| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জজ সাহেব
আজকে Farabi Shafiur Rahman ভাই Facebook এ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের পটিয়া মাদ্রাসার অবদানের কথা জানিয়ে একটা Status দিয়েছেন। Farabi Shafiur Rahman এর পটিয়া মাদ্রাসা নিয়ে এই Status টা পড়তে আপনারা উনার Profile এ যান এই Link এ Click করে http://www.facebook.com/shafiur2012 এই Status টা না পড়লে নিশ্চিত মিস করবেন ভাই।
২|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৬
ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমান বলেছেন: পড়ে আসলাম। যে লিখা ছিল তা সবার সুবিধার্থে নিচে কপি করা হলো
"স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বেলাল মোহাম্মদ উনার “ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র” গ্রন্থের ৫৪,৫৫ ও ১০২ পৃষ্ঠায় লিখেছেন - “ হানাদার বাহিনী যখন এপ্রিল মাসে চট্রগ্রাম শহরে আসল এবং চট্রগ্রাম শহর পাক হানাদার বাহিনীর দখলে আসে তখন আমরা কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের ট্রান্সমিটার ও অন্যান্য বেতার যন্ত্রপাতি নিয়ে পটিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম। আমাদের সাথে তখন ছিল মেজর জিয়া। কর্ণফুলি নদী পার হয়ে পটিয়ার মাটিতে পারা দিয়ে মেজর জিয়াউর রহমান চিন্তা করছিল কোথায় তিনি আশ্রয় নিবেন। সেই সময় যুদ্ধের কারনে পটিয়া মাদ্রাসা ছুটি ছিল। পটিয়া মাদ্রাসার দায়িত্বে ছিলেন মুহাদ্দেস আল্লামা দানেশ রহমাতুল্লাহ আলিইহি। উনি তখন মেজর জিয়াউর রহমান কে পটিয়া মাদ্রাসায় আমন্ত্রন জানান। মেজর জিয়াউর রহমান ১ সপ্তাহ পটিয়া মাদ্রাসায় ছিলেন। ১ সপ্তাহ পর মেজর জিয়াউর রহমান ভারতের উদ্দেশ্যে পটিয়া মাদ্রাসা ত্যাগ করেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গোয়েন্দা মারফত তথ্য পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারে নি যে পটিয়া মাদ্রাসার সম্মানিত মুহাদ্দেস আল্লামা দানেশ ও অন্যান্য শিক্ষকরা মেজর জিয়াউর রহমান কে আশ্রয় দিয়েছিল। কিন্তু যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিশ্চিত হয় যে পটিয়া মাদ্রাসার সম্মানিত আলেমরা মুক্তিযুদ্ধ সমর্থন করেছে তখন ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল পটিয়া মাদ্রাসা উপর জঙ্গি বিমান দিয়ে বোমা বর্ষন করা শুরু করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর এই বোমা বর্ষনে পটিয়া মাদ্রাসার সম্মানিত মুহতামিম মুহাদ্দেস আল্লামা দানেশ রহমাতুল্লাহ আলাইহি ও পটিয়া মাদ্রাসার ক্বারী জেবুল হাসানের একজন মেহমান শহীদ হন এবং আরো অনেক সম্মানিত শিক্ষক গুরুতর আহত হন। মেজর জিয়াউর রহমান প্রায়ই এই পটিয়া মাদ্রাসার কথা বিশেষ করে আল্লামা দানেশ রহমাতুল্লাহ আলাইহির কথা বলতেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যে এই পটিয়া মাদ্রাসার বিশেষ অবদান আছে, পটিয়া মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহর কাছে যে মুক্তিযুদ্ধারা এসে দোয়া নিয়ে যেতেন, পটিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ ১৯৭১ সালে স্পষ্ট ফতোয়া দিয়েছিলেন যে আমরা মজলুম আর পাকিস্তানিরা জালেম মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করা ফরয এই তথ্য এখনকার কয় জন ছেলে জানে ? আমরা শুধু জানি যে রাজাকার আল বদর আল শামস এইসব বাহিনীর লোকেরা ইসলামের নাম ব্যবহার করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কে নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনীর গনহত্যা ধর্ষন কে সমর্থন করেছে কিন্তু আমাদের দেওবন্দ পন্থী কওমি মাদ্রাসার সম্মানিত আলেমরা যে মুক্তিযুদ্ধ কে সমর্থন করেছিল অনেক আলেম মুক্তিযুদ্ধ করেছিল এই তথ্য আমরা কয় জন জানি? এই বই মেলায় তো আপনারা অনেক বই কিনবেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযোদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধ কালীন আলেম সমাজের ভুমিকা জানতে দয়া করে যুগান্তর পত্রিকার সাবেক সাংবাদিক শাকের হোসাইন শিবলীর “ আলেম মুক্তিযোদ্ধার খোজে ” এই অসাধারন বইটি কিনুন। “ আলেম মুক্তিযোদ্ধার খোজে ” এই বইটিতে তথ্যপ্রমান দিয়ে অনেক আলেমের ১৯৭১ সালে তাদের মুক্তিযুদ্ধের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বইটি আল-ইসহাক প্রকাশনী, ৩৭, নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। সারাজীবন সংগ্রহে রাখার মত একটি বই। বইটির দাম ৪০০ টাকা।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের যে সক্রিয় রাজনৈতিক দল গুলি ছিল তা হল আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামি, নেজামে ইসলামী পার্টি, মুসলিম লীগ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী ওলামা পার্টি ছাড়াও দেওবন্দ মাদ্রাসা পন্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এই রাজনৈতিক দলটি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেছিল। দেশ স্বাধীন হবার পর বঙ্গবন্ধু জামায়াতে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম কে নিষিদ্ধ করলেও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম কে নিষিদ্ধ করেননি। দেশ স্বাধীন হবার জামায়াতে ইসলাম ও মুসলিম লীগের অনেক নেতা কর্মীকে রাজাকার আলবদর আল শামসে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেফতার করা হলেও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কোন নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়নি। আর পটিয়া মাদ্রাসার সম্মানিত মুহাদ্দেস আল্লামা দানেশ রহমাতুল্লাহ আলাইহি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারি সম্পাদক।"
৩|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৪৬
জজ সাহেব বলেছেন: সবাই দয়া করে Farabi Shafiur Rahman কে Follow করুন
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৩৯
সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর বলেছেন: ধন্যবাদ জানানোর জন্য। শুভকামনা রইলো।