নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জাকির হোসাইন এর বাংলা ব্লগ।

?জকির!

on Facebook: www.fb/jakir007

?জকির! › বিস্তারিত পোস্টঃ

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি আর লেখকদের ভন্ডামি

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৩২

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বা সাইন্স ফিকশন গুলোতে আগ্রহ একটু বেশি। বিক্রি ও ভালো হয়। তাই বলে যে কোন গল্প লিখেই তা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বলে চালিয়ে দিবেন নাকি??

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি লিখে দিলেই তা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি হয়ে যায় না। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে যুক্তি থাকতে হয় এটা লেখরা মনে হয় বুঝতে পারে নাই। আর রকিব হাসানের কাছ থেকে এ রকম আসা করি নি, অন্য কেউ হলে মেনে নেওয়া যেত। যুক্তি থাকতে হয় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে। কিন্তু "মহাকাশের আতঙ্ক" নামক গল্পটিতে উনি এ ভুল ই করছেন...

রকিব হাসানের ফ্যান অনেকেই আছেন, তাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

আমাকে আক্রমন করার আগে শুনে রাখুন আমি নিজে ও উনার একজন ফ্যান। তিন গোয়েন্দা অনেক পড়ছি, সময় পেলে এখন ও পড়ি।।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:১৫

আম-আঁটির ভেঁপু বলেছেন: একটু ব্যখ্যা প্রত্যাশা করছি।... ঠিক কি ধরনের ভুল করেছেন?

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:২০

?জকির! বলেছেন: একটা প্রানী থেকে আরেকটা প্রানীতে রুপান্তর।

২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:২১

হিমাংশু বলেছেন:
মহাকাশের আতঙ্ক যদ্দুর মনে হয় বিদেশী কাহিনী অবলম্বনে লেখা। বইটা পড়া হয়নি, একটু গল্পটা বলবেন কি? ঠিক কিরকম অযৌক্তিক?

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:০১

?জকির! বলেছেন: আমি লিখতে পারবোনা। তবে উনার কিশোর উপন্যাস বাগের থাবা জাতিয়। নামের পাশে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিন আর কিছু না।

৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:০৮

বাংলার কথা বলি বলেছেন: অসম্ভব সবকিছু লেখার কারনেই সেগুলোর নাম কল্পকাহিনী। আপনি কি পরেন কিভাবে পরেন জানিনা, তবে কালকে কোন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার হবে তার ধারনাও বেশীভাগ মানুষের নাই। আপনার ধারনা খুবই সীমিত। গাছের প্রান আবিষ্কারের আগে যদি কেও লিখত গাছটা মারা গেল, তাইলে সবাই মিলে কইষা গালি দিতেন। এইটাই স্বাভাবিক, কল্পকাহিনীর লেখকরা তাদের দুরদৃষ্টি দিয়ে কিছু জিনিস ক্কল্পনা করেন, এবং সেটাই লেখেন। তাদের সব কথায় যুক্তি থাকতে হবে এটা আবশ্যক না। যারা সায়েন্স ফিকশন পড়েন , তাদের সবাই জানেন তারা কাল্পনিক জিনিস পড়ছেন।

সরি টু সে, আপনার পোষ্ট পুরোপুরি অযৌক্তিক।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৫৪

?জকির! বলেছেন:

কল্প কাহিনী হিসেবে ঠিক আছে। কিন্তু যখনই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখা হয় তখনই যুক্তির কথা উঠে আসে। আসা করি ধরতে পেরেছেন।

৪| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৩৪

আম-আঁটির ভেঁপু বলেছেন: @ বাংলার কথা বলি- রুপকথার গল্প আর সায়েন্স ফিকশন এক জিনিস না। X(

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২৩

?জকির! বলেছেন: উনি একটি কথাই জানে " আপনার চিন্তার গন্ডি অনেক সীমিত। "" যাই হোক উনাকে আমি আপনার কথা গুলো বুঝাতে পারলাম না।

৫| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৪২

সীমানা পেরিয়ে বলেছেন: বৈজ্ঞানিক কল্প-কাহিনী তো অবিশ্বাস্য হবেই না হলে কল্প কাহিনী কেন! তবে উপস্থাপনের স্টাইল সবার পছন্দনীয় নাও হতে পারে। তবে আপনি সামহ্যোয়ারের ব্লগারদের লেখা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীগুলো পড়ে দেখতে পারে এখানে একটা লিস্ট আছে

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২২

?জকির! বলেছেন: ওহ কি বলে যে আপনাকে ধন্যবাদ দিব... থাক দিব না। আমি হলাম সাইন্স ফিকশনের এক পাগলা পাঠক যাকে আপনারা বলে ক্রেজী

৬| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৪৪

বাংলার কথা বলি বলেছেন: পৃথিবী চাদের চারপাশে ঘোরে, এটা আবিষ্কার হওয়ার আগে এটাও অযৌক্তিক ও গাজাখুরি লাগত। যেটা আপনার কাছে অযৌক্তিক লাগছে সেটা অন্য কারোর কাছে যৌক্তিক লাগতে পারে। বিজ্ঞানের সীমানা অনেক বড়, আজ যা প্রায় অসম্ভম কাল যে সেটাই সম্ভব হবেনা সেটা আপনি গ্যরান্টি দিয়ে বলা সম্ভব না।

আর এজন্যি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর নাম ফিকশন। দুঃখিত আপনার চিন্তার গন্ডি অনেক সীমিত। শুধু নিজের অপিনিওনের উপর ভিত্তি করে একজন লেখককে মুল্যায়ন করতে যাবেন না।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:২৮

?জকির! বলেছেন: আমি কিছু বলব না। এত টুকুই বলব আমি দেশি সাইন্স ফিকশনের পাশা পাশি বিদেশি অনেক রাইটারের অনুবাদকৃত সাইন্স ফিকশান পড়ছি। সে থেকেই বললাম আমার মতামত বললাম। আর আমি রকব হাসানের ও অনেক বই পড়ছি, তিন গোয়েন্দা সত্যি এক চমৎকার সৃষ্টি । এবার আপনার ইচ্ছে।
টেকটিউন্সে আমি নিয়মিত লিখি। প্রথম পেজেই আমাকে পাবেন ডানপাশের ব্যানারে।
নিজের ঢোল পিটানোর জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৩৮

?জকির! বলেছেন: আপনি আমার এ লেখা টা পড়বেন http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirbdl/29311344

৭| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৫৬

আম-আঁটির ভেঁপু বলেছেন: বিজ্ঞানে এমন অনেক কিছু আছে- যেটা অজানা। কিছু বিষয়ের এখনো মিমাংসা হয় নি। সেগুলো নিয়ে সায়েন্স ফিকশন লেখা হয়। আমার সবচেয়ে প্রিয় সায়েন্স ফিকশন লেখক হলেন জুল ভার্ণ। তাঁর লেখা গুলো পড়ে দেখবেন। আজ থেকে প্রায় ১৫০ বছর আগে তিনি ওগুলো লিখে গেছেন, আজো তা কন্টেম্পরারি। আপনার গল্পের মধ্যে যদি কোনো বৈজ্ঞানিক দূবদৃষ্টির চিহ্নমাত্র না থাকে, তাহলে সেটা রুপকথার গল্প, সায়েন্স ফিকশন না। সায়েন্স ফিকশন আর গাঁজাখুরি যদি একই জিনিস হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তো ঝামেলা!

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৩৩

?জকির! বলেছেন: জুল ভার্ন , আইজেক এজিম্ব, এইস জি ওয়েলস এদের লেখা যে পরে নি তারা সাইন্স ফিকশন কি তাই বুঝবে না।
বলতে খারাপ লাগে তবুও বলছি জাপর ইকবাল স্যার ও এইস জি ওয়েলস এর অদৃশ্য মানব বইটি নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছ অনুবাদ করে.। ( আমি জাফর ইকবাল স্যারের প্রায় বই পড়ছি উনার এক জন ফ্যান। তবে সত্য সত্যই)

৮| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১১ রাত ২:০২

আমিনুল ইসলাম বলেছেন: বৈজ্ঞানিক কথাটার সঙ্গে কল্পকাহিনী যোগ হয় কারণ এখানে এমন কিছু কথা হবে যা সম্পূর্ণই কল্পনার অবদান। এখানে যুক্তি খুঁজতে যাওয়ার চেয়ে গল্পের বই পড়া বাদ দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

০৬ ই মার্চ, ২০১১ ভোর ৬:০১

?জকির! বলেছেন: না। তাহলে সাধারন গল্পের সাথে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পার্থক্য কোথায়?
ব্লগীয় সাই-ফাই ইনডেক্স (কল্প-বিজ্ঞান গল্প তালিকা) নামক একটি লেখা পাবেন আমার প্রিয় পোস্ট গুলোতে। ও গুলো কিছু পড়ে দেহুন সাইন্স ফিকশন মূলত কি?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.