছ
@হ্যা ...একারনে যে এ রাত্রের ইবাদত আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ন কিন্তু পাপ সব বারেই সমান....সবার ক্ষেত্রেই সমান ।ইসলাম এমডি- চেয়ারম্যান পদ অনুযায়ী বা কারও সামনে-পিছনে দেখে পাপ বিচার করবেনা।
আর উইকেন্ডের মদ কেনাবেচার কথা বলছেন...সেতো যেদিন উইকেন্ড হবে সেদিনই কেনাবেচা বাড়বে.........আপনি কি মনে করেন সপ্তাহের অন্যদিন গুলোতে মদ খেলে বা কেনা-বেচা করলে আপনার পাপ কম হবে???জবাব দিন...........
অনেক মুসলিম চাইতে পারে জুমআর নামাজের আগে গোসল করে পান্জাবী-পায়জামা পড়ে পাক হয়ে মসজিদে যাব যা অফিস থেকে সম্ভব নয়.....এতে আমি দোষের কিছু দেখিনা.......

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৯

মন যাযাবর বলেছেন: সকালে অফিসে যাওয়ার সময়ে গোসল করে গেলে সমস্যা কি? আর প‌্যান্ট-শার্ট পরে নামাজ পড়লে কি অসুবিধা। আর একজন মুসলমান তো পবিত্র হয়ে ঐ দিন ফজর নামাজ পড়বে নাকি? ফজর নামাজ ও জুমার নামাজ দু'টোই আবশ্যকীয়।

৩১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১১

তীরান্দাজ বলেছেন: শুক্রবার ছুটির দিন থাকাই সমীচিন বলে মনে করি।
সবার শুভ কামনায়.....

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৩

মন যাযাবর বলেছেন: ব্যবসায়ীদের সুবিধার দিকে আমাদের দেখা উচিৎ যারা দেশের রেভিনিউ বাড়ান।

৩২| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনি আমার মন্তব্যের যুক্তিগুলো এড়িয়ে গিয়েছেন।:D
আপনি আরেকটা যুক্তি দিতে পারতেন। বৃহস্পতিবার রাতে অনেকেই দেরী করে ঘুমায় বলে বিছানা ছাড়তে দুপুর হয়ে যায় আজকাল। ফলে, জুমার নাময পড়তে সময়মত যেতে পারে না! সেদিন অফিস থাকলে এঘটনা ঘটতো না!:P
যাই হোক, আপনার কথা হল,"তাই রবিবার যদি সাপ্তাহিক ছুটি হলে ব্যবসায়ি সমাজের উপরকার হয় তো সেটা করাই তো যুক্তি-যু্ক্ত।"
এতোক্ষনে লাইনের কথা বলেছেন!:)

অর্থনীতির মাপকাঠিতে বিচার! আমার আগের মন্তব্যেই এ নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলাম; পরে বলি নি। কারন, আপনার মূল পোষ্টে এর কোন উল্লেখ ছিল না।

এখন বলার চেষ্টা করি,
ইউরোপীয়ান সময়=আমাদের সময়-৫/৬ ঘন্টা।
আমেরিকার সময়= আমাদের সময়-১১ ঘন্টা।
জাপানের সময়= আমাদের সময়+ ৩ ঘন্টা।
তাহলে, আমাদের এখানে যখন শুক্রবারের অফিস টাইম শেষ হচ্ছে, তখন আমেরিকার শুক্রবারের অফিস শুরুই হয় নি আর জাপানে শুক্রবার দিনই শেষ হতে যাচ্ছে। তাহলে লাভটা হলো কী? এভাবে, চিন্তা করলে তো সোমবার ছাড়া বন্ধ দেয়ার কারন দেখি না। সবচেয়ে, বড় কথা হলো, ব্যবসায়ী সমাযে যাদের রবিবারে কাজ করানো দরকার, তারা কিন্তু শ্রমিকদের ঠিকই সেদিন কাজ করিয়ে নেয়, বন্ধ-তন্ধের ধার ধারে না। তারপরেও তাদের এত ইউরোপীয়ান সাজার শখ চাপে কেন?

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫

মন যাযাবর বলেছেন: আমরা যারা চাকরী করি আমাদের জন্য রবি ও শুক্র খুব একটা হের-ফের করে না; কিন্তু ব্যবসায়ীরা যখন বলছে যে রবিবার ছুটি হলে তাদের সুবিধা হয়, তখন আমাদের তা দিতে সমস্যা কোথায়?
আর আমি ধর্মীয় ব্যাপারটা এজন্য এসেছি যে যখনই রবিবারের ছুটির কথা আসে তখনই ধর্মের কথা বলে তা আর করতে দেয়া হয় না। তাই আমি শুধু ধর্মীয় দিকটি তুলে ধরেছি যে রবিবার সাপ্তাহিক ছুটিতে ধর্মীয়ভাবে কোন বাধা নেই।
শেষে ধন্যবাদ।

৩৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭

বিডি আইডল বলেছেন: যেসব ছাগল বলে রবিবার ছুটি হলে ব্যবসায়িক ভাবে লাভবান হবে এইসব ছাগল ওয়াল্ড ক্লক আর টাইমজোন আর অনলাইন ব্যবসা বাণিজ্য সম্পর্কে কোন ধারণা রাখে কিনা সন্দেহ আছে

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২১

মন যাযাবর বলেছেন: ভাস্তে বিডি আইডল, তোমাকে কত্তবার সাবধান করেছি যে তোমার বাবা যে তোমার মা-ছাগীকে বিয়ে করেছে তা এভাবে জনসমুখে না আনতে; তবুও তুমি তা আনবে। তোমার মা-ছাগীর জন্য আজ তুমি প্রয়োজনে-অপ্রযোজনে তোমার মা-ছাগীর নাম মুখে আনছ।
ছীঃ এভাবে নিজ বংশ পরিচয় দিতে হয়!!!!

৩৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৮

ফান্টুস বলেছেন: সব ছুটি উঠায়া দেইক

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২

মন যাযাবর বলেছেন: প্রস্তাবটা একদম খারাপ না। ভালই হয়।

৩৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১

ত্রিশোনকু বলেছেন: "আমাদের ছুটি দরকার আমাদের কাজের সুবিধার জন্য।"

-আর আমার ছুটির দরকার সপ্তাহের সবচে' গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থনাটি ঝামেলাহীন ভাবে শান্তিতে সম্পন্ন করতে। শতকরা ৫ ভাগ লোকেরও কর্ম সংস্থানের সাথে বৈদেশিক বানিজ্যের কোন সম্পর্ক নেই।

দেখুন, আমি '৮২র আগেও চাকুরী করতাম। বেলা ১২:৩০এ আমাদের ছাড়া হোত। তারাহুড়ো করে , কাপড় , শরীরের পবিত্রতায় সন্দিহান থেকেই নামাজ পড়তাম। মন সব সময় খুঁত খুঁত করতো। লোচ্চা এরশাদের যে উদ্দেশ্যই থাক না কেন, এখন আমি সকাল থেকে প্রস্তুতি নিতে পারি। শান্তিতে প্রান ভরে প্রার্থনায় যোগ দিতে পারি। প্রার্থনা শেষে মৃত আত্মীয়দের সমাধিতে কিছুক্ষণ কাটাতে পারি। আমার জন্যে এটা রুটি রুজীর মতই মূল্যবান।

আমি আপনার সাথে তর্ক করার জন্যে লিখছি না। আমি আমার মনের ভাব প্রকাশ করছি।

যদি সংস্থানে কোন টান না পরে আমি শুক্রবার ছুটি করতে চাই।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৮

মন যাযাবর বলেছেন: ঠিক আছে বড় ভাই, মানলাম আপনার কথা। কিন্তু ব্যবসায়ী ভাইরা যখন বলছে এতে তাদের সুবিধা হবে তো একবার দিয়ে দেখি না, কতটুকু তারা করতে পারে। আমাদের এরকম অনড় হয়ে এক জায়গায় থাকা মনে হয় ঠিক না।

৩৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭

লুৎফুল কাদের বলেছেন: বিডি আইডলরে প্লাস. আমিও এইটাই কইতে চাইছিলাম. বাংলাদেশের মানুষ ঘুমাইতাছে আমি যখন কাজ করতেছি আর এই লেখা লেখতাছি. তো ভায়েরা বৈনেরা ঘুমের থেইকা উঠেন আর কামে যান. আমেরিকার লগে মিলায়া ঘুমান.

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২

মন যাযাবর বলেছেন: ফাইন, তবে সমস্যাটা ব্যবসায়ীদের; তারা যখন বলছে রবিবার তাদের সুবিধা আমাদের সেটা দিতে সমস্যা কোথায়। দেই না একবার তাদের। অহেতুক ধর্মীয় অনুভুতি এনে তা নাকচ করি কেন?

৩৭| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২

হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: শুক্রবার ছুটির দিন নয় এটা ভাবতেই পারি না।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪

মন যাযাবর বলেছেন: কয়েকমাস যাওয়ার পর মনেই থাকবে না যে শুক্রবার ছুটির দিন ছিল।

৩৮| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০১

শ্রাবণ এর বৃষ্টি বলেছেন: আবেগপ্রবন যাযাবর মন, আপনার জন্যে তোলা মাইনাসটা দিয়ে গেলাম।

নিজেকে সাদাসিধা দাবী করেন না সাদাসিধা মন্তব্যে ও প্রকাশ ভঙ্গিতে দেখান।

আপনার পোষ্ট শুরুই করেছেন নেগেটিভ ও খুব বাজে বাচন ভঙ্গি দিয়ে-

"একটা সস্তা মানসিকতা যে আমরা মুসলমান, আমাদের এখানে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।"


আপনি বলতে পারতেন ও যুক্তি দেখাতে পারতেন রবিবার কে যুক্তিযুক্ত ছুটির দিন হিসাবে বিবেচনার জন্যে (মূখ্য হিসাবে)।

কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গির ব্যবধানে আপনি আমাদের ধর্মীয় অনুভুতির প্রতি কটাক্ষ করতে চেয়েছেন, আপনার কাছে রবিবারের ছুটি মূখ্য না হয়ে শুক্রবারের ছুটি বাদ যাওয়াটা মূখ্য মনে হয়েছে (তাও সামান্য কিছু বিপথগামী মানুষের কথা ভেবে উইক এন্ড নাইট পালন)

এখানে প্লিজ মাথায় রাখুন আমাদের সিংহভাগ মানুষ উইক এন্ড নাইট বুঝেনা।

এছাড়া ছাত্রদের মানে স্কুলের কি করবেন ?????

তাদেরও হাফ স্কুল করে নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরবে।

যদি বলেন, "না" স্কুল শুক্রবার বন্ধের পক্ষে অফিস রবিবার বন্ধ; সেক্ষেত্র অনুরোধ করবো প্লিজ আমাদের সাদাসিদা মানুষদের এতোটা ফাস্ট করবেন না, যাতে সপ্তাহে অন্তত একদিন একসাথে দুপুরের খাবার টেবিলে বাচ্চাদের নিয়ে না বসতে পারি।

এটা একান্ত আমার ব্যক্তিগত মতামত, প্লিজ ভুল বুঝবেন না। ভাল থাকবেন।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৫

মন যাযাবর বলেছেন: আপনি মাইনাস দিয়েছেন এতে আমার কিছু যায় আসে না। তবে আপনার অনুভুতিকে সম্মান করে আমি আমার লেখার প্রথম লাইনটা পরিবর্তন করে দিয়েছি।
.... এবং ধন্যবাদ।

৩৯| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪

খাই দাই গান গাই বলেছেন: @লেখক......একটি সংস্কারকে বদলে দেবার বদলে যে পরিমান লাভ দরকার ছুটির দিন পরিবর্তনে সে পরিমান লাভ পাওয়া যাবে না।......বিষয়টি সবাই ভেবে বলছে...আপনিও আর একবার ভেবে দেখুন।

আর ১৩ নং কমেন্টটা আমি আপনাকে করিনি।


@অরণ্যচারী...... আপনি ঠিকই বলেছেন।আমি যথেষ্ট সভ্য।কারণ মেগান ফক্সের বুক আসল নাকি নকল এটা বললে কেউ অসভ্য হয় না।নতুবা আমি আপনাকে যে রকম অপমান করেছি সবাই তেমনি বিনোদন সাংবাদিকদের সে অপমান করত।












২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৭

মন যাযাবর বলেছেন: হ্যাঁ, এটা একটা ভাববার বিষয় যে পরিবর্তনটা এনে আমরা কি পরিমান লাভবান হব। কোন প্রস্তাব / আবেদন আসলেই সেটা ১০০% গৃহিত হবে এমন কথা নেই। আমাদের ব্যবসায়ী শ্রেণীর কাছ থেকে এই আবেদনটা আসছে যে তারা এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন, আর তখনই ধর্মের দোহাই দিয়ে শুক্রবারের পক্ষে জনমত তৈরী হয়। আমি এই ব্যাপারটাকে শুধু পয়েন্ট আউট করার চেষ্টা করেছি যে এতে অধর্ম হবে না। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে; তারপরও তারাই ঝুকি নিয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে। আমাদের আয়, চাকরীর বাজারে অবদান রাখছে। তো তাদের ব্যাপারেও আমাদের ভাবতে হবে। কেউ যখন বলে সে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তখন তার অবস্থান থেকেই ব্যাপারটা ভাবা ভাল।

৪০| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৭

আজ বৃষ্টি নামুক বলেছেন: @লেখক,আমি আর কি বলব ৩৫ এর পরের মন্তব্য গুলোই যথেস্ট।বলার অপেক্ষা রাখেনা রবিবার ছুটি আনা নিতান্তই অযৌক্তিক।আপনাদের এই মনোভাব আমার কাছে উত্তর দেখে নিয়ে অংক মিলানোর মত মনে হয়েছে।তাই বাধ্য হয়েই ভারতমুখিতার কথা তুলেছি।

......আর আপনারা বারবার সমীচীন বানানটা ভুল করেছেন।

@ অরণ্যচারী ,খাই দাই গান গাই আপনাকে আরও একটা বিশেষণ দিতে ভুলে গেছে।আমিও সেটা বলতে চাচ্ছিনা।আপনি একটু কষ্ট করে আপনার ঐ পোস্টের ফটোটা দেখে নিন।


@পাপী০০৭ ,অন্যকে হেও করার আগে নিজের অবস্থানটা ভেবে নিন।আপনি যদি আমার মানসিকতা নিয়ে সন্দিহান থাকেন তাহলে আপনি ভারতের দালাল কিনা এ ব্যাপারেও কিন্তু অনেকে সন্দিহান থাকতে পারে।


২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৮

মন যাযাবর বলেছেন: আপনি সব ব্যাপারেই আরেকজনের মতের সাথে একমত হবেন এটা ভাবাটাই আহাম্মকি। ভিন্ন মত/অভ্যাস/পেশা/দৃষ্টিভঙ্গি আছে বলেই আমরা মানুষ; নয়তো অন্য প্রাণী আর আমাদের ভিতর পার্থক্য থাকত না। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে আপনি অবশ্যই বিপরিত ব্যাখ্যা দিবেন। কিন্তু আমাদের কথায় কথায় ভারত/পাকিস্তানের দালাল বানানো বা কারো একটা কথার উপর ভিত্তি করে কাফের ফতোয়া বা নাস্তিক বানানো ঠিক না।
আরে ভাই, এটা আমাদের সবার দেশ। কোন কোন ব্যাপারে কারো কারো সাথে খানিকটা মিলে যেতেই পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.