| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জ্যাক স্মিথ
লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।
আপনারা সবাই জানেন যে ইরানের পোষা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বছরের পর বছর ধরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে; মধ্যপ্রাচ্যের এমন কোন দেশ নেই যারা কোন না কোন ভাবে ইরানের মদদপুষ্ট সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা আক্রান্তের শিকার হয়নি, পুরো মধ্যপ্রাচ্য আজ ইরানী বাহিনীর নির্মম নির্যাতনে অতিষ্ঠ, এমনকি খোদ ইরানের নাগরিকগণও আজ খামেনি বাহিনীর নির্যতন-অত্যাচরে অতিষ্ঠ
। এমনিতেই উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যকে ইরান যেন এক জ্বলন্ত আঙ্গারে পরিণত করেছে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, এভাবে আর চলতে দেয়া যায় না, জেগে উঠেছে আজ ইরানের তথা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অত্যাচারিত জনতা-- সময় এসেছে আজ খোমেনি বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর--- এরই ধারবাহিকতায় মধ্যপ্রাচ্যের বৃহৎ স্বার্থে এবং এ অঞ্চলে দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্ববাসী আজ ঐক্যব্ধ হয়েছে খামোনী বাহিনীর অস্ত্র নির্মূল করতে।
"তারা যদি সেচ্ছায় অস্ত্র ত্যাগ করে তাহলে তাদের জন্য রয়েছে সাধারণ ক্ষমা ও পুরস্কার আর তারা যদি এটা না করে তাহলে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যু" ইরানের ডিপ স্টেটের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো উদ্দ্যেশ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
যুদ্ধের বর্তমান অবস্থা- গত ২৮ তারিখের প্রথম সকালেই ইরানের প্রধান প্রধান রাডার সিস্টেম অকেজো এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে আজ যুদ্ধের ষষ্ঠ দিন চললেও ইরানের সবগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি তাবুও প্রায় প্রতি রাতেই ইরানের আকাশে আমেরিকান-ইসরাইলের জেটগুলো চক্কর দিচ্ছে এবং ইরানের গুরুত্বপুর্ণ সামরিক স্থাপনা একের পর এক ধ্বংস করা হচ্ছে।
যদিও ইরানে এখন পর্যন্ত তীব্র বেগে হামলা চালানো শুরু'ই হয়নি (এটি প্রথমিক ধাপ মাত্র, মুল আঘত শুরু হতে যাচ্ছে হচ্ছে আগামী সাপ্তাহ থেকে) তুবু্ও গত ৬ দিনে ইরানের নৌ এবং আকাশ শক্তি যথেষ্ট খর্ব করা হয়েছে- আমি বলবো ৮০% ধ্বংস করা হয়েছে, ইরানের নৌবাহিনীর অন্তত ২০ টি যুদ্ধজাহাজ সফলভাবে সাগরের অতলে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাশিয়া এবং চীন থেকে প্রাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় পুরোটাই ধ্বংস করা হয়েছে, আশা করা যাচ্ছে আগামী সাপ্তহের মধ্যেই ইরানের আকাশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে ইসরাইল-আমেরিকার হতে; তখন আক্ষরিক অর্থেই ইরানের আকাশ আমেরিকান বাহিনীর জন্য হয়ে উঠবে এক খেলনা বা গেমের মত। তখন আমেরিকার F-35, F-47 এর মত অত্যধুনিক ফাইটার জেটগুলো এবং B2 and B52 এর মত ভারী বোমারু বিমানগুলো নির্বিঘ্নে বিচরণ করতে থাকবে ইরানের পুরো আকাশ জুড়ে, যেখানে ইচ্ছে সেখানে, জেটগুলো রাত এবং দিন ২৪/৭ বিচরণ করতে থাকবে ইরানে সমস্ত আকাশ জুড়ে, তাদের দপ্তর, নেতাদের মাথার উপর দিয়ে, যেভাবে খুশি সেভাবে।
পরবর্তী ফ্রেজের আক্রমনে (যা শুরু হতে যাচ্ছে আগামী সাপ্তহ থেকে)- ধ্বংস করা হবে ইরানের সমস্ত ক্ষেপাণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, গুড়িয়ে দেওয়া হবে ড্রোন এবং অস্ত্র তৈরীর সমস্ত কারখানা, মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হবে যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলো যা রয়েছে সুরক্ষিত বাংকরে সেই সাথে হত্যা করা হবে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া সমস্ত কর্মকর্তা, এবং সামরিক ব্যক্তিবর্গদের। যাকেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হউক না কেন তার স্থায়িত্বকাল হবে ১ থেকে ৫ মিনিট এর মধ্যেই তাকে শান্তিপূর্ণভাবে বেহেস্তে পাঠিয়ে দেওয়া হবে তার পূর্বসূরীদের কাছেই। এই হচ্ছে আগামী সাপ্তাহ দুয়েকের গেম প্ল্যান- অতঃপর সবকিছু ঠান্ডা হয়ে যাইবে এবং হামাসের মত তারাও গর্তে লুকাবে।
BREAKING: Iran Announces Their New Supreme Leader
যদিও ইতিমধ্যই ইরানের মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে, তবুও তরা মাটির নিচের কিছু বাংকার থেকে আমেরিকান সেনাদের হত্যার উদ্দ্যেশ্যে অন্ধের মত এলোপাথাড়ি মিসাইল, ড্রোন ছুড়ছে যার বেশিভাগই সাধারণ নগারকিদের ঘরবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি করছে। তারা হয়তো জানে না ৯০% আমেরিকান সেনা সদস্যই ইরানী মিসাইলের রেঞ্জ থেকে 10x নিরাপদ অবস্থানে অবস্থান করছে। ![]()
বলা হয়ে থাকে- আকাশ যার দখলে যুদ্ধ তার নিয়ন্ত্রণে সেই হিসবে ইরানের আকাশ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে নেওয়ার পর ইরানের সমস্ত ক্ষেপাণস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করতে সর্বোচ্চ সাপ্তাহ খানেক লাগতে পারে আর তাই আগামী দুই সাপ্তাহ মধ্যপ্রাচ্যের যে যেখানে আছেন নিরাপদ স্থানে থাকার আহ্বান জানানো হলো, তারা হয়তো আরো কিছুদিন এলোপাথারি, ড্রোন মিসাইল ছুড়তে থাকবে- শত্রুর সব ড্রোন, সব মিসাইল ভুপাতিত করা স্ট্যাটাজিকেলি ভায়াবল নয়, ইহাতে শুধুই শক্তি এবং অর্থের অপচয় হয়। একটু ধৈর্য ধরুন সুখবর আসছে।
Welcome to the new middle east.
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যথাযথ তদন্ত প্রকৃিয়া শেষ না হাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না, ইচ্ছেকৃতভাবে স্কুলে হামলা করে কোন পক্ষরই কোন লাভ হয় না।
আগামী কাল রাত থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে শাড়াশি আক্রমণ, আগামী দুই সাপ্তাহ ইরানকে কঠিন পরিক্ষার মধ্য দিয়ে যতে হবে।
সাথেই থাকুন।
২|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৫
কথামৃত বলেছেন:
আমেরিকা ইরানের, স্কুল, হাসপাতাল, খেলার স্টেডিয়াম ও আবাসিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে ও হাজার মানুষকে হত্যা করছে।
এইটা কি লিবিয়া টাইফ গণতন্ত্র আসছে। নাকি ইরাক?

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৩১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এসব কই থেকে পান আপনি?
ইরান মূলত এলোপাথারি এদিক সেদিক ড্রোন, মিসাইল আক্রমণ সিভিলিয়ানদের ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জালিয়ে দিয়েছে ইরান। আমি অবশ্য এজন্য ইরানকে কোন দোষারোপ করছি না, কারণ এ এখানে যুদ্ধ চলছে, ফুল আদান প্রদাণের অনুষ্ঠান নয়। তাছাড়া ইরানের আত্নরক্ষার অধিকার রয়েছে।
৩|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৮
রাজীব নুর বলেছেন: এখন ইরানের উচিৎ ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। সেটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
এদিকে একদল লোক বলছে, ইরানের কাছে পরমানু বোমা আছে। শেষ হাতিয়ার হিসেবে ইরান সেটাই ব্যবহার করিবে।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: কিন্তু তাদের সে সুযোগ দেয়া হবে না, ইতিমধ্যেই ইরানের বিমান বাহীনিকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে এখন ইরানের বিমানবাহীনী বলতে কিছু নেই যা ১৯৪৮ সে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এবং ২০২৬ সালে এসে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়েছে।
৪|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২৪
ফক্সসেট বলেছেন: আপনাদের মত খ্রিস্টান ইহুদিদের কাছে এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমি যা ঘটেছে এবং ঘটতে যাচ্ছে তা বলেছি মাত্র, আপনি এটাকে বড়জোর লাইভ টেলিাকাস্ট বলতে পারেন অন্য কিছু নয়।
আপনি ইরানের পক্ষে মায়াকান্না করে রপকথার পসরা সাজিয়ে একটি পোস্ট করতে পারেন, আমি কমেন্ট করবো।
ধন্যবাদ।
৫|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
মৃত্যুপথযাত্রীর রোগীর আত্মীয় পরিজনকে আমরা কি বলি? - হাসপাতালে রেখে পয়সা খরচ করবেন না। বাড়িতে নিয়ে যান, ভালো মন্দ যা খেতে চায় খাওয়ান, দোয়া করুন।
ঠিক তেমনই ইরানের যা হবার হয়ে গিয়েছে। এখন আর কিছুই করার নেই। আরেকটি ইরাক আরেকটি লিবিয়া তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশের হেকমতে টিভি নিউজ ও তরিকতে ছাপা নিউজের উচিত আর উস্কানী না দিয়ে সঠিক নিউজ পরিবেশন করে জানানো ইরান শেষ। আর ফেসবুক ইউটিউবে আমীন আমীন ইসলামী আলোয় আলোকিত বীরদের উচিত আমীন আমীন রব বন্ধ করা।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আপনি যথার্থই বলেছেন।
শুধু ইরান-ইসরাইল বিষয় নয়, আন্তর্জাতিক যে কোন নিউজ এই সব হেকমতে নিউজ, তরিকতে চ্যানেলের বিশেষ অজ্ঞরা জাগাখিঁচুর প্রাচার করে পুরো একটা দেশে জনগোষ্ঠীকে অন্ধকারে রাখছে।
এই দেশের মানুষ প্রচন্ড ইমোশনাল সবকিছুই আবেগ দিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করে। যুদ্ধের মত এত বড় একটি বিষয়কে এরা আবেগ দিয়ে বিশ্লেষণের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ইরানকে জিতিয়ে দিয়েছে এবং আমেরিকা-ইসারাইল লেজ গুটিয়ে পালালো বলে আস্ফলন করছে। আর কিছুদিন পর দেখবেন এই লোকগুলোই আবার ইরান গেলো, গেলো, মাইরা ফালাইলো শেষ করে দিলো বলে আহাজারি করবে, কান্নাকটি করবে।
মানে এরা দুই দিক দিয়েই জিতবে- আস্ফলন করেও জিতবে আবার কান্নকাটি করেও জিতবে। ঘটনা যাই হোক এরা নিজেদের বিজয়ী ঘোষনা করবে।
আরেক দল আছে দেখবেন- এরা মানবাতার ঝাঁপি খুলে দিয়ে বসে আছে, এখনে চলছে যুদ্ধ কিন্তু তাদের ভাবসাব দেখলে মনে হবে এখনে ফুল আদান প্রদাণের অনুষ্ঠান চলছে। বিপক্ষ দলের ক্ষতি হলে এরা আস্ফলন করবে, কিন্তু ইরানের কিছু হলেই এরা মানবতার ঝাপি খুলে দিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছে।
৬|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশের নেতৃত্ব নির্বাচনে কোনো না কোনোভাবে আন্তর্জাতিক জবাবদিহিতা থাকা দরকার। আমেরিকা যখন যুদ্ধ করে, মরে অন্যরা। বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধে নেই। কিন্তু ইরান সংকটের কারণে আমাদের এখন দ্বিগুণ দামে LNG কিনতে হচ্ছে। সিদ্ধান্ত নেয় শক্তিশালীরা, মূল্য দেয় দুর্বলরা। ইরানকে এত সহজে ভাঙা যাবে না। সিরিয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সুন্নিরা আসাদের বিরুদ্ধে ছিল সেই সুযোগটা ইরানে নেই। সেখানে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং শিয়া শাসন একসাথে। কুর্দি দিয়ে রেজিম চেঞ্জ ? ইসরায়েল নিজেই বলছে, লক্ষণ নেই। বোমায় সরকার পড়ে না, কেবল মানুষ মরে । এই চক্র থামবে কবে জানি না। কিন্তু যতদিন থামবে না, ততদিন বাংলাদেশের মতো দেশগুলো অন্যের যুদ্ধের দাম নিজেদের পকেট থেকে মেটাতে থাকবে।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আসলে অনেক সমস্যা, তবে ভালো বলেছেন।
ধন্যবাদ।
৭|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১
নতুন বলেছেন: সম্রাজ্যবাদ টিকিয়ে রাখতে আমেরিকা মানুষ হত্যা করছে, মানুষ যতই মুখে ভাল কথা বলুক আসলে সার্থের সামনে বেশিরভাগ মানুষই পরাজিত হয়।
এইযুদ্ধ এখন দরকার ছিলো না, হয়তো নেতানইয়াহু আর ট্রাম্প তাদের দূনিতি আর কেলেংকারী থেকে দৃস্ট সরাতে যদ্ধ শুরু করেছে।
আলোচনা করলে সবকিছুই সমাধান করা যায়।
যেকোন যুদ্ধেই মানবতা লাভবান হয় না। নারী, শিশু, বৃদ্ধরাই সবচেয়ে বেশি কস্টে পড়ে। ![]()
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমি কিন্তু কয়েকদিন ধরে মনে মনে আপনার কথা ভাবতেছি। আপনি খুব সম্ভবত দুবাই আছেন, যেখানে থাকুন নিরাপদে থাকুন। সাইরেন বাজার সাথে সাথে সবকিছু ফেলে বেজমেন্টে চলে যাবেন।
একটা যুদ্ধে অনেক ধরণের নোংরা খেলা হয়, যেখানে সাধারণ মানুষ বলির পাঁঠা হয়। এই যুদ্ধে দু'পক্ষই কিছু নোংরা খেলা খেলছে।
৮|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পাগলা ট্রাম্পকে এখনই থামানো উচিৎ
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমি তো জানি- শক্তিশালী ইরানের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপাণাস্ত্রের আঘাতে ট্রাম্প ইতিমধ্যেই তার বাহিনী নিয়ে পালায়ন শুরু করে দিয়েছে।
৯|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১
শেরজা তপন বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছিল মার্কো রুবিয়ো তার একপাক্ষিক বয়ান দিচ্ছে!!
আপনি আফগানিস্তানের বিষয়টা একটু বলবেন, এতো যুদ্ধ হত্যা হাইটেকের খেলার পরেও তালেবানদের মত উগ্রপন্থীদের হাতে ওরা সব ছেড়ে চলে গেল??
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: দারুণ একটি পয়েন্ট তুলে ধরেছেন- অনেকেই মনে করছেন, আফাগানিস্তানের মত ইরানেও যুক্তরাষ্ট্র হেরে যাবে। ইরানে সত্যিই যদি যুক্তরাষ্ট্র হরে যায় তাহলে আফাগনিস্তানের মত ইরানও বিশ্বের সুপার পাওয়ার হয়ে উঠবে।
আমার ব্যক্তিগত অভিমত হচ্ছে- ইরানের মত আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি নয় টানা ২০ বছর আফগানিদের একটু মানুষ করার চেষ্টা করেছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি- তাছাড়া নিজের খেয়ে বনের মেষ কতদিন তাঁড়ানো যায় পুরাই লস প্রজেক্ট-বাধ্য হয়ে আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে চেলে গিয়েছে তাদের গুরুত্বপূর্ণ আরও অনেক কিছু করার রয়েছে।
খুব সম্ভবত তালেবান সরকারকে হটাতে আমেরিকার সময় লেগেছিলো ২০ দিন, তবে খামেনি সরকারকে হটাতে ৯০ দিন লেগে যেতে পারে। তবে ইরানে আমেরিকা ২০ বছর থাকবে বলে মনে হয় না, এখন যুগ পাল্টিয়েছে ২০ বছর অনেক লম্বা একটি সময় দুই যুগ।
১০|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৪০
শেরজা তপন বলেছেন: আফাগনিস্তান কি বিশ্বের সুপার পাওয়ার হয়ে উঠেছে?
আমেরিকা মোটেও নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ায়নি! আমাদের যা দেখানো হয় তাই দেখি, যা বিশ্বাস করানো হয় তাই করি।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৩৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: টু বি অনেস্ট- আফগানিস্তানে আমেরিকা ২০ বছর থেকে অর্থনৈতিকভাবে ঠিক কি অর্জন করেছে তা আমি আজও জানি না। যতদূর জানি তালেবানদের প্রতি তাদের একটা ক্ষোভ ছিলো, এই ২০ বছরে সেই ক্ষোভ মিটিয়েছে মাত্র- সেজন্য মোষ তাড়ানোর কথা বললাম আরকি।
আফাগনিস্তান কি বিশ্বের সুপার পাওয়ার হয়ে উঠেছে?
যুক্তিতে তো তাই বলে- যেহেতু আফগানিস্তান আমেরিকাকে হারিয়ে দিয়েছে ( আসলে আমেরিকা চলে গিয়েছে) সেই হিসেবে আফগানিস্তানের এতদিনে বিশ্বের সুপার পাওয়া হওয়ার কথা। ![]()
১১|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৫৫
অপু তানভীর বলেছেন: এক ইরানী ডিজে দেখবাল খামেনি মৃত্যু নিয়ে একটা ডিজে গান ছেড়ে এবং বিভিন্ন দেশে থাকা ইরানীরা সেই ডিজের তালে তালে নেচে ভিডিও আপলোড করছে। গানটা খুজে দেখেন মজা পাবেন।
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: হ্যাঁ দেখতে হবে, আর আপনি এটাও দেখতে পারেন, মজা আছে
Iranians from across the world
আপনি কি এই ডিজের কথা বলেছেন?
১২|
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৯
নিমো বলেছেন: এই নূতন মধয়প্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ কী কী ভাবে উপকৃত হবে? ইতোমধ্যেই নূতন বাংলাদেশতো দেখার মত, বলার মত অবস্থায় আছে।
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২৬
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এক সময়ের সমৃদ্ধশালী ইরানকে এই খামেনী সরকার যে বেহাল দশা করেছে, বাংলাদেশও কি সেই পথেই হাঁটছে কি না তা ভাবার সময় এসেছে।
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন:
১৩|
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২
Bondi বলেছেন: Iran er advantage gula ki ki?
1. Hormuj
2. Low cost oil
Ei advantage gular sathe kader economy jorito? Tara hoite deebe? Gopone joto support dewa dawrkar deeye jabe.
Iran er tin dik pahar deeye ghera. Afganistan and Pakistan er oidik deeye plain land attack possible. But Pakistan and Afganistan USA k ei onumoti deebe bole mone hoyna.
Only Air strike deea desh dokhol kawra eto shohoj na. Iran nijeke hoyto prostut rekhese land attack er jonno bosor er por posor dhore cause tara jane attack korbei Isreal and USA.
Vietnam er war hostory ta ektu deikhen
০৭ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: হ্যাঁ যে দেশের উপর আক্রমণ হয় উক্ত দেশ সর্বদিক দিয়েই এডভান্টেজ পায়, বিশেষ করে স্থল অভিযানে। এই ছোট একটি জিনিস বুঝার জন্য ১৯৬৫ সালের ভিয়েতনাম যুদ্ধের হিস্ট্রী নিয়ে বাসার কোন প্রয়োজন বোধ করছি না, প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদা।
চিন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া গোপনে ইরানকে কিছু তথ্য দিয়ে সহয়তা করে থাকতে পারে এর বেশিকিছু নয়- প্রকাশ্যে এবং গোপনে অস্ত্র সহয়তা দেওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না আরা তারা সে সুযোগাও পাবে না।
শত্রুর গরুত্বপুর্ণ সব সামরিক কাঠামো গুড়িয়ে দিতে এয়ার স্ট্রাইকের বিকল্প কিছু নেই- আর এই বিষয়টা আমার আর আপনার চেয়ে মার্কিন মিলিটারী স্ট্র্যাটজিস্টরা খুব ভালো বুঝে।
সাদ্দামকে পরাস্ত করতে লেগেছিলো তিন সাপ্তাহ, তালেবানকে হঁটাতে দুই সাপ্তাহ আর গাদ্দাফিকে পরাস্ত করতে হয়তো মাস খানেক লেগেছিলো, এত দ্রুত সময়ে এদের হটানোর মূল পাওয়ার ছিলো এয়ার ফোর্স।
ইরানকে হটাতে ৫ থেকে ১০ সাপ্তাহ লাগে যেতে পারে।
১৪|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৬
Bondi বলেছেন: "এই ছোট একটি জিনিস বুঝার জন্য ১৯৬৫ সালের ভিয়েতনাম যুদ্ধের হিস্ট্রী নিয়ে বাসার কোন প্রয়োজন বোধ করছি না, প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদা।"
America Ki jeete ber hoisilo vietnam theke?
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:২৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদা। - কারণ ভিয়েতনামে চীন রাশীয়া সরাসরি সহয়তা করেছিল যা ইরানে কেউ করছে না এবং সে সম্ভবনাও নেই, তাছাড়া তৎকালীন সময়ে রাশিয়া অনেক বেশী শক্তিশালী ছিলো।
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৩২
জ্যাক স্মিথ বলেছেন:
১৫|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৫৩
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
একটু আগে আমি শুধু একজন ব্লগার লগ ইন দেখেছিলাম তোমাকে....
এখন ৩ জন দেখা যাচ্ছে
৩ জন ব্লগার
ডঃ এম এ আলী
জ্যাক স্মিথ
সুলাইমান হোসেন
![]()
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৬
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এই ব্লগটা আপি দিন দিন শেষের পথে যাত্রা করেছে, আজকাল মানুষ পড়তেই চায় না সেখানে লিখা তো অনেক কষ্টের। বর্তমানে ব্লগটি টিকিয়ে রেখেছে 'সৈয়দ কতুব'। এখন চলছে শর্টস, রিলস, এআ্ই এর যুগ অথচ এই ব্লগ এখনো সেই ডাইনোসার যুগেই পরে রয়েছে কোন পরিবর্তন নেই।
চাঁদগাজীর সেংশন উঠিয়ে দিলে ব্লগে হুলুস্থুল কিছুটা বাড়তে পারে।
১৬|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: চরম অস্থির সময় পার করছে মধ্যপ্রাচ্য, মধ্যপ্রাচ্য আজ যেন এক জ্বলন্ত আঙ্গারে পরিণত হয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬
কথামৃত বলেছেন: