| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাশিদুল ইসলাম লাবলু
প্রকৃত সত্যকে উপলদ্ধি করতে হবে খোলা মন নিয়ে।
হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক নফ্স থেকে। আর তা থেকেই তিনি তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এবং তাদের থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর,যার মাধ্যমে তোমরা একে অপরের কাছে চেয়ে থাক। আর ভয় কর রক্ত-সম্পর্কিত আত্মীয়ের ব্যাপারে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর পর্যবেক্ষক।–সুরা নিসা আয়াত-১
প্রথম পর্বে আমি এই আয়াতের প্রথম অংশের মোটামোটি একটি ব্যাক্ষা তুলে ধরেছিলাম।আলোচ্য অংশটি ছিলো হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর,যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক নফ্স থেকে। আর তা থেকেই তিনি তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এই অংশটি আমি পর্ব-১ এ আমি আলোচনা করেছি। আল কোরআনের উল্লেখিত আয়াতটি সৃষ্টির শুরুতে এক কোষি প্রাণি সৃষ্টির প্রক্রিয়া বা কোষ সৃষ্টি এবং তার স্বপ্রতিলিপিকরন প্রক্রিয়ার কথা আল কোরআন এখানে তুলে ধরছেন। যদিও প্রথম পর্বে আমাকে অনেকে বলেছেন আয়াতের প্রথম অংশে কোষ নয় বরং আদম সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমি আসলেও আদম সৃষ্টির বিষয়টির সাথে দ্বীমত পেষন করছি।যদি তাই হতো তাহলে সরাসরি ঐ স্থলে আদম শব্দটির প্রয়োগ ঘটাতেন আল্লাহ রাবউবল আলামিন কিন্ত তা না করে তিনি নফস শব্দ প্রয়োগ করে প্রাণকেই বুঝিয়েছেন।নফস একটি জীবন।আল কোরআনের নফস সংক্রান্ত বিভিন্ন আয়াত পড়ুন। এককোষি বহুকোষি সকল প্রাণই সফস সমৃদ্ধ। সকলের জীবন আছে। নফস আসলে সৃসিটশীল বিষয়।যা জিনেটিক প্রক্রিয়া এবং ডিএনএ আরএনএর কার্যক্রমকে নফস এর কার্যক্রম বলা যেতে পারে। নফস্ দীঘদিনের প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি করা হয়েছে উন্নত করা হয়েচে।প্রথম কোষ যখন সৃষ্টি হয় তখন আএনএ দ্বারা পরিচালিত হয় কিছুদিনের মধ্যে আ্রএনএর স্থলে ডিএনএ সংযোজিত হয়। কুরআনে নফস (আত্মা/মন) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়াতগুলো হলো: সূরা শামস-এর ৯-১০ আয়াত (যে নফসকে পরিশুদ্ধ করে সে সফল), সূরা ইউসুফ-এর ৫২ আয়াত (নিশ্চয় নফস মন্দ কাজের নির্দেশ দেয়), সূরা আল-কিয়ামা-এর ২ আয়াত (আত্ম-ভর্ৎসনাকারী আত্মার কসম), এবং সূরা আল-ফাজর-এর ২৭ আয়াত (হে প্রশান্ত আত্মা), যা নফসের বিভিন্ন স্তর ও পরিশুদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে। যেমন ধরেন নফসে আম্মারা "নিশ্চয় নাফস মন্দ কজের নির্দেশ দিয়ে থাকে" আল কোরআনের এই নফস নিয়ে একুট ভাবেন। কেনো মানুষ অপরাধী হয়? কারন তার নফস? উদাহরন সহ বলা যায় চুরি করা একটি মানসিক রোগ। এই রোগটির নাম ক্লেপ্টোম্যানিয়া। একটি মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাধি হিসেবে স্বীকৃত । এটি একটি জটিল অবস্থা যা অপরাধমূলক কার্যকলাপের দিকে পরিচালিত করতে পারে, তবে এর মূল কারণ হল মানসিক, অপরাধমূলক উদ্দেশ্য নয়।কিন্তু এই রোগের ইচ্ছা প্রকাশ তার জেনেটিকে উল্লেখিত। ক্লেপটোম্যানিয়া (চুরির বাতিক) সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট জিনে ডিএনএ-এর মাধ্যমে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া যায় না, তবে এর ঝুঁকির কারণ হিসেবে বংশগত বা জেনেটিক প্রভাব রয়েছে; অর্থাৎ, পরিবারে যাদের অ্যাডিটিভ ডিসঅর্ডার, মুড ডিসঅর্ডার (যেমন বিষণ্ণতা বা উদ্বেগ), বা অন্যান্য ইম্পালস কন্ট্রোল ডিসঅর্ডার (আবেগ নিয়ন্ত্রণজনিত সমস্যা) থাকে, তাদের মধ্যে ক্লেপটোম্যানিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, যা জেনেটিক উপাদান নির্দেশ করে। এটি মস্তিষ্কের গঠন ও রাসায়নিকের তারতম্য এবং অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থার সঙ্গেও সম্পর্কিত।জিন যেমন মানুষের আচার আচরন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রিত করে ঠিক তেমন নফস একই কাজ করে।সুতরাং নফস শব্দের প্রয়োগ ঘটানোর মা্ধ্যমে আল্লাহ জীবন বা প্রান সুচনার মধ্য দিয়ে কিভাবে প্রজনন পদ্ধতির আর্বিভাব ঘটে সেই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
প্রান সৃস্টির লগ্নে কোষ সৃষ্টি খুবই গুরুত্বপূন একটি বিষয় ছিলো যা জীব বিজ্ঞানীরা স্বিকার করেন। আরো গুরুত্বপূর্ন বিষয় ছিলো স্বপ্রতিলিপিকরন প্রক্রিয়া সৃষ্টি করা । যার মাধ্যমে প্রজনন পদ্ধতি আত্মপ্রকাশ ঘটে। আয়াতটির পরবর্তী অংশ লক্ষ্য করুন“ এবং তাদের থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর,যার মাধ্যমে তোমরা একে অপরের কাছে চেয়ে থাক। আর ভয় কর রক্ত-সম্পর্কিত আত্মীয়ের ব্যাপারে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর পর্যবেক্ষক।” পরবর্তী অংশের বর্ননাতেও প্রজনন বিষয়বস্থু তুলে ধরেছেন। প্রথমবার একটি কোষ থেকে আরকটি কোষের জোড়া সৃষ্টি হওয়ার মাধ্যমে বা দ্বীবিভাজন পদ্ধতিতে প্রজনন বিষয়টি সুচনা করেন। পরবতীতে নারী পুরুষ বা লিঙ্গ বিষয়টি আর্বিভূত করার মাধ্যমে প্রজননের চুড়ান্ত ধারাটি কতবড় ভূমীকা রেখেছে সেই বিষয়ে আলোকপাত করেছে। প্রজনন পদ্ধতি সৃষ্টির মাধ্যমে স্রষ্টা যে আমাদের সকলকে মহান দুনিয়ার আসবার তৌফিক দিয়েছেন। সকল প্রশংসা তারই যিুনি প্রজনন পদ্ধতি সৃষ্টি করেছেন।
স্বপ্রতিলিপিকরন পদ্ধতির মধ্য দিয়ে প্রানের প্রজনন সুচনা হলেও পরবর্তীতে লিঙ্গ সৃষ্টি ছিলো স্রস্টার বড় কৃতিত্ব। সেই প্রিক্যামব্রিয়ান সময়কাল। বিশাল জলরাশির মধ্যে চারিদিকে এক কোষি প্রানির প্রাণ বিপ্লব।এককোষী প্রাণীরা মূলত অযৌন প্রজনন দ্বি বিভাজন পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে, যা একটি একক জনিতৃ থেকে জিনগতভাবে অভিন্ন অপত্য তৈরি করে এবং পরিবেশ অনুকূল থাকলে দ্রুত সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটায়, কিন্তু পরে বিবর্তনের ধারায় পরিবেশগত পরিবর্তন, অভিযোজন এবং জিনের বৈচিত্র্য আনার জন্য যৌন প্রজনন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।লিঙ্গ বা ভিন্নরুপি প্রাণ এককোষি প্রানের আমল থেকেই শুরু হয়।জীবকুলের যৌন জননের উৎপত্তি ও বিবর্তন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় বিষয়। যৌন জনন পদ্ধতি প্রথমে ইউক্যারিওটিক নামক এককোষি প্রাণিতে উদ্ভব হয়,।প্রায় ১.২ থেকে ২ বিলিয়ন বছর আগে প্রাথমিক মাইটোসিস এবং মেইওসিসের প্রক্রিয়া শুরুর মাধ্যমে যার ফলে বৈচিত্র্যময় প্রজনন এবং বিবর্তন সম্ভব হয়েছে। যৌন জননের প্রধান উদ্দেশ্য হল জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করা, যা জীবের অভিযোজন এবং টিকে থাকার ক্ষমতা বাড়ায়। মেইওসিস প্রক্রিয়ায় জেনেটিক মিশ্রণ ঘটে, যা জীবের মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে। প্রাথমিক সময়ে যৌন জনন এককোষী জীব এবং সাধারণত অপ্রকাশিত প্রাণীদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। উদাহরণস্বরূপ, অ্যালগি এবং প্রোটোজোয়াতে যৌন জননের প্রমাণ পাওয়া যায়। এককোষী প্রাণীদের মধ্যে যৌন প্রজনন সৃষ্টির শুরুতে সরাসরি "লিঙ্গ" (পুরুষ/স্ত্রী) সৃষ্টি হয় না,বরং যৌন প্রজননের বিবর্তনের ধারায় এদের মধ্যে জেনেটিক বৈচিত্র্য আনার জন্য বিভিন্ন " mating type " বা মিলন উপযোগী ধরন তৈরি হয়েছে । যৌন প্রজননের প্রথম ধাপে, এককোষী জীবেরা নিজেদের মধ্যে জিনগত বৈচিত্র্য আনতে 'A' ও 'B' ধরনের মতো ভিন্ন "mating type" তৈরি করে, যেন তারা নিজেদের আত্মীয়দের সাথে মিলিত না হয়।এই 'mating type' থেকেই পরবর্তীতে বিবর্তনের ধারায় পুরুষ ও স্ত্রী লিঙ্গ গঠিত হয়েছে,যেখানে দুটি ভিন্ন গ্যামেট (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) তৈরি হয়।প্যারামেসিয়াম বা ক্ল্যামাইডোমোনাস-এর মতো কিছু এককোষী জীবের জীবনচক্রে যৌন পর্যায় থাকে, যেখানে তারা কনজুগেশন (conjugation)প্রক্রিয়ায় ডিএনএ বিনিময় করে,কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট পুরুষ বা স্ত্রী লিঙ্গ থাকে না, বরং বিভিন্ন মিলন উপযোগী ধরন থাকে। সুতরাং, এককোষী প্রাণীরা সরাসরি পুরুষ বা স্ত্রী হয় না, বরং তাদের মধ্যেকার জেনেটিক বিনিময়ের প্রবণতা থেকেই ধীরে ধীরে লিঙ্গের ধারণা বিবর্তিত হয়েছে। এক কোষি জীবেরা পরবতীতে দুটি ভিন্ন রুপে পরিনত হয়। এ এবং বি রুপে। তারা নিজেরা অথাৎ এ এ এর সাথে বি বি এর সাথে বা নিজেদের সাথে মিলন ঘটাতো না।
আয়াতটির পরবর্তী অংশ লক্খ্য করলে বুঝবেন।“তাদের থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর,যার মাধ্যমে তোমরা একে অপরের কাছে চেয়ে থাক। আর ভয় কর রক্ত-সম্পর্কিত আত্মীয়ের ব্যাপারে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর পর্যবেক্ষক।” একটি সিস্টেমের মধ্যদিয়ে প্রজনন পদ্ধতি বিবর্তিত হয়েছে।এককোষি প্রানীদের নিয়েই আলোচনা করি। যা কিছুক্ষন পূর্বে আলোচনা করেছি। এককোষি প্রানীদের বিবর্তনের মধ্যদিয়ে দু শ্রেনির সৃষ্টি হয়। এ টাইপ বা বি টাইপ।প্যারামেসিয়াম বা ক্ল্যামাইডোমোনাস-এর মতো কিছু এককোষী জীবের জীবনচক্রে যৌন পর্যায় কনজুগেশন (conjugation) প্রক্রিয়ায় ডিএনএ বিনিময় করে। ঠিক যেমন আল কোরআন বলছে তোমরা একে অপরের কাছে চেয়ে থাক।যেমন কোষগুলো একজন আরেকজনের কাছে চাই এবং ডিএনএ বিনিময় করে এবং তারা নিজেদের মধ্যে ম্যাটিং টাইপের মধ্যে মিলন ঘটায় না। আল কোরান ঠিক যেভাবে বলছে। যেমন এ টাইপ এ টাইপ মিলন করে না। বি টাইপ বি টাইপ মিলন করে না। এক কোষি প্রাণি থেকে বহুকোষি প্রানি এমনকি স্তন্যপায়ী প্রাণের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। প্রথম দিকের সরল প্রাণিগুলোর মধ্যে নারী-পুরুষ নেই, একদম শুরুতে হুবহু কপি তৈরী করে সংখ্যা বাড়াতো। এখনও এরা তাই করে। এরপর দুটো কোষ নিজেদের মধ্যে জিন আদান-প্রদান শুরু করল, এখানেও নারী-পুরুষ নেই, আধুনিক ব্যাকটেরিয়াগুলো এই পদ্ধতিতেই সংখ্যা বাড়ায়। এরপর যখন বহুকোষী জীব তৈরি হল। তখন সব কোষ গুলোর জিন আদান-প্রদান করার প্রয়োজনীয়তা থাকল না।একদল কোশসমষ্টির মধ্যে মাত্র কয়েকটি কোষ জিন বিনিময়ের জন্য নির্ধারিত হল।এদেরকে আমরা বলি জননকোষ। একদল জীবের জননকোষ বড় আকৃতির ও নিশ্চল থাকল, এগুলোকে আমরা মানুষরা ডিম্বাণু নামে ডাকি যাকে নারী কোশ বলে চিহ্নিত করি, এগুলো বড় হল কারণ এরা কিছুটা খাবার সঞ্চয় করে রাখে। অন্য আরেক দল বহুকোষী জীবের জনন কোষগুলো জিন ছাড়া বেশিরভাগ কোষ অঙ্গাণু ত্যাগ করে খুব ছোট হয়ে গেল কারণ এদের উদ্দেশ্য হল শুধু জিন বহন করা, লেজ গজিয়ে সচল হল, এগুলো নিজেরাই সাঁতরে গিয়ে বড় আকৃতির ও নিশ্চল কোষ বা ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে জিন আদান-প্রদান শুরু করল, এগুলোকে আমরা মানুষরা শুক্রাণু বা পুরুষ কোষ নামে ডাকি। এইভাবে আমাদের পূর্ববর্তী জীবগুলোতেই নারী-পুরুষ সৃষ্টি হল, যাদের থেকে বিবর্তনের ধারায় মানুষেরও নারী-পুরুষ এদের থেকেই এসেছে।
মানুষের নারী-পুরুষে জেনেটিক স্তরে খুব বেশি পার্থক্য নেই! পুরুষদের একটি X জিন কম থাকে, তার বদলে Y জিন থাকে। মানব পুরুষদের মডিফায়েড নারীই বলা যায়। তবে মানুষের মত বুদ্ধিমান জীবের বিবর্তনে দুটি মাত্রা আছে, একটি দৈহিক আর অন্যটি সাংস্কৃতিক। ক্রমশ সেক্সুয়াল সিলেকশনের ফলে দৈহিক, মানসিক ও আচরণে প্রচুর পার্থক্য চলে এল, সাংস্কৃতিক বিবর্তনের ফলে পোশাক-আশাকেও প্রচুর পার্থক্য চলে এসেছে। বিবর্তনের ধারায় আদি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের একটি সাধারণ অটোসোম (দেহ ক্রোমোজোম) জোড়ার মধ্যে একটি জিনের মিউটেশন ও স্থানান্তরের ফলে SRY জিনের (Sex-determining Region Y) উৎপত্তি হয়েছিল, যা পুরুষ লিঙ্গ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে; এই প্রক্রিয়াটি মূলত যৌন ক্রোমোজোমের বিবর্তন ও লিঙ্গ নির্ধারণের ভিত্তি স্থাপন করেছে। সহজ কথায়, SRY জিনের আবির্ভাব হয়েছিল একটি সাধারণ জিনের অনুলিপি তৈরি (Gene Duplication) এবং পরবর্তীতে মিউটেশনের মাধ্যমে, যা পুরুষ লিঙ্গ নির্ধারণের একটি শক্তিশালী সংকেত হিসেবে কাজ করতে শুরু করে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, SRY জিনের আদি উৎস হলো SOX3 নামক একটি জিন, যা বর্তমানে মানুষের X ক্রোমোজোমে পাওয়া যায়। বিবর্তনের ধারায় আদি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের একটি সাধারণ অটোসোম (Autosome) জোড়ার মধ্যে একটি জিনের মিউটেশনের মাধ্যমে SRY-এর জন্ম হয়। ক্রোমোজমের ভিন্নতাই দুটি লিঙ্গের ভিন্নতা। মহান স্রষ্টা কত বড় মহান যে তিনি লিঙ্গের আবির্ভাবের মাধ্যমে প্রজনন পদ্ধতি উদ্ভব করে আমাদের সকলকেই ধারাবাহিকভাবে দুনিয়ার রুপ দেখার সৌভাগ্য দিয়েছেন। তিনি কত মহান।
©somewhere in net ltd.