নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ব্লগ আর মডারেটর, কে কার অলংকার

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

রাসেল ( ........)

অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম নেটনামচা- আর এই ধারাবাহিক নেটনামচা ধরে রাখা হবে নেটনামায়- সত্য বড় কঠিন, সত্য বড় কঠোর,সত্য শক্তসমর্থ সত্যের হোগামারা খাইলে যাদের মাথা আউলাইয়া যায় তাগোর জন্য বলি আমি মিথ্যার হোগা মারি, মিথ্যা কইয়া হোগা মারা পছন্দ করি না। সুজন সামলে নায়ে উঠো, মাঝবদীতে পড়লে আমার দায় নেই। এটা বড়দের জন্য পদ্য পদ্য খেলার একটা পাতা, যারা সস্তা অশ্লিলতা খুজছেন চলে যান নীলক্ষেতের চিপায়, তেমন সস্তা আদিরস আমি করি না। কিন্তু মাঝে মাঝে কবিতার খাতিরে যৌনবিষয়ক আলাপন চলে আসতে পারে, পরিশেষে ধন্যবাদ মুখফোড় সুমন চৌধুরি কে। আমরা অনেক পদ্য করবো ছাতিম গাছের তলে, আমরা নিত্য শংকর খাবো ব্যোম ভোলানাথ বলে।

রাসেল ( ........) › বিস্তারিত পোস্টঃ

নারীবাদ বিকল্প পাঠ ০৩

১২ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪২

মূলত নারীবাদ থেকে উদ্ভুত হলেও একটা সাধারণ প্রশ্ন সামনে আনা যায়- সৈন্দর্য্য সচেততাকে কি পুরুষতান্ত্রিক কাঠামো এবং পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোর প্রভাবমুক্ত স্বাধীন সৃজনশীল এবং মানবিক রুপে প্রতিষ্ঠিত করা যায়?



নারীবাদিরা নারীদের সৈন্দর্যসচেতনতাকে নারীর হীন অবস্থার প্রতিরূপ হিসেবে দেখবার চেষ্টা করছেন- বলছেন পুরুষের নির্মিত যৌনতার দেবির কাঠামোকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং পুরুষকে প্রলুব্ধ করবার সামাজিক প্রেষণা থেকেই পুরুষের নির্ধারিত সৈন্দর্যবোধের অনুগমনেই রুচচর্চা প্রসারিত হচ্ছে- এবং অজ্ঞ নারীকূল অজান্তেই পুরুষতন্ত্রের ফাঁদে আটকা পড়ে রেয়ার এন্ড লাভলীর বিজ্ঞপন দেখে রং উজ্জল করতে চায়- নির্দিষ্ট দোকানের কাপড় পড়ে নিজের যৌনাবেদন বাড়াতে চায়- এভাবেই পুরুষতন্ত্র তার উপরে প্রভাব ফেলে-



অনেকগুলো প্রশ্ন আসলে উত্তরবিহীন অবস্থায় আছে- নারীবাদ সামাজিক সম্পর্কগুলোকে কিভাবে দেখে? নারী নারীবাদী কাঠামো হিসেবে কোথায় অবস্থান গ্রহনে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে?



কিছু কিছু স্পষ্ট অসমতার বোধ উপস্থিত আছে সমাজে- আইনি কাঠামোতে-মতাদর্শগত স্থানে পুরুষ এবং নারীর অসমতা স্পষ্ট হয়ে আছে অনেক নীতিতেই- নারী রহস্যময়, প্রহেলিকাময়- নারীর মনের কথা কেউ জানতে পারে না- এইসব সাহিত্যনির্মিত ধারণা প্রকাশিত এবং প্রচারিত- তবে এসবের শরীরবৃত্তীয় কারণ আছে কোনো?



প্রশ্নটা বিপরীত দিক থেকে করলেও হয়-পৌরুষ কি? হাবে ভাবে পুরুষ মাত্রই যে আচরণ করে সেটাই কি পৌরুষ নাকি নারীবাদ যেভাবে চিহ্নিত করতে চায় এমন একটা পৌরুষত্বের ধারণা বিদ্যমান।

পুরুষের নিজস্ব কিছু আচরণ বিধি আছে- এর বাইরে গেলে পুরুষের আচরণকে মেয়েলী বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়= সুশীল মানুষেরা যারা শোভনভাবে হাতের মুদ্রা এবং চোখ আর ভ্রু নাচিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে তাদের আচরণকে মেয়েলী বলবার একটা রীতি প্রচলিত আছে- বর্তমানের প্রকাশ মাধ্যমে কিংবা সিনেমা নাটকে সমকামী চরিত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে যাদের তাদের ভেতরে এই তথাকথিত "গে" প্রবনতা বিদ্যমান- পুরুষের আচরণের এই নির্দিষ্ট বিধি প্রতিষ্ঠিত বিশ্বব্যাপী- যদিও এটাতে মেয়েলী পুরুষ মাত্রই সমকামী এমন স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না-

একই মুদ্রার অন্য পিঠে সমকামী নারী চরিত্রের অবস্থান- টম বয় ধাঁচের বালখিল্যতা নয় বরং পুরুষালী মেয়ে কাঠামো যেখানে স্পষ্ট ব্যক্তিত্ব ও বলিষ্ঠ শরীরের মেয়েদের অবস্থান-

সামাজিকতার কিংবা প্রথার মজাটাই এখানে- এরা পুরুষ এবং নারীর জন্য একটা স্বীকৃত আচরন বিধি নির্দিষ্ট করে রেখেছে- এবং ডমিনেটিং নারী এবং ম্যালিয়েবল পুরুষ যেখানে তার স্ব স্ব অবস্থানচ্যুত হয়ে সমকামী হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই স্পষ্ট সামাজিক বোধ নারীবাদীদের সহায়তা করলেও এমন সিদ্ধান্তগুলোর অস্তিত্ব ও বিকাশের জায়গাটাতে তেমন আলোচনা হয় নি-

এঙ্গেলস যখন তার নারীর ঐতিহাসিক পরাজয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন তখনও জীনতত্ত্ব এবং নৃতত্ত্ব শৈশবাবস্থা অতিক্রম করে নি- বরং প্রতিষ্ঠিত এবং সভ্য সমাজের রীতি বিশ্লেষণ করে এঙ্গেলসের ইতিহাস বিশ্লেষণের জায়গাটাতে হয়তো এঙ্গেলস আদিবাসী সমাজের রীতি এবং সেখানে নারীর অবস্থানকে ঠিকভাবে চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন-



প্রযুক্তির অগ্রসরতা এবং পূঁজিবাদের সম্প্রসারণে আমরা গত কয়েক দশকে অনেক আদিম সমাজের সাথে পরিচিত হয়েছি- এই সমাজগুলো শিল্পবিপ্লব কিংবা প্রাক শিল্পবিপ্লব কিংবা এমন কোনো নির্ধারিত সংজ্ঞার জায়গা অতিক্রম করে নি- তারা স্বভাবে এবং আচরণে আদিম- গার্হস্থ্য শ্রমের জায়গাটাও এখনও স্পষ্ট হয়ে উঠে নি অনেক স্থানেই- সেখানে এখনও যাযাবর বৃত্তি অতিক্রম করে কৃষিভিত্তিক সমাজের গঠন সমাপ্ত হয় নি-



এখানে নারীদের অবস্থান বিশ্লেষণ করলে নারীবাদি কিংবা পুরুষতন্ত্রের উদ্ভবের বিষয়টা পর্যালোচনা করা যায়- এইসব সভ্যতার পুরুষেরা কি পুরুষতান্ত্রিক বোধ ধারণ করে? তাদের নারীদের ভেতরে কি বঞ্চনার বোধ জাগ্রত হয়েছে? নারীবাদ কি একটা যুগের ফ্যাশন? কিছু অবসাদগ্রস্থ মানুষের পরাজিত জীবনের আক্ষেপ কিংবা দায় সমাজের উপর ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা?



প্রশ্নটা ভিন্নভাবেও উপস্থাপন করা যায়- আমরা যে পুরুষতান্ত্রিক কৎহামো দেখি এটা কি শুধুমাত্র পুরুষের কতৃত্ববাদী নির্মান? এটা কি নারীর প্ররোচনায় সৃষ্ট? না কি এই কাঠামো উভয়ের যৌথ নির্মাণ?

লিখিত ইতিহাস বলছে সব সময় পুরুষই রাজত্ব বিস্তার করেছে এমন না- বরং ইতিহাসের সব সময়ই নারীও রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলো- যুদ্ধংদেহী নারী রাজ্যের বর্ণনাও আছে লিখিত পুরাণে- সেখানে পুরুষদের ভেড়া বানিয়ে রাখবার উপকথাও শোনা যায়- মৌমাছি সভ্যতার গল্প যেহেতু সবখানেই পাওয়া যায় এটাকে বাস্তবিক সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া ভালো - অন্য ভাবেও দেখা যেতো যেখানে পুরুষের ভীতির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া হিসেবে এইসব ভুয়া গল্প ছড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলা যেতো-



মোল্লাতন্ত্রকে দোষারোপ করা হয় পুরুষতান্ত্রিক উত্থানের পেছনের কারণ হিসেবে তবে সভ্যতার একটা পর্যায় পর্যন্ত নারীরাই ওঝা, ভবিষ্যতবক্তা এবং চিকিৎসকের ভুমিকা পালন করেছে- তারাই সর্বসেবা ছিলো এই স্থানে- ডাকিনি ডাইনির কথা প্রচলিত আছে- তাদের ভয়ংকর প্রতিশোধের এবং ভয়ংকর বোকামির গল্পও আছে-

তবে এইসব আদিম সমাজের খাদ্যাভাব খাদ্যের অপ্রতুলতা এবং প্রকৃতির বিরুদ্ধে সর্বদা সংগ্রামের সময় অভাবের বোধটা খুব স্পষ্ট-



সেখানে নারীদের কৃষিকার্যে কিংবা পশুপালনে যুক্ত হওয়ার বিষয়টা প্রকাশিত থাকলে পুরুষের নির্দিষ্ট কাজগুলো ছিলো শিকার আর যুদ্ধ- সমাজের নিরাপত্তা বিধান করা- খাদ্যের যোগান ঠিক রাখা।

এসব সমাজে যোগ্য পুরুষ সেই যে ভালো শিকারী- যে সাহসী যোদ্ধা এবং সে পুরুষের কদর আবার নারীদের ভেতরে বেশী- এর পেছনে কোনো স্বার্থান্ধতা- খাদ্যের নিশ্চয়তার মতো ক্ষুদ্র স্বার্থ জড়িত থাকলেও এটা একটা পন্থা বেছে নেওয়া, এমন পুরুষকে অনেক নারীই কামা করতো- যোগ্য শিকারীর শয্যাসঙ্গিনীর অভাব হয় না- বরং অনেকেই তার সাথে সংসার করতে চায়- এই ভাবে নারীরাও পুরুষের বহুগামীতাকে উস্কে দিয়েছে- প্রতিপালন করেছে-



আদিম সমাজে সবাই রুপচর্চা করতো, নারী এবং পুরুষ উভয়েরই আবরন আর আভরণে আগ্রহ ছিলো- তারা প্রাকৃতিক উপকরণ দিয়ে নিজেদের সাজাতে ভালোবাসতো- আর মানুষ প্রাণী বলেই তার নিজস্ব একটা যৌন অভিরুচি বিদ্যমান- প্রতিটা সমাজেই তাই আদর্শ যৌনসঙ্গীনি নামক একটা কাঠামো স্পষ্ট- এই কাঠামোতেই সবাই নিজেদের সাজাতে চাইতো- পুরুষ প্রলুব্ধ করতে চেয়ে নারীরা এবং নারী প্রলুব্ধ করতে চেয়ে পুরুষরা প্রসাধন কিংবা রুপচর্চা করতো- এখনও মানুষ স্বাভাবিক ভাবেই একই রকম আচরণ করে যাচ্ছে।



আদিম সমাজে নারীর এই ভুমিকা নারীবাদের বিরোধি বলা যায় অনায়াসেই- তবে এখানে পুরুষের পুরুষ হয়ে উঠা এবং সেটাকে সহায়তার দোষটা সম্পূর্ন ভাবেই নারীর উপরে পড়ে এসে- নারী নিজের নিরাপত্তার জন্য পুরুষকে পুরুষতন্ত্র প্রচলিত করতে বাধ্য করেছে- পৌরুষের একটা সংজ্ঞা নির্ধারণে বাধ্য করেছে- সে শেকল তারা তৈরি করেছে সে শেকল এখন তাদের গলায় ফাঁস হয়ে বসেছে-

কিংবা এখন সামাজিক অবস্থা বদলেছে- এখন জীবনের কিংবা খাদ্যের নিরাপত্তার বিষয়টা প্রকৃতির সাথে সংগ্রামের পর্যায়ে নেই- এখন এসব অর্থনীতির দ্বারা নির্ধারিত হয়- এখন শাররীক সক্ষমতা কিংবা শাররীক দুর্বলতা অতিক্রম করতে পেরেছে নারী তাই তারা নতুন ভাবে সব কিছুকে ব্যাখ্যা করছে-



তাই এখন তারা নিজেদের তৈরি পুরুষতন্ত্রকে নিজেরাই ধ্বংস করতে উদগ্রীব।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২০

বৃষ্টি মানব বলেছেন: এক হাত উপর দিয়ে গেছে

২| ১২ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৭

ফ্রুলিংক্স বলেছেন: কঠিনস।

৩| ১২ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭

সময়ের প্রান্তরে বলেছেন: নারীরাও যে সম্পূর্ণভাবে দায়ি সেটা বলবো না। সেখানে পুরুষ-নারী দুজনেরই ভুল ছিল। একটা সময় পুরুষ-নারীর কাজের কোনো পার্থক্য ছিল না এবং আপনি সেটা বলেছেন। তবে একটা সময় সমাজ ব্যবস্থার কারনে সামাজিক কাজগুলো তারা ভাগাভাগি করে নিয়েছিলো। এরপর দেখা গেছে সমস্যা যেটা হয়েছে সেই কাজগুলো বা আচরনগুলো শুধুমাত্র পুরুষ-বা নারীর বলে চালানো হচ্ছে। এই কারনে সমস্যা বাড়ছে। পুরুষেরা বলছে নারীর জন্য এটা নয় আবার নারীরা বলছে এটা পুরুষের জন্য নয়। এতে করে অসমতা বিরাজ করছে এবং দুপক্ষ বলছে অন্যপক্ষ আমাদের স্বাধীনতার অগ্রযাত্রায় বাঁধা দিচ্ছে। এখন আমাদের উচিত কেউ কাউকে দোষারোপ না করে একে অপরকে সহযোগিতা করা।

৪| ১২ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:২০

মানুষ বলেছেন: যে যোগ্য সেই টিকে থাকবে এটাই প্রকৃতির নিয়ম। একটা সময় নারী তার যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছিল তাই পিছিয়ে গেছে। সে যদি আবার তার যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে তাহলে অবশ্যই এগিয়ে যাবে।

৫| ১২ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:২৬

দিগন্ত বলেছেন: মানুষ - একদম ঠিক বলেছেন, পরিবেশ পরিবর্তিত হলে মানুষ পরিবর্তন হয়, তেমন, নারীর অবস্থাও ভাল হবে।

৬| ১২ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:১৪

মেজভাবী বলেছেন: বাছা, তুমি ইনিয়ে বিনিয়ে যেগুলো বলে নারীকে অযোগ্য প্রমাণ করতে চেয়েছ, সেগুলো অনেকের জন্যই খাটে বাছা। আমেরিকার কালো মানুষদের সম্বন্ধেও আগে এগুলো স্টেরিওটাইপিং করে বলা হত -তারা বুদ্ধিতে কম, অযোগ্য তাই সাদাদের তুলনায় পিছিয়ে আছে। আকন্দ চাচুও তোমার মতই মনে করে পাহাড়ী আদিবাসীরা বোকা, হাবা তাই তারা আমাদের সাথে পারে না।

এগুলো সরলীকরণ দোষে দু্ষ্ট বিশ্লেষণ করার আগে তোমার জানা উচিত বাছা নারীরা পুরুষদের মত এত ব্যাপক হারে সু্যোগ সুবিধা পায় নি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে । নারীদের ত মানুষই মনে করা হত না। ভোটাধিকার আদায়ের জন্যই কত সংগ্রাম করতে হয়েছে জান? ঠিক আমেরিকায় কালো মানুষেরা নিজেদের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে যেমনি ভাবে লড়েছে। অযোগ্য বলার আগে তুমি কি সেগুলো ভেবে দেখেছ বাছা? আফগানিস্তান, সৌদি আরব, পাকিস্তান বা ইরানে নারীদের তো বাইরেই কাজ করতে দেওয়া হয় না ঠিক মত। কি করে আশা কর যে তারা তোমাদের মতই রেজাল্ট করবে?

সু্যোগ সুবিধা পেলে নারীরাও যে পারে তা তো অনেকেই দেখিয়ে দিয়েছে। মাদাম কুরী বিজ্ঞানে দু-দুবার নোবেল পেয়েলেন। এছারাও হাইপেশিয়া, সোফি জার্মেইন, ম্যারি অ্যানিং, এমি নোয়েথার, রোজালিন ফ্র্যাংকলিন, রজার আরলিনার ইয়ং, রোজসা পিটার, হেলেন সয়ের হগ সহ অনেক নারী বিজ্ঞানীরাই কালে কালে পুরুষদের মেধাকে অতিক্ড়ম করে গিয়েছে বাছা।

গত কয়েক বছর ধরে এস এস সি পরীক্ষায় কোন স্কুল সবচেয়ে ভাল করছে? সবচেয়ে বেশি জিপিএ পাচ্ছে? ভিখারুন্নেসা স্কুল, না? মেয়েদের স্কুল। তোমার মাথায় কি কোন ঘ্ন্টাধ্বনি হয় গো বাছা?

৭| ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ ভোর ৪:০২

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আদিম সমাজের দিকে তাকালেও ছেলেদের পুরুষ হয়ে উঠার সমস্ত দায়ভার নারীদের উপর এভাবে আসে না আসলে।

এর অনেকটাই বিজ্ঞানীরা 'প্রকৃতি' নামের আনডিফাইনড কিছুর উপর ছেড়ে দিবে। টেস্টসটরিনের কথাই ধরা যাক। এই হরমোনের কারণে যে কোন মানুষ এগ্রেসিভ হয়, তাছাড়া পুরুষ চরিত্রের সাথে আমরা যা যা এসোসিয়েট করে সেগুলো হয়। যে সব নারীদের টেস্টসটরিন বেশি, তাদেরও দাড়ি উঠে, তারা এগ্রেসিভ চরিত্রের হয়, সুদৃঢ়, পেশীবহুল হয়। টেস্টসটরিনের পরিমানের উপর তো নারীদের হাত ছিল না, পুরুষদের প্রাকৃতিক ভাবেই টেস্টসটরিন বেশি। যে সব পুরুষের টেস্টসটরিনের পরিমান বাকিদের তুলনায় বেশি, তারাই শিকারী হয়ে উঠতো।

হ্যা, শিকারী ছেলেদের বহুগামী হওয়ার বেশি সুযোগ ছিল, কিন্তু আদিম নারীরা কিন্তু শুধু মাত্র শিকারী হওয়াকেই সঙ্গী হওয়ার একমাত্র যোগ্যতা হিসেবে নিতো না। তখন পুরুষেরা যত সহজে শয্যাসঙ্গিনী হিসেবে নারীদের গ্রহন করতো, (বংশবিস্তারের জৈবিক তাড়না, এবং অবশ্যই এনজয়মেন্ট), নারীরা কিন্তু সেটা করতো না। যা এখনও করে না। রিসার্চে দেখা গিয়েছে এই একবিংশ শতাব্দীতে, এমনকি পশ্চিমেও (জন্মনিয়ন্ত্রনের সমস্ত পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও) সাধারনত নারীরা শরীর ঘনিষ্ট সম্পর্কে যেতে আগ্রহী হয় পুরুষদের অনেক পরে। ভালো করে জানা শোনা হওয়ার পরে, প্রাথমিক টাইম পিরিয়ডটা দীর্ঘতর হয় নারীদের ক্ষেত্রে।

আদিম যুগে, নারীরা প্রথমেই পুরুষদের শয্যাসঙ্গিনী হতে রাজি হয়ে যেত না, কারণ ওদের চিন্তা ছিল, গর্ভ ধারণের সময়টুকু পুরুষ সঙ্গী কাছে থেকে দেখাশোনা করবে তো? সে জন্য একটু সময় নিয়ে যাচাই করে দেখতো বিশ্বাসযোগ্যতা। ঠিক কতটুকু পথ যেতে আছে পুরুষটা নারীটার জন্য। বিশ্বাস রাখতে পারে তো?

অতএব, পুরুষদের স্বেচ্ছাচারী বহুগামী স্বভাবের স্রষ্টা নারীরা, সেটা বলা ভুল। পুরুষদের মধ্য বিশ্বাসযোগ্যতাও একটা বড় গুণ বলে ধরা হতো, সেই আদিম যুগ থেকেই। আপনার থিওরীটা ইন্টারেস্টিং, কিন্তু এই ফ্যাক্টরগুলো কনসিডার করলে থিওরীর ভিত্তি কিন্তু নড়বড়ে হয়ে যায়।

৮| ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪৩

রাসেল ( ........) বলেছেন: মেজ ভাবী মেয়েরা শতাব্দীর পর শতাব্দী কোন সুযোগটা পায় নি? মেয়েরা মেধায় নীচু এমনটা বলা হয় নি কোথাও তবে সভ্য সমাজের প্রেক্ষিতে যে সব আদিম সমাজে আমাদের তথাকথিত সভ্য নৃবিজ্ঞানীরা সময় কাটাচ্ছেন, তাদের জীবনযাপন পদ্ধতি খেয়াল করছেন, তারা এই একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন- সেখানে মেয়েরা খাদ্যাভাবের কারণে কিংবা অন্য কোনো অজানা ডারউইনিজমের কারণে হলেও বলিষ্ঠ পুরুষ সঙ্গীকে বাছাই করছে- এটা একটা তথ্য- এটাকে কিভাবে কোন জায়গায় ব্যবহার করা যায় এই আলোচনার প্রেক্ষিতে?
মেধার কিংবা শাররীক শক্তির প্রশ্ন এটা না- মেয়েরা আগে কম মেধাবী ছিলো এমন কোনো ঘোষণা এখানে দেওয়া হয় নি- এখনও মেয়েরা অধিক মেধাবি হয়ে গেছে এমন কোনো ধারণাও দেওয়া হয় নি-
একটা হাইপোথেসিস দাঁড়া করানোর চেষ্টা

সাধরনীকৃত ধারণা সব সময়ই অনেক বেশী ভ্রান্তির সম্ভবনা জিইয়ে রাখে- তাই একই ধারণায়- যৌন তাড়নায় আক্রান্ত হয়েই মানুষ প্রেম নামক ভাব বিলাসে জড়িয়ে পড়ে, মেয়েরা পুরুষকে প্রলুব্ধ করতে রুপচর্চা করে জাতীয় নারীবাদি বক্তব্যগুলোও একই কারণে সঠিক না-
কথা যেখানে সেটা হলো একটা পর্যায় পর্যন্ত মেয়েরা মোল্লাতন্ত্রের অংশীদার ছিলো- তারাই তন্ত্র মন্ত্র করেছে, তারাই ওঝার কাজ করেছে- তারাই ভবিষ্যতবেত্তা ছিলো- এসবও ঐতিহাসিক তথ্য- অথচ নারিবাদিরা সাম্রাজ্যবাদের উপর দোষারোপ করছে- করছে তথাকথিত পুরুষতান্ত্রিক পূঁজিবাদের উপর দোষারোপ করছে নারীর হীন অবস্থার জন্য-
কথা হলো নারী সম্রাজ্ঞী ছিলো- নারীবাদী বলে উঠবেন- তখন তারা পুরুষতন্ত্রের চাহিদা পূরণ করেছে- বর্তমানের খালেদা হাসিনা মানেই যেমন নারির ক্ষমতায়ন না তেমনই আদিম অবস্থা ছিলো- তবে বর্তমানের জটিল সামাজিক অবকাঠামো এবং অর্থনীতির চেয়ে আদিম সরল অর্থনীতিতে নারীর এই অসহায়ত্ব কম ছিলো- মিশরের রাজসিংহাসনে নারী ক্ষমতায় ছিলো- ছিলো ব্যবিলনে- ভারতেও কোথাও কোথাও নারী রানী ছিলো- তখন পুরুষতান্ত্রিক বলে কোনো বিদ্রোহ তাদের বিরুদ্ধে উথলে উঠে নি- পুরুষ নারীকে চুড়ান্ত ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেও দিব্যি ভালো ছিলো- সুতরাং নারীরা সুযোগ পায় নি এইটা ভুল- অধিক হারে সুযোগ পায় নি কথাটা সত্য- তবে একটা পর্যায় পর্যন্ত সমান সুযোগই ছিলো- তখনও পুরুষতন্ত্র নামক কথিত দানবীয় অস্তিত্বের জন্ম হয় নি-
আমি আমার এই হাইপোথেসিস এ এই কথাটাতেই জোড় দিতে চাইছিলাম যে- একটা পর্যায় পর্যন্ত নারী এবং পুরুষ সমান সুযোগ আর স্বাধীনতা পেয়েছে- এখন কথা হলো
এই সমান সুযোগ পাওয়ার পরও এখনকারি নারীবাদিরা পুরুষতান্ত্রিকতার কথা বললে- এই পুরুষতান্ত্রিকতার দোষটা তাদের উপর কতটা এসে পড়ে- তারা কি কোনো না কোনো ভাবে এই পুরুষতন্ত্র গড়ে উঠায় সহায়তা করেছে , নাকি তারা শুধুই অসহায় শিকার- যদি তারা শিকারই হয় তবে তাদের প্রতিরোধের জায়গাটা কেনো স্পষ্ট হয়ে উঠে নি পুরাণে-
পুরাণ স্বাধীন নারী অস্তিত্ব স্বীকার করেছে- তবে তারা কোথাও এমন কোনো কথা বলে নি যে নারীরা এই প্রবনতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে-

এই বিষয়টা সমস্ত স্থানেই মিসিং- একটা বড় মাপের কল্পনা এ রকম যে পুরুষতন্ত্র নিজ হাতে এই বিদ্রোহের ইতিহাস মুছে ফেলেছে- এই অনুমানটা মনে হয় না সঠিক- যদি পুরুষতন্ত্র নারীর বিদ্রোহের ইতিহাস বা নারীর স্বাধীন অস্তিত্বে দাবিকে মুছে দিতে চাইতো তারা স্বাধীন নারী চরিত্রের গাঁথা অক্ষুন্ন রাখতো না-
কোনো প্রথা কেনো উদ্ভব হয় এটা সব সময়ই নিশ্চিত বলা যায় না তবে এটা বিভিন্ন অনুমানের ভিত্তিতে যাচাই করা সম্ভব- যদি একটা হাইপোথেসিস এমন হয় যে পুরুষরাই নারীকে অধীন করেছে- তবে অন্য একটা হাইপোথেসিসএর অস্তিত্বও থাকে যে নারীরাই নিজেদের পুরুষতন্ত্রের হাতে সমর্পন করেছে-
যদিও এই ব্যাখ্যাটা পুরুষতান্ত্রিক হয়ে যায় এর পরও এটার সত্যতাও যাচাই করা জরুরি-
আর এটার জন্য আমাকে বাছা ছানা বলে এইস এস সি আর এস এস সির জিপিএর হিসাব না দেখালেও চলবে- বিজ্ঞানীদের ইতিহাসে নারীদের অবদান স্বরণ না করিয়ে দিলেও চলবে-

মাদাম কুরি নারীবাদি ছিলেন এমন কোনো তথ্য নেই- তবে তার সাফলতা নারীবাদি আন্দোলনের যথার্থতা প্রমাণে ব্যবহৃত হয় নারীর যোগ্যতা প্রমাণে ব্যব্হৃত হয়- এ বিষয়টা দুঃখজনক-

৯| ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫২

রাসেল ( ........) বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি আদিম সমাজে যৌথ যৌনতার ধারণা ছিলো না তবে পুরুষের নারীকেন্দ্রীক দ্বন্দ্ব নিরসনের একটা প্রচেষ্টা সব সমাজেই লক্ষ্যনীয় ছিলো-
পুরুষতন্ত্র সব সময়ই নারী জনিত কলহ থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন রাখার চেষ্টা করেছে- হেলেনের ইতিহাস কিংবা মমতাজের উদাহরন অনেকটা আধুনিক সমাজের উদাহরণ- তবে এর আগেও পুরুষ তার কাম্য নারীকে গ্রহন করতে পারতো- সামাজিক উৎসবে যেকোনো নারীর যৌন সঙ্গী হওয়ার অধিকারী ছিলো তারা- একই ভাবে নারীও যেকোনো উৎসবে যেকোনো পুরুষকে গ্রহন করবার ক্ষমতা ধারণ করতো- যৌনস্বাধীনতার বিচারে এই প্রথা তেমন অসুন্দর ছিলো না-- আরও আগে সেরা সুন্দরীকে দেবদাসী বানানো হতো, নগর নটী বানানো হতো- এটা পুরুষতন্ত্রের দোষ বলা যায় আবার এটাকে গুণও বলা যেতে পারে- অন্তত নারীঘটিত দ্বন্দ্ব থেকে এই প্রথা পুরুষদের রক্ষা করতো-

তবে এর পরও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টাই যদি বিবেচনা করি তবে সব আদিম সমাজে সন্তান একটা কৌম সম্পদ- এটা নারী পুরুষের নিজস্ব বাছাইয়ের জিনিষ না- এমন কি আরবেও বিয়ে নামক প্রক্রিয়াটা সমাপ্ত হতো যদি উভয়ের মিলনে সন্তান উৎপাদিত হতো -এই সময়সীমাটা বলে দেয় সন্তান এবং গোত্রের জন সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টা গোত্রের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিলো- তাই বিশ্বসীপুরুষ যে তার সন্তানকে লালন পালন করবে , বাবার দায়িত্ব পালন করবে এটা মনে হয় না তেমন শক্তিশালী একটা যুক্তি নারীর যৌন সচেতনতার প্রমাণ হিসেবে- বিশ্বাস যোগ্যতা দায়বদ্ধতার দাবি আসে যখন পরিবেশ বৈরি- পুরুষকে লড়াই করতে হবে প্রতিকূলতার বিপরীতে- এখানে পরিস্থিতি অনুকুল- গোত্র নিজেই তার প্রয়োজনে সন্তানকে রক্ষনাবেক্ষন করবে-

১০| ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫২

মেজভাবী বলেছেন: মাদাম কুরি নারীবাদি ছিলেন এমন কোনো তথ্য নেই- তবে তার সাফলতা নারীবাদি আন্দোলনের যথার্থতা প্রমাণে ব্যবহৃত হয় নারীর যোগ্যতা প্রমাণে ব্যব্হৃত হয়- এ বিষয়টা দুঃখজনক-

============

নারীবাদি আন্দোলনের যথার্থতা প্রমাণিত হল কিনা জানিনা বাছা, তবে নারীরা বুদ্ধি এবং যোগ্যতায় যে কম নয়, তা ত প্রমানিত হল। এটাই যথেষ্ট।

১১| ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:০৯

রাসেল ( ........) বলেছেন: নারীর যোগ্যতা নিয়ে আসলে সমস্যা নয়, সমস্যা হলো নারীবাদ যা প্রমাণ করতে চায় সেটা আসলেই অনুমোদনযোগ্য কি না এটা-
মুলত আধুনিক কলুষিত পুরুষবাদী সমাজব্যবস্থা থেকে চোখ সরিয়ে আদিম সমাজ যেখানে এঙ্গেলসের কথিত নারীর ঐতিহাসিক পরাজয় এখন ঘটে নি সেখানে দৃষ্টি দেওয়ার ভাবনা আলোচিত হচ্ছে-
যদি সেখানে দেখা যায় নারী পুরুষের অধিনস্ততা মেনে নিচ্ছে তাহলে সমাজের পুরুষতান্ত্রিক হয়ে উঠবার সমস্ত দায়- এবং পুরুষতন্ত্রের যাবতীয় অপরাধে পুরুষরা আসলে নির্দোষ শিকার এটা বলা যাবে-
আমি সামান্য তথ্য দিয়ে সাধরনীকৃত একটা মন্তব্য করেছি যে নারী নিজেই পুরুষের বশ্যতা স্বীকার করেছে-
বাংলাদেশে এখনও এমন সমাজ আছে যেখানে নারীরাই সম্পদের উত্তরাধিকারি হয়- ভারতে এমন আদিবাসি জনগোষ্ঠি আছে যেখানে এখনও পুরুষ বিয়ের পর নিজের বাসা ছেড়ে বৌ এর বাসায় এসে উঠে- নারীর স্বাভাবিক অবস্থার বিপরীত অবস্থান এটা- এই জায়গাগুলোকে নারীবাদ কিভাবে দেখে- এখানে পুরুষের অধিনস্ততার বিষয়টা প্রকট হলেও সেখানে কি নারীরা কেমন আচরণ করছে?
নারীবাদ কিভাবে এই সামাজিক অবস্থাকে বিচার করছে?
নারীর ক্ষমতায়নের ভাবনায় এখানে তেমন জটিল কোনো সমস্যা নেই- নারীর অযোগ্যতার বিষয় নেই- এটাই কি নারীবাদের মোক্ষ না কি নারী অন্য কিছু চাইছে? মানুষের সমতার বোধ সাম্যবাদের ভাবনার সাথে নারীবাদকে মিশিয়ে ফেললে একটু সমস্যা আছে- সাম্যবাদের বক্তব্য শ্রেনীর অধিনস্ততার - সেখানে একটা অর্থনৈতিক পর্যালোচনা আছে-

১২| ০১ লা আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:০২

বাকী বিল্লাহ বলেছেন: 'কিংবা এখন সামাজিক অবস্থা বদলেছে- এখন জীবনের কিংবা খাদ্যের নিরাপত্তার বিষয়টা প্রকৃতির সাথে সংগ্রামের পর্যায়ে নেই- এখন এসব অর্থনীতির দ্বারা নির্ধারিত হয়- এখন শাররীক সক্ষমতা কিংবা শাররীক দুর্বলতা অতিক্রম করতে পেরেছে নারী তাই তারা নতুন ভাবে সব কিছুকে ব্যাখ্যা করছে-'
আর এখন তারা নিজেদের তৈরি পুরুষতন্ত্র নিজেরাই ধ্বংস করবে...
ভয়াবহ ব্যাখ্যা, তবে মৈালিক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.