নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পথে পথে

মতে মতে মতান্তর

পথিক-পরান

জানতে চাই, বলেত চাই

পথিক-পরান › বিস্তারিত পোস্টঃ

হোমিওপ্যাথি না এ্যালোপ্যাথি কোন দিকে যাই

০৩ রা জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২১

পিঠে টিউমার,

দরকার ডাক্তার !

এ্যালোপ্যাথি না হেমোপ্যাথি

কোন দিকে যাই?



মনে পড়ে সেই দিন,

প্রিয়তমার টনসিল।



জ্বিহবার গোটা,

যন্ত্রণা, গন্ধ,

ডাক্তার কোথা?

কি করব আমি আর,

কোথা বড় ডাক্তার?



কে না জানে চিকিৎসায় সিনা সাবের কীর্তি,

নামে নামে হাসপাতাল, আহা কি যে স্বস্তি

হেথা নয়, হোথা নয় এলাকাটা ধানমন্ডি,

যেতে হবে সেখানেই, তবে হবে মুক্তি



রিসিপশনে গিয়ে বলি কে বড় ডাক্তার,

দাও ভাই সিরিয়াল, করোনাকো দেরী আর।



ওপাশেতে ডাক্তার, এপাশেতে আমরা,

মাঝখানে টেবিলেতে কত শত যন্ত্র,

অসুখতো ভালো হবে, লাগবে না মন্ত্র।



এটা দেখে,ওটা দেখে টেস্ট হল গোটা কয়,

শেষে বলেন ভেরী ব্যাড, হবে না তো নিরাময়।

ফেলে দিব টনসিল, এই-টা-ই শেষ উপায়

আমি নই বিজ্ঞ, ডাক্তার ছাড়া নিরুপায়।



বাইশ হাজার টাকা লাগবে, দুই দিনের প্যাকেজে

কাটা কাটি হবে ভাই, পুরান ঢাকার ক্লিনিকে।

টাকা নিয়ে চলে আসেন এই নিন ঠিকানা,

সাক্ষাতে কথা হবে, নেই কোন ভাবনা।



টাকা লাগবে চিন্তা, আরো আছে ভাবনা,

গিয়েছিলাম ধানমন্ডি, যেতে হবে পুরান ঢাকা!

মনে বড় খটকা, কি যে এক জটলা

যাই হোক, রেডি করলাম টাকার পোটলা।



অবশেষে একদিন, ফার্মেসি ভাই ছালাদ্দিন

বলে, কি ওষুধ খান ভাই, এই ওষুধ নিন ভাই।

করে দেখুন চেষ্টা, হতে পারে বেশ টা।



আমি ভাবি ক্ষতি কি, দেখি করে চেষ্টা,

ক্ষতি যদি হয় কিছু, ফেলে দেব টনসিল।

কিন্তু ভাই একি কথা, ভাল হল টনছিল,

চার বছর হয়ে গেলো নেই কোন টুস-টাস।



ধন্যবাদ ছালাদ্দিন, নেই কোন ডিগ্রি

সেবার মন আছে, আর আছে মানবতা।



কেঁটে ফেলে টনসিলটা,

ডাক্তার পেত কত টাকা?

এই কথা ভেবে ভেবে,

মনে পাই কষ্ট।

আবার হলো টিউমার

সান্তি সব নষ্ট।



যদি থাকেন কোন ভাই,

বলে দিন কই, যাই।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.