| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিশ্বশান্তির ডুগডুগি বাজানো ফেরীওয়ালার থলেতে যে বিড়াল লুকানো রহিয়াছে তাহা এখন দিবালোকের ন্যায় পষ্ট হইয়া পড়িয়াছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ন্যায় দু’ দুটি রক্তাক্ত ও ধ্বংসাত্মক সংঘাতের করুণ পরিণতিতে মানুষ শান্তির অন্বেষায় ব্রতী হইয়া জাতিসংঘ নামক এক প্রতিভূ দাঁড় করাইয়া ছিল। যাহার পরিণাম ফল ছিল বিশ্বকে শান্তি ও সম্প্রীতিতে উদ্বুদ্ধ করিয়া তোলা। কিন্তু ইহা ইতিহাসের পরিহাস, যেই সংস্থা শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য লইয়া গঠিত হইয়াছিল অদ্য তাহা বরং শান্তি ভঙ্গের কার্যকারণে পরিণত হইয়াছে। ইহার ফলাফল হিশেবে দেশে দেশে সংঘাত ও মানবিক বিপর্যয় অনিবার্য হইয়া দাঁড়াইয়াছে। জাতিসংঘ নামক সংঘটিকে মানুষ মনে করিয়াছিল চরম অস্বস্তির পর খানিকটা স্বস্তি বুঝি আনিয়া দিতে পারিবে। কিন্তু সে তাহা করিতে পুরোপুরিই ব্যর্থ হইল। ষাটের দশকে ভিয়েতনামে যখন ৫০ লাখ বনি আদমকে কচুকাটা করা হইয়াছিল তখন ওই সংঘ-টংঘের দেখা মিলে নাই। শান্তি সুদূর পরাহত হইয়া রহিল। বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়াইয়া কিছু করার মুরোদ যে তাহার নাই তাহা বুঝিতে মনুষ্যগণের আর বিলম্ব রহিল না। বিলক্ষণ বোঝা গেল ওইসব শান্তির বুলি কেবল ফাঁকা বুলি, ইহা বাস্তবে হইবার নহে। আশির দশকে আবার একই পরিস্থিতি দৃষ্টিগোচর হইতে লাগিল। রুশরা নিরীহ কৃষককুল আফগানদের ওপর হামলে পড়িল। আর জাতিসংঘ নামক সংস্থাটি কয়েকটি বুলি ছাড়িয়া তাহার শান্তি প্রতিষ্ঠার মহৎ উদ্যোগে সন্তুষ্ট হইয়া নিরব দর্শকবৎ হইয়া রহিল। এরই ধারাবাহিকতা পরিদৃষ্ট হইল ফিলিস্তিন, ইরাক ও আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে। আর এখন তো বিশ্বব্যাপী তাহা দৃশ্যমান হইতেছে...
২|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৩ রাত ৩:৩৮
উড়োজাহাজ বলেছেন: এই পাণ্ডবদের সিস্টেম পাল্টাতে হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩০
সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর বলেছেন: সাইটের লিঙ্ক দিয়ে দেন...