| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কোন ফ্যাক্টরিতে ভিজিটে গেলে সবার আগে যে সাইনবোর্ড নজরে আসে তা হলো “Safety First”. আসলে এগুলো যে আই ওয়াশ তা সম্প্রতি হাশেম ফুড কারখানায় পুড়ে যাওয়া লাশ গণনা করলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
যদি লাভের পাশাপাশি সত্যিকার অর্থে ফ্যাক্টরিগুলো তাদের কর্মীদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার বিষয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তা করতো তাহলে এত লাশের মিছিল দেখা যেতো না।
হাশেম ফুড ব্যবস্থাপনা পর্যদের কাছে আমার কাছে কিছু প্রশ্ন:
১. অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপনে আপনাদের সত্যিই কোন ধরনের ব্যবস্থা ছিলো?
২. ফায়ার পাম্প ষ্টেশন এবং ফায়ার হাইড্রেন্ট কোথায়?
৩. ফায়ার এক্সটিংগুইশার কতটি ছিলো এবং মোট শ্রমিকের কত % সেটা চালাতে জানে এবং আদৌ তারা চালাতে জানে কিনা?
৪. ট্রেনিং প্রাপ্ত ফায়ার ফাইটিং টিম, ফায়ার এলামিং সিস্টেম আদৌ আছে কিনা?
৫. যে বিল্ডিং-এ আগুন লেগেছিলো সেটার অনুমোদন যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমোদনে হয়েছিলো কিনা? হয়ে থাকলে ইমারজেন্সি ফায়ার এক্সিট, ফায়ার ডোর এবং ইমারজেন্সি এসিম্বলি এরিয়া ছিলো না কেন?
শুধু টাকা কামানোর ধান্দা। উপরের ব্যাবস্থাপনা সঠিক ভাবে করলে আজ এত মৃত্যুর মিছিল দেখতে হতো না।
চিন্তা করুন একবার। যার যায় সেই জানে। এদের সবারই আজ ঘরে ফিরে একসাথে খাবার কথা ছিলো। অপেক্ষায় ছিলো আপনজনেরা। ঈদ নিয়ে সবা্রই আলাদা আলাদা প্লানিং ছিলো। পুজিবাদের উদাসীনতা সবকিছু শেষ করে দিলো।
সব মিলিয়ে ক্ষতিপুরন মাত্র ২ লাখ করে যা সর্বসাকুল্যে ১ কোটির আশেপাশে। চিন্তা করুন যেটা সজীব গ্রুপের Unclassified Loan (85.3 কোটি) only Mutual Trast Bank in 2015এর মাত্র 1.2%(প্রায়)।
আমার পরিচিত যারা এই কোম্পানিতে আছেন তাদের সবার নিরাপদে এবং সাবধানে থাকুন এবং আহত সকল শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ভাইবোন দের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং সকল নিহত শ্রমিক- কর্মচারী ভাইবোনদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
©somewhere in net ltd.