| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশী, বাঙ্গালী জাতি হিসেবে যে গর্ব, যে অহংকার আমরা বুকের মধ্যে ধারন করি, তার উপর আঘাত আসলে এই জাতি যে বারে বারে গর্জে উঠতে পারে তার প্রমান আজকের উত্তাল শাহবাগ স্ক্য়ার।
আজকের এই প্রজন্ম ৫২-র ভাষা আন্দলন দেখেনি, ৬৯-র গন অভ্যুত্থান দেখেনি, ৭১-র মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, কিন্তু দেশের প্রতি, জাতির প্রতি যে দায়িত্তবোধ, মুক্তিযুধ্যের শহীদদের ঝন শোধ করার যে তাড়না তারা অনুভব করে তার ফলশ্রুতি আজকের এই দাবি, এই আন্দোলন।
এই আন্দোলন মুক্তিযুধ্যের থেকে কোন অংশে কম না। দেশকে রাজাকার মুক্ত করার দাবি পুরো জাতির। এই আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসা মানে পুরো জাতিকে পিছিয়ে দেয়া। এই আন্দোলনে আমাদের জয়লাভ করতে হবে। পিছিয়ে আসা যাবে না, নয়তো এর প্রভাব অন্য রা্যের উপর ও পড়তে পারে।
সবার কাছে একটাই আবেদন, আমাদের এই সোনার বাংলাকে রাজাকার মুক্ত করতে হবে। রাজাকারদের একটাই শাস্তি ..... ফাসি । বিচারের নামে যেন প্রহসন না হয়। শহীদের রক্ত যেন ব্রিথা না যায়। রক্তের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা তা রক্ষার দায়িত্ত আমাদের।
আজকের এই আন্দলোন, এই দাবি ৭১-এ যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করার সমতুল্য। রাজাকারদের ফাসি না হয়া পর্যন্ত আমাদের এই সোনার বাংলা সম্পুর্ণরুপে স্বাধীন বলা যাবে না।
দেশকে, জাতিকে স্বাধীন বলতে হলে, স্বাধীনতার মর্ম যদি সত্যি আমরা উপলব্ধি করে থাকি, তাহলে রাজাকারদের ফাসির বিকল্প নেই।
২|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৩
আজিজ বাংলাদেশী বলেছেন: সত্যিই বলেছেন।
৩|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১০
খুব সাধারন একজন বলেছেন: সবাই কান পেতে শোন!
এটা লীগ-দল-জাপা-বামের আন্দোলন না!
এটা দেশের আন্দোলন।
সব রাজাকারের ফাঁসির আন্দোলন।
জামাত শিবির পুরোপুরি নির্মুলের আন্দোলন।
এখানে রাজনৈতিক দল করার জন্য আসিনি। সরকার পতনের জন্য আসিনি।
কুত্তা মারার শপথে এসেছি। কুত্তার দল বিনাশে এসেছি।
এই লক্ষ্য থেকে সরে আমি আমার টাকায় পোষা পুলিশের সাথে যুদ্ধ করব না।
কুত্তা মারার আন্দোলনে শত্রু বাড়াবো না। শত্রু মাত্র একটা। জাশি।
৪|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১৭
খুব সাধারন একজন বলেছেন: ওদের কানে হৃদয়ের কথা যাবে না।
ওদের কানে একাত্তরে যায়নি।
মানুষকে এইভাবে পশু করা যায়? এইভাবে? হাজার শুকরিয়া, ছেলেবেলায় কোন জামাতির কবলে আটকে যাইনি। পড়েছিলাম। সরাসরি কথা শুরুই হয়েছিল তিনটা মিথ্যা দিয়ে-
১. শিবির কিন্তু জামাতের কেউ না।
২. বাসায় জিগ্যেস করলে বলো নামাজ শিখতে গিয়েছিলাম, মসজিদে বড়ভাইরা নামাজ শিখাচ্ছিল।
৩. বাসায় গিয়ে বলো, পাড়ার ভাইয়ারা ক্লাসে কীভাবে ফার্স্ট হওয়া যায় তা শিখাচ্ছে।
নয় দশ বছর বয়স তো কম না। স্পষ্ট দেখতে পেলাম, যাদের শুরু মিথ্যা দিয়ে, তাদের সবই মিথ্যা।
কিন্তু এই ছেলেগুলোর জন্য কষ্ট হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৫
মহা ব্লগার বলেছেন: আসুন সকল অপরাজনীতি বর্জিত তরুণদের একটি রাজনীতি গড়ে তুলি। শাহবাগ কে করে তুলি সত্তিকারের তাহেরীর স্কয়ার
জীবনে এত খুশীর একটি দিন আসবে কখনও কল্পনা ও করিনি। আজ আমরা প্রমান করতে পেরেছি আমরা শুধু লাইক কমেন্ট করার নয় প্রয়োজনে মাঠেও নামতে পারি। মুখে নয় দেশের জন্য প্রয়োজনে আমরা ও আর একটি মুক্তি যুদ্ধ করতে পারি। আমাদের মাঝেই আছে লুকিয়ে মাহাথির, গান্ধী, লিংকন। আমরা তরুণ, আমরা সবই পারি। আমাদের দের দিকেই আজ তাকিয়ে আজ সারা দেশবাসী একটু সুবিচার পাওয়ার আশাই। জমাত, লীগ, বি এন পি সবাই আমাদের কে নিয়েই খেলা করে। আমরাই তাদের প্রধান আস্ত্র। ৪২ বছর কেটে গেল কেও কথা রাখিনি। আমরাই পারি দেশকে সত্যিকারের স্বাধীন করতে। জমাত, লীগ, বি এন পি নয় বরং সকল অপরাজনীতি বর্জিত তরুণদের একটি রাজনীতি গড়ে তুলি। শাহবাগ কে করে তুলি সত্তিকারের তাহেরীর স্কয়ার। শাহবাগ থেকেই আমরা আজ সত্যিকারের স্বাধীনতার ডাক দেব। আমরা আর কোনও দলের হাতিয়ার হতে চাই না। আমরা আজ সত্যিকারের একাত্তর এর হাতিয়ার। যাদের গর্জন শুনে সকল দুরনিতিবাজ দের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। এই দেশ আমার দেশ। ৩০ লক্ষ শহীদ কারো বাপ, কারো বর এর জন্য হইনি। হয়েছিল দেশটাকে সোনার বাংলা করার জন্য। সেদিনও আমরা তরুণরাই স্বাধীন করেছি এই দেশ। আমরাই পারি কোনও অপশক্তির কাছে মাথা নত না করে দেশটাকে সত্যিকারের স্বাধীন করতে। জানি আমরা এক হলে সমস্ত অপরাজনীতি এক হয়ে যাবে। এত ভেদাভেদ ভুলে তারা অস্তিত্ব রক্ষাই এক হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে তাদের হায়েনা বাহিনী লেলিয়ে দিবে। আমরা ভঁয় পাই না। সারা দেশ আজ মুক্তি চাই, সত্যিকারের মুক্তি। সকল সন্ত্রাস, রাজাকার, ধর্ষণ, হত্যা, গুম, লীগ, বি এন পি, জামত থেকে তারা মুক্তি চায়। আমরাই পারি এনে দিতে পারি তাদের সেই মুক্তি। আসুন শাহবাগ থেকেই গড়ে তুলি এমন একটি মুক্তি বাহিনী যারা কারো বাপ, কারো বর এর জন্য নয় বরং দেশের মানুষের জন্য , দেশের উন্নয়ন এর জন্য কাজ করবে।