| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শুভ জািহদ
Some Were Saying Erasers Are for People Who Make Errors, But The Wise Said; Erasers Are for People Who Are WILLING to Correct their Mistake!!! http://howcanigetanemailaddress.com/
কাফিরকে কাফির মনে না করলে তার ভয়াবহতা
এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়টিতে অধিকাংশ মুসলিমরা ভুল পথে রয়েছেন। মুসলিমদের মাঝে অনেকেই মনে করেন, কাউকে কাফির বলা ঠিক নয়। অথচ কুরআন এবং হাদিসে এ সকল মুসলিমদের বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কথা পাওয়া যায়।
মহান আল্লাহ্ বলেন,
সূরা কাফিরুন-১> বল হে কাফিরগণ।
এই আয়াতে আল্লাহ্ রসূলুল্লাহ্ (দ.) কে বলেছেন, মক্কার মূর্তিপুজারীদেরকে হে কাফির বলে সম্বোধন করতে। অর্থাৎ বুঝা গেল কাফির বলার শিক্ষা আল্লাহ্ তায়ালাই দিয়েছেন। এখানে একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় কাফির শব্দটি কোনো গালি নয় বরং তার অর্থ অস্বীকারকারী, অবাধ্য, গোপনকারী। মক্কার মূর্তিপুজারীরা যেহেতু আল্লাহ্ এবং তার রসূলের (দ.) কথা অস্বীকার করেছিল, তাই তাদের কাফির বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। ঠিক মক্কার মূর্তিপুজারীদের মতো এখন যদি কেউ আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূলের সাঃ যেকোনো একটি কথাও অস্বীকার করে তাহলে সে’কি কাফির হবে না ? অবশ্যই হবে।
মহান আল্লাহ্,
“যারা আল্লাহ্ এবং তার রসূলদেরকে (অর্থাৎ তাদের কথাকে) অস্বীকার করে আর আল্লাহ্ ও রসূলদের মাঝে পার্থক্য করতে চায়, আর বলে (রসূলদের) কাউকে মানি আর কাউকে মানি না। আর তারা তার (কুফর ও ঈমানের) মাঝ দিয়ে একটা রাস্তা বের করতে চায় তারাই হলো সত্যিকারের কাফির। আর কাফিরদের জন্য আমি অবমাননাকর শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।” -সূরা নিসা ৪/১৫০, ১৫১
এই আয়াতে আল্লাহ্ বলছেন যে, আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূলদের কথাকে যারা বিশ্বাস করোনা তারাই সত্যিকারের কাফির বলে আখ্যায়িত হবে।
অতএব যে সকল কর্মের কারণে আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূল সাঃ কাফির বলে আখ্যায়িত করেছেন বর্তমানে সে সকল কর্মের সাথে যারা জড়িত তাদের যদি আমরা কাফির হবে বলে বিশ্বাস না করি তাহলে'তো সূরা নিসার, ৪/১৫০, ১৫১নং আয়াত অনুযায়ী আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূলের সাঃ কথাকে অস্বীকার করে সত্যিকারের কাফির হয়ে যাবো। তাই আমাদের নিজেদেরকে কাফির হওয়া থেকে বাঁচাতে হলে আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূল সাঃ যাদেরকে কাফির বলে আখ্যায়িত করেছেন আমাদেরকেও তাদেরকে কাফির বলে বিশ্বাস করতে হবে।
যেমন- মহান আল্লাহ্ বলেন,
“বল (হে মুহাম্মাদ (দ.); আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ। আমার কাছে ওয়াহী হয় যে, নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক ইলাহ্” -সূরা কাহাফ, ১৮/১১০
এই আয়াতে আল্লাহ্ বলছেন যে, মুহাম্মাদ (দ.) আমাদের মতই মানুষ, পার্থক্য হচ্ছে তাঁর কাছে আল্লাহ্’র ওয়াহী আসে কিন্তু আমাদের কাছে আসেনা। কিন্তু কিছু-কিছু মানুষ রসূলুল্লাহ্ (দ.) কে আমাদের মত মানুষ বলে বিশ্বাস করে না। এখন যারা রসূলুল্লাহ্ (দ.) আমাদের মত মানুষ বলে বিশ্বাস করে না তারা কি আল্লাহ্’র কথাকে অবিশ্বাস করলো না ? অবশ্যই করেছে। আর যারা আল্লাহ্’র কথাকে অবিশ্বাস করে তাদেরকে আল্লাহ্ সত্যিকারের কাফির বলে আখ্যায়িত করেছেন। আর এ কথাটি আমাদের বিশ্বাস করে নিতে হবে। এখন যদি আমরা মনে করি রসূলুল্লাহ্ (দ.) কে আমাদের মত মানুষ বলে বিশ্বাস না করলেও মুসলিম থাকবে, তাহলে তো আমরা আল্লাহ্’র কথাকে অবিশ্বাস করার কারণে কাফির হয়ে যাবো। মহান আল্লাহ্ বলেন,
“আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূলের (কথাকে) অমান্য করবে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমালংঘন করবে আল্লাহ্ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন। সে তা'তে চিরকাল থাকবে এবং অবমাননাকর শাস্তি ভোগ করবে।” -সূরা নিসা, ৪/১৪
এই আয়াত অনুযায়ী যারা আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূলের সাঃ কথাকে অবিশ্বাস করবে, তারাই চিরস্থায়ী জাহান্নামী। আর চিরস্থায়ী জাহান্নামবাসী কোনো মুসলিম হয় না বরং কাফিররাই হয়। তাই বুঝা গেল যে, যারা আল্লাহ্ এবং তার রসূলের সাঃ কথাকে অবিশ্বাস করে তারাই কাফির।
অতএব, আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূল (দ.) যাদেরকে কাফির বলে আখ্যায়িত করেছেন আমরা যদি তা বিশ্বাস না করি তাহলেতো আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূলের কথাকে অবিশ্বাস করার কারণে চিরস্থায়ী জাহান্নামবাসী হয়ে যাবো অর্থাৎ কাফির হয়ে যাবো।
তাই আমাদেরকে মুসলিম হিসেবে থাকতে হলে আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূল যাদেরকে কাফির বলে আখ্যায়িত করেছেন তাদেরকে কাফির বলে বিশ্বাস করতে হবে।
শিক্ষাঃ
১। কাফির বলার শিক্ষা স্বয়ং আল্লাহ্ তায়ালাই দিয়েছেন।
২। কাফিরকে কাফির মনে না করলে নিজেই কাফির হয়ে যাবে।
৩। কাফির শব্দটি কোনো গালি নয় বরং তার অর্থ অস্বীকারকারী, অবাধ্য, গোপনকারী।
=============================================
উপরোক্ত অংশটুকু নিম্নোক্ত বই থেকে নেওয়া হয়েছে।
বইয়ের নাম: "কাফির বলার প্রয়োজনীয়তা ও নিয়ম"
লেখক: মুহাম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিকান
২৮ শে জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৪
শুভ জািহদ বলেছেন: আমি কাফেরদের কাফের বলার দাওয়াত দিচ্ছি। মুসলিমদের নয়। মুসলিম ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য জানেন আপনি? আপনি তো বলেন নবী সা: আলীমুল গায়েব। আপনার আক্বিদা তো আরও ডেঞ্জারাস। শিরকী আকিদ্বাহ। যাক আমার পোষ্ট বোঝার যোগ্যতা পীরের মুরিদদের হয় না।
২|
২৮ শে জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪১
মনির১০ বলেছেন: সহমত
২৮ শে জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৫
শুভ জািহদ বলেছেন: ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পারছেন।
৩|
২৮ শে জুন, ২০১২ রাত ৯:১২
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি কাফেরদের কাফের বলার দাওয়াত দিচ্ছি। মুসলিমদের নয়। মুসলিম ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য জানেন আপনি? আপনি তো বলেন নবী সা: আলীমুল গায়েব। আপনার আক্বিদা তো আরও ডেঞ্জারাস। শিরকী আকিদ্বাহ। যাক আমার পোষ্ট বোঝার যোগ্যতা পীরের মুরিদদের হয় না।
প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ব্যক্তি আক্রমনে আপনার ভাল যোগ্যতার প্রমাণই রেখেছেন আপনি!!!!
যাক- যদি পারেন- প্রশ্নটির উত্তর দেন।
ভাই আপনি কি মুসলমান?
কিভাবে মুসলমান?
৪|
১৬ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৫১
মাহফুজশান্ত বলেছেন: নিচের লিংকে আপনার মন্তব্য আশা করছি-
ইসলাম বিরোধী মনোভাব প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত কাউকে অযথা সরাসরি কাফের বলা উচিত নয়-
দাওয়াতের কাজে মিষ্টতা ও ধৈর্যশীল হওয়া জরুরী নয় কি?
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৩
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দিলেনতো আল্লাহরে দোষী বানাইয়া!!!!
যাক-
আপনি লিখেছেন--
"তাই আমাদের নিজেদেরকে কাফির হওয়া থেকে বাঁচাতে হলে আল্লাহ্ এবং তাঁর রসূল সাঃ যাদেরকে কাফির বলে আখ্যায়িত করেছেন আমাদেরকেও তাদেরকে কাফির বলে বিশ্বাস করতে হবে। "
এইটা কার জন্য? এই বাক্য বিধান কার জন্য প্রযোজ্য?
মুসলমানের জন্য; তাইতো?
তো আপনি সবাইকে যে দাওয়াত দিচ্ছেন কাফির বলার জন্য- ভাই আপনি কি মুসলমান?
কিভাবে মুসলমান?
দয়া করে জানালে আমাদের সকলের শিক্ষাগ্রহনটা যথার্থ হতো।