নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ব্লগ আর মডারেটর, কে কার অলংকার

অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা

রাসেল ( ........)

অনেক অনেক চেষ্টা হয়েছে ব্লগানোর বাংলা করা নিয়ে, আমার এখন ব্লগের নতুন বাংলা করতে ইচ্ছা করলো তাই দিলাম এর নাম নেটনামচা- আর এই ধারাবাহিক নেটনামচা ধরে রাখা হবে নেটনামায়- সত্য বড় কঠিন, সত্য বড় কঠোর,সত্য শক্তসমর্থ সত্যের হোগামারা খাইলে যাদের মাথা আউলাইয়া যায় তাগোর জন্য বলি আমি মিথ্যার হোগা মারি, মিথ্যা কইয়া হোগা মারা পছন্দ করি না। সুজন সামলে নায়ে উঠো, মাঝবদীতে পড়লে আমার দায় নেই। এটা বড়দের জন্য পদ্য পদ্য খেলার একটা পাতা, যারা সস্তা অশ্লিলতা খুজছেন চলে যান নীলক্ষেতের চিপায়, তেমন সস্তা আদিরস আমি করি না। কিন্তু মাঝে মাঝে কবিতার খাতিরে যৌনবিষয়ক আলাপন চলে আসতে পারে, পরিশেষে ধন্যবাদ মুখফোড় সুমন চৌধুরি কে। আমরা অনেক পদ্য করবো ছাতিম গাছের তলে, আমরা নিত্য শংকর খাবো ব্যোম ভোলানাথ বলে।

রাসেল ( ........) › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুসলমানের হাসি

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৬

হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানবীর শিক্ষামূলক হাসির গল্প ,মুসলমানের হাসি, সকল খন্ড একত্রে বইটা দেখলাম ইউনিভার্সিটির পাশের ফুটপাতে, বইটির অনুবাদ করেছেন হযরত মাওলানা মুফতী আবদুল-আল-মুমিন তিনি এম এম এ ফাস্ট ক্লাশ ফাস্ট। যদিও এম.এম ডিগ্রীর ব্যপারে আমার তেমন জানাশোনা নেই, এমন কি রাস্তায় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত বিখ্যাত জোতিষদের বিজ্ঞাপনেও দেখি অনেক সময় লেখা থাকে এম এ ডি-লিট করা জোতিষ আছে বাজারে। সেখানে মুফতী আবদুল আল মুমিনের ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট হওয়াটা অবশ্যই গর্বের বিষয়। আরও গর্বের হতে পারতো যদি তিনি ফার্স্ট ক্লাশ ফার্স্ট হতে পারতেন, সেটা হতে না পারায় অবশ্য লেখক কিংবা প্রকাশকের তেমন সমস্যা হয় নি।



অনেক বই ছিলো সেখানে, এমন কি ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি কিংবা ক্লিনিক্যাল কেমিস্ট্রি এইসব ভারি ভারি বইয়ের সস্তা বাজার থেকে থানবীর বই কেনার আগ্রহ জন্মালো কেনো? উত্তরটা নেহায়েত সাধারণ, হাসির গল্প কিংবা চটুল গল্প আমার তেমন খারাপ লাগে নি কখনই, এমন কি একটা সময় নিয়মিত কৌতুক পড়ে অনুবাদের চেষ্টা করেছি, সফল এবং ব্যর্থ অনুবাদও করেছি কিছু দিন, কিন্তু কখনই এমন ধর্মীয় চিহ্নসহ হাসির গল্পের সন্ধান পাই নি, মুসলমানের হাসি গল্পটাতেই একটা চমক ছিলো বলা যায়। সুতরাং আমিও আগ্রহী হলাম, মুসলমানের হাসি কি কারণে অন্য সবার চেয়ে আলাদা গণ্য হতে পারে,



এখন পর্যন্ত যতটুকু পড়েছি তাতে তেমন হাসতে পারি নি, কিংবা আমার স্থুল রসবোধ হয়তো অনেক বড় একটা বাধা, সুক্ষ্ণ, শালীন এবং মুসলমান হাসির গল্প আমার মুখে হাসি আনতে পারছে না এটাতে আমি কিছুটা লজ্জিত তবে অনেকাংশেই আহত। আমার ধারণা ছিলো এত দিন আমার সেন্স ওফ হিউমার আছে, কিন্তু এখন বুঝলাম আমার ধারণা বিলকুল গলদ। আমি শিক্ষামূলক হাসির গল্প পড়ে কিছু শিখতেও পারছি না এমন কি হাসতেও পারছি না।



গল্প যদি সম্পূর্ণ তুলে দিতে পারতাম তবে সেটা একটা কাজ হতে পারতো, কিন্তু সেটা মোটেও উচিত হবে না।



একটা গল্প তুলে ধরি, শিয়া সাহেবের চুমা-চাটা-



জালালাবাদ একবার হুজুর পাক এর কথিত জুব্বা মুবারাক এর প্রদর্শনী হচ্ছিল। সেখানে কোরআন শরীফের এমন একটি কপিও প্রদর্শিত হচ্ছিল যা হযরত আলী এর স্বহস্তে লিখা বলে কথিত ছিল।

দর্শনপ্রার্থীদের অনেক ভীড় ছিলো সেখানে। সবাই বড় আগ্রহ এবং মহব্বতের সাথে জুব্বা মুবারাক দেখছিলো কারণ সেটা রসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সংগে সম্পর্কিত ছিলো।

[ আমি এক সাথে এতবার ল্ল লিখি নি আগে মনে হচ্ছে এরপরে ল্লিখা লিখতে হবে]



কিন্তু একজন শিয়া ভদ্রলোককে ব্যতিক্রম দেখা গেলো, তিনি জুব্বা মুবারাকের প্রতি আগ্রহী না হয়ে সেই কোরআন শরীফের দিকে এত আগ্রহী হয়ে উঠলেন যে চুমা-চাটা শুরু করে দিলেন। জুব্বার প্রতি ভ্রুক্ষেপও করলেন না।

এক সুন্নী ভদ্রলোক তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি এই কোরআন শরীফের দিকে খুব মনোযোগী হয়ে পড়েছেন দেখছি।

শিয়া সাহেব বললেন, এই কোরআন শরীফ আমীরুল মুমেনীন হযরত আলী আলাইহিস সালামের পবিত্র হাতের লিখা যে তাই।



যাই হোক ঘটনা সম্পূর্ন লিখতে ইচ্ছা করছে না, মূল বক্তব্য যা সংক্ষেপে লিখি, সুতরাং সুন্নী ভদ্রলোক শিয়া ভদ্রলোককে জিজ্ঞাসা করলেন আপনি কি এটা বিশ্বাস করেন, শিয়া ভদ্রলোক বললেন তিনি এটা বিশ্বাস করেন যে এই কোরআন শরীর আলীর নিজের হাতে লেখা।

শিয়াদের দাবি সুন্নীরা কোরআনের কাট ছাট করে ৪০ পারার বদলে৩০ পারা করেছে, বাকী ১০ পারা কোরআন শিয়াদের সংরক্ষণে আছে। সুতরাং সুন্নী ভদ্রলোক প্রস্তাব দিলেন যাচাই করে দেখা যাক এই কোরআন শিয়াদের কোরআনের মতো না কি সুন্নী কোরআনের মতো।



কিন্তু এই কথা শুনে দুই কোরআনকে মিলিয়ে দেখবার আগেই শিয়া ভদ্রলোকের মুখ শুকিয়ে গেলো, তার খাঁচার পাখী উঢ়ে গেলো, বুক দুরু দুরু কাঁপতে লাগিলো, কারণ আলীর নিজ হাতে লিখা কোরআনেও তারা ৪০ পারা দেখাতে পারবে না, অতিরিক্ত অংশ তারা নিজেরাই রচনা করে নিয়েছে। পবিত্র কোরআনকে না মানার একটা বাহানা মাত্র এটা



বিষয়টা তৃতীয় বারের মতো পড়েও আমি এটার ভেতরের হাস্যরস উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হলাম। হতে পারে এটা হয়তো হাসির গল্পই, কিন্তু আমার কাছে অনেক বেশী উস্কানীমূলক এবং ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অপচেষ্টা মনে হয়েছে। যেমনটা মনে হয়েছে এই বইয়ের তৃতীয় হাসির গল্পটা পড়ে,



সেই গল্পের সারমর্ম হলো,



ইংরেজরা এই উপমহাদেশের একটি অকৃতজ্ঞ জাতিকে অগ্রসর ঃইবার সুযোগ করিয়া দিয়াছিলো, এবং অপর একটি কৃতজ্ঞ জাতিকে পশ্চাৎপদ করে রেখেছিলো, কিন্তু পরবর্তী কালে এর ফলাফল দেখে ইংরেজরা শত আফসোস আর দুঃখ করেছে।



এর সাথে সংযুক্ত গল্পটি পুরোনো, এক ইঁদুরকে সাধু দয়া করে বিড়াল, কুকুর, বাঘ থেকে পুনরায় ইঁদুরের রূপান্তরিত করেন, এবং এই গল্পের পরিসমাপ্তি হলো, এটা আমাদেরই দোষ যে আমরা এই অকৃতজ্ঞ জাতিকে অগ্রসর করিতে করিতে এমন একটা অবস্থানে পৌঁছায়া দিয়াছি যেখানে দাঁড়িয়ে তারা আমাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে চলছে, এই জাতিটি বাস্তবিকই অকৃতজ্ঞ।



সুতরাং এই ঘটনা থেকে মুসলমানদের শিক্ষা গ্রহন করা উচিৎ।



থানভী ১৯৪৩ সনে মৃত্যু বরণ করেন, তার রচিত গ্রন্থের সংখ্যা ১০০০ টিরও বেশী, এই গল্পটিতেও মুলত সাম্প্রদায়িতাকেই পূঁজি করা হয়েছে। আমি একটু শংকিত হয়ে বিবেচনা করবার চেষ্টা করছি মুসলমানের হাসি আসলে কেনো আসে।



তবে বইটি পড়ে একটাই উপকার হলো, মুসলিমদের হাসি কি রকম হওয়া উচিত সেটা সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া গেলো, এবং সেটা দেখে আরও একটা বিষয় বুঝলাম, আমার হাসিটা অনেক বেশী পৌত্তলিক।



" পৃথিবী সামান্য কয়েক দিনের অবস্থান স্থল, এতে যত ইচ্ছা হেসে নাও। অতঃপর পৃথিবী যখন মেষ[শেষ ] হয়ে যাবে এবং আল্লাহর সান্নিধ্যে উপস্থিত হবে, তখনই কান্নার পালা উপস্থিত হবে যা আর নিবৃত হবে না।"



হজরত রসুলে পাক এর পবিত্র হাসি আমাদের শিক্ষা দিয়েছে কিভাবে হাসতে হয় এবং কতটুকু হাসতে হয়। আর কিভাবে হাসি বিনিময় করিয়া বন্ধু বান্ধবের হক আদায় করতে হয়। রসুলুল্লাহ যেভাবে হাসিতেন তাকে মুচকি হাসিই বলা যায়। তার হাসিতে জীবনে কখনই দাঁত দেখা যায় নি। যে হাসিতে দাঁত দেখা যায় না, সে হাসি কখনই উচ্চস্বরে হয় না। আর এই মুচকি হাসিই মুসলমানদের হাসি।



তবে হাসির গল্পে হাসি খুঁজে পাই নি এটা ভুল, একটা গল্প পড়ে বেশ কিছুক্ষণ হাসলাম,



সেই গল্পটা দিয়েই শেষ করি।



কোনো কোনো গায়র মুকাল্লেদ[ তথাকথিত আহলে হাদিস] এক আশ্চর্য বস্তু বটে। এবাদাতের মধ্যেও তারা হিংসা প্রকাশ করতে দ্বিধা বোধ করে না। নামাজের মধ্যে সশব্দে আমিন বলা নিঃসন্দেহে একটি সুন্নত আমাল, কিন্তু এ ব্যাপারে তাদের উদ্দেশ্য থাকে যারা আমীল নিশব্দে বলে তাদের প্রতি বিদ্বেষ ছুড়ে মারা। আসলে শরীয়ত শুধু এই হিংসামূলক ফ্যাসাদকেই নিষেধ করে।



এক এলাকায় এই মতভেদের তদন্তে এক ইংরেজ বিচারক নিযুক্ত হলো। বিচারক তদন্ত শেষে এক অবাক করে দেওয়া নিরপেক্ষ ফয়সালা লিপিবদ্ধ করলেন। লিখলেন - আমীন তিন প্রকার, একটি হলো সশব্দে আমীন, এটা শাফেয়ীর মাজহাব। এর সমর্থনে অনেক হাদিস পাওয়া যায়।

দ্বীতিয় প্রকার হলো নিঃশব্দে আমীন। এটা হানাফী মাজহাব। এর সমর্থনেও অনেক হাদিস আছে।

তৃতীয় প্রকার হলো যারা নিঃশব্দে আমীন বলে তাদের প্রতি বিদ্বেষমূলক ভাবে এত উচ্চস্বরে আমীন বলা হয় যেনো শ্লোগান ছুড়ে মারছে, এটা কোনো ইমামের মাজহাব নয়, এবং এর সমর্থনে কোনো হাদিসও নাই, সুতরাং এটাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে যেতে পারে।



গল্পটার হাস্যরসাত্মক কয়েকটা দিক আছে। প্রথমত নামাজের মতো একটি বিষয়ের যাচাই বাছাই করবার জন্য ইংরেজ বিচারকের নিযুক্তি। একজন ইংরেজ বিচারক থানবীর মতে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত কিংবা রায় দিতে পারে, ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ হিসেবে থানবীর লক্ষ্য আসলে আহলে হাদিসের নামাজ পড়বার ধরণটাকে কোনো ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার, কিন্তু নিজে ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ হয়েও আহলে হাদিসের এই নামাজের প্রথাটাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করবার মতো কোনো যৌক্তিক ভিত্তি খুঁজে না পেয়ে ইংরেজ বিচারকের বরাতে সেটাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করবার চেষ্টাটা।



এবং তৃতীয় তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো ইংরেজ বিচারকের সিদ্ধান্ত- সশব্দে আমীন বলাও সুন্নত, নিঃশব্দে আমীন বলাও জায়েজ, কিন্তু সশব্দে বললে, ঠিক কোন ভাবে বললে সেটা বিদ্বেষমূলক হয়ে যায় সেটা সম্পর্কে কোনো বক্তব্য না থাকা। এমন কি ইংরেজ বিচারক একটা সীমা নির্ধারণ করে দিলেও ভালো হতো। তবে ডুবন্ত মানুষ খড়কুটো আঁকড়ে ধরতে চায় না, এমন কি অনেক সময় মরা শ্যাওলা ধরেও ভাসতে চায়। আজকের হাসির কারণ এটাই। অবশ্য এই হাসিটা দিয়েছি ইসলামী শরিয়ত মেনেই, মুচকি হেসেছি, কোনো দাঁত দেখা যায় নি।

মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +১৪/-৯

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩১

আলমগীর কুমকুম বলেছেন: ব্যাপক আনন্দদায়ত পোস্ট, হাসি আসতেসে মাগার ... শরীয়ত মোতাবেক হাসির নিয়ম সম্বন্ধে কিছু লিখা নাইক্কা? এতোবড় ইসলামিক হাসির বই, শরীয়ত মোতাবেক না হাসলে কেমনে হবে?

২| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫

ব্রাইট বলেছেন: ফালতু বিষয়ে ফালতু পোস্ট দিয়া ফালতু সময় নষ্ট করায় ফালতু একটা -

৩| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৩

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: শরীয়ত মোতাবেক হাসি হইতেছে মুচকি হাসি.....রাসূলুল্লাহ যেভাবে হাসতেন সেইটাই শরীয়ত মোতাবেক হাসি@আলমগীর কুমকুম

আমার হাসিও নিতান্তই পৌত্তলিক....কি করি এখন???

" পৃথিবী সামান্য কয়েক দিনের অবস্থান স্থল, এতে যত ইচ্ছা হেসে নাও। অতঃপর পৃথিবী যখন মেষ[শেষ ] হয়ে যাবে এবং আল্লাহর সান্নিধ্যে উপস্থিত হবে, তখনই কান্নার পালা উপস্থিত হবে যা আর নিবৃত হবে না।"

তাইলে তো আল্লাহ'র সান্নিধ্য না পাওয়াই উত্তম। বেহেশতে কি তাইলে আল্লাহ'র সান্নিধ্য নাই? থানভী সাহেব এইটা কি শুনাইলেন? আল্লাহ'র সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য হইলেও আমি নরকবাসী হইতে চাই

৪| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৬

আলমগীর কুমকুম বলেছেন: শরীয়ত মোতাবেক হাসির ইমোটিকন কি হইবেক? @সামী মিয়াদাদ

৫| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৭

নাজিম উদদীন বলেছেন: মুচকি হাসলাম।
কমেডী সেন্ট্রালে এখন মিডলইস্টার্ন কমেডীয়ানদের ভাল কদর। তারা মুসলিম জোকস বলার চেষ্টা করে। মুসলমানরা যেরকম সিরিয়াস থাকে সববিষয়ে, তারা জোকস করতে পারে এটা অনেকে বিশ্বাস করতে পারে না।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৪

রাসেল ( ........) বলেছেন: মুসলমানদের সিরিয়াস কথাবার্তাতে যে পরিমাণ হাসির উপাদান থাকে তাতে আলাদা করে কমেডী সেন্ট্রালে মুসলিম কমেডিয়ানদের প্রয়োজন নেই, বরং কমেডী সেন্ট্রালে বাংলাদেশ থেকে কিছু নমুনা ভিডিও করে পাঠালেও চলবে ভালো।

ঢাকা শহরে প্রতি মাসে অন্তত ১টা ৩ থেকে ৪ দিনের ওয়াজ মাহফিল হয়, তাদের বক্তব্য ভিডিও করে পাঠালেও কমেডী সেন্ট্রাল অনেক জনপ্রিয় হয়ে যেতো।[ তুই এইটা কইরা পয়সা কামাইলে হাফ আমার, বাণিজ্যিক কনসাল্ট্যান্সি ফি]

একটাই কষ্ট করতে হবে, তাদের বক্তব্য ইংরেজী সাবটাইটেলে দিতে হবে।

৬| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৪

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: এইটা নিয়া আমিও চিন্তিত....থানভী সাহেব থাকলে উপকৃত হইতাম....মাগার এইরম কিচ্চু হইবার সম্ভাবনা আছে..... :|

৭| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৫

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: মজা পাইলাম। এই আশরাফ আলী থানবী বোধহয় পাকিস্তান জামায়াতের আধ্যাত্মিক নেতা। বাংলাদেশেও তার বইপত্র জামাতিদের পাঠ্যতালিকায় থাকে বলে জানি।

৮| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৫

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: @আলমগীর কুমকুম

৯| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৮

আলমগীর কুমকুম বলেছেন: অ, তাইলে ঠিকাসে... :| :| :|

১০| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১২

টিপটিপ বলেছেন: If you did have an honest desire to know about Islam and the Prophet (pbuh), you should have studied from the authentic sources, e.g. Al Quran, Sahih Hadidh (from Bokhari, Muslim, Tirmijee…). Instead, you are trying to pass some low rate comments on Islam and the Prophet and the teaching of Islam based on some roadside shopping in a way which is very much to laugh at. Such plebian remarks of yours amply suffice to make you biased.

How on earth do you believe in such writings without cross-checking your suspicion? Are you dumb? Don’t you have any access to any good library comprising books on Islam? Or actually you didn’t have any intention to learn the truth but to ridicule a religion?

Stop it..

In Bangladesh, there have already been thousands of people who gets a perverted delight teasing Islam and its Prophet. You needn’t add more..

If you are an atheist or anything…collect evidence and present it before public…don’t just climb on the band wagon...it’d be ridiculous.

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২২

রাসেল ( ........) বলেছেন: কমেডী কমেন্ট অফ দি ডে,

নাজিম তোরে কইছিলাম , মুসলমানরা যখন সিরিয়াস কথা বলে ,তখন বুঝা যায়, ওদের সেন্স ওফ হিউমার প্রখর, কিন্তু যখন হাস্যরসাত্মক কিছু বলতে যায় তখন পুরাটাই মার খায়,

হাসির কথা কইতে গেলেই মুসলমান সিরিয়াস হইয়া যায়,

আপাতত টিপটিপ ভাই কোথাও গিয়া টিপাটিপি করেন, যদি টিপাটিপির কিছু না থাকে, নিজের যা আছে তাতেই টিপাটিপি করেন।

১১| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৯

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: টিপটিপ এখন থাইকা জোরে হাসিবেন না....মুচকি হাসার প্র্যাকটিস করেনা

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৪

রাসেল ( ........) বলেছেন: সামী এরপর দেখা যাইবো ঠোঁট ভিতরে ঢুকাইয়া হাসবার চেষ্টা করতেছে, কেউ যদি দেখে তাহলে ভাববে ঠোঁট চাইপা কান্না থামানোর চেষ্টা করতেছে, কিন্তু ঘটনা আসলে উল্টা। শরীয়তী কেতা মাইন্যা হাসতেছে। জীবনটাই কনফিউশন।

১২| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৪

আলমগীর কুমকুম বলেছেন: টিপটিপ এখানে একটা বই নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কোন ইসলামিক বিষয় বা atheist নিয়া কিছু হচ্ছে না। ভাল লাগলে এইরকম মুচকি হাসো :| না লাগলে চুপচাপ বাড়িত গিয়া বুখারী তিরমিজী পড়ো।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৭

রাসেল ( ........) বলেছেন: এইটা বুঝলে হইছিলোই কাম।

৩টা পাব্লিক আইয়া মাইনাস দিছে, একটা কইছে ক্যান দিলো, বাকি দুইটা খাইলাম কেন এডি অহনতরি বুঝতে পারলাম না। মুসলমানের হাসি বিষয়টা কি মাইনাস হইয়া যাইবো?

১৩| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৬

নাজিম উদদীন বলেছেন: মুসলমানরা যখন সিরিয়াস কথা বলে ,তখন বুঝা যায়, ওদের সেন্স ওফ হিউমার প্রখর, কিন্তু যখন হাস্যরসাত্মক কিছু বলতে যায় তখন পুরাটাই মার খায় ।

হা হা হা .।

টিপটিপরে পাঠাই দিলে হবে, ইংরেজি ভালই জানে মনে হয়।

১৪| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৬

টিপটিপ বলেছেন: টুজক ব'ুটৃবIn Shihah Sittah, you’d be able to find that the Prophet (pbuh) was very much in the habit of laughing and while he laughed the followers (Sahabi) could see his beautiful teeth. So why you people talk like morons without even knowing the fact???

That’s just babyish!

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৩

রাসেল ( ........) বলেছেন: থানবীরে জিগাইলে হ্যায় ভালো কইতে পারতো, হ্যায় মইরা ভুত হইছে তাও মনে করেন ৭০ বছর, কব্বরে হাড্ডিগুড্ডি থাকলেও থাকতে পারে, সেই হাড় উঠায়া ঠকাঠক বাইড়ান নাইলে টিপেন, দেখেন হ্যায় কোনো উত্তর দেয় কি না।

১৫| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৭

সিমু নাসের বলেছেন: ডটেট...টিপটিপের সঙ্গে আলোচনা চালাইয়া যান। বই যে উদেশ্যে কিনছিলেন তার পয়সা উসুল করাতেই টিপটিপ এইখানে নাজিল হয়েছেন। আর আমরা বিনা ইনভেস্টমেন্টেই...

১৬| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৮

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: টিপটিপরে কই......আপনের ঘরে যে বেহেশতী জেওর নামক বইটা আছে, এবং যেইটা পইড়া আপনে আমি ইসলামের নিয়ম কানুন সম্পর্কে জ্ঞান সংগ্রহ করি সেইটা এই আশরাফ আলী থানভী সাহেবের লেখা

ঢাকা ইউনির ফুটপাত...নীলক্ষেত এইসব সম্পর্কে আপনার কি কোন আইডিয়া আছে?

১৭| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪১

টিপটিপ বলেছেন: Who the hell is Thanvi?!
What’s his importance here?
When there are genuine sources like Hadidh, why should you bother about that guy?
That’s funny!
Tell u what...u may make a lot of fun touching a filthy book written by a so-called “fast-class-fast”. But u ought not to hurt anyone’s sentiment just based on those cock n bull stories. It’ll prove your lack of prudence.
I know no Thanvi…but I know 1 thing very well…if I to blame any belief…first I must know it well.

১৮| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৫২

সোনার বাংলা বলেছেন:
হাসটে পারি নাই টাই মাইনাস ...... ডেয়া হইলো...

১৯| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৫৩

মাহবুব সুমন বলেছেন: দাঁত না বের করে মুসলমানি হাসি হাসলাম :)

২০| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭

তনুজা বলেছেন: আরও গর্বের হতে পারতো যদি তিনি ফার্স্ট ক্লাশ ফার্স্ট হতে পারতেন, সেটা হতে না পারায় অবশ্য লেখক কিংবা প্রকাশকের তেমন সমস্যা হয় নি।........

জটিল! পারেন ও ভাই। আমি তো আপনার ব্ণর্নার শুরুতেই হাসতে হাসতে.........

আপনার 'সেন্স ওফ হিউমারে'র প্রশংসা না করে পারলাম না

২১| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:১৮

রাজর্ষী বলেছেন: তনুজা বলেছেন: আরও গর্বের হতে পারতো যদি তিনি ফার্স্ট ক্লাশ ফার্স্ট হতে পারতেন, সেটা হতে না পারায় অবশ্য লেখক কিংবা প্রকাশকের তেমন সমস্যা হয় নি।........

২২| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬

মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: ভাল্লাগছে।

২৩| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

কুয়াশা বলেছেন: আপনি কি ভাবে নিশ্চিত হলেন এটা তানভি (রা:) নিজের লেখা বই। বাজারে বিশেষ করে রাস্তার ধারে নামী দামী অনেক বই পাওয়া যায়।

২৪| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২

হাসান বায়েজীদ বলেছেন: বইটা পড়ার ইচ্ছা করতেছে বস....ব্যাফক মজাইলাম....অবশ্যই প্লাস এবং মাঝে মাঝেই পড়ে মুসলিম হাসি হাসার জন্যে প্রিয়তে..

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.