| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জ্যাক স্মিথ
লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।
এই লোকটা বছরের পর বছর ধরে প্রকাশ্যে আমেরিকা ও ইসরাইলের ধ্বংস চেয়ে আসছে, তাদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করার মত ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়ে আসছে; অথচ যুদ্ধ শুরুর সাথেই সাথেই চিৎপাটাং হয়েছে। একেই বলে- অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে সে গর্তে নিজেকেই পড়তে হয়। সাধারণ কোন দেশের রাষ্ট্রনায়ক কখনো প্রকাশ্যে এভাবে কোন দেশের প্রতি হুমকি ধামকি দেয় না ( যুদ্ধাবস্থা ছাড়া ), এ ধরণের হুমকি দেয় সাধারণত সশস্ত্র চরমপন্থী গ্রুপগুলো যেমন- আল কায়েদা, হিজবু্ল্লাহ, হুতি. ইত্যাদি, অথচ এই মোল্লা বছরের পর বছর ধরে একদম প্রকাশে আমেরিকা-ইসরাইলকে থ্রেট করে আসছে, তার পোষা সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার আমেরিকান নাগরিকদের হত্যা করেছে; যার ফলাফল সে হাতে নাতে পেয়েছে।
এই মোল্লা মারা যাওয়াতে যারা খুশি হয়েছেন তারা হাহা রিয়্যাক্ট করুন, রিয়্যাক্ট না করে কেউ যাবেন না। আর যারা ব্যথিত হয়েছেন তারা কান্নার রিয়্যাক্ট মারুন। আমি একজন গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষ তাই দু-পক্ষের জন্যই সমান সুযোগ রাখলাম।
Iranians from across the world
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আপনি হাঁহাঁ রিয়্যাক্ট দিবেন ইহা আমি বিশ্বাস করি না- সামুতে রিয়্যাক্ট বাটন যুক্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি। পোস্টের নিচে একটি ফেসবুক লিং যুক্ত করেছি আপাদত ওই লিংকে গিয়ে আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন।
ধন্যবাদ।
লিংকটি এখন কাজ করবে।
২|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৩৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সামুতে হাঁ হাঁ রিএক্ট দেওয়ার নিয়ম কি?
ইমোটিকন খুঁজে পাচ্ছি না।
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: প্রথম কমেন্টের দিক নির্দেশনা ফলো করুন।

৩|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এক খামেনি লোকান্তরে লক্ষ খামেনি ঘরে ঘরে ।
।
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: পোস্টের নিচে একটি ফেসবুক লিং যুক্ত করা হইয়াছে, উক্ত লিংকে গিয়ে আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন।

৪|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১:২৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপনি হাঁহাঁ রিয়্যাক্ট দিবেন ইহা আমি বিশ্বাস করি না
==============================
আমাকে ট্রাস্ট না করে অনেকে বিপদে পড়েছেন। ![]()
৫|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২৩
অর্ক বলেছেন: এই ব্যক্তি ভয়ঙ্কর অভিশাপ ছিলো মানবসভ্যতার জন্য। লাখো নির্দোষ ইরানিকে জীবন দিয়েছে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরে। নিজের দেশের লোকদের দরিদ্রের মাঝে রেখে, এই লোক ইহুদিদের সামান্য আবাসভূমি ইসরায়েল নিশ্চিহ্ন করতে দীর্ঘ সময় ধরে ফান্ড করে আসছিলো হুতি, হিজবুল্লা, হামাস, ইসলামিক জিহাদ, আইএসসহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে। এদের সংবিধানে লেখা আছে, ইসরায়েলের ধ্বংস করতে হবে। ভাবা যায়! অথচ ইরান মধপ্রাচ্যেরও কোনও দেশ নয়। সমৃদ্ধ পারস্য সভ্যতাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে, অসুস্থ বর্বরব জঙ্গি জাতিতে পরিণত করেছে ইরানিদের। রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। ইরানের সমাজব্যবস্থা একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। এখনও এর বিরাট সমর্থক রয়ে গেছে ইরানে। যারা ভীষণ বর্বর। তথাপি সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেলো। শুভকামনা সবসময় সভ্য, শিক্ষিত ইরানিদের জন্য।
৬|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২৮
অর্ক বলেছেন: এই ব্যক্তি ভয়ঙ্কর অভিশাপ ছিলো মানবসভ্যতার জন্য। লাখো নির্দোষ ইরানিকে জীবন দিতে হয়েছে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরে মোল্লাতন্ত্র থেকে মুক্তির জন্য। নিজের দেশের লোকদের দরিদ্রের মাঝে রেখে, এই লোক ইহুদিদের সামান্য আবাসভূমি ইসরায়েলকে নিশ্চিহ্ন করতে দীর্ঘ সময় ধরে ফান্ড করে আসছে হুতি, হিজবুল্লা, হামাস, ইসলামিক জিহাদ, আইএসসহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে। এদের সংবিধানেই লেখা আছে, ইসরায়েলের ধ্বংস করতে হবে। ভাবা যায়! অথচ ইরান মধপ্রাচ্যেরও কোনও দেশ না। সমৃদ্ধ পারস্য সভ্যতাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে, অসুস্থ বর্বর জঙ্গি জাতিতে পরিণত করেছে ইরানিদের। রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। ইরানের সমাজব্যবস্থা একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। এখনও এর বিরাট সমর্থক রয়ে গেছে ইরানে। যারা ভীষণ বর্বর, নৃশংস। তথাপি আজ সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেলো। শুভকামনা সবসময় সভ্য, শিক্ষিত ইরানিদের জন্য।
*আগের মন্তব্যে ভুল আছে। ডিলিট করে দেন।
৭|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:১৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: আসল বিষয়টাই আপনার মাথার উপর দিয়ে গেছে। সেটা হলো এই লোক বছরের পর বছর ইসরাইলের ধ্বংস চেয়ে আসলেও ইসরাইলকে ধ্বংস করেনি (বা সেটা করার মত ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি)।
কিন্তু তিনি যে ধ্বংস ইসরাইলে করতে চেয়েছেন, ইসরাইল এখন সেই ধ্বংসটা বাস্তবে তেহরানে করছে। একটা মানসিক, কাল্পনিক; আরেকটা বাস্তব কর্ম।
৮|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:২৯
অগ্নিবাবা বলেছেন: আমারে এই ব্লগে কেউই পছন্দ করে না, পছন্দ করার কোনো কারনও নাই, কারন আমি সোজা কথা কই। আরবে এই সমস্যার মূল হইল আল্লাহ আর মহম্মদ, আরব ছিল, ইহুদি, খ্রিষ্টান, আর মুর্তিপুজারীদের, মহম্মদ আর তাঁর অনুসারীরা তাদেরই হাজার বছরের জন্মভুমি থেকে খেদায়ে দেছে। এরপর শুধুমাত্র ইহুদিরা ইউরোপ থেকে দোচাবাড়ি খায়ে ফিরে এসেছে, তারা টাকা দিয়ে নিজেদের জমি আবারো কিনে থাকতে চেয়েছে, কিন্তু মুসলমানরা কাউকেই তাদের সাথে থাকতে দেবে না, তাদের আছে সাউয়া ভাঙ্গা প্রাইড, এরা ক লিখতে কলম ভাঙ্গে কিন্তু প্রাইড যায় না, এদের কোনো হ্যাডম নাই, শুধু আছে ফালাফালি।
১) সহিহ মুসলিম
বই: كتاب الجهاد والسير (কিতাবুল জিহাদ ওয়াস-সিয়ার)
হাদিস নম্বর (স্ট্যান্ডার্ড নম্বরিং): 1767
আরবি পাঠ:
لَأُخْرِجَنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ حَتَّى لَا أَدَعَ إِلَّا مُسْلِمًا
অর্থ:
“আমি অবশ্যই আরব উপদ্বীপ থেকে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বের করে দেব, যতক্ষণ না সেখানে মুসলিম ছাড়া আর কাউকে রেখে যাই।”
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৩৪
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সামুতে হাঁ হাঁ রিএক্ট দেওয়া নিয়ম কি?