নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই। ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি-ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুল্গুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

শরীরের উপর মোবাইল ফোনের প্রভাব.....

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৫৭

শরীরের উপর মোবাইল ফোনের প্রভাব.....

মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি অলস। এই অলসতার কারণ - Inactivity. অর্থাৎ - নিষ্ক্রিয়তা। আমি বলি - অকর্মণ্যতা।
এ নিয়ে গবেষণা হয়েছে অনেক। ২০০৩ সাল থেকে ২০১৭-এই সময়কালের মধ্যে মানুষ কী পরিমান অলস হয়েছে ইউরোপে, তা গবেষণা করতে গিয়ে দেখতে পেল যে - ইউরোপে মানুষ আগের চেয়ে ২০ পার্সেন্ট বেশি অলস হয়ে গেছে।
কিন্তু কেন অলস হয়ে উঠেছে?
শুরুতে উত্তরে বলেছিলাম - এই অলসতার কারণ - নিষ্ক্রিয়তা।
কিন্তু কি কারনে নিষ্ক্রিয়?
সেটি হল - মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোন! মোবাইল ফোন!

মানুষ এখন টিভির চেয়ে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকে বেশি অথবা মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকে অনেক বেশি। এক গবেষণায় দেখা গেছে - গড়ে মানুষ এখন দৈনিক সাড়ে তিন ঘন্টা থেকে সাড়ে চার ঘন্টা মোবাইল ফোনে কাটায়।
গড়ে একজন মানুষ দিনে ৫৮ বার মোবাইল ফোনটি হাতে নেয় (প্রেম ট্রেম করলে তো কথাই নেই! উঠতে-বসতে ফোনটাকেও চুমু খায়)।
প্রতিদিন তিন ঘন্টার উপর ধরলেও বছরে একটি মানুষ ৫০ দিন মোবাইল ফোনে কাটায়। সে হিসেবে বছরে বারমাসের প্রায় দুই মাস কেটে যায় মোবাইল ফোন দেখে দেখে। জীবনের আর কী বাকী থাকে। আধুনিক মানুষের অদ্ভুত সব ব্যাপার স্যাপার।
স্মার্টফোন মানুষকে কি আসলেই স্মার্ট করে তুলেছে! নাকি মানুষ আগের চেয়ে আরো বেশি আনস্মার্ট করছে। যন্ত্রের সামনে বসে থাকতে-থাকতে মানুষের এই নিষ্ক্রিয়তা শরীরকেও খেয়ে ফেলে। যন্ত্রের আনন্দে বিভোর থাকে বলে শরীরের যন্ত্রণা ভুলে থাকে। কিন্তু যন্ত্র থেকে উঠিয়ে নিলে শরীর যে যন্ত্রনা শুরু করে, সেটা কাটাতে পারে না।

গবেষকগণ বলেছেন, ৩০ থেকে ৪৫ বছর বয়সের লোকেরা বেশি সময় এখন মোবাইল ফোনে কাটায়। কিশোর তরুণরাও এখন অনেক বেশী সময় দেয় ফোনে। অথচ কিশোর-তরুণদের আরো বেশি উদ্দাম এবং শারীরিক অ্যাকটিভিটিতে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল।
মানুষ এখন গড়ে তিন ঘন্টা করে সময় দিলে তার দেড় ঘণ্টায় দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর ঠিক এই কারনে এখন দেখা গেছে যে- ৪০ এর আগেই অনেকের শরীরে ডায়াবেটিস এবং হার্টের বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতা দেখা দিচ্ছে।
সারা পৃথিবীতে এখন প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রতি এগারোজনে একজনের ডায়াবেটিস। প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মানুষ ডায়াবেটিস আক্রান্ত পৃথিবীতে।
বাংলাদেশে এখন ৭ মিলিয়ন বা ৭০ লক্ষ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ১২ কোটি মানুষ প্রাপ্তবয়স্ক। এই ১২ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় এক কোটির কাছাকাছি লোকই ডায়াবেটিস আক্রান্ত। পাশের দেশ ভারতেও প্রায় ৮০ মিলিয়ন লোক ডায়াবেটিস আক্রান্ত এখন। সাথে কম বয়সে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মারা যায় এখন হার্টের বিভিন্ন ধরনের সমস্যায়।
ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফোন আসক্ত জাতি ব্রিটিশরা। গবেষণায় দেখা গেছে যে - ব্রিটিশ জনগণ গড়ে ৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট প্রতিদিন ফোনের পেছনে ব্যয় করে। শুধু ফোন নিয়ে অযথা বসে থাকার কারণে বছরে প্রায় ৮০ হাজার এর উপরে মৃত্যু হয়। সারা পৃথিবীতে এরকম অলসতার কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক মিলিয়ন।

পশ্চিমা সরকারগুলো শিশু কিশোরদের দৈনিক দেড় ঘণ্টার বেশি ফোনে সময় না দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেন।
বাংলাদেশ লোকজন গড়ে ৪ ঘন্টার উপরে ফোনে সময় দেয়। ৫ ঘন্টার উপরে সময় দেয় ২৮% এর মতো। এমনকি ছয় ঘন্টার উপরেও সময় দেয় ১২ পার্সেন্ট এর মতো। তার মধ্যে আবার দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ফোনের পেছনে এই নিষ্ক্রিয়তা কিডনি থেকে শুরু করে ডিপ্রেশন, আর্থ্রাইটিস থেকে শুরু করে হজম সমস্যা, ইমিউনিটি থেকে কার্ডিয়াক সমস্যা, কত কিছুতেই যে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, নিজেরাই জানেনা।
তাহলে কি করবেন?

• ফোনের ব্যবহার কমিয়ে দিন।
• অন্যকিছুতে নিজেকে অ্যাক্টিভ করুন এবং অ্যাক্টিভ রাখুন।
• দৈনন্দিন জীবনে শারীরিক পরিশ্রমের কাজ বাড়িয়ে দিন।
• সে সুযোগ কম থাকলে ব্যায়াম করুন, হাঁটুন।
• ঘরে মহিলারা কাজের লোকের উপর নির্ভর না করে নিজ হাতে কাজ করুন।
• ফোনে বেশি অলস সময় না দিয়ে প্রিন্ট ফরমেটে ভালো একটি বই পড়ুন, গান শুনুন, প্রকৃতির কাছে যান, বাগান করুন।
• সামাজিক সাক্ষাতে গল্প করুন, ফোনে নয় সাক্ষাতে কথা বলুন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষকে এখন সবচেয়ে বেশি অসামাজিক করে তুলেছে। সামাজিক শব্দটি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে মানুষকে প্রলুব্ধ করে সবচেয়ে বেশি অসামাজিক করেছে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এবং মিডিয়া। এই দানবদের হাত থেকে বেরিয়ে আসুন।
অ্যান্ড্রয়েড এবং অ্যাপেল, দুটোতেই একটি অ্যাপস আছে। সেটি হলো - স্ক্রিন টাইম।
আপনি কত সময় স্ক্রিনে সময় কাটাচ্ছেন, তার একটি সাপ্তাহিক হিসাব। আমি নিজে এটি ব্যবহার করি। কতটা সময় আমি অপব্যয় করছি এখানে, তা বুঝতে পারি এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
সপ্তাহে আমার গড় স্ক্রিন টাইম ১৫ ঘণ্টা! দৈনিক প্রায় দুই ঘন্টা!! ফেসবুকে লেখালেখি করি। আমার লেখাটি লিখি। মুখে মুখে লেখা লিখি বলে বেশি সময় লাগেনা। এমনকি এই লেখাটিও ফোনে কফি খেতে খেতে মুখে মুখেই লিখছি। সামাজিক মাধ্যমে ভালো লেখা নিয়মিত পড়ি। সময় বাচাতে মন্তব্য লেখার চাইতে ইমোজি ব্যবহার করি। সবচেয়ে বড় কথা - স্বাস্থ্য এবং শরীরকে নিরাপদ রাখি। টিভি দেখি না তেমন।

কাজের সময় কাজ, পরিশ্রমের সময় পরিশ্রম, বিনোদনের সময় বিনোদন, ঘুমের সময় ঘুম।
ফোনে সময় দেয়া নিয়ন্ত্রণ করুন। সামাজিক মাধ্যমে নিজের পছন্দের একটি বলয় তৈরি করুন। ভালো কোন লেখা মনোযোগ সহকারে পড়ুন। অনেক আবর্জনা এবং অপ্রয়োজনীয় লেখা পড়ে চোখ এবং মাথা নষ্ট না করুন।
একমুখী কোন কিছুই ভালো নয়।
ভারসাম্যের আরেক নাম জীবন।
শরীর এবং মন দুটোই ভাল থাকবে।

তথ্যসূত্রঃ
The End of Absence - Michael Harris
The Guardian

মন্তব্য ৩১ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:০৮

আমি সাজিদ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। ধন্যবাদ।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৩৬

জুল ভার্ন বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৫৫

মাসুদুর রহমান (শাওন) বলেছেন: বিশেষ করে স্মার্ট ফোনের প্রভাব বেশি...

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৩২

জুল ভার্ন বলেছেন: রাইট।

৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:০৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
লেখার শিরোনামের একটু সংশোধন করা যেতে পারে
যেমনঃ মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহারে শরীরের উপর প্রভাব।
অর্থাৎ একটি অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা হলে শিরোনামটি যথার্থ
হেতো।
একাধিক গবেষণার বরাতে হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা
হয়েছে, মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহারে শারীরিক ও মানসিক সমস্যায়
পড়ছেন ব্যবহারকারীরা। মার্কিন গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেছেন,
টয়লেট সিটের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে ফোনে।
মুঠোফোন নিয়মিত পরিষ্কার না করায় এটি জীবাণুর অভয়ারণ্য হয়ে ওঠে।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৩৬

জুল ভার্ন বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৩৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: যেতই প্রভাব পড়ুক ফোন হতে এখন কেউ দুরে থাকতে পারবে না তবে সাবধান থাকতে হবে

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৩৭

জুল ভার্ন বলেছেন: সাবধান হয়ে কি হবে যেখানে সেলফোন আমাদের নিত্য সংগী।

৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৩৫

আড়ালি বলেছেন: সচেতনতামূলক সুন্দর পোষ্ট , কিন্ত এক মূহুর্ত ফোন হাতে না থাকলে মনে হয় জীবন থেমে আছে ।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৩৮

জুল ভার্ন বলেছেন: ফোনের বিকল্প নাই।

৬| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: দারুন একটা পোষ্ট দিয়েছেন। দরকারী পোস্ট।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪১

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সচেতনতামূলক পোস্টে ভালোলাগা।
শুভেচ্ছা নিয়েন ভাইজান।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪২

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।

৮| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: ভালো লিখেছেন। নিতান্তই বাস্তব কথা। এখনকার মোবাইলগুলিতে কলের কাজই কম হয়। বরং অন্যান্য ইউজ বেশি করা হয়।
স্মার্টফোন আসলেই দৈনিক অনেকগুলি সময় অপচয় করতে বাধ্য করে।
সচেতনতামূলক পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৩

জুল ভার্ন বলেছেন: আমরা সবাই কমবেশী একই পথের পথিক।

শুভ কামনা।

৯| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:২৭

ওমেরা বলেছেন: ভালো কথাই তো বলেছেন , কিন্ত শুনার টাইম নাই । আমি বন্ধি মোবাইল ফোনে ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জনসচেতনতামূলক পোষ্টের জন্য ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৬

জুল ভার্ন বলেছেন: দূর্ভাগ্যজনক সত্য, ছেলে বুড়ো আমরা সবাই ফোন বন্দী।

১০| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৪৮

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ফোনই মনে হয় মানুষকে আরও অসামাজিক করে তুলছে।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৭

জুল ভার্ন বলেছেন: আলবাত।

১১| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৩১

রানার ব্লগ বলেছেন: প্রযুক্তি মানুষ কে আলস করে দিচ্ছে।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ঠিক।

১২| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:১১

মিরোরডডল বলেছেন:



উঠতে-বসতে ফোনটাকেও চুমু খায়

হা হা হা ...... তাই নাকি ?

একটা সময় ফ্যামিলি ফ্রেন্ডসদের ফোন নাম্বার জানতাম আর এখন দু একটা ইমারজেন্সি ছাড়া কোনও নাম্বার মাথায় নেই, সম্পূর্ণ ফোনের ওপর ভরসা । মাঝে মাঝে ভুল করে ফোন বাসায় রেখে অফিস গেলে কি যে অসহায় লাগে :(

ভারসাম্যের আরেক নাম জীবন

সেটাই কথা, কোনকিছুই অতিরিক্ত ভালো না, ব্যাল্যান্স করে চললে সবকিছুই ঠিক আছে ।




০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:১৭

জুল ভার্ন বলেছেন: বাস্তবতা।

১৩| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:২২

অজ্ঞ বালক বলেছেন: ছুপার পোস্ট, ভালা হইসে। যাই, এই নিয়া ফেসবুকে সাড়ে তিন পাতার একটা পোস্ট কইরা আসি।

১৪| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: ২৪ ঘন্টাই মোবাইল সাথে থাকে। মোবাইল ছাড়া এক মুহূর্ত ভাবতে পারি না।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:১৮

জুল ভার্ন বলেছেন: জীবন এখন মোবাইল ফোন নির্ভর!

১৫| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:০৭

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আমি নিজেই তো ৩৫-৪৫ এর ফ্যকড়ায় ধরা খাইছি মনে হচেছ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আসলেই অসামাজিক করে তুলছে। দেখা গেছে এক যায়গায় ৪/৫ জন বন্ধু বসে থেকে সবাই ফেসবুকে মগ্ন! যেনো কাছের লোককে পাশে রাখো, দুরের লোকের খবর রাখো...

এ থেকে বের হওয়ার যে উপায় বাতলেছেন, তা মানার উপায় আছে কি না, সেটাই একটা বড় প্রশ্ন।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৪৬

জুল ভার্ন বলেছেন: ফলাফল যাই হোক-চেষ্টা করবো।

১৬| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

করুণাধারা বলেছেন: ভালো পোস্ট।

ধন্যবাদ আপনাকে এই পোস্ট দেবার জন্য।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৪৭

জুল ভার্ন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.